Rodela Rahman Etu

Rodela Rahman Etu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rodela Rahman Etu, Fashion Designer, Dhaka.

12/06/2023

আমার ভীষণ প্রিয় মন খারাপের রাত্রিতে একপশলা বৃষ্টি হয়ে নামব তোমার শহরে.. তুমি যেই না জানলা খুলে ছুঁতে যাবে অমনি বৃষ্টি লুকিয়ে যাবে মেঘে মেঘে! জানালার ধারে তোমার প্রতীক্ষা..
বৃষ্টির তেষ্টায় ফেটে যাওয়া.. আর আমার একটু করুণা! তাহলেই তো ছুঁয়ে ফেল আমায়! মিশে যাও আমাতে.. কিন্তু বৃষ্টির তো করুণা নেই.. ভালবাসলে করুণা করতে নেই। বৃষ্টি ভালবেসে দমকা বাতাস উড়িয়ে নেবে তোমায়.. তুমি জানালার কপাট আটকাতে গিয়ে হারিয়ে ফেলবে তোমায় :')
ভালবেসে বা ভালবাসিয়ে হারিয়ে যেতে ক'জনে ই বা পারে বল ? :)

12/06/2023

~ গল্পের নাম নেই

সকাল থেকেই নীরার মনটা খুব অস্থির লাগছে। কিছুই ভাল লাগছে না। তারমধ্যে বাসায় আজ একদম একা! সেই সকালে কি একটা আব্বুই বের হয়ে গেল তাকে কিছু না বলেই। এমনটা সাধারণত হয়না। খুব জরুরী কাজ হলে আগেই বলে দেয় নীরাকে। কিন্তু গত দুদিন আব্বুই ঠিকমতো কথা বলছেনা। কি হল কিছুই বুঝছেনা সে, আব্বুই কাল ও অনেক রাত করে ফিরেছিল। ঘুমে ছিল নীরা। অবশ্য তেমন গভীর ঘুম কখনোই তার হয়না। অনবরত কলিংবেল বাজছিল, তখন রাত ২টা দশ। ঘুমের ভেতর ও দরজার কাছে ঘড়িটায় চোখ পড়েছিল নীরার। আব্বুইকে দরজা খুলে দিয়েছিল সে ই। সকালে উঠেই দেখে আব্বুই আবার নাই। হঠাৎ মনে হল আব্বুইয়ের কাছে ঘরের এক্সট্রা চাবি থাকার কথা! তাহলে! গতরাতে তাকে উঠতে হলে কেন?! তাহলে কি! আব্বুই ভুলে চাবি নিয়ে যায়নি? এতোটা আনমনা তো না আব্বুই। এসব ভাবতেই আবার কলিংবেলের শব্দ শুনল নীরা। কে এল এ অসময়ে। দরজা খুলতেই তীব্র জর্দার গন্ধ নাকে এসে লাগল সাথে নাকে অজান্তেই হাত চলে গেল নীরার। আফা এরুম করেন ক্যান! জর্দাখান ই একটু বেশি খাই বলতে যেতেই রমিজা কে থামিয়ে দিল নীরা, এরপর কি বলবে তা নীরার মুখস্থ! কিন্তু কেন জানি জর্দার এই গন্ধটাই সহ্য করতে পারেনা। এই ছুটা বুয়াটা বেশ ভালো। একান্ত সমস্যা না হলে কখনো কাজে গাফিলতি দেয় না সে। মাঝবয়সী এই মহিলাকে গত ৭-৮ বছর ধরেই নীরা চেনে, স্বামী পরিত্যক্তা সন্তানহারা হয়েও জীবনের কঠিন বাস্তবতা নিয়ে সে খুব কষ্টে আছে কখনো তাকে দেখলে মনেই হয়না! সবসময় পান খাওয়া লাল দাঁতের একটা মিষ্টি হাসি ঝুলে আছে ঠোঁটে।
উফ! মাথাটা ভীষণ ধরেছে। একটু কফি খেলে বেশ হতো। রমিজাকে কফির কথা বলেই ছাদে উঠল নীরা। সকাল থেকে আকাশটা কেমন গুমোট! খুব মেঘ ও করেছে। ছাদের রেলিংটা তার খুব পছন্দ, বেশখানি চওড়া। তাদের বাড়িটা পাঁচতলার উপরে। শেষ ফ্লাটটাই তাদের। বাকিগুলো ভাড়া দেওয়া।এমনি নীরার সামান্য উচ্চতাভীতি থাকলেও আজ রেলিং এ বসে নিচের রাস্তা দেখতে খারাপ লাগছিল না তার। আফায়ায়ায়ায়ায়ায়া রমিজা ডাকছে নিশ্চয়ই কফি বানিয়েছে। রমিজা আবার সিঁড়ি ভেঙ্গে ছাদে উঠতে ভয় পায়! তার নাকি কাঁপুনি উঠে। নিচে গিয়ে কফির মগ টা নিয়ে আবার ছাদে উঠল নীরা। আব্বুই কে একটা ফোন দিতে হবে, নাম্বার ডায়াল করতেই একটা চেনা কন্ঠে ভেসে এল "দ্যা নাম্বার ইউ ডায়ালড ইজ ক্যান নট বি রিচ অ্যাট দিস মোমেন্ট - আপনার ডায়ালকৃত নাম্বারটি এইমূহুর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা" বলতে বলতেই টো টো শব্দে কেটে গেল ফোনটা।
ধুর এসবের কোন মানে আছে? ভাল্লাগছেনা কিছু এভাবেই আকাশের দিকে ভাবলেশহীন ভাবে হঠাৎ একটা আসমানি রঙের ছোট্ট পাখি চোখে পড়ল, কি সুন্দর!! ইশ! তার জীবন টা যদি পাখিটার মতো হতো.. তাকে আর কিছুই ভাবতে হতোনা। খালি উড়ে উড়ে বেড়াতো! পেছন থেকে মেহেরুন্নেসা দেখছিল নীরাকে। তিনি নীরার ছোটখালা। নীরার মা মানে তসলিমুন্নেসা মারা যাওয়ার পর ছোট্ট নীরা তার কাছেই বড় হয়েছে, বিয়েশাদী সময়ে হয়নি বলে সন্তানের মুখ তিনি দেখেননি তাই নীরা তার নিজের মেয়ের মতোই। পেছন থেকে ডাক শুনে আম্মির দিকে তাকিয়ে নীরা যেন তৃষ্ণার্ত বুকে পানি পেল, এতোক্ষণে তার সব অভিযোগ শুনার মানুষ এসে গিয়েছে। মেহেরুন্নেসা একটি প্রাইভেট কলেজের সিনিয়র শিক্ষক, কাজের ব্যস্ততায় নীরার কাছে সময় করে আসা হয়না সবসময়। আজ মেয়েটাকে দেখে খুব মায়া লাগছে তার! একদম দিদির মতোন হয়েছে মেয়েটা। অনেক গল্প শেষে নীরার বায়না মতো দুজনে আইসক্রিম খেতে বের হল, ঠিক তখনই নীরার একটা ফোন এল।
হ্যালো বলতেই..
ওপাশ থেকে একজন কর্কশ কন্ঠে বলে উঠল, আপনি কি জামিল সাহেবের পরিচিত কেউ? হ্যাঁ বলতেই না বলতেই, লোকটি আবারো প্রায় চিৎকার যা বলল তার সারাংশ হচ্ছে জামিল সাহেব মানে নীরার আব্বুর খুব নির্মম ভাবে খুন হয়েছে, মৃতদেহের কিছু অংশ পাওয়া গিয়েছে, ডেথস্পট থেকে একটি মোবাইল ও.. খবরটা পুরোটা শুনার আগেই নীরা ওখানেই জ্ঞান হারাল।
প্রায় ২৮ ঘন্টা পর নীরার জ্ঞান ফিরেছে। কিন্তু নীরা আর কথা বলছেনা, তার ব্রেন ডেথ। প্রবল ঝাঁকুনি তে রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে তার মাথায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় সেখানে থেকেই ব্রেনে এফেক্ট ফেলে।

12/06/2023

গল্প - এবিউজ

রিত্তির মনটা খুব খারাপ! কেমন যেন গা গুলিয়ে যাচ্ছে।আমার সেই বাজে স্বপ্ন। তখন বয়স ছিল পাঁচ কি সাড়ে পাঁচ। ভীষণ সুন্দর আর আদুরে মেয়ে ছিল রিত্তি! কিন্তু তার সাথেই ঘটল,বিকেলে আযানের পর খেলাধুলায় জামা নোংরা হওয়াতে মা জামা চেঞ্জ করিয়ে দিয়েছে, লাল টুকটুকে একটা ফ্রক। সেই টুকটুকেই ফ্রকটাই যেন বিভীষিকা ছিল! মা টিভিতে ৭টার খবর দেখে শেষ করে বাড়িওয়ালি আন্টির বাসায় গিয়েছিল গল্প করতে। রিত্তিকে কোলে নিয়ে। কোল থেকে নামিয়ে দিতেই রিয়াদ ভাইয়া ওকে হাত ধরে টেনে বারান্দায় নিয়ে গেল। তখন পর্ণগ্রাফীর ভিডিও বের হয়নি ওভাবে তাই রিয়াদ ম্যাগাজিনের পাতার কিছু নোংরা ছবি কেটে এনে পকেটে ঢুকিয়ে রেখেছিল! রিত্তিকে আজ বেশ টসটসে লাগছে। দেখে আর লোভ সামলাতে পারল না রিয়াদ! হাত ধরে বারান্দায় নিয়ে উত্তেজক ছবিগুলা দেখাতে লাগল। রিত্তি কিছু না ভয়ার্ত চোখে কেঁদে দিল। কোত্থেকে নিতু আন্টি ছুটে এসে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল রিত্তি কে। নিতু আন্টি ওদের বাসার নিচতলায় থাকে, রিত্তি কে নিজের মেয়ের মতো আগলে রাখে। এদিকে রিত্তির কান্না কোনভাবেই থামছে না দেখে রিয়াদ রিত্তির মা (আন্টিকে) বলল রিত্তিকে বাসায় দিয়ে আসি। রিত্তির মা বিথী আন্টি গল্পের ছলে বলল যাও বাবা দিয়ে আসো। বাসায় ওর বাবা আর কাজের মেয়ে স্বপ্না আছে, ওর বোধহয় ক্ষুদা লেগেছে,যাও দিয়ে এসো। ওরা খাইয়ে দিলে আমি আসছি তোমার মায়ের সাথে গল্প শেষ করে এসে ওকে ঘুম পাড়িয়ে দিব, ছড়াগান শুনিয়ে। জড়িয়ে না ধরলে রিত্তির আবার ঘুম ই আসেনা। বলেই হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছে... এদিকে রিয়াদ তো গ্রীণ সিগনাল পেয়েই গেল। সে রিত্তিকে কোলে নিয়ে চলল চারতলায় তাদের বাসায়। কিন্তু তার আর তর সইল না এই একরত্তি মেয়ের যৌনাঙ্গে সে হাত দিল! ইশ কি নরম। আর পারল না! রিত্তিকে সিঁড়িতে বসিয়ে টান মেরে প্যান্ট খুলে ফেলল আরেক হাত দিয়ে মুখ চাপ দিল রিত্তির যেন চিল্লাতে না পারে। রিত্তি অবশ্য এইসব কর্মকান্ডে বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছে, কান্না বা চিৎকার করার কথা যেন ভুলে ই গেছে সে। এদিকে রিয়াদ রিত্তির যৌনাঙ্গে হাত দিয়ে মন্থিত করছে। তার শিরদাঁড়া সোজা হয়ে গেল, তারপর সে নিজের জিপার খুলে দন্ডটা বের করল!!! রিত্তি ছোট্ট হাত ছোঁয়াল ইশ কি লাগছে, কি গরম অনুভূতি! এবার রিত্তি ভয়ে কেঁদে দিল। তাড়াতাড়ি জিপারে দন্ড টা জোর করে ঢুকিয়ে,, রিত্তির প্যান্ট পরিয়ে ওকে চারতলায় ওদের বাসায় দিয়ে আসল। সেদিন রিত্তি কিছু না খেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ভয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল। রিত্তির মা এসে তো অবাক। এই মেয়ে কেম্নে ঘুমায়? যাকে ঘুম পাড়াতে পাড়াতে নিজেও ঠিক করে ঘুমোতে পারেনা! সন্দেহজনক কিছু না ভেবে পাশে শুয়ে পড়ল বিথী। এরপর আর পায় কে রিয়াদ রিত্তিকে পেলেই অবধারিতভাবে তাকে জাপটাজাপটি করে, যৌনাঙ্গে হাত আর মুখে অসংখ্য কামড়,ঠোঁটে আর চিবুক চুষতে থাকে। এদিকে বিথী দেখল মেয়েটা বেশ চুপচাপ হয়ে গেছে। কাছে টানলেও পাশে বসেনা। কি হল মেয়েটার!! বিথী জিগ্যেস করাতে রিত্তি কেঁদে বলল রিয়াদ ভাইয়া আমার নিচে ব্যথা দিয়েছে। ঠোঁট ফুলিয়ে বলল ঠোঁটেও নাকি কামড়িয়েছিল ইবলিশ এর বাচ্চাটা। কান্না লুকিয়ে মেয়ে কে জড়িয়ে বলল আর রিয়াদের পাশে বা কাছে কখনো না যায়। এই ছিল সেই ছোট্ট বেলার ভয়ংকর বিভীষিকা!! প্রায় প্রতিদিনই সে এইসব আজেবাজে স্বপ্ন দেখে আর ঘুম থেকে ধড়ফড় করে উঠে বসে! গায়ে ঘাম।ছুটে যায় তার, খুব পানির তেষ্টা পেয়েছে রিত্তির! উঠে ডাইনিং টেবিলের কাছে যেতে ই মনে পড়ল জীবন স্যারের কথা সেদিন মা ওইভাবে দরজা আটকে না দিলে বুঝি ওই ঘটনা ঘটতোই না!

12/06/2023

তুমি কি বুঝবে?
জ্বর গায়ে..
কাশতে কাশতে..
বিদ্যুতহীন ঝড়বৃষ্টির রাতে
কম্বলের নিচে
ঘর্মাক্ত আমি বিনিসুতোর নকশা তুলি তোমার ভালবাসার !
সুই থেকে সুতা ছুটে.. সুতা শেষ হয়..
আমি থামতে পারিনা তবু!
আমার তুমি হবার পর :') কোনসব রাতে আমি অলস ছিলাম বল? অন্যসব রাতের মত আজ রাতে ও নকশা তোলার বিরতি নেই।
আমি জানি এই জ্বর বাড়বে..
কিন্তু সেই জ্বরের উত্তাপ তোমার ভালবাসার কাছে নিচিহ্ন !
আমার ঘেমে ঘেমে গলা বসে যাবে।
তবু আমি কম্বলের নিচেই থাকব..
আরো অসুস্থ হব।
কিন্তু সেই অসুস্থতা তোমার দেওয়া ভালবাসার অসুখের কাছে কিছুই না !

প্রেমিক রা বুঝে কি আদৌ? প্রেমিকারা ভালবাসে না তারা ভালবাসা আর ভালবেসে যাবার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে :') 💙

24/04/2023

নিজেকে মাঝেমধ্যে উপন্যাসের বড় কোন চরিত্র অথবা নাটকে দেখা একটি বিশেষ চরিত্র বানাতে ইচ্ছে করে।

যেখানে আমি সারাদিনের কাজ শেষে বাড়ি আসলাম, ত্রস্ত পায়ে হেঁটে আসব ব্যালকনি দিয়ে.. মুখে পড়বে শেষ বিকেলের " কনে দেখা আলো " আমি দেখব মা এলোচুলে বসে আছে। রুমের বাইরের বেতের চেয়ারে, আর পাশের বাড়ির বস্তির মেয়েটা, পাকা চুল বাছছে একমনে, তাতে ও যদি ১০টা টাহ্যা জোটে। ১০ টাহ্যায় হোটেলের পুরান ভাত জুটবে কপালে, নুনমরিচে ভালোই খাওন হইব আজ!
আমি আস্তে আস্তে মায়ের দিকে তাকিয়ে একটু কঠিন হতে গিয়েও, নিজেকে সামলিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই জিজ্ঞেস করবো.. এখন শরীর ভাল ?
মা আস্তে করে বলবে ' হুম ' ঔষুধ টা যে শেষ ! এনেছিস ? আমি বলব.. তা এনেছি। তোমাকে বলেছি না, অবেলায় এভাবে বসবে না, বয়স হয়েছে তো কি! শরীর এভাবে অকেজো করে রাখলে তো শক্তি পাবেনা। সারাটাদিন খালি শুয়েবসে ই কাটিয়ে দাও। একটু হাঁটাচলা তো করতে পারো। আর পান খেয়ে কি অবস্থাটা করেছ মুখের ! খাবারদাবারে স্বাদ পাও তো ? এভাবে..
মা গম্ভীর হয়ে বসে থাকবে। এসব কথা তার প্রায় রোজকার শোনা। কিন্তু কখনোই খুব একটা ভাল লাগেনা।

মেয়ে সেয়ানা হয়েছে তো কি ! মায়ের কাছে সন্তান কি আর বড় হয় ! এই তো সেদিন ই মেয়েটা একদম খেতে চাইত না। সারা বাড়ি দৌড়ে হাপ্পিতিস করতো ! আর আজ সেই একরত্তি মেয়ের এসব প্রশ্ন বড় কঠিন শোনায় ! কি উত্তর হতে পারে এসব প্রশ্নের ?

পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ে.. আজ যেন লালাভ আলো ফুরাচ্ছে না খুব তাড়াতাড়ি.. তবুও এই আলো তো আর থাকবে না। ঠিক ই চলে যাবে, গাঢ় অন্ধকার করে সন্ধ্যা নামবে। জীবন টা যেন, এই সকাল-সন্ধ্যার মতো।
তিনি কি ছিলেন এমন নিষ্কর্মা ! যৌবনে উদ্দাম এক নারী, নামী সরকারী স্কুলের প্রধানশিক্ষিকা। এই সংসার, স্কুল.. দু'হাতে কি সফল ভাবেই না তিনি চালাতেন ! আর আজ.. সেই তিনি ই।

এই তো গাঢ় সন্ধ্যা নেমেছে.. তার জীবনে। যৌবনে কি ভরভরন্ত বেপরোয়া ই না ছিলেন। স্বামী মারা যাবার পর ও কি শক্তভাবে সংসার গুছিয়ে নিলেন। ছেলেটা আজ খোঁজ ই নেয়না। আর মেয়েটা নিজে কি আর সংসার করবে.. এই বৃদ্ধ মা'কে নিয়ে যেন মহাবিপদে পড়েছে ! চাকরী করছে, মায়ের দেখাশোনা করছে। নিজের জীবন টা এভাবেই পার করবে ? আচ্ছা মেয়েটা কি কাউকে পছন্দতছন্দ ও করেনা। বিয়ে থার কথা, তিনি কি আর সাহস করে বলবেন ? এই মেয়েটাই তো তার সব। মেয়েটা চলে গেলে..

আচ্ছা তিনি কি খুব স্বার্থপর হয়ে পড়লেন ? মাঝেমধ্যে খুব অপরাধী লাগে নিজেকে.. কি এক উন্মত্ত জীবন কাটিয়েছেন আর প্রৌঢ়ত্বে গিয়ে কি ভেঙেচুড়ে চুরমার হয়ে গেলেন!!!

এই তো জীবন, এই ই তো মানবজীবন।

😊

Address

Dhaka

Telephone

+8801600291632

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rodela Rahman Etu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rodela Rahman Etu:

Share