11/09/2026
আর আমাদের কিশোররা কয় ঘন্টা করে ঘুমায়?
😔
📌ছোট বাচ্চার ঘুমের সমস্যা
* ছোট বাচ্চার ঘুমের জন্য সাধারণত ওষুধের প্রয়োজন হয় না।
* বেডটাইম ধীরে ধীরে আগিয়ে আনার চেষ্টা করুন। আমাদের দেশে অনেক শিশুকে রাত ১০টার দিকে বিছানায় নেওয়া হয়, যা অনেক শিশুর জন্য দেরি হয়ে যায়।
* বেশি দেরি হলে বাচ্চা ওভারটায়ার্ড হয়ে যেতে পারে এবং তখন ঘুমাতে আরও সমস্যা হতে পারে।
* প্রতিদিন একই সময়ে, একই নিয়মে বেডটাইম রুটিন অনুসরণ করুন।
* সম্ভব হলে সন্ধ্যা ৭টার আগেই রাতের খাবার শেষ করুন।
* এরপর হালকা গরম পানিতে গোসল করাতে পারেন।
* প্রতিদিন নির্দিষ্ট ঘুমের পোশাক পরিয়ে বিছানায় নিন।
* বাচ্চাকে গল্প শোনান, আলো ধীরে ধীরে কমিয়ে দিন এবং পরিবেশ শান্ত রাখুন।
* প্রতিদিন একই সময়ে একই রুটিন অনুসরণ করলে ধীরে ধীরে বাচ্চার শরীর ঘুমের সময়ের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যাবে।
* দিনের বেলা না ঘুমালেও ১–২ ঘণ্টা কোয়াইট টাইম রাখতে পারেন। এই সময়ে খেলা বা অন্যান্য কাজ বন্ধ রেখে বাচ্চাকে কিছুক্ষণ শান্তভাবে শুয়ে বা বিশ্রামে থাকতে দিন।
* অনেক শিশুর স্লিপ রিগ্রেশন হতে পারে। ফলে কিছু সময় ঘুমের সময় বা পরিমাণে পরিবর্তন আসতে পারে, সুস্থ শিশুর ক্ষেত্রে এটি অনেক সময় স্বাভাবিক।
* সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধৈর্য, নিয়মিত রুটিন এবং ভালো স্লিপ হাইজিন। শুধু বাচ্চার নয়, বাবা-মায়েরও নিয়মিত ঘুমের রুটিন বজায় রাখার চেষ্টা করা উচিত।
বাচ্চা নিয়মিত জোরে নাক ডাকে, ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়ার মতো মনে হয়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, অস্বাভাবিকভাবে অতিরিক্ত ঘুমঘুম থাকে বা দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা চলতে থাকে তাহলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
ডা.তানভীর আহমেদ
এমবিবিএস (রংপুর মেডিকেল কলেজ)
এম.এস(এক্স- ঢাকা শিশু হাসপাতাল),
পিজিপিএন,আইপিপিএন (শিশু পুষ্টি),
ফেলোশিপ ইন চাইল্ড হেলথ (অস্ট্রেলিয়া)
নবজাতক, শিশু-কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন। শিশু স্বাস্থ্য, শিশু পুষ্টি ও শিশু চর্মরোগে উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।