Edited Light

Edited Light Light for long! এটি ফেসবুকে একটি নতুন পেইজ। তাই আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের উত্‍ফুল্ল করবে প্রতিদিনের নতুন সব খবর দিতে । আশা করি আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।

16/06/2024
07/09/2022

প্রশ্নঃ
হিজাব বা পর্দা যদি নারীকে আসলেই নিরাপত্তা দিতো, তাহলে অনেক সময়ে হিজাবী নারীরাও কেন ধর্ষণ বা যৌন হয়রানীর শিকার হয়? তারা তো ছোট পোশাক পরে না, অশ্লীল পোশাক পরে না। এর দ্বারা কি প্রমাণ হয় না যে পর্দা নারীকে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম না?
উত্তরঃ
ইসলাম নারীকে পর্দার আদেশ দেয়। তবে কখনো এটি দাবি করা হয় না যে "শুধুমাত্র" পর্দাই নারীর নিরাপত্তা বিধানে সক্ষম। বরং বলা হয় যেঃ পর্দা নারীর নিরাপত্তার জন্য সহায়ক।
যেমন, করোনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচার জন্য সতর্কতা হিসেবে মানুষ মাস্ক পরে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে স্রেফ মাস্ক পরলেই মানুষ করোনা থেকে পূর্ণ নিরাপত্তা লাভ করতে পারে! বরং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, ভ্যাক্সিন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইত্যাদি সকল কিছু নিশ্চিতের দ্বারা করোনা থেকে নিরাপদ থাকা যায়। একইভাবে পর্দা নারীর নিরাপত্তার জন্য একটি সহায়ক মাধ্যম; তবে এটিই নিরাপত্তার জন্য সব কিছু না। এটা একটা কমন সেন্স যে একজন খোলামেলা পোশাকের নারীর চেয়ে একজন পর্দানশীল নারীর ব্যাপারে লম্পট পুরুষদের মনে কম কামভাব জাগ্রত হবে; আর ধর্ষণ ও যৌন হয়রানীর মূলেই আছে পুরুষের কামভাব। মাস্ক পরার পরেও করোনা আক্রান্ত হলে যদি কেউ বলেঃ "এর দ্বারা প্রমাণ হল যে মাস্ক করোনা থেকে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম না! কাজেই মাস্ক পরা অসার কর্ম!" - এহেন দাবিকারীকে কি কেউ বোধ-বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ বলবে?
আর পর্দা করার মূল উদ্দেশ্য আল্লাহর হুকুম পালন, ফরয বিধান পালন। সবার আগে এই কথাটি মাথায় রেখে পর্দা করতে হয়।
অনেক সময় এমন হয় যে অন্য কোনো স্থানে খোলামেলা পোশাকে কোনো নারীকে দেখে অথবা টিভি বা অন্য কোনো মিডিয়াতে অশ্লীল জিনিস দেখে একজন পুরুষ কামোত্তেজিত হয়, পরে একজন হিজাবী/অ-হিজাবী নারীর উপর অশালীন কামনা চরিতার্থ করে। এখানেও পর্দাহীনতাই এই অপরাধের প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। পর্দা শুধু নারীর না, পুরুষেরও আছে। আল কুরআনে ২৪ নং সুরা নুরের ৩০ নং আয়াতে প্রথমে পুরুষের পর্দার কথা এসেছে। এরপর ৩১ নং আয়াতে নারীর পর্দার কথা এসেছে।
সমাজে পরিপূর্ণভাবে ইসলাম কায়েম হলে তাহলে নারী-পুরুষ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। আর ইসলামের অনেক বিধানের মধ্যে একটা হচ্ছে পর্দা। ইসলাম সাধারণভাবে সকল মানুষকে তাকওয়া বা পরহেজগারী অবলম্বনের আদেশ দেয়, আত্মশুদ্ধির বিধান দেয়। এরপর ইসলাম পুরুষকে চোখের হেফাজত ও পর্দার আদেশ দেয় (সুরা ২৪ : ৩০)। এরপর ইসলাম নারীকেও চোখের হেফাজত ও পর্দার আদেশ দেয় (সুরা ২৪ : ৩১)। একজন পুরুষ যদি আল্লাহর বিধান অনুসারে চোখের হেফাজত করে তাহলে তার দ্বারা অশ্লীল চিন্তা ও যৌন অপরাধের সম্ভাবনা অনেকটাই হ্রাস পেয়ে যায়। আর নারীরা যদি যথার্থভাবে হিজাব করতো, তাহলে পুরুষের জন্যও চোখের হেফাজত সহজ হয়ে যেতো। এখানে নারী ও পুরুষের উচিত পরস্পর আল্লাহর বিধান পালনে সহযোগী হওয়া। হিজাব মানে কিন্তু শুধু এক টুকরা কাপড় না; হিজাব হচ্ছে পরিপূর্ণ পর্দার এক বিধান যার মাঝে আচার-আচরণ, শালীনতা, পোশাক সব কিছুই অন্তর্ভুক্ত। নারী ও পুরুষ সকলে যদি ইসলামের এই বিধানগুলো মেনে চলে তাহলে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানী ঘটা কার্যত অসম্ভব। এরপরেও যদি কোনো লম্পটের দ্বারা নারীর উপর হয়রানী আসে, ইসলামে তার কঠিন সাজার বিধান আছে। এভাবে ইসলাম ধাপে ধাপে মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যবস্থা নেয়।
ইসলামের একটা বিধানের অংশবিশেষ দ্বারা নয় বরং পরিপূর্ণভাবে ইসলামী বিধি-বিধান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজের সকলের দুনিয়া ও আখিরাতের পূর্ণ নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়। আল্লাহ সবাইকে বুঝ দান করুন।

ছবিটি দেখার পর নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি কৌতুক মনে পড়লো। নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জী...
31/05/2021

ছবিটি দেখার পর নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি কৌতুক মনে পড়লো। নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জীবনী পড়লে বেশ কয়েকটি মজার ঘটনা পাওয়া যায়। ছবিটির মতো এমন ঘটনাও শামায়েলেরর কিতাবগুলোতে আছে।

যাহির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নামের একজন বেদুইন ছিলেন। তিনি নবিজীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রায় সময় বিভিন্ন গিফট দিতেন। নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগ্রহ সহকারে বেদুইন-বন্ধুর গিফট গ্রহণ করতেন।

তিনি বলতেন, "যাহির আমাদের পল্লীবন্ধু আর আমরা তাঁর শহুরে-বন্ধু।"

যাহির (রা:) দেখতে কদাকার ছিলেন, সমাজের কেউ তাঁকে এতোটা মূল্যায়ন করতো না। অবহেলা আর অনাদার ছিলো তাঁর জীবনসঙ্গী। কিন্তু, নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে তাঁর বিশেষ মর্যাদা ছিলো। সমাজের যেসব মানুষকে মূল্যায়ন করা হতো না, নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঠিকই তাদেরকে মূল্যায়ন করতেন। সাদা-কালো, ধনী-গরীব, সম্ভ্রান্ত-দাস এসব মানবসৃষ্ট দেয়াল উপেক্ষা করে নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষকে 'মানুষ' হিশেবে ট্রিট করতেন।

একদিন যাহির (রা:) বাজারে তাঁর পণ্য বিক্রিতে ব্যস্ত ছিলেন। একজন ব্যক্তি পেছন দিক থেকে তাঁকে ধরেন (অনেকটা এই ছবির মতো)।

যাহির (রা:) তো বেজায় বিরক্ত। তিনি বললেন, "কে? কে আমাকে ধরেছো? ছেড়ে দাও বলছি...।"

পেছনে তাকিয়ে দেখলেন, তিনি আর কেউ নন; খোদ নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! যাহির (রা:) যখন বুঝতে পারলেন যে, নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ধরেছেন, তখন তিনি তাঁর পিঠ নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বুকের সাথে লেলিয়ে দিলেন।

মজার দৃশ্যটি এখানেই শেষ হতে পারতো। কিন্তু, না। নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাহিরের (রা:) সাথে আরেকটু মজা করলেন। তিনি উচ্চস্বরে বললেন, "কে আছো? এই গোলামটিকে কিনবে?"

অর্থাৎ, তিনি যাহিরকে (রা:) দাস হিশেবে বিক্রি করতে চাচ্ছেন। তখনকার সময়ে বাজারে দাস কেনা-বেচা হতো।

নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন আহ্ববান শুনে যাহির (রা:) বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে কে কিনবে? আমার মতো ব্যক্তিকে বিক্রি করলে কেবল অচল পয়সাই পাওয়া যাবে (কোনো লাভ হবে না)!"

যাহিরের (রা:) কথার মধ্যে যেমন সত্যতা আছে, তেমনি মনের আক্ষেপও আছে। আসলেই তো, মানুষজন তাঁকে কিনবে কেনো?

নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মনের বেদনা বুঝতে পারতেন। যাহিরকে (রা:) মিথ্যা সান্ত্বনা দেননি, মিথ্যা সহমর্মিতাও জানাননি। তিনি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেন।

নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "যাহির, তুমি ভাবছো তুমি অচল? না, তুমি অচল নও। আল্লাহর কাছে তোমার উচ্চ মর্যাদা রয়েছে।"

একজন কদাকার বেদুইন, যাকে কেউ মূল্যই দিতো না, তাঁর সাথে নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী সুসম্পর্ক রেখেছেন! যে নিজেকে মূল্যহীন মনে করছে,তাকে তিনি বুঝাচ্ছেন- তুমি মূল্যহীন নও; তোমার মূল্য বরং মানুষ বুঝতে পারছে না।

ফেসবুকে একটি উক্তি পড়েছিলাম- যমিনের অনেক 'অখ্যাত' ব্যক্তি আসমানে 'বিখ্যাত'। যমিনের অনেক 'বিখ্যাত' ব্যক্তি আসমানে 'অখ্যাত'।

---
|| খ্যাতির মাপকাঠি ||
আরিফুল ইসলাম
৩১ মে ২০২১

27/05/2021
17/05/2021

প্রায় ১০ বছর আগে "خليجية" নামক একটি চ্যানেলে একটি শো অনুষ্ঠিত হয়। মিশরে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন শায়খ মুহাম্মাদ আয-যাগাবী। বিষয়বস্তু ছিলো শিয়া সম্প্রদায়; তাদের স্বরূপ উন্মোচন- এ জাতীয়। অনুষ্ঠান চলাকালে ইরাক থেকে একটি কল আসে। কলকারী একজন ইমাম ছিলেন; আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ- এর মসজিদের। সেখান থেকে তিনি তাদের উপর শিয়া কর্তৃক অবর্ণনীয় পাশবিক নির্যাতনের কথা কান্না জড়ানো কণ্ঠে উল্লেখ করেন। যা থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের যুগ যুগ থেকে চলে আসা ধৃষ্টতা ও নির্যাতন চালানোর চিত্র স্পষ্টরূপে চিত্রিত হয়।
ফোনকলটি শুনলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

[ভিডিওটিতে কোন এক শ্রদ্ধেয় ভাই বাংলা অনুবাদ যুক্ত করেছিলেন। আমরা সেই অনুবাদই উপস্থাপন করলাম।
অনুবাদ নতুন করে যুক্ত করলে আরও স্পষ্টরূপে বোঝা যেত। আমাদের ইডিটর প্যানেলের সদস্য অসুস্থতায় আক্রান্ত হওয়ায় করা হয়ে ওঠেনি। ইন শা আল্লাহ, পরবর্তীতে এটি নতুন করে করা হবে। আল্লাহ তাওফিক দিন। দোয়ার দরখাস্ত।]

YouTube Chanel
https://youtube.com/channel/UCAtJajIGEZ1xlVtduFvLhGg

14/02/2021

যদি কোন নারী জানতো পুরুষ কিভাবে তার দিকে তাকায়, তাহলে সে নিজেকে লোহা দিয়ে ঢেকে রাখতো।

আলী বিন আবি তালিব

23/01/2021

“আল্লাহ্ ছাড়া তোমাদের অন্য কোন বন্ধু বা সাহায্যকারী বলে কেউ নেই।”

(সূরা আশ-শূরা ৪২:৩১)

04/01/2021

Reality is wrong.
Dreams are for real, no one can take away your dreams..

Address

Cox's Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Edited Light posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share