10/09/2026
আজ সংসদের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেন গত কয়েকদিনের আলোচিত অনেক কথারই জবাব দিয়ে দিলেন! 🇧🇩
বিশেষ করে বাক্স্বাধীনতা, রাজনৈতিক শিষ্টাচার, ঋণখেলাপি, বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট, জুলাইয়ের আত্মত্যাগ, সুশাসন ও জবাবদিহিতা—বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।
🗣️ বাক্স্বাধীনতা বনাম গা/লা/গা/লির সংস্কৃতি
বাক্স্বাধীনতা অবশ্যই থাকবে। কিন্তু স্বাধীনতার নামে যেন শালীনতার সী'মা অতি'ক্রম না করি—এটাই বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
মতপার্থক্য থাকবে, রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকবে। কিন্তু প্রতিপক্ষকে অ'পমা'ন বা অ'শা'লীন ভাষায় আ'ক্র'ম'ণ করাই কি রাজনীতির ভাষা হওয়া উচিত? 🤔
তবে একটা বিষয় খুব পরিষ্কার—
বাক্স্বাধীনতার নামে গা/লাগা/লি বন্ধ করতে গিয়ে যেন কথা বলার স্বাধীনতাটাই ব'ন্ধ করে না দেওয়া হয়।
কারণ সমালোচনা থাকবে, প্রশ্ন থাকবে, সরকারের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার অধিকারও থাকবে। গণতন্ত্রে সেটাই স্বাভাবিক।
💰 ঋ*ণখে*লাপি ও অর্থনীতি নিয়েও কথা এসেছে
অর্থনৈতিক সং'কট, খেলাপি ঋ*ণ এবং আগের সময়ের আর্থিক চাপ নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।
সরকার অর্থনীতি স্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছে। একই সঙ্গে দু*র্নী*তি ও অ'নিয়মের বি'রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
⚡ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট বাস্তব। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নতুন কূপ খনন, এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর মতো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথাও এসেছে।
🚗 আর বিরোধীদের ‘লংমার্চ’ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ব্য'ঙ্গা'ত্ম'ক কথাটিও আলোচনায় এসেছে—
“গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করা যেত, তাহলে আমরাই সবার আগে লংমার্চ করতাম।” 😅
রাজনৈতিক ব্য'ঙ্গ হিসেবে কথাটি বলা হলেও মূল প্রশ্নটা থেকেই যায়—সংকটের স্থায়ী সমাধান রাজপথের কর্মসূচিতে নয়, কার্যকর নীতি ও বাস্তব পদ'ক্ষেপেই।
🇧🇩 জুলাইয়ের আ'ত্মত্যা'গের কথাও এসেছে।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নি'হ'ত'দের স্মরণ করে তাদের আত্ম'ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে এবং জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কথাও বলা হয়েছে।
তবে শেষ পর্যন্ত জনগণ কথা নয়, ফলাফল দেখতে চায়।
আমরা চাই বাক্স্বাধীনতা থাকুক, কিন্তু গা/লাগা/লির সংস্কৃতি না থাকুক।
আমরা চাই অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াক, ঋ*ণখে*লা*পি ও দু'র্নী'তির বি'রুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা হোক।
আমরা চাই বিদ্যুৎ-গ্যাসের সং'কট কমুক।
আমরা চাই সরকার ও রাষ্ট্র সত্যিকার অর্থেই জনগণের কাছে জবাবদিহি করুক।
আর একটা কথা মনে রাখা দরকার—
লেবু বেশি চি'পলে যেমন তি'তা হয়ে যায়, তেমনি নীতি প্রয়োগেও যেন একচোখা হওয়া না হয়।
গালাগালি যদি অ'পরাধ হয়, তাহলে নিয়মটা সবার জন্যই সমান হওয়া উচিত। সরকারপক্ষ, বিরোধীপক্ষ কিংবা কোনো উপদেষ্টা—কেউই যেন আইনের বাইরে না থাকেন।
কারও বক্তব্য পছন্দ না হলেই তার কথা বলা ব'ন্ধ করে দেওয়া সমাধান নয়।
কথার জবাব কথা দিয়ে দিতে হবে, যু'ক্তি দিয়ে দিতে হবে—প্রয়োজনে আইনের মাধ্যমে দিতে হবে। কিন্তু কথা বলা ব'ন্ধ করা যাবে না।
সব কথার মূল কথা একটাই—
👉 গা/লাগা/লি নয়, যুক্তি চাই।
👉 অ'পমান নয়, সমালোচনার অধিকার চাই।
👉 পক্ষপাত নয়, সবার জন্য একই নিয়ম চাই।
👉 আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—কথা বলার স্বাধীনতা ব'ন্ধ করতে চাইয়েন না! 🇧🇩❤️
কারণ গণতন্ত্রে জনগণ শুধু বক্তৃতার হাততালি চায় না—
**তারা কথা বলার অধিকারও চায়, আর পরিবর্তন চায়।