18/11/2025
জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাতে আলাপ হলো। রংপুর সফরের আমন্ত্রণ জানালাম তাঁকে। অত্যন্ত আলাপী এবং আন্তরিক মানুষ জুবায়ের ভাই। বললেন– নির্বাচন সংক্রান্ত বহুমুখী অফিসিয়াল কাজের ব্যস্ততায় ঢাকার বাইরের সফরগুলো কমিয়ে দিয়েছেন। তবে এটিএম আজহার সাহেবের আসন রংপুর–২ (বদরগঞ্জ, তারাগঞ্জ) সফর করার একটা বিশেষ কৌতূহল আছে তাঁর।
এডভোকেট জুবায়ের ভাইকে আমার কাছে ভীষণ জেন্টলম্যান লেগেছে সবসময়। গেটআপেও দারুণ স্মার্ট মানুষ। এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর যে কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা প্রার্থী হননি, এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের তাঁদের অন্যতম। এটি সংগঠনটির অসাধারণ সিদ্ধান্তগুলোর একটি। নির্বাচন করলে তাঁর মনোযোগ কোনো একটি আসনে আটকে যেতো। এখন দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকবে তিনশ আসনেই। এমন অভিজ্ঞ নেতাকে পুরো নির্বাচন তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে রাখা জরুরী ছিল।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে– জামায়াতে ইসলামী এবারের নির্বাচনেই দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে। এ নিয়ে তাদের হোমওয়ার্ক আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রত্যেকটি পরিকল্পনা গ্রহণে প্রফেশনালদের, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের গ্র্যান্ড মাস্টারদের কাজে লাগানো হচ্ছে। সম্ভবত দেশের মানুষও এবারই জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় দেখতে উদগ্রীব। বিশেষত নারী ভোটাররা রেভ্যুলেশন ঘটিয়ে দিতে পারে, পালটে দিতে পারে সকল ক্যালকুলেশন।
তাহলে বলতেই হয়– ফেব্রুয়ারিতে ইতিহাস গড়ার মাহেন্দ্রক্ষণ অপেক্ষা করছে জামায়াতে ইসলামীর জন্য। বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ ক্রমশ পালটে যাচ্ছে, ধীরলয়ে জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে ইসলামপন্থীদেরকে। তারা সত্যি সত্যিই জিতে গেলে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে এই জনপদে। সরকার গঠন করার মনস্তত্ত্ব নিয়েই এবারের নির্বাচনে মুভ করবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এবং নেতাকর্মীরা। এই স্ফূলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়বে ভোটারদের মাঝেও। এডভোকেট জুবায়েররা এই আসন্ন বিজয়ের নেপথ্য নায়ক হিসেবে জড়িয়ে থাকবেন ইতিহাসে ইনশাআল্লাহ।
'বিজয়ের পদধ্বনি'/ লাবিব আহসান