17/07/2019
ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব শাহ মিজান শাফিউর রহমান বিপিএম (বার) পিপিএম, জনাব মোঃ সাঈদুর রহমান পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ (অপরাধ) উত্তর'দ্বয়ের এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় ডিবি উত্তরের একটি চৌকস দল জনাব মোঃ আবুল বাসার পিপিএম (বার) অফিসার ইনচার্জ ডিবি উত্তর এর নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ আশরাফুল আলম সঙ্গীয়, এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম, এএসআই জাহিদ, এএসআই আজহারুল সহ এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করিয়া মামলার প্রধান আসামি শহীদ ও তার সহযোগী আসামী জুয়েল, শাহাবুদ্দিন, আরজু বেগম'দের ভোলা জেলার দৌলতখান থানার জয়নগর গ্রাম হতে গ্রেফতার করা হয়। আসামির স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে আসামি শহীদ এর নির্মানাধীন বাড়ীর সামনে মাটির নীচ হতে ২০ লক্ষ টাকা এবং তার স্ত্রী আরজুর নিকট হতে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার মোট ২৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। মামলার আসামি গ্রেফতার ও উদ্ধার কাজে সার্বিক সহায়তা করেন মামলার বাদী মোঃ জাহিদুল হাসান মীর, হেড অব এইচ আার এ্যাডমিন, এজেআই গ্রুপ। ডিবি উত্তর ঢাকা জেলার অফিসারদের কর্মদক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হন। আবারো প্রমান করলো "পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ " ঢাকা
জেলার পুলিশ সুপার জনগণের আস্থাভাজন পুলিশ কর্মকর্তা।
-অনন্ত জলিল
মূল ঘটনা :
আমার ভক্তদের কাছে আমি আজকে একটি সাহায্য চাচ্ছি।
আপনারা সবাই জানেন ১৯৯৬ সাল থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত এ জে আই গ্রুপ সুনামের সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে ।
আজ আমার ফ্যাক্টরির এক ড্রাইভার মোঃ শহীদ মিয়া/ শহীদ বিশ্বাস ৫৩ লক্ষ টাকা ফ্যাক্টরির গ্যাস বিল না দিয়ে টাকা গুলো নিয়ে পালিয়ে গেছে । সর্বমোট ৫৭ লক্ষ টাকা ।
ফ্যাক্টরির একজন একাউন্টেন্ট মো: জহিরুল ইসলাম
তার সঙ্গে ছিল জহির সোনালী ব্যাংকে ভ্যাট দিতে ঢুকে ছিল এবং গাড়িতে টাকাগুলো সহ ড্রাইভারকে সাবধানে দেখাশোনার জন্য বলে গিয়েছিল । মো: জহিরুল ইসলাম (জহির) সোনালী ব্যাংকে যাওয়ার পর সে সুযোগ বুঝে টাকাগুলো নিয়ে গাড়ি রেখে পালিয়ে যায় । (জহিরের ভাষ্য মতে)
আমি তার যাবতীয় ইনফরমেশন শেয়ার করলাম ।
অলরেডি থানায় মামলা করা হয়েছে।
পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একাউন্টস মোঃ জহিরুল ইসলাম জহির এর যোগসাজশে ড্রাইভার শহীদ বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে গ্যাস বিলের ৫৩ লাখ টাকা সহ মোট ৫৭ লাখ টাকা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আত্মসাত করেছে । জহিরের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা পাওয়া গেছে ।
জহির থানা - পুলিশের হেফাজতে রয়েছে ।
এ ঘটনার পর এদিকে ফ্যাক্টরিতে আরো খোঁজখবর নিয়ে আরো বেশ কিছু অর্থ আত্মসাতের সাথে জহির এর জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে ।