Godolir Allo

Godolir Allo Godhulir Alo আপনাদেরকে দিচ্ছে। ১০০% কোয়ালিটিফুল। সকল প্রকার লেডিস্, জেন্স & বেবি প্রডাক্ট।
(6)

আসসালামু আলাইকুম
আমি ফারহানা আক্তার চট্টগ্রামের মেয়ে।বর্তমানে চট্টগ্রাম গভর্মেন্ট সিটি কলেজে অধ্যয়নত আছি।আমি একজন ক্যান্সার যোদ্ধা। ব্যবসা আমার passion আমি সর্বোচ্চ ভালো জিনিস টি আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।
ধন্যবাদ ☺️

23/12/2025

হযরত আয়েশা (রা.)-প্রতি মিথ্যা অপবাদ ও আল্লাহর পক্ষ থেকে পবিত্রতা ঘোষণা!

রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন বনু মুস্তালিকের যুদ্ধ থেকে ফিরছিলেন, তখন হযরত আয়েশা (রা.) তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন। কাফেলা মদিনার কাছাকাছি পৌঁছালে যাত্রাবিরতি দেয়। আয়েশা (রা.) প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ক্যাম্পের বাইরে যান। ফিরে এসে দেখেন তাঁর গলার হার হারিয়ে গেছে। তিনি হার খুঁজতে আবার ফিরে যান।

ইতিমধ্যে কাফেলা যাত্রার প্রস্তুতি নেয়। আয়েশা (রা.) তখন খুব হালকা-পাতলা ছিলেন। তাই বাহক লোকেরা হাওদা (পালকি) উঠানোর সময় বুঝতে পারেনি যে ভেতরে কেউ নেই। তারা ভাবল আয়েশা (রা.) ভেতরেই আছেন। কাফেলা চলে গেল। আয়েশা (রা.) ফিরে এসে দেখলেন কেউ নেই। তিনি সেখানেই চাদর মুড়িয়ে বসে রইলেন, ভাবলেন লোকেরা তাকে না পেয়ে ফিরে আসবে। কিন্তু তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন।

কাফেলার পেছনে পড়ে থাকা জিনিস কুড়ানোর দায়িত্বে ছিলেন সাহাবি সাফওয়ান বিন মুয়াত্তাল (রা.)। তিনি সকালে সেখানে পৌঁছে একজন ঘুমন্ত মানুষকে দেখলেন। পর্দার বিধানের আগে তিনি আয়েশা (রা.)-কে দেখেছিলেন, তাই চিনতে পারলেন। তিনি উচ্চস্বরে "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" পড়লেন। শব্দ শুনে আয়েশা (রা.) জেগে উঠলেন এবং চাদর দিয়ে মুখ ঢাকলেন। সাফওয়ান (রা.) কোনো কথা না বলে নিজের উটটি বসিয়ে দিলেন। আয়েশা (রা.) উটে উঠলেন এবং সাফওয়ান (রা.) উটের রশি ধরে হেঁটে মদিনায় নিয়ে এলেন।

মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এই দৃশ্য দেখে কুৎসা রটালো। সে আয়েশা (রা.) এবং সাফওয়ান (রা.)-এর চরিত্রে মিথ্যা অপবাদ দিল। কিছু সরলমনা সাহাবি (যেমন মিসতাহ বিন উসাসা, হাসসান বিন সাবিত ও হামনা বিনতে জাহশ রা.) এই গুজবে কান দিলেন।

মদিনায় ফিরে আয়েশা (রা.) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তিনি গুজবের কিছুই জানতেন না। কিন্তু তিনি লক্ষ্য করলেন, নবীজি (সা.) তার সাথে আগের মতো উষ্ণ ব্যবহার করছেন না। পরে তিনি উম্মে মিসতাহর কাছে সব শুনলেন। দুঃখে-শোকে দিনরাত কাঁদতে লাগলেন।

ওহি না আসায় নবীজি (সা.) খুব চিন্তিত ছিলেন। তিনি হযরত আলী (রা.) ও উসামা (রা.)-এর সাথে পরামর্শ করলেন। উসামা (রা.) আয়েশার পবিত্রতার পক্ষে বললেন। আলী (রা.) বললেন, "দাসী বারীরাকে জিজ্ঞেস করুন।" বারীরাও আয়েশা রা. এর পক্ষে সাক্ষ্য দিলেন।

নবীজি মসজিদে মিম্বরে দাঁড়িয়ে বললেন: "কে আমাকে সেই ব্যক্তির (আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই) হাত থেকে রক্ষা করবে, যে আমার পরিবারকে কষ্ট দিয়েছে? আল্লাহর কসম! আমি আমার পরিবার ও ওই ব্যক্তি (সাফওয়ান রা.) সম্পর্কে ভালো ছাড়া কিছুই জানি না।"

এক মাস কেটে গেল। একদিন নবীজি আয়েশা (রা.)-এর কাছে এলেন এবং বললেন: "হে আয়েশা! যদি তুমি নির্দোষ হও তবে আল্লাহ তোমাকে পবিত্র ঘোষণা করবেন। আর যদি ভুল হয়ে থাকে তবে তওবা করো।"

আয়েশা (রা.) বললেন: "আমি কিছুই বলব না। আমি শুধু ইউসুফ (আ.)-এর বাবার (ইয়াকুব আ.) মতো বলব—'ফাসাবরুন জামিল' (ধৈর্যই শ্রেয়)..."
ঠিক তখনই নবীজির ওপর ওহি নাজিল হতে শুরু করল। তার শরীর থেকে ঘাম ঝরতে লাগল। ওহি শেষ হলে তিনি হেসে বললেন:
"হে আয়েশা! সুসংবাদ নাও! আল্লাহ তোমাকে পবিত্র ঘোষণা করেছেন।"

আল্লাহ তায়ালা সূরা নূরের ১০টি আয়াত নাজিল করে আয়েশা (রা.)-এর পবিত্রতা ঘোষণা করলেন।

হযরত আবু বকর (রা.) মিসতাহকে (যিনি অপবাদে জড়িত ছিলেন) খরচ দিতেন। তিনি কসম করলেন আর খরচ দেবেন না। তখন আল্লাহ আয়াত নাজিল করলেন: "তোমাদের মধ্যে যারা মর্যদাবান তারা যেন আত্মীয় ও গরিবদের দান করা বন্ধ না করে... তোমরা কি চাও না আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন?" (সূরা নূর: ২২)।

আবু বকর (রা.) সাথে সাথে বললেন, "অবশ্যই আমি চাই আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন।" তিনি আবার খরচ দেওয়া শুরু করলেন।

(সূত্র: বুখারী,মুসলিম)

চরম বিপদে এবং মান-সম্মানের ওপর আঘাত এলেও হযরত আয়েশা (রা.)-এর মতো 'ফাসাবরুন জামিল' বা উত্তম ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা উচিত। কেউ যদি সত্যিই নির্দোষ হয়, তবে দুনিয়ার মানুষ তার বিরুদ্ধে গেলেও স্বয়ং আল্লাহ তার সম্মান রক্ষার ব্যবস্থা করেন।
© Salman Farsi

28/08/2025
তুমি আমার ভালোবাসা এবং ভালো থাকার এক স্বপ্ন।
26/08/2025

তুমি আমার ভালোবাসা এবং ভালো থাকার এক স্বপ্ন।

26/08/2025

এখন কেনো নিজেদের সেবায় নিয়মিত না "গোধুলির আলো"?

> আসলে এতো বেশি নিজের শারীরিক অবস্থার সাথে নিজেকে যুদ্ধ করতে হয় যে, অন্য কোন কিছু করার শক্তি পাই না একদমই। ইনশাআল্লাহ বিশ্বাস রাখি মহান রব চাইলে খুব শীঘ্রই " গোধুলির আলো" তার অবস্থানে ফিরবে আবাও। সবাই দোয়া করবেন 🙂

ধরুন! বাসের ভাড়া দিয়ে নেমে দেখলেন, ভাংতি হিসেবে হেল্পার আপনাকে যে বিশ টাকার নোটটা ধরিয়ে দিয়েছে সেটাতে তিনটা তালিজোড়া। আপ...
09/06/2025

ধরুন! বাসের ভাড়া দিয়ে নেমে দেখলেন, ভাংতি হিসেবে হেল্পার আপনাকে যে বিশ টাকার নোটটা ধরিয়ে দিয়েছে সেটাতে তিনটা তালিজোড়া। আপনাকে নিতান্তই অসাবধান এবং সরল পেয়ে বেচারা হাসতে হাসতেই তার ‘চালাতে না পারা’ নোটখানা ধরিয়ে দিয়ে হাওয়া হয়ে গেছে।

বাস থেকে নেমে আপনি রিক্সায় উঠলেন। রিক্সা ভাড়া চল্লিশ টাকা। মোক্ষম একটা সুযোগ এলো আপনার হাতে—হেল্পারের ধরিয়ে দিয়ে যাওয়া ছেঁড়া বিশ টাকার নোটটাকে অন্য একটা বিশ টাকার নোট, কিংবা দুটো দশ টাকার নোটের সাথে মিশিয়ে দিয়ে রিক্সাওয়ালার কাছে আপনি তা অনায়েশে চালিয়ে দিতে পারেন। বেচারা টের পেলে তো পেলোই না, পেলে নির্বিঘ্নে আপদটা অন্যের ঘাঁড়ে উঠিয়ে দেওয়া গেল!

কিন্তু, সেই ছেঁড়া বিশ টাকার নোট অন্য নোটের সাথে মিশিয়ে রিক্সাওয়ালাকে গুছাতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত পারলেন না।

আপনি ভাবলেন— "কেউ একজন আমার সাথে অন্যায় করেছে বলে সেই একই অন্যায় আমি অন্য একজনের সাথে করতে পারি?" এমনও তো হতে পারে—এই ছেঁড়া নোট রিক্সাওয়ালাটা কোথাও চালাতে পারল না। এই নোট চলবে না বলে তাকে দোকানদার চাল না দিতে পারে, ওষুধের দোকানদার ওষুধ না দিতে পারে, এমনকি—নিজের মেয়ের জন্য একটা খেলনা কিনতে গেলেও এই ছেঁড়া নোটের কারণে তাকে ফেরত আসতে হতে পারে।

মানিব্যাগ থেকে নোটটা বের করতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত বের করা হলো না আপনার। রিক্সাওয়ালাকে চকচকে দুটো বিশ টাকার নোট দিয়ে ছেঁড়া নোটটাকে মানিব্যাগের অবহেলিত কোণটায় গুঁজে রাখলেন।

এই যে শেষ মুহূর্তের এই বোধ—এটার নাম হলো তাক্বওয়া। এই কাজটার সাক্ষী কেবল আপনি আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। দুনিয়ার আর কেউ এই ব্যাপারে জানে না। না আপনাকে ধোঁকা দিয়ে যাওয়া সেই বাসের হেল্পার, না যে রিক্সাওয়ালাকে আপনি ধোঁকায় ফেলতে যাচ্ছিলেন সে—কেউ না।

হতে পারে, কেবল এমন একটা অতি-ক্ষুদ্র কাজের জন্য আখিরাতে আপনি জান্নাতে পৌঁছে যাবেন। হতে পারে আপনার সেদিনকার এই কাজটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার এতো পছন্দ হয়ে যায় যে—তিনি আপনার পূর্বের আর পরের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেবেন।

কখনোই কোন ভালো কাজকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এড়িয়ে যাবেন না। হয়তো, ওই কাজটাই হয়ে উঠবে আখিরাতে আপনার নাজাতের চাবিকাঠি।

~আরিফ আজাদ

04/06/2025

🍀 আরাফার দিনে এক জীবন বদলে দেওয়া শিক্ষা!
একটু টাইম নিয়ে অবশ্যই পড়ুন 💌

এক ভাই এই হৃদয়স্পর্শী গল্পটি শেয়ার করেছেন:

ঠিক এক বছর আগে, আমার সুপারমার্কেটে একটি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হয় এবং আগুন লেগে যায়। এতে আমার পণ্যের তিন-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে যায়।
এই ঘটনাটি ঘটেছিল আরাফার দিনের ঠিক দুই দিন আগে!

আপনি কল্পনা করতে পারেন, আমি কী অবস্থায় ছিলাম — ঈদুল আযহা আসছে, অথচ আমার ব্যবসা, পণ্য, দোকান — সব কিছু ধ্বংসপ্রাপ্ত। কোনো ঈদের উপহার নেই, আনন্দ নেই, শুধু দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা, আর প্রচণ্ড ঋণ।

আমি তখন সদ্যবিবাহিত — মাত্র দুই মাস হয়েছে বিয়ে হয়েছে। যে পণ্যগুলো পুড়ে গেছে তার মূল্য ছিল প্রায় $১৫,০০০। তখন আমি ভাবতে থাকি: আমি এখন কী করবো? কীভাবে এটা সামলাবো? আমার স্ত্রীর গয়না বিক্রি করতে বলবো? সে তো এখনো নতুন বউ! কিংবা ঋণ নেবো? কার কাছ থেকে?

শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিলাম — বন্ধুবান্ধবদের থেকে ধার করবো। কিন্তু যাদের কাছেই গেলাম, তারা বললো, “ঈদ আসছে ভাই, এখন পারছি না।”

দুই দিন এভাবে কেটে গেল। হতাশ হয়ে কেবল $৮০০ জোগাড় করতে পারলাম। এটি আমার ক্ষতির তুলনায় এক ফোঁটা পানির মতো ছিল।
সেই রাতে বাসায় ফিরছিলাম, তখন পাশের বাসার একজন আমাকে বললেন, “ঈদ মোবারক ভাই! কাল যেন আরাফার রোজা রাখতে ভুলে যেও না!”

আমি মনে মনে বললাম, এখন রোজার কথা বলছো? দয়া করে আমাকে একা থাকতে দাও…
আমার স্ত্রী মন ভালো করার জন্য হাঁটতে যাওয়ার প্রস্তাব দিল। আমরা বের হলাম, কিন্তু আমি এতটাই চিন্তায় ডুবে ছিলাম যে কিছুই উপভোগ করতে পারছিলাম না।

বাসায় ফিরে সে বললো, “চলো সেহেরির জন্য প্রস্তুতি নেই, ভোর হয়ে আসছে।” আমি বললাম, “সেহরি? আমি তো ভুলেই গেছি আগামীকাল আরাফার দিন! তুমি আর আমি যেন দুই ভিন্ন জগতে বাস করছি। এখন সেহরি? এখন রোযা?”
সে মৃদুভাবে বললো, “আল্লাহ আমাদের জন্য এটা নির্ধারণ করেছেন। তিনি আমাদের ছেড়ে দেবেন না। কিন্তু আমাদের রোজা রাখা উচিত।”
তার অনুরোধে রোজার নিয়ত করলাম।

সন্ধ্যার পর সে বললো, “তোমার রবের কাছে দোয়া করো।”
আমি বললাম, “কি দোয়া করবো?”
সে বললো, “যা চাও তাই দোয়া করো।”
আমি বললাম, “১৫,০০০ ডলার চাওয়া কি সম্ভব? আকাশ থেকে টাকা পড়ে আসবে?”

সে বললো, “যিনি আকাশ সৃষ্টি করেছেন, তিনি সবকিছু করতে পারেন।”
সে নামাজে দাঁড়ালো, দোয়া করলো। আমিও দোয়া করলাম, যদিও মনজুড়ে শুধু ১৫,০০০ ডলারই ঘুরপাক খাচ্ছিল।

মাগরিবের পর এক বন্ধু ফোন করলো, বললো, “ক্যাফেতে আসো, জরুরি কথা আছে।”
গেলাম। সে বললো, “ভাই, একটা সুযোগ আছে, তুমি ছাড়া আমি আর কাউকে ভাবতে পারছি না। আমার এক বন্ধু সম্প্রতি টাকা পেয়েছে, ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে চাচ্ছে। তুমি কি অংশীদার হবে?”

আল্লাহু আকবার! সে ব্যক্তি এল, বললো, “আমার কাছে $৩০,০০০ আছে, বিনিয়োগ করতে চাই।”
আমি বললাম, “আমার দোকানে নতুন মাল আনতে $১৫,০০০ লাগবে। বাকি $১৫,০০০ দোকান সংস্কারে লাগবে। আপনি চাইলে অর্ধেক অংশীদার হতে পারেন।”

সব ঠিক হলো। ঈদের পর সুপারমার্কেট আবার খুলে দিলাম। আনন্দে মন ভরে উঠলো।
ওহ, আর একটা বিষয় বলতে ভুলে গেছি — দোকানে আগুন লাগার এক সপ্তাহ আগে আমার মা'র ক্যান্সারের সন্দেহে টেস্ট হয়েছিল। রিপোর্ট পাওয়ার কথা ছিল আরাফার দিন।

রিপোর্ট এলো — ক্যান্সার নেই! মা সম্পূর্ণ সুস্থ!
মা আনন্দে সারাদিন কেঁদেছেন — শুকরিয়া জানিয়েছেন আল্লাহর কাছে।

দোকানও খুলে গেল, মা সুস্থ হলেন, এমন সময় আমার স্ত্রী আমাকে ফোন করে জানালো — সে গর্ভবতী!
সে বললো: “এখন বুঝছো আরাফার রোজা ও দোয়ার শক্তি?”

আমি মনে মনে বললাম, সুবহানআল্লাহ… কিছুদিন আগেও মনে হচ্ছিল পৃথিবীটা ভেঙে পড়ছে, আজ সবকিছু বদলে গেছে — একটিমাত্র খাঁটি দোয়ার মাধ্যমে।
সেদিন আমি আল্লাহর সামনে বিনয় শিখলাম — যা কখনো ভুলবো না।

আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন। কখনো কখনো তিনি আমাদের কষ্ট দেন যেন আমরা তাঁর দিকে ফিরে যাই।
ঈদের পর ব্যবসা ভালো চললো, পুরো $৩০,০০০ ফেরত দেওয়ার সময় এল। আমি সেই ব্যক্তিকে টাকা ফেরত দিতে গেলাম — কিন্তু তখন ঘটনা মোড় নিল।

সে বললো, “আসলে এই টাকা আমার না। কারো স্ত্রী ক্যান্সার থেকে সুস্থ হয়েছেন, তিনি এই টাকা কাউকে anonymously সাহায্য করতে চেয়েছিলেন — তাই তোমাকে দেওয়া হয়েছে।”
এই টাকা এখন তোমার। কেউ ফেরত চাইবে না।

আল্লাহর কসম করে বলছি, আমি বাসায় গিয়ে নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে এক ঘণ্টা কাঁদলাম — শিশুর মতো। আল্লাহর দয়া আর কৃপায় অভিভূত হয়ে পড়লাম।
আজও যখন এই ঘটনা মনে পড়ে, আমি শুধু চোখের জল ফেলি না — মনে হয় রক্তঝরা চোখে কাঁদছি। আল্লাহর কাছ থেকে এতটা দূরে ছিলাম, অথচ তিনি এত কাছে ছিলেন।

এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে আরাফার দিনের, রোজা, দোয়া, এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখার প্রকৃত অর্থ।
এটাই ছিল আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট — যেদিন আমি তওবা করলাম, আল্লাহর দিকে ফিরে এলাম।

📝 শিক্ষা:
আল্লাহ কখনো কিছুর মাধ্যমে দিতে গিয়ে কেড়ে নেন, আবার কখনো কেড়ে নিয়ে দান করেন — এটাই তাঁর হিকমাহ।

আসুন, যিল-হজ্জের প্রথম দশ দিনে আল্লাহর কাছে বেশি করে দোয়া করি, আর আমাদের নিপীড়িত ভাই-বোনদের মনে রাখি।

রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “যে কেউ কাউকে কল্যাণের দিকে পথ দেখায়, সে সেই কাজকারীর মতোই সওয়াব পাবে।” (মুসলিম)

#সংগৃহীত

ঈমান হোক পর্বতসম, নিয়ত হোক স্বচ্ছ (একটি সত‍্য ঘটনা) একজন লিবিয়ান যুবক, নাম তার আমের, সৌদি আরব যাচ্ছিল হজ করার জন্য।যেইম...
25/05/2025

ঈমান হোক পর্বতসম, নিয়ত হোক স্বচ্ছ
(একটি সত‍্য ঘটনা)
একজন লিবিয়ান যুবক, নাম তার আমের, সৌদি আরব যাচ্ছিল হজ করার জন্য।
যেইমাত্র সে এয়ারপোর্টে পৌঁছালো, তার নাম নিয়ে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি সমস্যা দেখা দিল।
নিরাপত্তা বাহিনীর লোকেরা তাকে বলল:
“একটু অপেক্ষা করো, আমরা চেষ্টা করছি সমস্যাটা সমাধান করতে।”
এই সময়ে অন্য সব হাজিরা তাদের প্রক্রিয়া শেষ করে প্লেনে উঠে পড়ল, আর প্লেনের দরজা বন্ধ হয়ে গেল।
কিছুক্ষণ পর সমস্যা ঠিক হয়… কিন্তু পাইলট দরজা খুলতে রাজি হল না। প্লেন চলতে শুরু করল এবং আমেরকে ফেলে রেখে উড়ে গেল!
অফিসার তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল:
“মন খারাপ কোরো না, হয়তো এটা তোমার কপালে ছিল না।”
কিন্তু আমেরের ছিল অটল বিশ্বাস। সে উত্তর দিল:
“আমার নিয়ত হজের, ইনশাআল্লাহ আমি যাবোই।”
হঠাৎ… খবর এলো, প্লেনটিতে যান্ত্রিক সমস্যা হয়েছে এবং তা ফিরে আসছে!
প্লেন ফিরে এলো, মেরামত করা হলো… কিন্তু তাও পাইলট আমেরের জন্য দরজা খুলতে রাজি হল না।
অফিসার আবার বলল:
“হয়তো তোমার ভাগ্যে নেই।”
কিন্তু আমের ছিল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, স্থির ও দৃঢ়চেতা। সে বলল:
“আমার নিয়ত হজের, ইনশাআল্লাহ আমি যাবোই।”
প্লেন আবার উড়ে গেল… কিছুক্ষণ পর আরেকটি খবর এলো:
প্লেনে আবারও সমস্যা হয়েছে!
এবার নিজেই পাইলট বললেন:
“আমি আর উড়ব না, যতক্ষণ না আমের প্লেনে ওঠে।”
শেষ পর্যন্ত… আমের প্লেনে উঠল, সৌদি এয়ারপোর্ট থেকে সে একটি ভিডিও করল —
তার আনন্দ ছিল বর্ণনার বাইরে!

“আল-কাহّহার” — এটি আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের একটি।
এর অর্থ:
তিনি কারণগুলোকেও পরাস্ত করেন।
আপনার জন্য সব নিয়ম ভেঙে দিতে পারেন, কেবল আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য।

তাই “কীভাবে”, “কখন” — এসব নিয়ে বেশি চিন্তা কোরো না…
যতক্ষণ তোমার বিশ্বাস থাকে যে আল্লাহ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান,
বিশ্বাস করো…
তিনি পরিস্থিতি উল্টে দেবেন, তোমার পথ সহজ করে দেবেন,
এমনকি অসম্ভবকেও বাস্তবে রূপ দেবেন।
শর্ত একটাই:
নিয়ত হোক পবিত্র, আর ঈমান হোক অটল।
শায়েখ আবু বকর হাফিঃ র পোস্ট থেকে নেওয়া।

ফলো করুন > Echoes of Deen

25/05/2025

মৃ'ত্যু আসার আগেই আপনার পরিবারকে যেসব বিষয়ে ওসিয়ত করে যাবেন।

১.আমার মৃ'ত্যুর সংবাদ শুনলে "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন" পড়বেন।

২.আমার মৃ'ত্যুকে অকাল মৃ'ত্যু বলবেন না, কারণ আমি আমার নির্ধারিত রিযিক ভোগ করে ফেলেছি।

৩.আমাকে নিয়ে বিলাপ মাতম করবেন না, জোরে জোরে কান্নাকাটি করবেন না কারণ এটা সুন্নাহ বিরোধী এবং রাসুল (সাঃ) কতৃক নিষিদ্ধ কাজ।

৪.আমার মৃ'ত্যুতে চল্লিশা, কুল-খানি, মিলাদ করবেন না।কারণ এটা স্পষ্ট বিদ'আত।

৫.যারা আমার মৃ'ত্যুর খবর শুনবেন তারা অবশ্যই আমার জানাজায় অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করবেন।

৬.আমার ল!শ মাহরাম ছাড়া অন্য কাউকে দেখাবেন না।

৭.আমার লা"শকে সুন্দরভাবে বিশ্বস্ত মানুষ দ্বারা গোসল করানোর ব্যবস্থা করবেন।

৮.লা"শ দাফনে ইসলামিক রীতিনীতি অবলম্বন করবেন, সমাজের নয়।

৯.আমাকে কবরস্থ করার পর কিছুক্ষণ সেখানেই থাকবেন আর পড়বেন "আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু"। আমার কবরের আজ!ব লাঘবের জন্য ও মুনকার নাকিরের প্রশ্নের উত্তর যেন দিতে পারি সেই দোয়া করবেন "আল্লাহুম্মা সাব্বিত হু আলাল ইমান"।

১০.আমার হয়ে দান-সাদাকা করবেন। আমার সাদাকায়ে জারিয়া চালু থাকলে সেটার খবর নিবেন, সে গুলোকে সমুন্নত করার চেষ্টা করবেন।

১১.আমার মৃ'ত্যু থেকে এই শিক্ষা নিয়ে ফিরে যাবেন।আপনার সময়ও অতি নিকটে।

১২. আমার ছবি কোথাও দিবেন না, আমার আইডি বা অন্য কারো কাছে আমার ছবি থাকলে তা ডিলিট করে দিবেন। বাসায় আমার ছবি থাকলে ফেলে দিবেন, দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখবেন না।

১৩.আমার পাওনা আমার পরিবারকে ফিরিয়ে দিবেন, না পারলে আমার জন্য সাদকাহে জারিয়া করবেন, তাও না পারলে আজীবন আমার জন্য দু'আ করবেন, আমি ক্ষমা করে দিব ইনশাআল্লাহ।

১৪.আপনি আমার কাছে কিছু পেয়ে থাকলে আমার জীবিত অবস্থাতেই আমার কাছে চেয়ে নিবেন, আর যদি ম"রে যাই পরিবারের কাছে চাইবেন (পরিবারের লোকেদের বলবো আপনারা তাদের পাওনা দয়া করে দিয়ে দিবেন)। আর পরিবার না দিলে আল্লাহর জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিবেন, এতে আল্লাহ ও আপনাকে ক্ষমা করবেন।

১৫.আমার জন্য বেশি বেশি দুআ করবেন। আমার নামে গী'বত করবেন না। কারণ, আমি আমার স্থানে পৌঁছে গিয়েছি।

আল্লাহর কাছে আকুলতা, আল্লাহ যেন আমাদের ইমানের সহিত ক!লিম! উচ্চারণের মাধ্যমে শ"হী'দি মৃ'ত্যু দান করেন।আমিন।

L,M,Xl সাইজের এই আরামদায়ক টি শার্ট গুলো লিতে ইনবক্সে নক দিন।
25/05/2025

L,M,Xl
সাইজের এই আরামদায়ক টি শার্ট গুলো লিতে ইনবক্সে নক দিন।

আসসালামু আলাইকুম     ---- গ্রীষ্মের সাচ্ছন্দ্য ----এই দাবদাহ গরমে আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী। কামিজ : পর্যাপ্ত পরিমাণের কাপড় র...
25/05/2025

আসসালামু আলাইকুম

---- গ্রীষ্মের সাচ্ছন্দ্য ----

এই দাবদাহ গরমে আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

কামিজ : পর্যাপ্ত পরিমাণের কাপড় রয়েছে
প্যান্ট: ২.৫ হাত কাপড় &
সাথে নামাজি সাইজে ওড়না।

✅ আপনার স্বাচ্ছন্দ্য আমাদের কাছে সবার আগে।
✅ যেমনটি দেখছেন ঠিক তেমনি পাবেন।

#পিউর #সুতি #ডিজাইন #আরামদায়ক #ফ্যাশনএভেল

Address

Chittagong
4310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Godolir Allo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category