Waania

Waania Modesty is an indication that Allah loves women. We provide formal, casual, festive modest wear collection

Waania-an exclusive Modest wear trying to serve the premium modest wear since 2016.Our exclusive abaya designed with quality, comfort and elegance. We need you to encounter the delight of finding lovely items that appear to be made remembering you.

28/07/2026

ইস্তিগফারের উপকারিতাঃ

১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয়। বাগান ও শস্যে ভালো ফসল হয়। নদী-নালা থাকে জীবন্ত।
২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম সন্তান, সম্পদ ও জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন।
৩। দীন পালন সহজ হয়। এবং কর্মজীবন হয় সুখের।
৪। আল্লাহ ও বান্দার মাঝে যে দীরত্ব আছে, তা ঘুচে যায়।
৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয়৷
৬। মানব ও জীন শয়তান থেকে তাকে হিফাযত করা হয়৷
৭। দীন ও ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায়।
৮। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হয়।
৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
১০। দুশ্চিন্তা, পেরেশানি দূর হয়।
১১। বেকারত্ব দূর হয়।
১২। আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জিত হয়। তার তাওবার কারণে আল্লাহ আনন্দিত হন।
১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসে৷
১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে আরশের ছায়াতলে।
১৫। কিয়ামতের দিন মানুষ যখন অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী মুত্তাকিনদের দলে থাকবে।
১৬। মন্দ কজ থেকে বেচে থাকা যায়।
১৭। আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণও তার জন্য দু'আ করেন।
[ নাযরতুন নু'আইম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূলঃ ২/৩০২]

আলহামদুলিল্লাহ্! বাংলাদেশের আকাশে মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। সেই সাথে আজ থেকে শুরু হলো হিজরি নতুন বছর– ১৪৪৮। মুহারর...
16/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ্! বাংলাদেশের আকাশে মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। সেই সাথে আজ থেকে শুরু হলো হিজরি নতুন বছর– ১৪৪৮।

মুহাররম মাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো– আশুরার রোজা। আশুরার রোজা রাখার ফজিলত বর্ণনায় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
“আশুরার দিনের সাওমের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আমার প্রত্যাশা, আল্লাহ এর দ্বারা পূর্ববর্তী এক বছরের সব গুনাহ মাফ করে দেবেন।” (সহীহ মুসলিম : ১১৬২)

এ বছর আশুরার রোজা রাখার দিন :
➤ ৯ মুহাররম — ২৫ জুন (বৃহঃবার)
➤ ১০ মুহাররম — ২৬ জুন (শুক্রবার)
➤ ১১ মুহাররম — ২৭ জুন (শনিবার)

উল্লেখ্য, আশুরার রোজা দুইটি রাখতে হয়। অতএব, মুহাররমের ৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ রোজা রাখবো, ইনশাআল্লাহ্।

এবং এ মাসের আইয়ামে বীজের রোজা রাখার দিন :
➤ ১৩ মুহাররম – ২৯ জুন (সোমবার)
➤ ১৪ মুহাররম – ৩০ জুন (মঙ্গলবার)
➤ ১৫ মুহাররম – ১ জুলাই (বুধবার)

Wishing you all a happy and blessed Eid ul-Adha with your family and beloved ones. May Allah accept your sacrifices and ...
28/05/2026

Wishing you all a happy and blessed Eid ul-Adha with your family and beloved ones.
May Allah accept your sacrifices and grant your prayers for peace and prosperity."
Eid Mubarak

🌙 বছরের শ্রেষ্ঠ দশ দিন (জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন)-এর গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো:▬▬▬▬▬▬▬◾▬▬▬▬▬▬▬(১) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রা...
18/05/2026

🌙 বছরের শ্রেষ্ঠ দশ দিন (জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন)-এর গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো:
▬▬▬▬▬▬▬◾▬▬▬▬▬▬▬
(১) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা; বিশেষত আরাফার দিনের রোজা গুরুত্বপূর্ণ।
হাফসা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিলহজ মাসের ৯ দিন, আশুরার দিন এবং প্রতি মাসের তিন দিন রোজা রাখতেন। [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ২৪১৭; হাদিসটি সহিহ]
এক হাদিসে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৩৬]

(২) সামর্থ্যবান হলে কুরবানি করা:
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানি করলো না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে।’’ [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৩১২৩; হাদিসটি হাসান]
(৩) এই দশ দিন নখ ও চুল না কাটা:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের কেউ জিলহজ মাসের চাঁদ দেখলে এবং কুরবানি করার ইচ্ছা করলে, সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৫০১৩]
আরেকটি বর্ণনায় এসেছে, শরীরের কোনো ত্বক বা চামড়াও যেন স্পর্শ না করে; অর্থাৎ না উঠায় বা না ছিঁড়ে (হোক সেটি ফাটা বা মরা)। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৫০১১]
সুতরাং, হাদিস থেকে জানা গেলো, জিলহজ মাস শুরু হয়ে গেলে কুরবানিদাতা ১০ তারিখের আগে চুল, নখ, পশম কাটবেন না; এমনকি ত্বকও না। কুরবানিদাতার ক্ষেত্রে এগুলো না কাটার এই হুকুমকে কোনো কোনো আলিম ‘ওয়াজিব’ (আবশ্যক) বলেছেন, আবার অনেকে ‘মুস্তাহাব’ (উত্তম) বলেছেন। তবে, অন্য হাদিস থেকে বোঝা যায়, যারা কুরবানি দেবে না, তারাও এই দিনগুলোতে এই নিয়ম মেনে চললে বিশেষ লাভবান হবেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমি কুরবানির দিন সম্পর্কে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ তা‘আলা তা এই উম্মতের জন্য ঈদ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।’’ এক ব্যক্তি বললো, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ্! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানিহা থাকে (অর্থাৎ, অন্যের থেকে নেওয়া দুগ্ধ দানকারী একটি উটনী থাকে—তবুও কি কুরবানি দিতে হবে?)’ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘না; বরং সেদিন (অর্থাৎ, ঈদের দিন) তুমি তোমার চুল কাটবে, নখ কাটবে, গোঁফ ও নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করবে। এটাই আল্লাহ তা’আলার কাছে তোমার পূর্ণ কুরবানি বলে গন্য হবে।’’ [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৬৫৭৫; ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ২৭৮৯; ইমাম হাকিম, ইবনু হিব্বান, মুনযিরি, তাবারানি, যাহাবি, শুয়াইব আরনাউত্ব (রাহিমাহুমুল্লাহ্)-সহ মুহাদ্দিসগণ হাদিসটির সনদ হাসান (গ্রহণযোগ্য) বলেছেন]
এই হাদিসে ঈদের দিনে নখ ও চুল কাটতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রথম ৯ দিনে না কেটে একেবারে ঈদের দিনে কাটলে আল্লাহর নিকট পূর্ণ কুরবানির নেকি পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। সুতরাং, আমাদের মধ্যে যারা কুরবানি দেবো আর যারা দেবো না, সবাই জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার আগেই নখ ও চুল কেটে নেবো। এরপর এই ৯ দিন নখ ও চুল না কেটে আরেকবার ঈদের দিন পশু জবাইয়ের পরে কোনো একসময় কাটবো, ইনশাআল্লাহ। ধরুন, দুপুরের পর হতে পারে।
(৪) চার ধরনের যিকিরে লেগে থাকা:
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজের দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং, তোমরা সেই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ), তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্) ও তাকবির (আল্লাহু আকবার) পড়ো।’’ [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৫৪৪৬; হাদিসটির সনদ সহিহ]
(৫) বিশেষ করে বেশি বেশি তাকবির তথা আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা উচিত।
সাধারণভাবে এই দশ দিন সংক্ষেপে ‘আল্লাহু আকবার’ বেশি বেশি পড়ুন। সাথে, নিচের বাক্যগুলোও সাধ্যানুসারে পড়ুন।
اَللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ وَلِلّٰهِ الْحَمْد
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
(আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আর আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা)
এটি প্রখ্যাত সাহাবি ইবনু মাস‘উদ (রা.) ও অন্যান্য পূর্বসূরিদের থেকে প্রমাণিত। [ইমাম দারা কুতনি, আস-সুনান: ১৭৫৬; শায়খ আলবানি, ইরওয়াউল গালিল: ৬৫৪; হাদিসটির সনদ সহিহ]
উল্লেখ্য, আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ—প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক (উপরে বর্ণিত তাকবিরটি) পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে। [ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু‘উ ফাতাওয়া: ২৪/২২০; ইমাম ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ: ২/৩৬০; ইমাম ইবনু আবিদিন, রাদ্দুল মুহতার: ৩/৬১]
(৬) চারটি সম্মানিত মাসের একটি হলো জিলহজ; তাই এই মাসের সম্মানে যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা উচিত।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে চারটি (মাস) সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা (গুনাহ করার মাধ্যমে) নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।” [সুরা তাওবাহ, আয়াত: ৩৬]
(৭) এই দিনগুলো বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, তাই এই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে নেক আমলে লেগে থাকা উচিত।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই।’’ সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জিহাদও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, ‘‘না। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জিহাদে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনোটি নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহিদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৯৬৯; ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ২৪৩৮]
এই দশদিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই দশদিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। [ইমাম ইবনু রজব, ফাতহুল বারি: ৯/১৫]
আমরা কী কী আমল আমরা করতে পারি?
(এখন যে আমলগুলোর কথা বলা হবে, সেগুলো বছরের যেকোনো সময়ের জন্য। বিশেষভাবে জিলহজ মাসের এই দিনগুলোর জন্য নির্ধারিত নয়। তবে, জিলহজেও এগুলো করতে পারি।)
❖ বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করা:
কুরআন কারিমে এসেছে, ‘‘(নুহ আ. বললেন) অতঃপর আমি বললাম, তোমরা তোমাদের রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি দেবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’’ [সুরা নুহ, আয়াত: ১০–১২]
❖ আন্তরিকভাবে তাওবাহ করা:
আল্লাহ্ বলেন, ‘‘অবশ্যই আল্লাহ তাদের তাওবাহ কবুল করবেন, যারা ভুলবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর দেরি না করেই (দ্রুত) তাওবাহ করে। এরাই হলো সেসব লোক, যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন।’’ [সুরা নিসা, আয়াত: ১৭]
❖ অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করা:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০ টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০ টি স্তর উন্নীত করবেন।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯৭; ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯০৪; হাদিসটি সহিহ]
❖ সাধ্যানুযায়ী দান-সদাকাহ করা:
নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “প্রত্যেক ব্যক্তি (হাশরের মাঠে) তার সদাকার ছায়াতলে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত লোকদের মাঝে ফয়সালা শেষ না হবে।” [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ১৭৩৩৩; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ৮৭২; হাদিসটি সহিহ]
❖ কুরআন তিলাওয়াত করা:
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করো, কারণ কুরআন কিয়ামতের দিন তার সাথীর (তিলাওয়াতকারীর) জন্য সুপারিশ করবে।” [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৭৫৯]
◈ সুরা ইখলাস বেশি করে পড়া:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিঃসন্দেহে এটি (সুরা ইখলাস) কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৫০১৩]
এছাড়াও আমরা আরও যা করতে পারি:
➤ সামর্থ্য থাকলে হজ ও উমরা আদায় করা;
➤ বেশি বেশি দু‘আ করা;
➤ মা-বাবার যথাসাধ্য খেদমত করা;
➤ শেষ রাতে তাহাজ্জুদ আদায় করা;
➤ অসুস্থ ব্যক্তির সেবা-সুশ্রূষা করা;
➤ মানুষের অভাব ও প্রয়োজন মেটানো;
➤ সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগের আমলগুলো গুরুত্বের সাথে আদায় করা।

AssalamualiqumLast day of dhaka Modest Fashion Expo at Radisson Blu Dhaka Water GardenYou are cordially invite to visit ...
16/05/2026

Assalamualiqum
Last day of dhaka Modest Fashion Expo at Radisson Blu Dhaka Water Garden
You are cordially invite to visit us to get exciting offers 💝

❤️
13/05/2026

❤️

Modesty is an indication that Allah subhanuwataala loves women.
𝐖𝐚𝐚𝐧𝐢𝐚 - an exclusive Modest wear trying to serve the premium modest wear since 2016.Our exclusive abaya designed with quality, comfort and elegance. We provide formal, casual, festive and also bridal modest collection.

🌸 Assalamualiqum eveyoneDhaka Modest Fashion Expo ✨Join us for an unforgettable fashion experience with   Date: may 15 -...
13/04/2026

🌸 Assalamualiqum eveyone

Dhaka Modest Fashion Expo

✨Join us for an unforgettable fashion experience with

Date: may 15 - 16
Time: 12 PM –2AM
Venue: Radisson Blu dhaka

🌸 Don’t miss the chance to witness luxury up close and step closer to your dream look🌸

Waania 𝐢𝐬 𝐨𝐟𝐟𝐢𝐜𝐢𝐚𝐥𝐥𝐲 𝐣𝐨𝐢𝐧𝐢𝐧𝐠 𝐭𝐡𝐞 𝐃𝐡𝐚𝐤𝐚 𝐌𝐨𝐝𝐞𝐬𝐭 𝐅𝐚𝐬𝐡𝐢𝐨𝐧 𝐄𝐱𝐩𝐨 (𝐃𝐌𝐅𝐄) — adding to a powerful lineup of brands shaping the future of modest fashion in Bangladesh.

Bringing their unique take on modest fashion — we can’t wait for you to experience their collection live.

𝐌𝐚𝐤𝐞 𝐬𝐮𝐫𝐞 𝐭𝐨 𝐜𝐡𝐞𝐜𝐤 𝐭𝐡𝐞𝐦 𝐨𝐮𝐭 𝐚𝐭 𝐃𝐌𝐅𝐄 👇
📍 𝐌𝐚𝐲 𝟏𝟓–𝟏𝟔 | 𝐑𝐚𝐝𝐢𝐬𝐬𝐨𝐧 𝐁𝐥𝐮 𝐃𝐡𝐚𝐤𝐚
𝐓𝐢𝐦𝐞 : 𝟏𝟐:𝟎𝟎 𝐏𝐦 - 𝟐:𝟎𝟎 𝐀𝐌

🌙🌙Taqabbalallahu minna wa minkum.“May Allah accept [good deeds] from us and from you.”On this blessed occasion of Eid-ul...
20/03/2026

🌙🌙Taqabbalallahu minna wa minkum.

“May Allah accept [good deeds] from us and from you.”
On this blessed occasion of Eid-ul-Fitr, may Allah’s mercy, peace, and countless blessings be upon you and your loved ones. May He accept our fasting, prayers, and all acts of Ibadah during the holy month of Ramadan.

Eid Mubarak! ✨ 🌙🌙

Ramadan Mubarak.🕌Let this month wash away your worries, heal your heart, and replace every darkness with light.Allah nev...
18/02/2026

Ramadan Mubarak.🕌
Let this month wash away your worries, heal your heart, and replace every darkness with light.
Allah never ignores a sincere dua.🤲May Allah answer every single one of our du'as this Ramadan. I hope this month changes us and we come out better in every way—spiritually, mentally, and emotionally. Ya Rabb, heal every heart that’s suffering in silence, and free us from everything that’s holding us back. Allahuma ameen.

Ramadan Mubarak, everyone!

“Allāhumma ballighnā Ramaḍān.”A duʿāʾ filled with hope, life, and mercy—asking Allah to grant us time, health, and imān ...
09/02/2026

“Allāhumma ballighnā Ramaḍān.”

A duʿāʾ filled with hope, life, and mercy—asking Allah to grant us time, health, and imān to witness a month where hearts are purified, sins are forgiven, and prayers are answered. May we reach Ramadan with renewed faith and a softened heart. Ameen.🤍✨

Address

Shop-1005 , Level-1 And Shop/30 At Ground Floor S, Himanto Shombhar Shopping Mall, Dhanmondi-2 . Dhaka
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Waania posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Waania:

Shortcuts

Share