07/09/2026
নানু বলতেন, “ছেঁড়া শাড়ির সুতো কখনো দাঁত দিয়ে কাটতে নেই। আর রাইত-বিরেতে ভুল করেও তাঁত ঘরে উঁকি দিতে নেই।” কারন, নানুর মতে, “রাইতে মাকু (তাঁত বোনার কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রবিশেষ) যখন একা হাঁটে, তখন জ্বিনেরা কাপড় বোনে। ওই কাপড় মানুষের গায় সয় না।” এহেন কথা শুনে আমরা ভাইবোনেরা বেশ হাসাহাসি করতাম, তবে নানু কখনোই রাগ করতেন না।
নানু মারা গেছেন প্রায় পনেরো বছর হলো। আমি এখন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। দেশের প্রথম সারির একটা ফাস্ট-ফ্যাশন ব্র্যান্ডের প্রোডাকশন হেড। সাভারে আমাদের বিশাল ফ্যাক্টরিতে দিনে লাখ লাখ মিটার কাপড় বোনা হয় অটোমেটিক পাওয়ার লুমে। কানের পর্দা ফাটানো শব্দের ভেতরে হাজার হাজার নিডল আর মাকু মেশিনের নির্দেশে ওঠানামা করে। সুতো আর সিনথেটিক ফাইবার দিয়ে আমরা সস্তায় ফ্যাশন বানাই। এটাই আমার পেশা, এবং আজ, এই লেখাটা লিখতে বসেছি এই কারণেই যে নানু হয়তো সেসময় ঠিকই বলতেন!
ঘটনার শুরু আমার মায়ের একটা পুরোনো বিয়ের শাড়ি থেকে। সত্যিকারের আড়াই প্যাঁচের ঢাকাই মসলিন, প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো, পারিবারিক উত্তরাধিকার। গত বছর আলমারি গোছাতে গিয়ে দেখি শাড়ির পাড়ের কাছটায় সুতো ফেঁসে গেছে, জায়গায় জায়গায় বুনন আলগা। ফ্যাক্টরির এক পুরোনো মাস্টারকে দেখালাম। সে শাড়িটা ছুঁয়েই হাত সরিয়ে নিলো। বলল, “স্যার, এই জিনিসে আমি হাত দিমু না। এইটা মেশিনের কাম না। আপনে সোনারগাঁয়ের পানাম নগরের পেছনের এক গলিতে যান। ‘মাকু ঘর’। রহমত কারিগররে খুঁইজা বাইর করেন। তয় একটা কথা,” মাস্টার একটু থামল, তারপর বললো, “কারিগর মিয়ার কথাবার্তা একটু অন্যরকম। সব কথায় সায় দিয়েন না, আবার সব কথা উড়াইয়াও দিয়েন না।”
পানাম নগরের পুরোনো ধ্বংসাবশেষ পেরিয়ে সেই গলিটা এত সরু যে রোদ ঠিকমতো ঢোকে না। শেওলা ধরা পুরোনো ইট সুরকির দেয়াল, তার ফাঁকে একটা কাঠের দরজা। ওপরে খোদাই করা সাইনবোর্ড: "মাকু ঘর"; প্রোপ্রাইটর: রহমত আলী। নিচে ছোট করে লেখা: "এখানে সুতোয় ভাগ্য বোনা হয়।" "ভাগ্য? কাপড় না বলে ভাগ্য?" মনে মনে হাসলাম। লোকটা কি দরজি নাকি পীর?
ভেতরে ঢুকে মনে হলো পুরোনো দিনের কোনো জাদুকরের ডেরায় ঢুকেছি। বাতাসে মাড় দেওয়া সুতোর গন্ধ, পুরোনো কাঠের গন্ধ আর কেমন একটা স্যাঁতস্যাঁতে আর্দ্রতা। ঘরের মাঝখানে মাটির গর্তে পা রেখে বিশাল এক কাঠের তাঁত। আর তার সামনে বসে আছেন এক বৃদ্ধ। মাথায় কিস্তি টুপি, গায়ে একটা আধময়লা ফতুয়া। চোখে ছানি পড়া ঘোলাটে দৃষ্টি। কিন্তু হাত দুটো চলছে জাদুর মতো।
আমার পায়ের শব্দে উনি হাত থামালেন। “কেডা?” আমি পরিচয় দিলাম। শাড়ির প্যাকেটটা এগিয়ে দিলাম। উনি প্যাকেট না খুলেই শাড়িটার ওপর হাত রাখলেন। চোখ বন্ধ করে কাপড়ের বুননের ওপর আঙুল বোলালেন, ঠিক যেভাবে অন্ধ মানুষ ব্রেইল পড়ে।
“আহারে,” উনি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। “এই শাড়ি যে বুনছিল, তার মনে বড় কষ্ট আছিল বাজান।” আমি চমকে উঠলাম। “কষ্ট মানে? এটা তো বিয়ের শাড়ি।” “বিয়ের শাড়ি হইলেই কি মন ভালো থাকে? বুনন দেখো নাই? সুতার টান বড় বেশি। প্রতিটা টানে একটা কইরা দীর্ঘশ্বাস আছিল। এইটা পরলে তো শইল্যে বিষন্নতা আসবো।”
“শাড়ি ঠিক করা যাবে?” আমি প্রসঙ্গ পাল্টাতে চাইলাম। “যাবে।” উনি ঘোলাটে চোখে আমার দিকে তাকালেন। “তয় আমি তোমাগো পাওয়ার লুমের মতো জোড়াতালি দিই না। আমি সুতোয় সুতোয় গিঁট দিই না, আমি আত্মায় আত্মায় গিঁট দিই। রাইখা যাও।”
আমি একটু তাচ্ছিল্যের হেসেই বললাম, “কারিগর সাব, আমি নিজেই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। কাপড়ে আত্মা বলে কিছু নেই। লুমের টানা আর পোড়েনের (Warp and Weft) ম্যাথমেটিক্যাল ক্যালকুলেশন আছে। আমাদের ফ্যাক্টরিতে দিনে লাখ মিটার কাপড় বেরোয় একদম জিরো ডিফেক্টে। আর আপনারা হাতে বোনেন বলে সুতোর টেনশন ঠিক থাকে না, কাপড়ে খুঁত থাকে।”
“জানি।” উনি শান্ত গলায় বললেন। “তোমাগো মেশিনে নিখুঁত কাপড় বাইর হয়। তয় মেশিনের কাপড়ে তো জান নাই বাজান। সুতো জিনিসটারে তুমি কি মনে করো? খালি তুলা আর পলিয়েস্টার? সুতো হইলো কাঁপন, সুতো হইলো মেমোরি।”
“মেমোরি?” “হ। তুলা গাছটা যখন মাঠে আছিল, সে রোদ খাইছে, বৃষ্টি খাইছে, মাটির রস খাইছে। তার ভিতরে প্রকৃতির একটা কাঁপন আছে। যখন একজন তাঁতি হাতে মাকু চালায়, তার হাতের ঘাম, তার নিঃশ্বাসের তাল, তার বুকের ধুকপুকানি - সব ওই সুতার ভিতরে গুইঁথা যায়। তুমি যখন হাতে বোনা কাপড় পরো, তুমি আসলে প্রকৃতির কাঁপন আর একজন মানুষের আয়ু পরো। আর মেশিনের কাপড়ে কি পরো? বিদ্যুৎ আর লোহার ঘষানির শব্দ। তোমাগো ফাস্ট ফ্যাশনের কাপড় পইড়া মাইনষের এত চর্মরোগ ক্যান, মাইনষের মেজাজ এত খিটখিটে ক্যান, ভাইবা দেখছো কোনোদিন?”
আমি অবাক হয়ে শুনছিলাম। উনি শাড়িটা পাশে রাখলেন। “দুনিয়াটা হইলো একটা বিশাল মাকু ঘর। উপরওয়ালা সারাক্ষণ বুনতাছেন। দিন আর রাইত, আলো আর আঁধার এই দুইটা হইলো উনার টানা আর পোড়েন। আমরা সবাই এক একটা সুতো। তুমি কি জানো, প্রতিটা মানুষের একটা নিজস্ব বুননের প্যাটার্ন আছে?”
আমি কিছু বলার আগে ভেতর থেকে এক তরুণী বেরিয়ে এল। হাতে চায়ের কাপ। পরনে একটা সাধারণ সুতির শাড়ি, কিন্তু কি অপূর্ব তার বুনন! মেয়েটার চোখদুটো অদ্ভুত শান্ত, যেন অনেক পুরোনো কোনো দীঘির জল। “বসেন। দাদাজান ওষুধ খাবেন এখন।” মেয়েটা চা এগিয়ে দিল।
মেয়েটার নাম নূরী। রহমত কারিগরের নাতনি আর এই মাকু ঘরের একমাত্র উত্তরাধিকারী। চা খাওয়ার ফাঁকে নূরী হঠাৎ বলল, “আপনি ফ্যাক্টরিতে যে কাপড় বানান, সেই কাপড় কারা বোনে জানেন?” “মেশিন বোনে। আর ওয়ার্কাররা অপারেট করে।” “না।” নূরীর গলাটা ভারী শোনাল। “অভাবী, ক্লান্ত, ঘুমহীন কিছু মানুষ বোনে। মাসের পর মাস ওভারটাইম করা, মাস শেষে বেতন না পাওয়া কিছু রাগী মানুষ যখন মেশিনের সামনে দাঁড়ায়, তাদের ওই রাগ, ওই ক্লান্তি, ওই অভিশাপ মেশিনের সুতোয় ঢোকে। আপনারা শোরুমে সুন্দর আলো ফেলে সেই কাপড় বেচেন। মানুষ সেই রাগ আর ক্লান্তি গায়ে জড়িয়ে ঘোরে। আর দিন শেষে ভাবে, জীবনটা এত অস্থির লাগে ক্যান!”
আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। একটা মেয়ে, যে কোনোদিন হয়তো ঢাকার বড় শপিং মলে যায়ওনি, সে আমার পুরো ক্যারিয়ারটাকে এক কথায় ধুলোয় মিশিয়ে দিল। যাওয়ার সময় নূরী নিচু গলায় বলল, “একটা কথা। দাদাজানের সব কথা বিশ্বাস করবেন না। তবে, অবিশ্বাসও করবেন না।”
এরপর থেকে আমি প্রায়ই যেতাম। কাজ থাকুক বা না থাকুক। কারিগর কাজ করতেন আর কথা বলতেন। নূরী পাশে বসে চরকায় সুতো কাটত। এক সন্ধ্যায় আমি কারিগরকে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি বলেছিলেন সব মানুষের একটা প্যাটার্ন থাকে। মানে কি?” উনি মাকু থামালেন। “দুনিয়ার সব সুতো তো আর এক লগে জোড়া লাগে না। কিছু সুতো আছে, যাদের একসাথে বোনা হওয়ার কথা। যখন সেই দুই সুতো এক কাপড়ে আসে, তখন নকশা পূর্ণ হয়। আর যখন ভুল সুতো একলগে মেশে, তখন কাপড়ে জট পাকায়। মানুষের সম্পর্কগুলাও ঠিক অমন।”
কারিগর একটা পুরোনো কাঠের বাক্স বের করলেন। ভেতরে অদ্ভুত একটা সাদা সুতোর লাটিম। সুতোটা চকচক করছে, যেন রেশম, কিন্তু তার চেয়েও বেশি কিছু। “আমার দাদাজান এই সুতা বানাইছিলেন। চাঁদের আলো আর পদ্মপাতার শিশির দিয়া। কইতেন, এই সুতায় বোনা কাপড় গায়ে দিলে মানুষ নিজের ভবিষ্যৎ দেখতে পায়। আমি জীবনে ওই সুতায় হাত দিই নাই। কারণ, সব সুতো মানুষের লাইগা না।” “মানে?” “মানে, কিছু বুনন আছে যা রাইতে শুরু হয়। জ্বিনেরা বোনে। যেই কাপড় পরলে মানুষ আর দুনিয়ায় থাকতে চায় না। তারে ডাইকা নিয়া যায়।”
কথাটা শুনে আমার নানুর কথা মনে পড়ে গেল।
ঘটনার ক্লাইম্যাক্স মাস দুয়েক পরের এক বৃহস্পতিবার রাতে। সোনারগাঁওয়ে কাজ শেষ করতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। মাকু ঘরে শাড়িটা আনতে গেলাম। রাত তখন প্রায় বারোটা। গলিটা অস্বাভাবিক নিস্তব্ধ। শুধু নিস্তব্ধ না, মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবীর শব্দ কেউ মিউট করে দিয়েছে। আর সেই নিস্তব্ধতার ভেতর থেকে ভেসে আসছিল একটা ছান্দিক শব্দ। খট... খট... খট... খট।
তাঁত চলছে। খুব দ্রুত। এত দ্রুত কোনো মানুষের হাত চলতে পারে না। আমি সন্তর্পণে দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিলাম। ঘরের ভেতরে চাঁদের আলো এসে পড়েছে। আর সেই আলোয় দেখলাম, কাঠের বিশাল তাঁতটা একা একা চলছে। মাকুটা এপাশ থেকে ওপাশ ছুটে যাচ্ছে বাতাসের বেগে। কিন্তু কারিগরের আসনে কেউ বসে নেই। না, কেউ বসে নেই বলাটা ভুল হবে। একটা ছায়ার মতো কিছু বসে আছে। যার কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, শুধু হাতের মুভমেন্ট বোঝা যাচ্ছে। আর ঘরের চারপাশের সমস্ত মাকড়সা, টিকটিকি এমনকি ইঁদুরগুলো গোল হয়ে বসে সেই বুনন দেখছে। একটা অদ্ভুত গুনগুন শব্দ ভেসে আসছিল। কোনো গান না, শুধু একটা রিদম। যা শুনলে মনে হয়, এই রিদমটাই আমার হার্টবিট হওয়া উচিত। আমার মনে হচ্ছিল দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে যাই, ওই কাপড়ের একটা অংশ হয়ে যাই।
হঠাৎ আমার কাঁধে একটা হাত পড়ল। নূরী। “পিছে ঘোরেন। তাকাইয়েন না।” নূরীর গলা কাঁপছিল। আমি ঘোরের মধ্যে ওর সাথে বেরিয়ে এলাম।
পরদিন কারিগর মারা যান। সকালে উনাকে তাঁতের ওপরেই শোয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। উনার সামনে রাখা ছিল আমার মায়ের সেই শাড়িটা। নিখুঁতভাবে সারানো। আর শাড়ির আঁচলে নতুন করে বোনা একটা ছোট্ট নকশা - একটা মাকু আর একটা পদ্মফুল।
কারিগর আমাকে একটা চিঠি লিখে রেখে গিয়েছিলেন নূরীর কাছে। “বাজান, মেশিনের শব্দে নিজের গলার আওয়াজ ভুইলো না। সুতো যখন ডাক দেয়, তখন যাইতে হয়। রাইত বারোটার পরে দুনিয়া যখন চুপ হয়, তখন আসল বুনন শুরু হয়। আমি আমার বুনন শেষ কইরা গেলাম। তোমার মায়ের শাড়িতে আমি নতুন একটা সুতো জুইড়া দিছি। ওই সুতো আর নূরীর জীবনের সুতো একলগে বান্ধা। প্যাটার্নটা মিলাইয়া নিও।”
এই গল্পের বাকি অংশে একটা বিয়ে আছে। নূরীর সাথে আমার। আমি এখন আর ফাস্ট ফ্যাশনে কাজ করি না। চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। আমি আর নূরী মিলে নিজস্ব একটা হ্যান্ডলুম ব্র্যান্ড দাঁড় করিয়েছি। আমরা দিনে মাত্র কয়েকটা কাপড় বুনি। কিন্তু প্রতিটা কাপড়ে আমরা সময় দিই, যত্ন দিই।
গত মাসে আমাদের একটা ছেলে হয়েছে। হাসপাতাল থেকে আনার পর, নূরী তাকে একটা সাদা কাপড়ে জড়িয়ে দিল। আমি চমকে উঠলাম। এটা সেই সুতো - চাঁদের আলো আর শিশির দিয়ে বোনা সেই জাদুকরী সুতো, যেটা কারিগর সেই রাতে বুনেছিলেন। বাচ্চাটা কাঁদছিল খুব। কিন্তু ওই কাপড়ে জড়ানোর সাথে সাথে সে একদম শান্ত হয়ে গেল। সে এমনভাবে চারদিকে তাকাচ্ছিল, যেন সে সব বুঝতে পারছে। যেন সে তার নিজের প্যাটার্ন চিনে গেছে।
আমি এখন আর রাইতে ফ্যাক্টরির প্রোডাকশন চার্ট দেখি না। আমি এখন কাপড় বাছি। মানুষ যেমন খাবার বাছে। আপনি গায়ে কি জড়াচ্ছেন তার হিসাব কবে করেছেন শেষবার? যেই কাপড় পরলে ভেতরটা অস্থির লাগে, ঘাম হয়, মেজাজ খিটখিটে হয়, সেটা স্টাইল হতে পারে, কিন্তু আরাম না। আর যেই কাপড় পরলে ভেতরটা শান্ত হয়, মায়ের হাতের ছোঁয়ার মতো লাগে সেটার দাম লাখ টাকার ব্র্যান্ডের চেয়েও বেশি। প্রকৃতি সারাক্ষণ আমাদের বুনছে। প্রশ্ন হলো, আমরা কার সুতোয় নিজেদের জড়াচ্ছি।
তবে নানুর নিয়মটা আমি এখনো মানি। রাত বারোটার পর আমাদের ঘরে কেউ সুতো কাটে না। সমস্যা একটাই। মাঝে মাঝে, খুব গভীর রাতে, যখন চারদিক নিস্তব্ধ হয়ে যায়, আমাদের স্টোররুম থেকে একটা শব্দ ভেসে আসে। খট... খট... খট... খট। মাকু একা একা হাঁটে। তবে আমি আর ভয় পাই না। কারণ ততদিনে আমি ব্যাপারটা বুঝে গেছি। কিছু বুনন শেষ হওয়ার নয়।
"তাঁত"
লেখাঃ Zannat Ul Ferdous
৬ সেপ্টেমবর, ২০২৬
উদয় রহমানের “সুর” থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁত নিয়ে লেখাটাও ভাবিয়েছে, হ্যান্ডমেইড কিছু কেন প্রশান্তির, আরামের এইটা স্পষ্ট আজ আরও।
হাতের কাজের যে কোন জিনিস মানেই সেটাতে মিশে থাকে মানুষের মমতা!