Abm Kids Solution

Abm Kids Solution মায়ের আদর ভালোবাসায় নির্মিত হয় সন্তানের ভবিষ্যত। সেই মা ও শিশুর যত্নে Kids Intimate আছে আপনার সাথে।

21/01/2023

আপনার বাচ্চার সাথে প্রচুর কথা বলুন এবং ছবি দেখিয়ে ছোট ছোট গল্প বলুন।এতে তার চিন্তাশক্তি বাড়বে।

 #ব্রেইন_ফুডঃ  শিশুর ব্রেইন বিকাশ করে এমন ১০ টি খাবার আপনাদের সাথে পরিচয় করাবো সে ধারাবাহিকতায় আজকে ১ম  খাবার টা পরিচয় ক...
19/01/2023

#ব্রেইন_ফুডঃ শিশুর ব্রেইন বিকাশ করে এমন ১০ টি খাবার আপনাদের সাথে পরিচয় করাবো সে ধারাবাহিকতায় আজকে ১ম খাবার টা পরিচয় করাতে নিয়ে আসলাম আপনাদের সাথে - আজকে একটা প্রবাদ বাক্য দিয়ে মূল পর্বে যাবো ইনশাআল্লাহ।

The first 5 years of your life has so much to do with how the next 80 turn out.
আরো সহজে বলতে গেলে শিশুর জন্ম থেকে ৫ বছর এই সময় টা হচ্ছে খুবি গুরুত্বপূর্ণ, তাই এ সময় তাদের খাদ্য তালিকা টা রাখতে হবে পুষ্টিকর খাবার দ্বারা পরিপূর্ণ। কারণ একটা শিশুর জন্মের সময় তার ব্রেইন গ্রোথ থাকে ২৫% যা শিশুর ১ বছরে হয় ৭০%,৩ বছরে ৮৫%, ৫ বছরে ৯২%, ৭বছরে ৯৫%,১০ বছরে ৯৮%, বাকি ২% ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট হয় পরবর্তী সময়ের জীবন চক্রে তাই একটি শিশুর জন্ম থেকে ০-১০ বছর এই সময় টা খুবি গুরুত্বপূর্ণ।

দেখা যায় একজন বাচ্চা স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগেই তার ৯২% ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট হয়ে যায়। আর ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট এর জন্য খুবি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে - প্রোটিন, ওমেগা'৩, হেলদি ফ্যাট।

আর এ গুলোর উৎস থেকে একেক টা একেকভাবে গ্রহণ করতে হয়। তবে এই বয়সে বাচ্চাদের বেশি কিছু খাওয়ানো যায় না। তাই বর্তমান সময়ে আমাদের চেষ্টা থাকে কিভাবে অল্প খাবারে বেশি পুষ্টি যোগান দেওয়া যায়। আর সে রকম একটা খাবার হচ্ছে - ডাল খিচুড়ি বা রাজমা খিচুড়ি।

ডাল রাজমা ও খিচুড়ি
নিয়মিত ডাল খেলে আপনার বাচ্চার মস্তিষ্ক আপনাকে ধন্যবাদ জানাবে।মসুর ডালের ভিটামিন–বি মস্তিষ্কের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।ডালের ভিটামিন অ্যামাইনো এসিড ও হোমোসিস্টিনের মাত্রা হ্রাস করে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন,এইগুলি বেশি মাত্রায় থাকলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ব্যাহত হয়।এইজন্য ডাল চালের খিচুড়ি কে বলা হয় গরীবের যাদুকরী খাদ্য ।
এক থালা খিচুড়িতে প্রায় ১৭৭ ক্যালরি শক্তি, ৩২.৩ গ্রাম শর্করা, ৮.৪ গ্রাম প্রোটিন, ১.৫ গ্রাম চর্বি থাকে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, আয়রন এবং ফাইবার বা আঁশ রয়েছে।যার প্রত্যেকটি বিষয় মস্তিষ্ক গঠনে কাজ করে।তাই ডাল ও খিচুড়ি আপনার শিশুর জন্য যাদুকরী খাদ্য।

রাজমাতে প্রচুর পরিমানে ওমেগা'৩',ফ্যাটি এসিড, প্রোটিন, কমপ্লেক্স কার্ব,ফাইবার,ভিটামিন এবং মিনারেল থাকে যা একটা সুস্থ্য মস্তিষ্ক গঠনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আপনার শিশুর দুপুরের খাবারে অবশ্যই ডাল মিশ্রিত রাজমা খিচুড়ি রাখার অনুরোধ থাকলো।
অবশ্যই শিশুর যাতে পরিপূর্ণ ঘুম হয় তা খেয়াল রাখবেন।

মনে রাখবেন আপনি আপনার বাচ্চাকে দুনিয়ার মুখ দেখিয়েছেন। তার উপর কোনো কিছু চাপিয়ে দিবেন না। তাতে করে তার ব্রেনের বিকাশ তো ঘটবেই না,উল্টো একটি অসুস্থ মস্তিষ্ক নিয়ে দিন দিন বড় হবে।তাই শুরু থেকেই সাবধান।

পরবর্তী #ব্রেইন_ফুড_২ সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের Abm Kids Solution পেজের সাথে থাকার আমন্ত্রণ থাকলো সবাই কে। সে পর্যন্ত মহান আল্লাহ পাক সবাই কে সুস্থতার সাথে ভালো রাখুক আমিন।

হোম মেড সেরেলাক কে কে পছন্দ করেন, বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য?
18/01/2023

হোম মেড সেরেলাক কে কে পছন্দ করেন, বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য?

আপনার বাচ্চার একেবারেই খিদে নেই? এই টিপসগুলো কাজে দেবেওদের বেড়ে ওঠার দিকে আপনাকেই ধ্যান দিতে হবে!প্রত্যেকটা বাড়িতে বাচ্...
16/01/2023

আপনার বাচ্চার একেবারেই খিদে নেই? এই টিপসগুলো কাজে দেবে

ওদের বেড়ে ওঠার দিকে আপনাকেই ধ্যান দিতে হবে!

প্রত্যেকটা বাড়িতে বাচ্চাদের খাওয়া দাওয়ার পেছনে মায়েদের যেন শান্তি নেই। এটা খাবে না তো ওটাই বায়না। আর কেউ কেউ তো আবার খাবারের নামেই কান্না শুরু দেয়। বিন্দুমাত্র খিদে না থাকা কিন্তু আপনার বাচ্চার পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে। ওদের দৈহিক বিকাশ যেমন হবে না, বুদ্ধিতেও পিছিয়ে পড়বে। তাই সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নতিতে সঠিক ভাবে খাবার খাওয়া খুব প্রয়োজন। খিদে বাড়ানোও অবশ্যই দরকার। সারাদিনে ঠিক ঠিক সময়ে খাবার না খেলে মুশকিল।

ওদের বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে শেখার সুযোগ থাকে অনেক বেশি। চট করেই কোনও কিছু দেখে শিখে নেওয়ার মত ক্ষমতা থাকে ওদের। কিন্তু প্রয়োজনীয় পুষ্টি, ভিটামিন, মিনারেলস এবং অন্যান্য নিউট্রিশন যদি শরীরে না যায় তাহলে সকলের থেকে কিন্তু একেবারেই পিছিয়ে যাবে। তবে এরমধ্যে রয়েছে একটি দ্বন্দ্ব।

পুষ্টিবিদ ডা নীতিকা কোহলি বলেন, অনেক বাচ্চা আছে যারা একেবারেই খেতে চায় না, আবার অনেকে আছে হঠাৎ করেই খাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। আপনার শিশুটির দিকে কিন্তু আপনাকে লক্ষ্য করতে হবে। নানান কারণে খিদের ইচ্ছে চলে যেতে পারে, সেটি বুঝতে হবে। তবে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই, এটির থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বেশ কিছু টিপস মেনে চললেই ওর বেড়ে ওঠার পথে আর যাই হোক, খাবার অন্তত বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে না। তার মধ্যে ;

প্রথমঃ সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই আগে জল খেতে হবে এক গ্লাস। এমনকি দুধ পর্যন্ত খাওয়াবেন না। প্রথমেই জল। এছাড়াও দুপুর বেলা এবং রাত্রিবেলা খাবার খাওয়ার অন্তত ঘন্টাখানেক আগে জল খাওয়ান, এর মাঝে আর নয়।

দ্বিতীয়ঃ দুপুরবেলা খাওয়ার পর এক কুচি আদা এবং অল্প একটু সৈন্ধব লবণ মিশিয়ে চিবিয়ে খাওয়ানো অভ্যাস করান। এতে হজম ক্ষমতা বাড়ে এবং খিদে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তৃতীয়ঃ খাবার খাওয়ার সময় আপনার বাচ্চার সামনে কঠিন কোনও পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন না। এমন কিছু বলবেন না যাতে ওদের মানসিক স্বাস্থ্য ভেঙে পড়তে থাকে। জোড়ে কথা বলা, কিংবা ঝামেলা এগুলি দূরেই রাখবেন।

চতুর্থঃ নির্দিষ্ট একটি সময়েই আপনার বাচ্চাকে খেতে বসতে দিন। এতে সময়ের গুরুত্ব এবং শরীরের পুষ্টি সব ঠিক থাকে। দেখা যায়, ওই নির্দিষ্ট সময়েই ওর খিদে পাচ্ছে।

পঞ্চম যারা বসে একেবারেই খাবার খেতেই চায় না। তাদের এক থেকে দুই ঘণ্টা পরপর হালকা খাবার দিতে হবে। এবং আসতে ধীরে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।

আপনার শিশুকে সবরকম সাহায্য করুন। নিয়মের মধ্যেই ওকে ভালও রাখার চেষ্টা করুন।

হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশলসুন্দর হাতের লেখা একটি শীল্প। হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল হিসেবে তাই অনুশীলনের বিকল্প নেই। এক...
10/12/2022

হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল

সুন্দর হাতের লেখা একটি শীল্প। হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল হিসেবে তাই অনুশীলনের বিকল্প নেই। একই কথা প্রযোজ্য লেখা দ্রুতকরণের ক্ষেত্রেও। বেশি বেশি হাতের লেখা অনুশীলন করার মাধ্যমে লেখা সুন্দর হবে, হবে দ্রুতও।

তাই দেরি না করে জেনে আসি হাতের লেখা সুন্দর করার কৌশল সমূহ :

১. সাথে রাখুন প্রয়োজনীয় উপাদান
একটি হাতের লেখা তখনি সুন্দর হবে যখন আপনি হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি অবলম্বন করবেন। তাই আপনি যে কলমে কিংবা পেপারে লেখা স্বাচ্ছন্দবোধ করেন লেখার ক্ষেত্রে সেই কলম কিংবা পেপার ব্যবহার করবেন। তবে লিখে ভালো লাগবে সেই সাথে লেখা সুন্দর হবে।

২. নিয়মিত অনুশীলন করা
আপনার যদি হাতের লেখা খারাপ থাকে তাহলে হাতের লেখা ভালো করার জন্য আপনাকে প্রচুর পরিমানে অনুশীলন করতে। হাতের লিখা সুন্দর করতে তাই বাংলা কিংবা ইংরেজি রুল করা খাতায় অভ্যাস করুন। দেখবেন লিখা আপনার পরিবর্তন হয়েছে অনেকখানি।
৩. লেখার সময় হাতের উপর চাপ প্রদান থেকে বিরত থাকুন
অনেক সময় আমরা লেখার ক্ষেত্রে আমাদের হাতের উপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে থাকি। তখন আমাদের হাতের লিখার মধ্যে তারতম্য দেখা দেয়। তাই লেখার সময় হাতে চাপ প্রয়োগ কম করবেন। এতে লেখা সুন্দর হবে।

৪. নিয়মিত অনুশীলন করার অভ্যাস করুন
আপনি সবসময় লেখা চর্চার মধ্যে রাখতে হবে। কারণ, অনেকদিন ধরে না লিখলে আপনার লেখার মধ্যে একধরণের ঝড়তা কাজ করে। তাই, সেই জড়তা কাটাতে নিয়মিতই লেখার অভ্যাস থাকতে হবে।

৫. লেখার ক্ষেত্রে হাত ও কনুই নমনীয় রাখা
আপনি যে পেপারে লিখেন না কেন, লিখার সময় অবশ্যই আপনার হাত এবং সেই সাথে আপনার কনুই এমনভাবে রাখতে হবে, যাতে হাত কিংবা কনুই এর উপর অতিরিক্ত চাপ না পরে। চাপ পড়লে লেখা খারাপ হতে পারে।

৬. উপযুক্ত স্থানে বসে লেখার অভ্যাস করুন
আপনি যা কিছু লেখুন না কেন, সবসময় উপযুক্ত স্থান যেমন চেয়ার কিংবা টেবিলে বসে লেখার অভ্যাস করুন। কারণ, যখন আপনি চেয়ার টেবিল ছাড়া শুয়ে বসে লেখবেন আপনার লেখার অবস্থাও খারাপ হবে।

৭. অনুসরণ করুণ বইয়ের লেখা
লেখা সুন্দর করার সবচেয়ে সহজ কৌশল হলো বইয়ের লিখা অনুসরণ করা। লক্ষ্য করলে দেখবেন বইয়ে প্রতিটি শব্দ, বাক্যে কি সুন্দর করে সাজানো আছে। আপনি সেই জিনিস অনুসরণ করলে লেখা খুব সহজে সুন্দর করে তুলতে পারবেন।

৮. আয়ত্ত করুন সঠিক উপায়ে কলম ধরা
অনেকের হাতের লেখা খারাপ হয় শুধুমাত্র সঠিক উপায়ে কলম ধরতে না জানার কারণে। তাই, সঠিক উপায়ে কলম ধরার অভ্যাস করুন দেখবেন লেখা এমনিতে সুন্দর হয়ে উঠবে।

৯. দ্রুত লেখার অভ্যাস ত্যাগ করুন
অনেক সময় দ্রুত লিখতে গিয়ে অনেকেরই লেখা খুব খারাপ হয়ে উঠে। তাই, তুলনামুলক সময় মেনে চলে ধীরে ধীরে লিখলেই লেখা সুন্দর হয়ে উঠবে।

উপসংহার
হাতের লেখা সুন্দর হওয়া খুব বড় একটি গুণ। এমন অনেক জায়গা আছে, যেখানে আমরা পৌছাতে পারিনা। কিন্তু, আমাদের হাতের লেখা ঠিক পৌছে যাচ্ছে।তাই, সকলের নিজের হাতের লেখাকে আরও সুন্দর করে তোলা, এবং সেই সাথে হাতে লেখা সুন্দর করার উপর যত্নবান হওয়া।

আমাদের উচিৎ বাচ্চাদের এভাবেই অক্ষর শিখানো।
09/12/2022

আমাদের উচিৎ বাচ্চাদের এভাবেই অক্ষর শিখানো।

Subscribe for new videos every week! https://www.youtube.com/c/Cocomelon?sub_confirmation=1 A new compilation video, including one of our most recent s...

08/12/2022

ম্যাজিক বুক সেট এর সাথে LCD Writing Tab কম্বো প্যাক

‼️【কেশ অন ডেলিভরি তে প্রোডাক্ট পাঠানো হয়】‼️

26/11/2022

মায়ের আদর ভালোবাসায় নির্মিত হয় সন্তানের ভবিষ্যত। সেই মা ও শিশুর যত্নে Kids Intimate আছে আপনার সাথে।

সংগ্রহ করতে ইনবক্স করুন-ছবিসহ আপনার নামপূর্ণ ঠিকানাসাথে ফোন নাম্বারঅথবা কল করুন: 01722710290 (WhatsApp)
24/11/2022

সংগ্রহ করতে ইনবক্স করুন-
ছবিসহ আপনার নাম
পূর্ণ ঠিকানা
সাথে ফোন নাম্বার
অথবা কল করুন: 01722710290 (WhatsApp)

বাপ হইয়া আমি নিজেরে কেমনে ক্ষমা করি?ছুটি কাটায়ে দেশ থেকে আসার তিন মাস পরে জানলাম, আমি নাকি বাপ হবো! ফোনে খবরটা দিতে গিয়ে...
24/11/2022

বাপ হইয়া আমি নিজেরে কেমনে ক্ষমা করি?

ছুটি কাটায়ে দেশ থেকে আসার তিন মাস পরে জানলাম, আমি নাকি বাপ হবো! ফোনে খবরটা দিতে গিয়ে বউডা আমার লজ্জায় মইরা যাইতেছিলো। ছেলে হইবো নাকি মেয়ে- এই নিয়ে রোজ খুনসুটি করতাম দুইজনে। ইচ্ছা করতো, চাকরি বাকরি সব ফালায়ে এক্ষণই দেশের বিমানে উইঠা বসি, চইলা যাই বউয়ের কাছে।

কিন্ত সেটা করলে তো নতুন মেহমানরে না খেয়ে থাকা লাগবে। কোম্পানীতে বলে রাখলাম ছুটির কথা। তাদের আবার নিয়ম, একবার ছুটি কাটানোর এক বছর পার হওয়ার আগে আবার ছুটি নেয়া যায় না। হিসাব করে দেখলাম, বাচ্চার বয়স দুইমাস হইলে পরে আমি দেশে যাইতে পারব।
জুন মাসে আমার মেয়েটা দুনিয়ার আলো দেখলো, ভিডিও কলে আমিও দেখলাম আমার মায়েরে। আকিকা দিয়া নাম রাখা হইলো লামিয়া। আগস্টের শেষ সপ্তায় দেশে আসবো, ছুটি পাইলাম পনেরো দিনের, বিমানের টিকেটও করা শেষ। মেয়ের জন্যে কি কিনবো, মেয়ের মায়েরে কি উপহার দিব সেই চিন্তায় পেরেশান হয়ে আছি, কারো বুদ্ধিই মনে ধরে না।

ঢাকায় তখন ডেঙ্গু ছড়াইতেছে, হাজার হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি। আমি তখনও কিছু জানি না, নিজের চিন্তায় ব্যস্ত। একদিন ফোনে বউ বললো, মেয়েটার নাকি জ্বর দুইদিন ধরে। ডেঙ্গুর কথা মাথায়ও আনি নাই, এই সর্বনাশা ঘাতক যে ঢাকা থেকে এতদূরে গিয়া হাজির হবে, কে জানতো? বউরে বললাম, ডাক্তার দেখাইতে। আরও একদিন গেল, শুনলাম জ্বর নামছে, কিন্ত বাচ্চার খাওয়াদাওয়া বন্ধ, শরীর খুব দুর্বল, কান্নাকাটিও করে না।

একদিন পরে শুনি, আমার মেয়েটার নাকি ডেঙ্গু হইছে, তারে ভর্তি করা হইছে হাসপাতালে! আমার মাথার উপরে যেন গোটা আসমান ভাইঙ্গা পড়লো, দুনিয়াটা ছোট হইয়া আসলো এক মূহুর্তে! দেড়মাসের বাচ্চাটা যখন হাসপাতালে যুদ্ধ করতেসে ডেঙ্গুর সাথে, আমি তখন কাতারে যুদ্ধ করতেসি প্লেনের টিকেট আগায়ে আনার জন্যে।

অফিসে জানাইলাম, ছুটি না আগাইলে আমি চাকরি ছাইড়া দিব। মেয়ের চাইতে দামী কিছু আমার কাছে নাই। তারা রাজী হইলো। তিনদিন পরের টিকেটও ম্যানেজ করে ফেললাম। আর তিন-চারটা দিন পরেই আমি আমার মেয়েটারে কোলে নিতে পারবো! ফোনে খবর পাই, মেয়ের অবস্থা নাকি ভালো না, তারে আইসিইউতে রাখা হইছে। আমার কাছে প্রতিটা মিনিটরে তখন একেকটা দিনের সমান লম্বা মনে হয়!

যেদিন প্লেনে উঠবো, তার আগেরদিন ফোনটা আসলো। মেয়েটা আমার মারা গেছে, ডেঙ্গুর সাথে যুদ্ধ করে কুলায়ে উঠতে পারে নাই মা আমার। ফোনে আমি শুধু বললাম, আমার বউটারে একটু দেখে রাইখেন, আমি আসতেছি। দুইদিন পরে আমি বাড়ির উঠানে পা রাখলাম, ঘর থেকে শুধু আগরবাতির গন্ধ নাকে আসে।

এই বাড়িতে একটা ফুটফুটে ফেরেশতা জন্ম নিছিলো, আমার বাচ্চা, আমার সন্তান। সেই সন্তানরে আমি একটাবারের জন্যে কোলে নিতে পারি নাই, একটু আদর করতে পারি নাই। আমার মেয়েটা দেড়মাস পৃথিবীতে থাকলো, হাসলো, কান্না করলো, রোগে ভুগে দুনিয়া ছেড়ে চইলাও গেল, অথচ একটাবার সে তার বাবার স্পর্শ পাইলো না! বাপ হইয়া আমি নিজেরে কেমনে ক্ষমা করি বলেন?

কাতারে থাকি শুনলে অনেকেই ভাবেন টাকার বিছানায় ঘুমাই বুঝি। আমরা প্রবাসীরা আসলে কষ্টের সাগরে ভাসতে থাকি। কাজের কষ্ট, খাওয়ার কষ্ট, এগুলা তো গায়ে লাগে না। কষ্ট লাগে আপনজনের কাছ থেকে দূরে থাকতে, প্রিয় মানুষগুলার কাছ থেকে হাজার মাইল দূরে থাকার যে কি যন্ত্রণা, সেইটা সবাই বুঝবে না। নিজের সন্তানরে একটাবারও না দেখে তার কবর জেয়ারত করার যে কি কষ্ট, সেইটা কাউরে বলে বুঝানো যাবে না…

কালেক্টেড
প্রবাসে বন্ধু

সারা দেশেই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ায় ওষুধ ও শয্যা সংকটে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। ডে...

Address

Tower 71, ECB Chattar, Manikdi, Cantonment
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abm Kids Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abm Kids Solution:

Share