27/06/2026
ব্যক্তিগত মতামত:
মসজিদ-মাদ্রাসা কেন্দ্রিক চিন্তা ও আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মএটি সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত একটি অনুধাবন। ঢাকা শহরে আজ মসজিদ এবং মাদ্রাসার অভাব নেই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা তহবিল সংগ্রহের জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং কর্মীদের অপব্যবহার করছেন। পবিত্র ইসলাম ধর্মকে তারা এক ধরণের ব্যবসার হাতিয়ারে পরিণত করেছেন। এই মানসিকতা পরিবর্তনের এবং বিষয়টি নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।কেবল জাঁকজমকপূর্ণ কিংবা এসি (AC) ও মোজাইক লাগানোর পেছনে বিপুল অর্থ অপচয় করার কোনো মানে হয় না। বরং আমাদের ভাবা উচিত—ভবিষ্যতে কারা এই মসজিদে আসবে? অর্থাৎ, আমাদের শিশুদের কথা।
বর্তমান বৈশ্বিক শিক্ষাব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি যা শিশুদের স্বেচ্ছায় ইসলাম অনুসরণের পথে এক ধরণের অদৃশ্য বাধা তৈরি করছে। তাই তাদের টিকে থাকার জন্য জাগতিক বা আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি সঠিক ইসলামি শিক্ষার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। এই দুই শিক্ষার সমন্বয়ই তাদের দুনিয়াতে সফল করবে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলার যোগ্য করে তুলবে।
আসুন, শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজেদের এবং পরবর্তী প্রজন্মের সুরক্ষায় নতুন করে পরিকল্পনা করি। আমরা সরাসরি মসজিদের পরিচালনা পর্ষদের (কমিটি) সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করতে পারি। বর্তমানের চিত্রটা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, প্রতি জুমার নামাজের পর শুধু মসজিদ ফান্ড, এসি বা টাইলসের খরচের জন্য আবেগময় আবেদন করা হয়। কিন্তু ভবিষ্যতে এই মসজিদে নামাজ পড়ার মতো যোগ্য প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে কি না, তা নিয়ে কারো কোনো মাথা ব্যথা নেই। এই ধারা এখনই বদলানো দরকার।