06/05/2026
“একদিকে ছাঁটাই, অন্যদিকে নিয়োগ”
এটা মূলত আইন, ন্যায্যতা (fairness), এবং সদিচ্ছা (good faith) কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর মত!
যদি একই পদে পুরনো কর্মী ছাঁটাই করে নতুন লোক নেওয়া হয় এক্ষেত্রে সরাসরি ছাঁটাইয়ের পেছনে অসৎ উদ্দেশ্য (Malafide Intention) প্রমাণিত!
যে পদ থেকে কর্মী ছাঁটাই করা হলো, অল্প সময়ের মধ্যে একই কাজের জন্য নতুন লোক নেওয়া হলে—এটা সরাসরি “replacement” ইঙ্গিত করে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ইতিমধ্যে সেটিই ইঙ্গিত করেছে!!
যখন ছাঁটাই হয় কোনো বাস্তব কারণ ছাড়াই, বা নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে টার্গেট করে, তখন সেটি আর “ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত” থাকে না—বরং হয়ে ওঠে অন্যায় ও প্রশ্নবিদ্ধ পদক্ষেপ।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—
✔️ যদি সংকটই থাকে, তাহলে নিয়োগ কেন?
✔️ যদি পুনর্গঠনই হয়, তাহলে পুরনোদের সুযোগ না দিয়ে নতুনদের অগ্রাধিকার কেন?
এভাবে কর্মীদের সাথে দ্বিচারিতা শুধু আইনের দৃষ্টিতেই নয়, নৈতিকতার দৃষ্টিতেও অগ্রহণযোগ্য।
সময় এসেছে পরিষ্কার জবাব দেওয়ার—
👉 এটা কি বাস্তব প্রয়োজন, নাকি পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক গোষ্টির এজেন্ডা বাস্তবায়নের কৌশল??
👉 ছাঁটাই কি প্রয়োজন ছিল, নাকি পরিকল্পিত?
👉 নতুন নিয়োগ কি উন্নয়ন, নাকি প্রতিস্থাপন?
একটু খেয়াল করুন—
✔️ যাদের বাদ দেওয়া হলো, তারা অভিজ্ঞ!
✔️ যাদের আনা হচ্ছে, তারা নতুন!
✔️ কাজ কিন্তু একই!
তাহলে এটাকে কি পুনর্গঠন বলা যায়, নাকি “নির্বাচিত প্রতিস্থাপন”?
👉 একই কাজ, নতুন লোক!
👉 পুরনোদের বাদ!
👉 একটি রাজনৈতিক গোষ্টির সরাসরি ইচ্ছাপূরণ!
এই তিনটা মিললেই বিষয়টা আর সাধারণ থাকে না—
এটা হয়ে যায় সুস্পষ্ট অসৎ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত।
আমরা স্পষ্ট করে বলছি—
❌ এই দ্বৈত নীতি চলবে না
❌ ছাঁটাইয়ের নামে প্রতিস্থাপন চলবে না
সময় এসেছে জবাবদিহিতার—
👉 পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে
👉 অন্যায় সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে
কারণ ছাটাইকৃত কর্মীরা দুর্বল না—
তারা এক হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা লড়ে যাবে।
মনে রাখবেন-
“Those who have been unjustly terminated from their jobs will continue, without compromise and with unwavering determination, to stand firm and relentlessly fight against injustice, no matter the challenges or consequences they face.”