15/09/2021
পাম্পে তেল কম দেওয়া ঠেকাবেন যেভাবে...
পাম্পে তেল চুরির সিস্টেম করা হয় মূলত মেশিনে। যতদূর জানি ২টি উপায়ে তেল চুরি করা হয়ে থাকে-
১) লিটার প্রতি চুরিঃ
আপনি ১ লিটার, ২ লিটার, এভাবে ৩,৪,৫ যত লিটারই নেন না কেন, ওখান থেকে চুরি হবেই। ওরা চুরি করলে ঠেকাতে পারবেন না।
২) নির্ধারিত টাকার এমাউন্টে চুরিঃ
আপনি লিটার মাপে না কিনে ১০০ টাকা ২০০ টাকা ৩০০ টাকা, ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকার তেল কিনলে সেটা থেকেও চুরি করার উপায় আছে। কারণ, মিটারে এরকম রাউন্ড ফিগারগুলোও কাস্টোমাইজ করা যায়।
মনে প্রশ্ন জাগতে পারে- “তাহলে উপায় কী?”
উপায় আছে। আপনাকে যা করতে হবে, তা হলো- তেল কেনার সময় কখনো রাউন্ড ফিগারে কিনবেন না। যেমন- ১০০ টাকার তেল নাকি কিনে ১০৫ টাকা বা ১১০ টাকার তেল কিনবেন। একইভাবে ৫০০ টাকার না কিনে ৪৯৯ টাকার তেল কিনবেন(১ টাকা আবার ফেরত চাইতে যেয়েন না 😛) কিংবা ৫১০ বা ৫২০ টাকার কিনবেন।
এর ফলে যেটা হবে, তা হলো- আপনি পুরোপুরি ঐ নির্ধারিত টাকার সমপরিমাণ তেলই পাবেন। কারণ এই আন-ইউজুয়াল এমাউন্ট-গুলো মিটারে কনফিগার করা থাকে না বললেই চলে। আমি তেল কিনলে ৫১০, ৫২০ বা ৫৫৫ টাকা এভাবে তেল কিনি।
এই পদ্ধতি মোটামুটি পরীক্ষিত। এ সম্পর্কে আগেই শুনেছিলাম আমার এক কাজিনের কাছে। ২০১৯ সালে Gixxer বাইক কেনার পরে পাম্পে গিয়ে ১০০০ টাকার তেল না চেয়ে কাজিনের কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ১০১০ টাকার তেল চাইলাম। খাপে খাপ, ময়নার বাপ! কথা শুনেই একপ্রকার বেজার হয়ে একজন আরেকজনের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করতেছিলো। এরপর একজন অন্যজনকে জিজ্ঞেস করলো, “ভাই, হাজার দশ চায়, কী করবো, দেবো?” অন্যজনের উত্তর ছিলো- “চাইতাছে যখন দিয়া দ্যাও”
তারপর থেকেই সবসময় উল্টাপাল্টা ফিগারে তেল কিনি। আপনারাও চাইলে এভাবে তেল কিনতে পারেন। আশাকরি তেল কিনে ঠকবেন না।
[পুরো ব্যাপারটা আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলেছি। এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য না-ও হতে পারে। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন]
Send a message to learn more