19/12/2025
হাদি ভাই ৩২ বছরের হায়াত নিয়েই পৃথিবীতে এসেছিলেন। উনি এর একদিনও বেশি পৃথিবীতে থাকতে পারতেন না। হায়াতের সময় পেরেলো হয়তো দূর্ঘটনা বা অসুস্থতায় তিনি মারা যেতেন কিন্তু তিনি সেভাবে মারা যান নি। তিনি মারা গেছেন আসহাবে উখদুদের বালক হয়ে।
চিন্তা করেন ১২ ডিসেম্বর তার যে ভিডিওটা সময় টিভিতে প্রকাশিত হলো সেখানে তিনি বলতেছেন,
"সবাই তো মৃত্যুকে ভয় পায় কিন্তু আমি এমনভাবে মারা যেতে চাই যেনো আল্লাহর কাছে হাসতে হাসতে যেতে পারি। আমি যেনো একটা ইনসাফের লড়াইয়ে শহীদ হতে পারি। ৫০-৬০ বছর বেচে এমন মৃত্যুতে কি লাভ যা দিয়ে মানুষের,রাষ্ট্রের, উম্মাহের কোন উপকার হয় না কিন্তু আমি যদি ৫ বছর বেচে তার থেকে বেশি ইম্প্যাক্ট তৈরী করে শহীদ হই!.... তাহলে বলেন অনেক দিন বেচে থাকাই কি সাফল্যের?"
এর জাস্ট একদিন পর গুলিবিদ্ধ এবং এক সপ্তাহের আগেই আল্লাহর মেহমান হয়ে গেছে। আপনারা মিলিয়ে দেখেন তো, এই এক সপ্তাহে ওসমান হাদির জন্য যে লক্ষ মানুষ দোয়া করেছে তারা কয়জন রাজনৈতিক মানুষ!! এদের অধিকাংশই হয়তো পলিটিক্স নিয়ে তেমন ইন্টারেস্টই রাখে না।
গত এক সপ্তাহে ওসমান হাদির একেকটা বক্তব্য, ভিডিও লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে! মানুষ ওসমান হাদি রাজনীতির উর্ধ্বে গিয়ে আপামর জনতার হৃদয়ে স্থান পেয়েছে। সে চেয়েছিলো এই নোংরা সিস্টেমে ইনসাফ কায়েম করতে। সে হয়তো পারে নাই কিন্তু তার ডাক!..............আল্লাহ পৌঁছে দিয়েছেন সহস্র উদীয়মান তরুণদের মধ্যে।
একটা সাধারণ পরিবারে জন্মে, সাধারণ জীবনযাপন করে ছোটোবেলা থেকে একটা ছেলে শুধু মনে-প্রানে চাইতো সে যেনো শহীদ হয়ে হাসতে হাসতে আল্লাহর কাছে ফিরতে পারে.......সেই ছেলেটার দোয়া কবুল হয়েছে।
আল্লাহ তা'লা শুধু তাকে শহীদই বানান নি তাকে আসহাবে উখদুদের সেই বালকের মতই কবুল করেছেন যার মৃত্যুর কারনে সত্যের দাওয়াত ছড়িয়ে পড়েছিল শত-সহস্র গুন বিস্ফোরিত হয়ে।
তিনি আসলেন, দেখলেন এবং সবাইকে জয় করে হাসতে হাসতে চলে গেলেন................
©©