Guddu's Diary

Guddu's Diary শখ
সৌন্দর্য
৷ ৷ রান্নাবান্না।।
নিত্যদিনের কাজ, ভালো থাকার অভিপ্রায় 🥰🥰

বছরের পর বছর একসাথে পথচলার পর বিবাহবিচ্ছেদ কেন ঘটে!এ সময়ে নারীদের আর্থিক সক্ষমতাকে অনেকে সবচেয়ে বড় কারণ মনে করেন। কেউ কে...
15/02/2025

বছরের পর বছর একসাথে পথচলার পর বিবাহবিচ্ছেদ কেন ঘটে!
এ সময়ে নারীদের আর্থিক সক্ষমতাকে অনেকে সবচেয়ে বড় কারণ মনে করেন। কেউ কেউ মনে করেন বিবাহ পরবর্তী অন্য সম্পর্ক।

আমার কাছে এগুলো মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয়-বিবাহবিচ্ছেদ কারণে নয়;বরং অকারণে হয়।

একজন আরেকজনের প্রতি যখন আর আকর্ষণ বোধ করে না-কিংবা সম্পর্কের প্রতি যখন শ্রদ্ধাবোধ, মায়া কাজ করে না। যখন উভয়ই শান্তির খোঁজে স্পেস খুঁজে বেড়ায়, যখন ভালোবাসা অন্যে কোথাও উড়ে যায় তখন এমন হয়।

ঝগড়া, রাগ -তোমার সাথে আর থাকব না- এই ব্যাপারগুলো হতেই পারে। খুব স্বাভাবিক। তবুও যে-কোন একজনকে খুব যত্ন আর ধৈর্যের সাথে সম্পর্ককে বাঁচানোর চেষ্টা করতে হয়।
সম্পর্ক তো গাছের সদৃশ। অযত্নে মরে যায়।সব শেষ।

ডিভোর্স - ভয়ংকর এক বিস্ফোরণের নাম। যার কারণে সন্তানদের জীবন আজীবনের জন্য নষ্ট হয়ে যায়।

তুচ্ছ বিষয়ে ডিভোর্স দেয়া এখন ডাল-ভাতের মতো। মহান আল্লাহ এ ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করেছেন তবে এমনটা ঘটবে তিনি জানেন তা-ই সঠিক পথ বাতলে দিয়েছেন।

একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর প্রতি আনুগত্য দেখাবে। আবার তা-ই বলে স্বামী সকাল -বিকাল বলবে না যে- বাপের বাড়ি যাওয়া মানা, সকালে খাওয়া মানা, বোনের সাথে কথা বলা মানা ইত্যাদি।

স্বামীকেও এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে যে ইচ্ছেমতোন তাঁকে কোন কিছু চাপিয়ে না দেয়া। একজন পুরুষ মানুষের অনেক দায়িত্ব - সবচেয়ে কঠিন দায়িত্ব স্ত্রীর ভরণপোষণ তো দেয়া কিন্তু তাঁর চেয়েও কঠিন হাশরের ময়দানে জবাব দেয়া। আর এই জবাব দিতে হবে স্ত্রীর ব্যাপারে। পুরুষ খেয়াল রাখবে তাঁর স্ত্রীর সার্বিক বিষয়ে। তাঁকে খেয়াল রাখতেই হবে তাঁর শরীরের, তাঁর মনের, তাঁর ঈমানের, তাঁর সৎকাজের, তাঁর পরিবারের, তাঁর হাসির,তাঁর পর্দার ইত্যাদির।

আপনি -ই যদি তাঁকে অবাধে অন্যের সাথে মিশতে দেন, আপনি যদি তাঁর ভুল উপেক্ষা করেন, আপনি যদি অবহেলা করেন-তাহলে তো কঠিন সময় আপনার আসবে।

#পারিবারিক কিছু ব্যাপার লুকিয়ে রাখুন।
#দু'জনের একান্ত হাসির-আর আনন্দের ছবি সামাজিক মাধ্যমে কম দেয়ার চেষ্টা করুন।
#মানুষ হিংসুটে। উপরে উপরে ভালো বললেও কেউ ব্যক্তিগতভাবে খারাপ থাকলে ঠিকই জেলাস হয়। আর আমাদের হৃদয় এতো উন্নত না যে আমরা হিংসা করব না।
#নিজের সুখের বিজ্ঞাপন কম দেবেন, প্রকাশ্যে কিংবা গল্পে।সুখ লুকান। লুকিয়ে থাকুন। দু'জনের সংসারে অফুরন্ত সুখের ধারা নামুক। তবুও মানুষকে বলেন না। আপনার মালিককে বলুন। কৃতজ্ঞতা জানান মালিককে -এমন একজন ভালো স্বামী বা স্ত্রী পাওয়ার জন্য।
#'আনুগত্যে করুন আপনার মালিকের। আপনার স্বামীর প্রতি।
#শুধু জানুন নয়; বরং মানুন। উপরের সবকথাই সবাই জানে শুধু মানাটা কঠিন।
সর্বাবস্থায় কৃতজ্ঞ হোন -সবকিছুর জন্য।
রুবাইদা গুলশান

#লেখাটা একটু এলোমেলো,গুছিয়ে পড়ুন।

বাঙালি মেক্সিমাম পুরুষদের স্ত্রীকে আলাদা হাত খরচ দেয়ার অভ্যাস নেই।কারণ অনেক ছেলেই তার বাবাকে দেখেনি মাকে আলাদা খরচ দিতে,...
10/02/2025

বাঙালি মেক্সিমাম পুরুষদের স্ত্রীকে আলাদা হাত খরচ দেয়ার অভ্যাস নেই।কারণ অনেক ছেলেই তার বাবাকে দেখেনি মাকে আলাদা খরচ দিতে,বাবাকে দেখেনি মায়ের জন্য পছন্দের কিছু কিনে নিয়ে আসতে(ব্যতিক্রম আছে তবে হাতেগোনা)।অনেক স্বামীরা স্ত্রীকে বলে তোমার প্রয়োজন হলে আমাকে বলবে।অথচ বেশীরভাগ মেয়েই লজ্জা ও সংকোচে স্বামীকে অনেক কিছুই বলে না।অনেক মেয়েরা নিজের প্রয়োজন নিজের বাবা ও ভাইয়ের কাছেই বলেনা।সেখানে বিয়ের পর হাজবেন্ডকে কিভাবে বলবে??
তাছাড়া স্ত্রীর ইচ্ছে হতে পারে দান সাদকা করতে,প্রিয়জনদের ছোটখাটো গিফট দিতে,পছন্দের বই কিনতে।ভাবে মেয়ে বাসায় আছে টাকা লাগবে না,অথচ একটা মেয়ের কি আসলেই কিছুর প্রয়োজন হয় না??
ছেলে বাড়িতে থাকলেও হাত খরচ পাবে,মেয়ে মানুষের কিসের খরচ??মেয়েরা বাড়িতে থাকে তাই তাদের টাকার প্রয়োজন নেই এটা একটা অযৌক্তিক কথা।প্রয়োজনে ভিক্ষুককেও টাকা দেয়ার টাকাও অনেক মেয়েদের থাকেনা।
কয়জন বাবা,ভাই,স্বামী তার মেয়ে,বোনকে,স্ত্রীকে হাতখরচের টাকা দিচ্ছে??হাত খরচ দেয়ার কথা অনেক পুরুষদের মাথায় ই থাকেনা।বাসায় খাচ্ছে পরছে আবার টাকা লাগবে কেন??
পরিবার থেকেই আগলে রাখুন নারীদের।আপনি নিজের মেয়ের জন্য সব করবেন,স্ত্রীর জন্য কিছুই না।এটা কখনোই ইসলাম বলেনা।.
জননীর কদর নেই।জননীর বাচ্চার কদর!!!!ইসলাম নারীর যে অধিকার দিয়েছে একজন পুরুষ হিসেবে নিজের ঘরেই সে অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
নিজের ঘরের মেয়েদের কে সামান্য করে হলেও হাত খরচের অভ্যাস গড়ে তুলেন ভাইয়েরা।কারণ মেয়েদের এমন অনেক খরচ আছে যা মেয়েরা বাবা,স্বামী,ভাই থেকে চাইতে লজ্জাবোধ করে।
বাবা ও ভাই থেকে অনেক মেয়েরা টাকা চেয়ে নিতে পারে।কিন্তু স্বামীর কাছে অনেক মেয়েরাই টাকা চাইতে পারেনা।বউদের দোষ বেশী থাকে।কিছু টাকা খরচ করলেও দিন শেষে হিসাব হয় এই টাকা কোথায় খরচ হল?বউ অনেক খরুচে!!মেয়েরা যেহেতু লাজুক তাই মাসে একটা ফিক্সড এমাউন্ট বউকে দিয়ে বলুন এই টাকা তোমার ইচ্ছেমতো খরচ করো।

আপনি আপনার স্ত্রীকে তার ন্যায্য প্রয়োজনে টাকা দেওয়ার পর কখনো খোঁটা দিতে পারবেন না। এই অধিকার আপনার নেই।

বরং তার ভরণ-পোষণ সহ নিত্য প্রয়োজনাদি মেটানো আপনার নৈতিক দায়িত্ব এবং ধর্মীয় কর্তব্য। বাড়িওয়ালার ভাড়া চুকানোর সময় আমরা কখনো এমনটা ভাবি না যে, এটা তার প্রতি আমার অনুগ্রহ। দোকানীকে বিল দেয়ার সময় আমরা কখনো মনে করি না যে, তার প্রতি দয়া করছি। বরং কেউ যদি কখনো এদের সাথে অনুগ্রহ সূলভ আচরণ করে, তার কপালে চড় থাপ্পড়ও জুটতে পারে।

কখনো স্ত্রীকে বলবেন না, 'সারাদিন এতো টাকা টাকা করো কেন? টাকা দিয়ে কী করো? কামাই করো না তো, তাই বুঝো না কত কষ্টে এই টাকা কামাই।'

এমন অনেক মানুষকে চিনি, যারা ঈদ উপলক্ষে পপরিবারের জন্য আয়োজন করে শপিং করে। নানারকম ঈদসামগ্রী কিনে দেয়। অথচ স্ত্রীর সরলতার সুযোগ নিয়ে তাকে পুরোপুরি বঞ্চিত করে।সবারটা হলেও বউয়ের জন্য কিনার সময় কেনো জানি টাকার কম পরে যায়।স্বামীকে খুশী করতে বউ সেটাও মেনে নেন।আচ্ছা এমন কখনও হয়েছে যে আপনার পকেটে টাকা কম মায়ের জন্য কিনবেন নাকি বউয়ের জন্য?আপনি মায়ের জন্যই কিনে বাড়ি ফিরবেন।মা না পেয়ে বউ পেলে বউ খারাপ কিন্তু বউ এর ভাগ মা পেলে বউ অনেক ভালো।এমনও হতে পারে, আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দেয়ার মতো অনেকেই আছে। আপনার অন্য ভাইবোনেরা আছে।বাবা আছেন।কিন্তু আপনার স্ত্রী? তাকে দেয়ার মতো কে আছে আপনি ছাড়া?আপনিই তাকে তার পরিবার থেকে নিয়ে এসেছেন একমাত্র অভিভাবকের দাবি করে।এখন অভিভাবক হিসাবে কি দায়িত্ব আপনি পালন করলেন তার জবাব সৃষ্টিকর্তাকে কি দিবেন?বাবা ভাই যখন অভিভাবক ছিলেন তখন আরাম আয়েশে নানান আবদারে জীবন কাটানো মেয়েটিও আপনার কাছে এসে হাসিমুখে বলে "কিছু লাগবে না।" তার এই কথার পিছনের প্রয়োজন আপনি না বুঝলেও তার বাবা ভাই কিন্তু বুঝতেন।

একটা কোর্সের রেজিস্ট্রেশনের কাজ সামাল দিতে গিয়ে দেখলাম, বহু বোন তাদের ফ্যামিলির কাছ থেকে নূন্যতম হাত খরচটাও পান না। ইসলামি শারিয়াহর প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধা জানিয়ে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তারা বাহিরে জব করেন না হয়তো। কিন্তু বাবা, ভাই কিংবা স্বামীর পক্ষ থেকে তাদের ন্যায্য খরচটুকুও পাওয়া হয় না।আআল্লাহর হুকুম মেনে ঘরের বাহিরে তারা উপার্জন করেন না কিন্তু তাদের মধ্যেও একটা লজ্জাবোধ থাকে যে তারা হয়তো পরিবারের পুরুষটার বোঝা।তাই তারা টাকা চাইতে লজ্জাবোধ করেন।অন্যের হক বুঝিয়ে না দিয়ে আপনি মাহফিলে মাহফিলে দৌড়াচ্ছেন? মাসের পর মাস তাবলীগে সময় দিচ্ছেন? এই ইসলাম আপনি পেলেন কোত্থেকে?

লিখাঃ- উস্তাদ আবুল হাসানাত কাসিম

08/06/2024

আরে কি দরকার ছিল?
আমার কিছু লাগবে না।
শুধু শুধু টাকা খরচ করলা কেন?

কেউ কিছু গিফট করলে, ছোটবেলা থেকে এইসব ভদ্রতা দেখানো টাইপ কথা বলা শিখেছেন, তাই না?
এগুলো বাদ দিয়ে বরং এরকম কিছুর প্র‍্যাকটিস করুন-

উফফ, কি সুন্দর জিনিসটা! 🥹
কিভাবে জানলা, আমার ঠিক এই জিনিসটাই লাগতো?

গিফট দাতা নিজ থেকে দাম বললে, উচ্ছাস প্রকাশ করে বলুন 'আরে এতো ভালো ডীল পাইছো, আমি তো আরো দামী ভাবছি! 😊

আপনার এই প্রানবন্ত এক্সপ্রেশন, জেনুইন ধন্যবাদ তার মন ভালো করে দেবে। এটা তার জন্যও ফিরতি উপহার!

'না না লাগবে না' টাইপ ভদ্রতা না দেখালেও কোন সমস্যা হবে না, কারন আপনার ভদ্রতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে সে আপনার জন্য অর্থ এবং সময় খরচ করতো না!

12/02/2024
🥱🥱   ゚
11/02/2024

🥱🥱

Plzz gift me the cutest one🤭🤭
05/02/2024

Plzz gift me the cutest one🤭🤭

30/01/2024

Cake decorating Video 🎂

22/01/2024

অন্যান্য মেয়েদের মধ্য রাতে খেতে ইচ্ছা করে নুডলস, চকলেট, আইসক্রিম, ফুচকা ইত্যাদি ।☺️☺️ আর আমি এতো রাতে চালতার আচার খাচ্ছি 🤭
জাতি কি আমায় মেনে নিবে???? 🤐🤐😷😷😁😁

Simple design Double layer chocolate cake 🎂🥰
21/01/2024

Simple design Double layer chocolate cake 🎂🥰

18/01/2024

একদম সহজভাবে, ফাঁকিবাজ কাস্টার্ড বানানোর পদ্ধতি 😁😁😁






Address

Demra

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Guddu's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Guddu's Diary:

Share