PIULY Fashion Home

PIULY Fashion Home If you want good quality & reasonable prices cloths & apparels,You Can knock me anytime. Remember--"Its A Trusted Home Shop"

  ゚ ゚     FollowingBMWFollowingরাজনীতি - Rajniti
26/04/2026

゚ ゚ FollowingBMWFollowingরাজনীতি - Rajniti

     ゚অা মিন....৷*_যে ১৫ আমলে অবিরত রিজিক বাড়ে..._*মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি অনেক দয়াশীল। তিনি মানুষের প্রতি দয়া করে কিছ...
05/11/2025



অা মিন....৷

*_যে ১৫ আমলে অবিরত রিজিক বাড়ে..._*

মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি অনেক দয়াশীল। তিনি মানুষের প্রতি দয়া করে কিছু আমলের বরকতে রিজিক বাড়িয়ে দেন। সমাজে অবহেলার কারণে অনেক মানুষ সাধারণত এসব কাজ থেকে বিরত থাকে। কুরআন-সুন্নাহর ঘোষণায় রিজিক বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি আমল আছে। সেগুলো কী...?

বরকত মানুষের জন্য জরুরি বিষয়। এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা দীর্ঘ হায়াত পেয়েছেন, সে হিসেবে ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি কিংবা আমল-ইবাদতেও বরকত নেই। আবার অনেকে কঠোর পরিশ্রম করেন কিন্তু প্রাপ্তি সেভাবে আসে না। কাজে কোনো বরকত নেই।

পক্ষান্তরে এমন অনেক লোক আছেন, যারা কম হায়াত পেয়েছেন কিন্তু ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতি, আমল-ইবাদতে বরকত লাভ করেছেন। অনেক অল্প পূজিতে ব্যবসা এবং অল্প বেতনে চাকরি করার পরও তার রিজিকের অভাব নেই। পরিবারে অফুরন্ত বরকত।

সুতরাং সব কাজে বরকত অনেক জরুরি বিষয়। আর বান্দার রিজিক বৃদ্ধির কার্যকরী উপায়গুলো হলো-

১.নিয়মিত তাওবাহ ইসতেগফার করতে থাকা-
হরজত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যারা বেশি বেশি তাওবাহ-ইসতেগফার করে; তাদের সামনে যত সংকটই (অভাব) থাকুক না কেন, মহান আল্লাহ তাআলা তা সমাধান করে দেন।’ (মুসতাদরেকে হাকেম)
সুতরাং প্রতিনিয়ত বিনয় ও আন্তরিকতার সাথে বেশি বেশি তাওবাহ-ইসেতগফার করা।

২.আল্লাহর রাস্তায় দান বা ব্যয় করা-
যারা আল্লাহর রাস্তায় দান করে,আল্লাহ তাআলা তাদের বেশুমার রিজিক দান করেন মর্মে মহান আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে এভাবে ঘোষণা করেন-
‘(হে রাসুল! আপনি)বলুন, নিশ্চয়ই আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিজিক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং তিনিই উত্তম রিজিকতা।’ (সুরা সাবা : আয়াত ৩৯)

৩.তাকওয়ার ওপর অটল থাকা-
আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস এবং তাকে ভয় করলে তিনি বান্দার প্রতি বরকত বা কল্যাণ দান করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন,
‘আর যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন। আর তাকে তার ধারণাতীত উৎস হতে রুযী দান করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করবে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট হবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই। আল্লাহ সবকিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা।’ (সুরা তালাক : আয়াত ২-৩)

সুতরাং শিরক, কুফর ও নেফাক থেকে নিজেদের ঈমানকে হেফাজত করতে হবে। সব হারাম থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আল্লাহকে সব বিষয়ে বেশি বেশি ভয় করতে হবে। তবেই আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার জন্য আসমানি ও জমিনের সব রিজিকে বরকতের দুয়ার খুলে দেবেন।

৪.আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা-
আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে বরকত ও কল্যাণ নেমে আসে। এটি অনেক পরীক্ষিত একটি আমল। আত্মীয়-স্বজন তথা মা-বাবা, ভাই-বোন তথা রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা। হাদিসে এসেছে-
হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কামনা করে যে, তার রিজিক বাড়াতে চায় বা প্রশস্ত করতে চায়; তার হায়াত বা আয়ুকে দীর্ঘ করতে সে যেন আত্মীয়-স্বজন, পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

https://chat.whatsapp.com/CV4Pf1LObkRCVu7FUWBE7P?mode=ems_copy_t

https://chat.whatsapp.com/J3WZ3DnFASj8MoTKNJZ49y

৫.বার বার ওমরাহ করা-
যারা অভাব কমাতে চায়, গোনাহ কমাতে চায় তাদের জন্য বার বার ওমরাহ করা জরুরি। হাদিসে এসেছে-

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ওমরাহ করে; ওমরাহ তার গোনাহ, তার অভাব অনেক দূরে পাঠিয়ে দেয়।’ (তিরমিজি)

৬.বিয়ে করা-
রিজিক বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকরী আমল বিয়ে করা। যারা অবিবাহিত তারা নেক নিয়তে বিয়ে করলে মহান আল্লাহ তাদের অভাব দূর করে দেবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা নুর : আয়াত ৩২)

৭.আল্লাহর কাছে বেশি বেশি প্রার্থনা করা-
অভাব থেকে মুক্ত থাকতে চাইলে, রিজিকে বরকত পেতে চাইলে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়ার বিকল্প নেই। যে কোনো বিষয়ে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করার কথা মহান আল্লাহ এভাবে বলেছেন-
‘তোমাদের প্রতিপালক বলেন, ‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। যারা অহংকারে আমার উপাসনায় বিমুখ,ওরা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা গাফির/মুমিনুন : আয়াত ৬০)

৮.অসহায়দের প্রতি সদয় আচরণ ও দান করা-
দান ও সদাচরণে রিজিক বাড়ে। রিজিক বাড়াতে চাইলে অসহায়-অভাবিদের প্রতি সদয় আচরণ করা। অভাবিদের প্রতি দয়া করলে আল্লাহ রিজিক বাড়িয়ে দেন। হাদিসে এসেছে-

অসাহয়ের প্রতি দান ও সদাচরণের এ তাগিদ দিয়েছেন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ‘দান করার কিছু যদি না থাকে তবে একটি খেজুরের অংশ দিয়ে হলেও দান করার মাধ্যমে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার চেষ্টা কর।’

৯.ইবাদতের জন্য নিজেকে ব্যস্ত রাখা-
ইবাদত তথা নামাজে খুব বেশি মনোযোগী হওয়া। নিজে যেমন প্র্যত্যেক ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে তেমনি পরিবারের লোকদের নামাজ পড়ানো ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। আর তাতে আল্লাহ রিজিক বাড়িয়ে দেবেন বলে এভাবে ঘোষণা করেছেন-

‘আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাজের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোনো রিজিক চাই না। আমি আপনাকে রিজিক দেই এবং আল্লাহকে ভয় করার পরিণাম শুভ তথা কল্যাণকার।’ (সুরা ত্বাহা : আয়াত ১৩২)

১০.যে কোনো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন খাবার খায় আর যদি বিসমিল্লাহ বলে; তবে শয়তান ওই খাবারে অংশ নিতে পারে না। যেটুতু খাবার আছে তা (পরিমাণে কম হলেও) তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।

অনুরূপভাবে কেউ যদি ঘরে প্রবেশ করার সময় বিসমিল্লাহ বলে তখনও শয়তান তার সঙ্গে বাসায় ঢুকতে পারে না। এভাবে বান্দা যখন সব কাজ বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে, তখন শয়তান সব কাজ থেকে মাহরুম হয়। আর আল্লাহ তাআলা সব কাজেই বরকত দান করেন।

১১.কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো-
কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো খুবই জরুরি। কুরআন তেলাওয়াত, অধ্যয়ন এবং কুরআন অনুযায়ী জীবন গড়া। যে যতবেশি কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াবে তার জন্য ততবেশি বরকত নেমে আসবে।

যে ঘরে কুরআন তেলাওয়াত হবে, কুরআনের চর্চা হবে, কুরআনের ওপর আমল করা হবে, সে ঘরেই নেমে আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে বরকত ও কল্যাণ। আল্লাহ তাআলা একাধিক আয়াতে বলেন-

‘এটি এমন একটি কিতাব, যা আমি অবতীর্ণ করেছি, খুব মঙ্গলময়, অতএব, এর অনুসরণ কর এবং ভয় কর; যাতে তোমরা করুণাপ্রাপ্ত হও।’ (সুরা আনআম : আয়াত ১৫৫)

অর্থাৎ যারা কুরআনুল কারিমের অনুসরণ করবেন,তাদের জন্য এ কিতাব হবে বরকতের কারণ। আর যারা এ থেকে দূরে সরে যাবে তা হবে তাদের জন্য অমঙ্গলজনক হওয়ার কারণ।

১২.সকালবেলা কাজ শুরু করা-
দিনের শুরুতে কাজ শুরু করা। যদি কারো অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য একটু বেলা করে হয় তাতে কোনো অসুবিধা নেই। বরং নিজ ঘরের কাজ দিয়ে হলেও সকাল সকাল কাজ শুরু করা। কেননা সকালবেলার কাজে আল্লাহ তাআলা বরকত দান করেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করেছেন-

اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا

হে আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতকে সকালবেলা বরকত দান করবেন।

অন্য বর্ণনায় এসেছে- তিনি বলেছেন, আমার উম্মতের জন্য সকালবেলার সময়টাতে বরকত দেয়া হয়েছে।

সুতরাং কেউ যদি সকালের সময়টিতে ঘুমিয়ে থাকে তবে কিভাবে বরকত আসবে। এ কারণেই দিনের শুরুতে মহান আল্লাহর নাম নিয়ে কাজ শুরু করার মাধ্যমে বরকত ও কল্যাণ করা জরুরি।

১৩.আল্লাহর ওপর ভরসা করা-
বরকত লাভের অন্যতম চাবি বা আমল হলো আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করা। মুমিন যত বেশি আল্লাহর ওপর ভরসা করবে আল্লাহ ততবেশি তাকে সাহায্য করবেন। পক্ষান্তরে আল্লাহর প্রতি আস্থা, নির্ভরতা বা ভরসা যতি বেশি কমবে, সে ততবেশি অপমাণিত ও লাঞ্ছিত হবে। হাদিসে এসেছে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- ‘আল্লাহর প্রতি যেরকম ভরসা বা আস্থা রাখা দরকার, তোমরা যদি সেই মাপের আস্থা রাখতে পার, তাহলে আল্লাহ তাআলা পাখিকে যেভাবে রিজিক দেন তোমাদেরও সেভাবে রিজিক দেবেন।’

১৪.সালামের ব্যাপক প্রচলন করা-
পরিপূর্ণ,সুস্পষ্ট বিশুদ্ধ সালামের ব্যাপক প্রচলন করা বরকত লাভের অন্যতম মাধ্যম।পরিপূণ সালাম হলো-
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَ رَحْمَةُ اللهِ وَ بَرَكَاتُهُ
উচ্চারণ : ‘আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।’

অর্থ : ‘আপনার উপর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।’

এ সালামের পুরোটাই শান্তি, রহমত ও বরকতের দোয়া। যারা নিয়মিত বেশি বেশি সালামের ব্যাপক প্রচলন করার চেষ্টা করেন। ঠিক সালামের উত্তরদানকারী ব্যক্তিও ঠিক একই দোয়া করেন-
‘আপনার ওপরও শান্তি, রহমত ও বরকত নাজিল হোক।’

সুতরাং জীবনে বরকত লাভে সহজ ও প্রচলিত এ আমলগুলোর প্রতি একটু খেয়াল রাখলেই বা যত্নবান হলেই জীবনে নেমে আসবে অবিরত রহমত, বরকত।

১৫.আল্লাহর জন্য হিজরত করা-আল্লাহ তাআলা অনেক নেয়ামত দুনিয়া জুড়ে ছড়িয়ে রেখেছেন,তা অনুসন্ধানে হিজরত বা দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করা। আল্লাহ তাআলার দুনিয়াব্যাপী ভ্রমণ তথা রিজিকের তালাশ করা।

উল্লেখিত কাজগুলো যথাযথভাবে আদায় করতে পারলে মহান আল্লাহ বান্দার সব অভাব দূর করে দেবেন। রিজিকে বরকত দেবেন ইনশাআল্লাহ।
(সংগৃহীত)
------ ------

( মৃত্যু আসবে যখন তখন...
প্রস্তুতি নিব কখন...?
সজাগ যদি না হয় এখন...?
আসুন আল্লাহকে ভয় করি,সুন্নতী জীবন গড়ি,মৃত্যুকে স্মরণ রেখে পথ চলি...)____ ______

Alhumdulillah..............
22/10/2025

Alhumdulillah..............

জীবনে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয় তারা, যারা নামেই আপনজন কিন্তু কাজে শত্রুর থেকেও ভয়ংকর। শত্রু সামনে থেকে আঘাত করে, তাই তার ক্ষ...
08/09/2025

জীবনে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয় তারা, যারা নামেই আপনজন কিন্তু কাজে শত্রুর থেকেও ভয়ংকর। শত্রু সামনে থেকে আঘাত করে, তাই তার ক্ষতি মানুষ সামলাতে পারে। কিন্তু ভুয়া আপনজনরা হাসিমুখে কাছে এসে অন্তরে আঘাত করে, অজান্তেই ধ্বংস ডেকে আনে।
এদের আঘাত হৃদয়ের গভীরে লাগে, কারণ ভরসা করেই মানুষ তাদের কাছে যায়। তাই আপনজনকে শুধু নাম দিয়ে নয়, কাজ দিয়ে চিনতে হবে। সত্যিকারের আপনজন কষ্টে পাশে দাঁড়ায়, স্বার্থের জন্য আঘাত করে না। আর যারা মুখে আপন, কিন্তু মনে শত্রু—তাদের থেকে দূরে থাকাই জীবনের জন্য নিরাপদ।
Collected....লেখা- আরিফুল হাসান

24/06/2025

যারা, ভিন্নধর্মী হয়ে আপনার ধর্মের প্রতি বেশি দরদ দেখায়, তাদের বেশিরভাগই ইতিহাসে গুপ্তচর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে! ধর্ম এমন বিষয় এটি নিয়ে খেলা করে যারা তারা বড় খেলোয়াড়। এদেরকে সন্দেহের চোখে দেখতে শিখুন। ইরানের আজকের ধংশের পেছনে ছুপা হিজাবপ্রেমী ইসরাইলি গুপ্তচরের ভুমিকা এখনো আলোচিত হচ্ছে। ফ্রাইডে পোস্টের সৌজন্যে

‘ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অভিজাত শ্রেণির মধ্যে ঢুকে পড়া এক ইউরোপীয় ইহুদি নারী—যিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, নিজেকে শিয়া রূপে উপস্থাপন করে রাষ্ট্রীয় মিডিয়াতে নিয়মিত জায়গা করে নিয়েছিলেন—তিনি কি শুধুই একজন গবেষক, না কি মোসাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের অংশ? ফরাসি নাগরিক কাথরিন পেরেজ শাকদামকে ঘিরে এ প্রশ্ন এখন গোটা মধ্যপ্রাচ্যে তীব্রভাবে আলোচিত।

প্রথমে তাকে দেখা গিয়েছিল প্রেস টিভির বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষক হিসেবে। তিনি ইয়েমেন যুদ্ধ, সৌদি নীতিমালা ও ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান নিয়ে প্রবন্ধ লিখতেন, যা তাসনিম, মেহর এবং এমনকি সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই পরিচালিত ওয়েবসাইটেও প্রকাশ পেত। কিন্তু সম্প্রতি আরব গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ছবি।

স্কাই নিউজ আরবিয়া এবং মিশরি আল-ইয়োমসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, শাকদাম ইরানে প্রবেশ করেন ফরাসি পাসপোর্টে। তিনি নিজেকে এক মুসলিম নারী এবং একজন ইয়েমেনি পুরুষের স্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করেন। তার শিয়া ধর্মীয় আনুগত্য এবং ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সহানুভূতি তাকে ইরানি অভিজাত মহলের ভেতরে প্রবেশে সহায়তা করে। এমনকি ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগও গড়ে তোলেন তিনি। আর এভাবেই, অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি অন্তত ১০০ জন ইরানি কর্মকর্তা, রাজনীতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করেন।

স্কাই নিউজ আরবিতে বলা হয়, “তাকে একজন ধর্মভীরু পর্দানশীন মুসলিম নারীর ছদ্মবেশে দেখা গেলেও বাস্তবে সে ছিল উচ্চ-প্রশিক্ষিত একজন এজেন্ট, যিনি সুনির্দিষ্ট টার্গেট নিয়ে এসেছিলেন।”

যদিও প্রথম দিকে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি, পরে জানা যায় যে আলোচিত ব্যক্তিটি হলেন ক্যাথরিন পেরেজ-শাকদাম। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি, তেহরান টাইমস সহ একাধিক সংবাদমাধ্যম তড়িঘড়ি করে তার লেখা সকল প্রতিবেদন সরিয়ে ফেলে। এমনকি খামেনেই ডট আইআর ওয়েবসাইট থেকেও তার সব লেখা মুছে দেওয়া হয়।

ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া পেরেজ-শাকদাম নিজেকে পরিচয় দিতেন একজন সাংবাদিক ও বিশ্লেষক, যিনি একজন ইয়েমেনি নাগরিককে বিয়ে করে শিয়া ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং হিজাব পরতেন। তার লেখায় তিনি ইসরায়েল ও সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক বক্তব্য রাখতেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধকে সমর্থন করতেন এবং ইরান সরকারের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন।

তিনি MintPress News সহ একাধিক স্বাধীন সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত লিখতেন।

কিন্তু ২০২২ সালে "দ্য টাইমস অব ইসরায়েল"-এ প্রকাশিত নিজের লেখা কয়েকটি নিবন্ধে পেরেজ-শাকদাম জানান, কিভাবে তিনি "দানবের পেটের ভেতরে" — অর্থাৎ তেহরানে — প্রবেশ করেছিলেন।

তিনি লেখেন, “আমি আমার প্রকৃত পরিচয় বা উদ্দেশ্য প্রকাশ না করেই ভেতরে ঢুকে পড়ি। আমি খুব তাড়াতাড়ি বুঝে যাই, যদি আমি বাস্তবতা দেখতে চাই, তাহলে মিশে যেতে হবে এবং শুধু শুনতে হবে।”

এই বক্তব্যে অনেকেই তাকে ইসরায়েলের berüchtigt গুপ্তচর ইউনিট "মিস্তারাভিম"–এর আদলে একজন এজেন্ট হিসেবে সন্দেহ করতে শুরু করেন।

নিজের মুখেই স্বীকার

পরবর্তীতে, তিনি লেখেন, “আমি বছরের পর বছর ইরানের প্রচারণা চালিয়েছি,” এবং ইরানকে ১৯৩০–এর দশকের নাৎসি জার্মানির সঙ্গে তুলনা করেন।

ইরানের “আঞ্চলিক আধিপত্যবাদ”, “সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা” এবং “আন্তর্জাতিক আইনকে অবজ্ঞা” করার প্রবণতা তাকে ইসরায়েলপ্রীতি ও উগ্র জায়নবাদী করে তোলে — এমন দাবিও করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, তিনি তার ইহুদি পরিচয় গোপন করে স্বামীর পদবী "শাকদাম" ব্যবহার করতেন। আজ তিনি খোলাখুলি ইসরায়েলের পক্ষে কথা বলেন এবং জানান, তার সন্তান আইডিএফ–এ (ইসরায়েলি সেনাবাহিনী) যোগ দিতে চায়।

গুপ্তচর না হলেও যুক্ত ছিলেন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে

যদিও তিনি নিজেকে ইসরায়েলি গুপ্তচর দাবি করেন না, তিনি স্বীকার করেন যে তিনি আগে Wikistrat নামে একটি ইসরায়েল-আমেরিকান গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতেন।

Wikistrat, ২০১০ সালে ইসরায়েলে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত এবং এর নেতৃত্বে আছেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখার সাবেক কর্মকর্তারা। ধারণা করা হয় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে berüchtigt ইউনিট ৮২০০–এর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

এই Wikistrat প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন জায়গায় ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের জন্য পেরেজ-শাকদাম মোটা অংকের অর্থের প্রস্তাব দিয়েছিলেন — এমন দাবিও তুলেছেন কয়েকজন নির্ভরযোগ্য সূত্র।

কীভাবে পৌঁছালেন ইরানের কেন্দ্রে?

MintPress–এর প্রধান সম্পাদক মনার আদলি জানান, পেরেজ-শাকদাম নিজেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে লেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তার উগ্র মার্ক্সবাদী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লেখাগুলো তাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।

২০১৭ সালে তিনি ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ইব্রাহিম রাইসির প্রচারণা দলে সরাসরি যোগ দেন এবং একচেটিয়া সাক্ষাৎকারও গ্রহণ করেন।

তিনি মাশরেক নিউজ, তাসনিম নিউজ ও মেহর নিউজে নিয়মিত লিখতেন। সর্বোপরি, খামেনেই ডট আইআর–এ তার ১৮টির বেশি প্রতিবেদন এখনো Wayback Machine–এ সংরক্ষিত রয়েছে।

20/06/2025

Address

Chittagong City
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PIULY Fashion Home posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to PIULY Fashion Home:

Share