SR Fashion House

SR Fashion House Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SR Fashion House, Women's clothes shop, Mirpur, Dhaka.

জীবনের কঠিন বাস্তবতার সামনে দাড়িয়ে আজ আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় এত সহজে কিভাবে এত বড় সিদ্ধান্ত নিলে !আমি বলবো,আমি সেই মে...
13/03/2026

জীবনের কঠিন বাস্তবতার সামনে দাড়িয়ে আজ আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় এত সহজে কিভাবে এত বড় সিদ্ধান্ত নিলে !আমি বলবো,আমি সেই মেয়ে যে হাজার বার চেয়েছি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চেয়েছি ,আমি সেই মেয়ে যে হাজার টা দোষ মেনে নিয়েছি ,আমি সেই মেয়ে যে নিজের ফ্যামিলি কে পর্যন্ত নিজের দুঃখ সহজে বুঝতে দেয়নি যতক্ষণ না তারা নিজে থেকে বুঝেছে। আমি সেই মেয়ে যে স্বামী সন্তানকে পুরো পৃথীবি বানিয়ে নিয়ে ছিলাম। আমি সেই মেয়ে যে কান্না লুকিয়ে সব সময় ভালো থাকার অভিনয় করেছিলাম। আমি সেই মেয়ে যে স্বামী ব্যতীত অন্য কারো দিকে চোখ তুলে কখনো তাকাইনি। আমি সেই মেয়ে যে সমস্ত ভালবাসা শুধু তাকে দিয়ে ছিলাম। বিনিময়ে অবহেলা ছাড়া আর কিছুই পাইনি তারপরও থাকতে চেয়েছিলাম। আমি সেই মেয়ে যে তার সব কমতি ঢেকে রেখে মানুষের কাছে তাকে সম্মানের জায়গায় রেখেছিলাম। আমি সেই মেয়ে যে সকালে নামাজের জন্য ডাকার কারনে প্রতিনিয়ত থাপ্পর খেয়ে দিন শুরু করতাম। আবার আমিই দুপুরে তার জন্য তার পছন্দের খাবার রান্না করে, তার ফেরার অপেক্ষা করতাম। অনুতপ্ত হওয়া কি জিনিস তা কখনোই সে বোঝে নাই। তারপরও ধৈর্য ধরে ছিলাম হয়তো আল্লাহ যেদিন হেদায়েত দিবে সেদিন হয়তো সে নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হবে। আসলে যে প্রতিনিয়ত নিজের চরিত্রকে হেফাজত করে না নিজের দৃষ্টিকে হেফাজত করে না নিজের জবানকে হেফাজত করে না তার হেদায়েত হয়তো হবে কিনা তা আল্লাহ জানে। যার স্ত্রী পুরুষ দেখলে পুরুষের কণ্ঠস্বর শুনলে নিজেকে লুকিয়ে ফেলে আর অন্যদিকে সে কিনা একজন বেগানা নারীর কণ্ঠস্বর শুনলে এক পা সামনে গিয়ে খুব আনন্দ চিত্তে কথা বলে। স্ত্রী কি? স্ত্রীর সম্মান কি? তা কখনো বোঝার চেষ্টাও করেনি। উল্টো গর্বের সাথে সবসময় নিজেকে উপস্থাপন করতো- আমি কি বউ পাগল!
আমি সেই মেয়ে যে হাজারো দুঃখ কষ্ট নিজের মধ্যে দাফন করে বাহিরে হাসিমুখে চলতাম। আমি সেই মেয়ে যে মারাত্মক ভাবে অসুস্থ থাকার পর ও সব দায়িত্ব পালন করেছি। হাজার বার অবহেলিত হওয়ার পর ও থাকতে চেয়েছি ,সম্পর্ক আমার কাছে এতটাই মূল্যবান ছিলো যে নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়েছি বার বার। নিজেই নিজেকে আঘাত করেছি বার বার তারপর ও কাউকে অসম্নান করতে চাইনি ,বেহায়ার মতো সবার ভালোবাসা চেয়েও ,নিজের ফ্যামিলি ছাড়া কোনও সাপোর্ট পাইনি কারোর থেকে ,অসময়ে দুঃসময়ে আকুতি মিনতি করেছি একটু খানি গুরুত্ব পাওয়ার জন্য, শুধু একটু ভালো ব্যাবহার পাওয়ার জন্য। আমি সেই মেয়ে যে হাজার বার বুঝিয়েছি আমাদের একটা সন্তান আছে সন্তানের মুখ চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করো। হ্যাঁ পরিবর্তন করেছে ঠিকই তা সংসার রক্ষার জন্য না সংসার ভাঙার জন্য। আমি সেই মেয়ে যে কিনা মা খাদিজা (রা.) এর মত চেষ্টা করেছিলাম স্বামীর জন্য ঘরটাকে শান্তির নির বানিয়ে রাখতে।
কিন্তু আমার সব যত্ন, ভালোবাসা আর তার প্রতি দেখানো সম্মান এগুলা সবটাকে সে সবসময় আমার দুর্বলতা ভেবেই অবহেলা করেছে। কিন্তু কোনো কিছুই হয়তো আমার ভাগ্যে ছিলো না ,অথবা কোনও কিছুরই যোগ্য না ,আমি সেই মেয়ে যে প্রায় ৫ বছর,২ মাস নিজেকে বিসর্জন দিয়ে শুন্য হাতে ফিরে এসেছি।তার মায়ায়, তার আশক্তিতে এতটাই মগ্ন ছিলাম আসলে আমার নিজ থেকে ফিরে আসার ক্ষমতা ছিল না। আল্লাহ এই রহমতের মাসে রহমত দিয়ে আমাকে ফিরিয়ে এনেছেন আলহামদুলিল্লাহ। যাইহোক একজন একজন করে আমার পক্ষে এই মুহূর্তে জানানো সম্ভব ছিলো না,সবাই দোয়া করবেন । অভিভাবক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। আল্লাহ যা করেন, বান্দার সর্বোত্তম কল্যাণের জন্যই।
হাসবুনাল্লাহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।

এক একটা সময় এমন আসে, যখন আমাদের এই ধুলোমলিন জীবনে কিছুই যেন ঠিক হয় না৷ ক্ষমাহীন পৃথিবীতে নানাভাবে অপমানে আর আঘাতে বিদ্ধ ...
25/02/2026

এক একটা সময় এমন আসে, যখন আমাদের এই ধুলোমলিন জীবনে কিছুই যেন ঠিক হয় না৷ ক্ষমাহীন পৃথিবীতে নানাভাবে অপমানে আর আঘাতে বিদ্ধ হয়ে, মার খেতে খেতে, মার খেতে খেতে, আমাদের পিঠ ঠেকে যায় দেওয়ালে৷ না চাইতেই ফোঁটা ফোঁটা জল আসতে থাকে চোখে।

আর তখন, ওই ছোট্ট বাঁদর ছানাটার মতো আমরাও চাই একটা কিছুকে আঁকড়ে ধরতে।
খানিকটা সময়ের জন্য হলেও সবকিছু ভুলে গিয়ে জড়িয়ে ধরে থাকতে চাই কাউকে৷ অসহায়ের মতো খুঁজি একটা নিরাপদ আশ্রয়৷

কেউ খুঁজে পায়, কেউ পায় না৷ তবে খোঁজে সবাই৷ ওই ছোট্ট বাঁদর ছানাটার মতো।

আমার এক পরিচিত আপু, প্রায় তিন দশক সংসার করার পর আজ ডিভোর্সের পথে। কারণ তার উপলব্ধি—যে ভালোবাসাকে তিনি একসময় স্বপ্ন মনে ...
18/02/2026

আমার এক পরিচিত আপু, প্রায় তিন দশক সংসার করার পর আজ ডিভোর্সের পথে। কারণ তার উপলব্ধি—যে ভালোবাসাকে তিনি একসময় স্বপ্ন মনে করেছিলেন, সেটি আসলে ছিল এক মনস্তাত্ত্বিক ফাঁদ।

💔 মিষ্টি মোড়কে ভয়ংকর ফাঁ/দ — লাভ বোম্বিং
“লাভ বোম্বিং” শব্দটা শুনতে যতটা রোমান্টিক, বাস্তবতা ততটাই অন্ধকার।
এটি নিছক ভালোবাসার প্রকাশ নয়; বরং এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক কৌশল (psychological manipulation)—যার লক্ষ্য হলো কাউকে দ্রুত আবেগিকভাবে নির্ভরশীল করে তোলা।

যেভাবে শুরু হয়
ভাবুন তো— হঠাৎ আপনার জীবনে এমন একজন মানুষ এলো, যে আপনাকে অঢেল ভালোবাসা, মনোযোগ, প্রশংসা আর উপহারে ভরিয়ে দিচ্ছে।
সে বলছে— তুমি আমার জীবনের সেরা মানুষ।” “তোমাকে ছাড়া আমি কিছুই না।”
“আমরা খুব দ্রুত বিয়ে করে ফেলি।” আপনার মনে হবে—
এমন মানুষই তো আমি সারা জীবন খুঁজেছি!”
এই পর্যায়টিই হলো প্রথম ধাপ—

তীব্র মুগ্ধতা ও আস"ক্তি তৈরি করা (intense idealization and emotional addiction)।
আপনি ধীরে ধীরে তার ভালোবাসার বন্যায় ভেসে যাবেন।
যখন মুখোশ খুলে যায়, কিন্তু সমস্যা হলো—এই মধুচন্দ্রিমা স্থায়ী নয়। যেই মুহূর্তে আপনি তার ওপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন, ঠিক তখনই খেলা বদলে যাবে।
হঠাৎ করে— যোগাযোগ কমে যাবে। আগের মতো যত্ন থাকবে না। অকারণে রাগ বা বিরক্তি দেখাবে। আপনাকেই দোষারোপ করতে শুরু করবে,

আপনি ভাববেন, “আমি কি কোনো ভুল করলাম?”
“আমি কি আগের মতো ভালো নেই?” এই পর্যায়ে আপনার আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায়। আপনি নিজেকেই সন্দেহ করতে শুরু করেন।
আসলে এটি এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ কৌ"শল। লাভ বোম্বিং মূলত একটি control technique। যারা এতে পারদর্শী, তারা জানে কীভাবে দ্রুত কারও আবেগকে নিজেদের পক্ষে ব্য"বহা"র করতে হয়।

তাদের উদ্দেশ্য—
আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল (mentally vulnerable) করে তোলা। যাতে আপনি তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যান। তারপর তারা আপনার আবেগ, সিদ্ধান্ত, এমনকি জীবনও নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।

⚠️ কেন এটি বিপজ্জনক?
কারণ আপনি বুঝতেই পারেন না কখন ভালোবাসা নিয়ন্ত্রণে পরিণত হলো।
আপনি ভেবেছিলেন আপনি ভালোবাসা পাচ্ছেন,
আসলে আপনি আ'স'ক্ত হচ্ছিলেন। আর যখন সম্পর্ক ভাঙে— আপনি শুধু একজন মানুষকে হারান না,
হারান নিজের আত্মবিশ্বাস, নিজের ভরসা।

তাই নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।
মনে রাখবেন— যে ভালোবাসা হঠাৎ করে বিস্ফোরিত হয়,
তা হঠাৎ করেই মিলিয়ে যেতে পারে। সত্যিকারের সম্পর্ক ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। সময় নেয়। বিশ্বাস তৈরি করে। ধৈর্যের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। কারও অতিরিক্ত যত্ন, অতি দ্রুত প্রতিশ্রুতি, বা অস্বাভাবিক প্রশংসায় মুগ্ধ হয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—
✔️ এই যত্ন কি স্বাভাবিক?
✔️ সে কি আমার সীমা (boundaries) সম্মান করছে?
✔️ নাকি আমাকে দ্রুত তার ওপর নির্ভরশীল করে তুলছে?

আজকের সামাজিক মাধ্যমের যুগে লাভ বোম্বিং আরও সহজ হয়েছে।
দ্রুত প্রেম, দ্রুত প্রতিশ্রুতি, দ্রুত ভাঙন। ভালোবাসা সুন্দর।
কিন্তু অন্ধ ভালোবাসা বিপজ্জনক। আপনার অভিজ্ঞতা কী বলে?

লেখা Voice of Nayem

15/02/2026

👍👍👍

সম্পর্ক তো শেষ, কিন্তু মুভ অন করবেন কীভাবে?সম্পর্ক ভাঙার পর সবচেয়ে বড় মিথ্যা যেটা আমরা নিজেকে বলি সেটা হলো- আমি ওকে ঘৃণা...
15/02/2026

সম্পর্ক তো শেষ, কিন্তু মুভ অন করবেন কীভাবে?

সম্পর্ক ভাঙার পর সবচেয়ে বড় মিথ্যা যেটা আমরা নিজেকে বলি সেটা হলো- আমি ওকে ঘৃণা করি, তাই আমি ওকে ভুলে গেছি।

বিশ্বাস করুন, ঘৃণা ভালোবাসার মতোই শক্তিশালী একটা আবেগ।

কাউকে ঘৃণা করা মানেও আপনি তাকে মনে মনে জায়গা দিয়ে রেখেছেন।

সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরেও যদি আপনি তার প্রোফাইল স্টক করেন, সে কার সাথে মিশছে তা নিয়ে জেলাস হন- তার মানে আপনি ফিজিক্যালি আলাদা হলেও, মেন্টালি এখনো সেই সম্পর্কের জলেই হাবুডুবু খাচ্ছেন।

জীবন থেমে থাকে না। আপনাকে মুভ অন করতে হবে।

কিন্তু কীভাবে? জাদুমন্ত্রে কাজ হবে না, দরকার কঠিন ডিসিপ্লিন।

দ্রুত মুভ অন করার ৪টি প্র্যাকটিক্যাল উপায় বলছি…

১. নো কন্টাক্ট রুল।
এটা কোনো অপশন নয়, এটা বাধ্যতামূলক।
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ- সব জায়গা থেকে ব্লক বা রিমুভ করুন।

"বন্ধু হয়ে থাকবো”- এই ভুল করতে যাবেন না।
চোখের আড়াল হলে, মনের আড়াল হতে বাধ্য।
যতদিন তার ছবি দেখবেন, ততদিন তার স্মৃতি আপনাকে তাড়া করবে।

২. কৈফিয়ত খুঁজবেন না।
"ও কেন এমন করলো?" "আমার কি দোষ ছিল?"- এই উত্তরগুলো খোঁজা বন্ধ করুন।

সে যে আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে বা আপনাকে সম্মান দেয়নি- এটাই তার উত্তর।

এর চেয়ে বড় কোনো 'ক্লোজার' হয় না।
নিষ্ঠুর সত্যটা মেনে নিন, কষ্ট কম হবে।

৩. ক্ষমা করে দিন।
তাকে ক্ষমা করুন- তার জন্য নয়, আপনার নিজের শান্তির জন্য।

মনের ভেতর ক্ষোভ পুষে রাখা মানে জ্বলন্ত কয়লা হাতে ধরে রাখা; হাত আপনারই পুড়বে।

তাকে মাফ করে দিয়ে নিজের কাঁধ থেকে এই মরা লাশটা নামিয়ে ফেলুন।

আপনি যত দ্রুত তাকে ক্ষমা করবেন, তত দ্রুত আপনি মুক্তি পাবেন।

৪. সেরা প্রতিশোধ নিন।
কারো ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার সেরা উপায় হলো- নিজের বিশাল উন্নতি করা।

নিজেকে জিমে, ক্যারিয়ারে, স্কিল ডেভেলপমেন্টে এতটাই ব্যস্ত রাখুন যে তাকে মনে করার সময়টুকুও যেন না পান।

আপনি যখন সফল হবেন, ভালো থাকবেন- সেটাই হবে তার জন্য সবচেয়ে বড় শাস্তি।

এই বিষয়টা মাথায় ঢুকান…

একটা ভুল মানুষের জন্য নিজের জীবন নষ্ট করবেন না।

আপনার জীবনের গল্পটা অনেক বড়, সে হয়তো সেই গল্পের একটা ছোট্ট অধ্যায় ছিল মাত্র।

পাতা উল্টান, পরের অধ্যায়ে হয়তো দারুণ কিছু অপেক্ষা করছে।

অতীতকে কবরে পাঠান, বর্তমানে ফোকাস করুন।

অল‍ দ‍্য বেস্ট।
...সংগৃহীত

15/02/2026
কারো প্রতি মায়া একদিনে হয় না,আবার একদিনেই কাটেও না।মায়া কাটানো মানে কাউকে ঘৃণা করা নয়—মায়া কাটানো মানে নিজেকে বাঁচানো।  ...
14/02/2026

কারো প্রতি মায়া একদিনে হয় না,
আবার একদিনেই কাটেও না।
মায়া কাটানো মানে কাউকে ঘৃণা করা নয়—
মায়া কাটানো মানে নিজেকে বাঁচানো।

১. বাস্তবটা মেনে নাও
যার প্রতি মায়া, সে যদি তোমার জীবনে শান্তির চেয়ে কষ্ট বেশি দেয়—
তাহলে সমস্যাটা ভালোবাসায় না, সমস্যাটা প্রত্যাশায়।

২. নিজেকে প্রশ্ন করো
আমি কি সত্যিই তার প্রয়োজন,
নাকি শুধু অভ্যাসের কারণে তাকে চাই?
অনেক সময় মানুষকে নয়—
আমরা তার সাথে কাটানো সময়ের স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরি।

৩. দূরত্ব তৈরি করো (চুপচাপ)
সব কিছু নাটক করে ছাড়তে হয় না।
কম কথা, কম খোঁজ, কম প্রত্যাশা—
এই তিনটা ধীরে ধীরে মায়া ঢিলে করে দেয়।

৪. নিজের দিকে মন ফেরাও
নিজের যত্ন, নিজের কাজ, নিজের স্বপ্ন—
যত বেশি নিজেকে গুরুত্ব দেবে,
তত কম অন্যের উপর নির্ভরশীল হবে মন।

৫. মনে রেখো
যে মানুষটা সহজে তোমাকে কষ্ট দেয়,
সে কখনোই তোমার মায়ার যোগ্য ছিল না।
মায়া কাটানো কঠিন—
কিন্তু নিজের সম্মান হারিয়ে রাখা আরও কঠিন।

শেষ কথা:— মায়া কাটে সময়ের সাথে,
আর সাহস আসে নিজের মূল্য বোঝার সাথে।
যেদিন নিজেকে ভালোবাসতে শিখবে,
সেদিন অনেক অপ্রয়োজনীয় মায়া আপনাতেই ঝরে যাবে।




#গল্প

14/02/2026

আমার সুখ-সে তো পলাতক অবস্থায় বহুকাল! 🥺

Address

Mirpur
Dhaka
1340

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SR Fashion House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share