Kiddieom

Kiddieom Mustardpillow,baby dress,ornamets,botua,maternity wear,ready sharee,kurti,skin and hair care product!
(4)

আসসালামু আলাইকুম, আমাদের পেইজে আপনাকে স্বাগতম।আমাদের পেইজের পন্য গুলি কালেকশনে সব সময় কোয়ালিটি মেইনটেইন করা হয়।।

কাস্টমার এর রিভিউ আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
কাস্টমারের চাহিদা কে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি।।

কখনো কখনো ছোট্ট একটা জিনিসই মন ভালো করে দিতে পারে।পাটকে আমরা কত সাধারণভাবেই না দেখে এসেছি!কিন্তু সেই চেনা পাট যখন কারও স...
16/09/2026

কখনো কখনো ছোট্ট একটা জিনিসই মন ভালো করে দিতে পারে।

পাটকে আমরা কত সাধারণভাবেই না দেখে এসেছি!

কিন্তু সেই চেনা পাট যখন কারও সৃজনশীল হাতে একটু একটু করে রূপ বদলায়, তখন সেটাই হয়ে ওঠে এমন কিছু—যেটা শুধু ব্যবহার করা যায় না, ভালোও লাগে। 🤎

আজকের এই ছোট্ট মোবাইল ব্যাগটার দিকে তাকিয়ে আমার বারবার একটা কথাই মনে হচ্ছে—দেশীয় উপকরণ মানেই পুরোনো ধাঁচের কিছু নয়।

একটু যত্ন, একটু নকশা আর ভালোবাসা দিয়ে আমাদের চেনা জিনিসগুলোও হয়ে উঠতে পারে একদম আধুনিক, সুন্দর আর দৈনন্দিন জীবনের উপযোগী।

মোবাইলটা হাতে নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে বিরক্তি?ব্যাগে খুঁজতে খুঁজতে সময় চলে যায়?

তাহলে এমন একটা ছোট্ট ব্যাগ-যেখানে প্রয়োজনীয় জিনিসটুকু থাকবে,আর সঙ্গে থাকবে পাটের সেই চেনা, মাটির কাছাকাছি একটা সৌন্দর্য।

আমার কাছে এই ধরনের কাজের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো—প্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া একটা উপকরণ, মানুষের হাতে এসে নতুন একটা গল্প বলতে শুরু করে।

আর সেই গল্পের শুরুটা আজ এই ছোট্ট ব্যাগটিকে দিয়েই। 🤎

“Simple. Natural. Beautifully useful.”

I just love it!
12/09/2026

I just love it!

12/09/2026

পাটের বালা

12/09/2026

পাটের চুড়ি

by চতুর্ভুজ -Choturvuz

নানু বলতেন, “ছেঁড়া শাড়ির সুতো কখনো দাঁত দিয়ে কাটতে নেই। আর রাইত-বিরেতে ভুল করেও তাঁত ঘরে উঁকি দিতে নেই।” কারন, নানুর মতে...
07/09/2026

নানু বলতেন, “ছেঁড়া শাড়ির সুতো কখনো দাঁত দিয়ে কাটতে নেই। আর রাইত-বিরেতে ভুল করেও তাঁত ঘরে উঁকি দিতে নেই।” কারন, নানুর মতে, “রাইতে মাকু (তাঁত বোনার কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রবিশেষ) যখন একা হাঁটে, তখন জ্বিনেরা কাপড় বোনে। ওই কাপড় মানুষের গায় সয় না।” এহেন কথা শুনে আমরা ভাইবোনেরা বেশ হাসাহাসি করতাম, তবে নানু কখনোই রাগ করতেন না।

নানু মারা গেছেন প্রায় পনেরো বছর হলো। আমি এখন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। দেশের প্রথম সারির একটা ফাস্ট-ফ্যাশন ব্র্যান্ডের প্রোডাকশন হেড। সাভারে আমাদের বিশাল ফ্যাক্টরিতে দিনে লাখ লাখ মিটার কাপড় বোনা হয় অটোমেটিক পাওয়ার লুমে। কানের পর্দা ফাটানো শব্দের ভেতরে হাজার হাজার নিডল আর মাকু মেশিনের নির্দেশে ওঠানামা করে। সুতো আর সিনথেটিক ফাইবার দিয়ে আমরা সস্তায় ফ্যাশন বানাই। এটাই আমার পেশা, এবং আজ, এই লেখাটা লিখতে বসেছি এই কারণেই যে নানু হয়তো সেসময় ঠিকই বলতেন!

ঘটনার শুরু আমার মায়ের একটা পুরোনো বিয়ের শাড়ি থেকে। সত্যিকারের আড়াই প্যাঁচের ঢাকাই মসলিন, প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো, পারিবারিক উত্তরাধিকার। গত বছর আলমারি গোছাতে গিয়ে দেখি শাড়ির পাড়ের কাছটায় সুতো ফেঁসে গেছে, জায়গায় জায়গায় বুনন আলগা। ফ্যাক্টরির এক পুরোনো মাস্টারকে দেখালাম। সে শাড়িটা ছুঁয়েই হাত সরিয়ে নিলো। বলল, “স্যার, এই জিনিসে আমি হাত দিমু না। এইটা মেশিনের কাম না। আপনে সোনারগাঁয়ের পানাম নগরের পেছনের এক গলিতে যান। ‘মাকু ঘর’। রহমত কারিগররে খুঁইজা বাইর করেন। তয় একটা কথা,” মাস্টার একটু থামল, তারপর বললো, “কারিগর মিয়ার কথাবার্তা একটু অন্যরকম। সব কথায় সায় দিয়েন না, আবার সব কথা উড়াইয়াও দিয়েন না।”

পানাম নগরের পুরোনো ধ্বংসাবশেষ পেরিয়ে সেই গলিটা এত সরু যে রোদ ঠিকমতো ঢোকে না। শেওলা ধরা পুরোনো ইট সুরকির দেয়াল, তার ফাঁকে একটা কাঠের দরজা। ওপরে খোদাই করা সাইনবোর্ড: "মাকু ঘর"; প্রোপ্রাইটর: রহমত আলী। নিচে ছোট করে লেখা: "এখানে সুতোয় ভাগ্য বোনা হয়।" "ভাগ্য? কাপড় না বলে ভাগ্য?" মনে মনে হাসলাম। লোকটা কি দরজি নাকি পীর?

ভেতরে ঢুকে মনে হলো পুরোনো দিনের কোনো জাদুকরের ডেরায় ঢুকেছি। বাতাসে মাড় দেওয়া সুতোর গন্ধ, পুরোনো কাঠের গন্ধ আর কেমন একটা স্যাঁতস্যাঁতে আর্দ্রতা। ঘরের মাঝখানে মাটির গর্তে পা রেখে বিশাল এক কাঠের তাঁত। আর তার সামনে বসে আছেন এক বৃদ্ধ। মাথায় কিস্তি টুপি, গায়ে একটা আধময়লা ফতুয়া। চোখে ছানি পড়া ঘোলাটে দৃষ্টি। কিন্তু হাত দুটো চলছে জাদুর মতো।
আমার পায়ের শব্দে উনি হাত থামালেন। “কেডা?” আমি পরিচয় দিলাম। শাড়ির প্যাকেটটা এগিয়ে দিলাম। উনি প্যাকেট না খুলেই শাড়িটার ওপর হাত রাখলেন। চোখ বন্ধ করে কাপড়ের বুননের ওপর আঙুল বোলালেন, ঠিক যেভাবে অন্ধ মানুষ ব্রেইল পড়ে।

“আহারে,” উনি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। “এই শাড়ি যে বুনছিল, তার মনে বড় কষ্ট আছিল বাজান।” আমি চমকে উঠলাম। “কষ্ট মানে? এটা তো বিয়ের শাড়ি।” “বিয়ের শাড়ি হইলেই কি মন ভালো থাকে? বুনন দেখো নাই? সুতার টান বড় বেশি। প্রতিটা টানে একটা কইরা দীর্ঘশ্বাস আছিল। এইটা পরলে তো শইল্যে বিষন্নতা আসবো।”

“শাড়ি ঠিক করা যাবে?” আমি প্রসঙ্গ পাল্টাতে চাইলাম। “যাবে।” উনি ঘোলাটে চোখে আমার দিকে তাকালেন। “তয় আমি তোমাগো পাওয়ার লুমের মতো জোড়াতালি দিই না। আমি সুতোয় সুতোয় গিঁট দিই না, আমি আত্মায় আত্মায় গিঁট দিই। রাইখা যাও।”

আমি একটু তাচ্ছিল্যের হেসেই বললাম, “কারিগর সাব, আমি নিজেই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। কাপড়ে আত্মা বলে কিছু নেই। লুমের টানা আর পোড়েনের (Warp and Weft) ম্যাথমেটিক্যাল ক্যালকুলেশন আছে। আমাদের ফ্যাক্টরিতে দিনে লাখ মিটার কাপড় বেরোয় একদম জিরো ডিফেক্টে। আর আপনারা হাতে বোনেন বলে সুতোর টেনশন ঠিক থাকে না, কাপড়ে খুঁত থাকে।”
“জানি।” উনি শান্ত গলায় বললেন। “তোমাগো মেশিনে নিখুঁত কাপড় বাইর হয়। তয় মেশিনের কাপড়ে তো জান নাই বাজান। সুতো জিনিসটারে তুমি কি মনে করো? খালি তুলা আর পলিয়েস্টার? সুতো হইলো কাঁপন, সুতো হইলো মেমোরি।”

“মেমোরি?” “হ। তুলা গাছটা যখন মাঠে আছিল, সে রোদ খাইছে, বৃষ্টি খাইছে, মাটির রস খাইছে। তার ভিতরে প্রকৃতির একটা কাঁপন আছে। যখন একজন তাঁতি হাতে মাকু চালায়, তার হাতের ঘাম, তার নিঃশ্বাসের তাল, তার বুকের ধুকপুকানি - সব ওই সুতার ভিতরে গুইঁথা যায়। তুমি যখন হাতে বোনা কাপড় পরো, তুমি আসলে প্রকৃতির কাঁপন আর একজন মানুষের আয়ু পরো। আর মেশিনের কাপড়ে কি পরো? বিদ্যুৎ আর লোহার ঘষানির শব্দ। তোমাগো ফাস্ট ফ্যাশনের কাপড় পইড়া মাইনষের এত চর্মরোগ ক্যান, মাইনষের মেজাজ এত খিটখিটে ক্যান, ভাইবা দেখছো কোনোদিন?”

আমি অবাক হয়ে শুনছিলাম। উনি শাড়িটা পাশে রাখলেন। “দুনিয়াটা হইলো একটা বিশাল মাকু ঘর। উপরওয়ালা সারাক্ষণ বুনতাছেন। দিন আর রাইত, আলো আর আঁধার এই দুইটা হইলো উনার টানা আর পোড়েন। আমরা সবাই এক একটা সুতো। তুমি কি জানো, প্রতিটা মানুষের একটা নিজস্ব বুননের প্যাটার্ন আছে?”

আমি কিছু বলার আগে ভেতর থেকে এক তরুণী বেরিয়ে এল। হাতে চায়ের কাপ। পরনে একটা সাধারণ সুতির শাড়ি, কিন্তু কি অপূর্ব তার বুনন! মেয়েটার চোখদুটো অদ্ভুত শান্ত, যেন অনেক পুরোনো কোনো দীঘির জল। “বসেন। দাদাজান ওষুধ খাবেন এখন।” মেয়েটা চা এগিয়ে দিল।

মেয়েটার নাম নূরী। রহমত কারিগরের নাতনি আর এই মাকু ঘরের একমাত্র উত্তরাধিকারী। চা খাওয়ার ফাঁকে নূরী হঠাৎ বলল, “আপনি ফ্যাক্টরিতে যে কাপড় বানান, সেই কাপড় কারা বোনে জানেন?” “মেশিন বোনে। আর ওয়ার্কাররা অপারেট করে।” “না।” নূরীর গলাটা ভারী শোনাল। “অভাবী, ক্লান্ত, ঘুমহীন কিছু মানুষ বোনে। মাসের পর মাস ওভারটাইম করা, মাস শেষে বেতন না পাওয়া কিছু রাগী মানুষ যখন মেশিনের সামনে দাঁড়ায়, তাদের ওই রাগ, ওই ক্লান্তি, ওই অভিশাপ মেশিনের সুতোয় ঢোকে। আপনারা শোরুমে সুন্দর আলো ফেলে সেই কাপড় বেচেন। মানুষ সেই রাগ আর ক্লান্তি গায়ে জড়িয়ে ঘোরে। আর দিন শেষে ভাবে, জীবনটা এত অস্থির লাগে ক্যান!”

আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। একটা মেয়ে, যে কোনোদিন হয়তো ঢাকার বড় শপিং মলে যায়ওনি, সে আমার পুরো ক্যারিয়ারটাকে এক কথায় ধুলোয় মিশিয়ে দিল। যাওয়ার সময় নূরী নিচু গলায় বলল, “একটা কথা। দাদাজানের সব কথা বিশ্বাস করবেন না। তবে, অবিশ্বাসও করবেন না।”

এরপর থেকে আমি প্রায়ই যেতাম। কাজ থাকুক বা না থাকুক। কারিগর কাজ করতেন আর কথা বলতেন। নূরী পাশে বসে চরকায় সুতো কাটত। এক সন্ধ্যায় আমি কারিগরকে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি বলেছিলেন সব মানুষের একটা প্যাটার্ন থাকে। মানে কি?” উনি মাকু থামালেন। “দুনিয়ার সব সুতো তো আর এক লগে জোড়া লাগে না। কিছু সুতো আছে, যাদের একসাথে বোনা হওয়ার কথা। যখন সেই দুই সুতো এক কাপড়ে আসে, তখন নকশা পূর্ণ হয়। আর যখন ভুল সুতো একলগে মেশে, তখন কাপড়ে জট পাকায়। মানুষের সম্পর্কগুলাও ঠিক অমন।”

কারিগর একটা পুরোনো কাঠের বাক্স বের করলেন। ভেতরে অদ্ভুত একটা সাদা সুতোর লাটিম। সুতোটা চকচক করছে, যেন রেশম, কিন্তু তার চেয়েও বেশি কিছু। “আমার দাদাজান এই সুতা বানাইছিলেন। চাঁদের আলো আর পদ্মপাতার শিশির দিয়া। কইতেন, এই সুতায় বোনা কাপড় গায়ে দিলে মানুষ নিজের ভবিষ্যৎ দেখতে পায়। আমি জীবনে ওই সুতায় হাত দিই নাই। কারণ, সব সুতো মানুষের লাইগা না।” “মানে?” “মানে, কিছু বুনন আছে যা রাইতে শুরু হয়। জ্বিনেরা বোনে। যেই কাপড় পরলে মানুষ আর দুনিয়ায় থাকতে চায় না। তারে ডাইকা নিয়া যায়।”
কথাটা শুনে আমার নানুর কথা মনে পড়ে গেল।

ঘটনার ক্লাইম্যাক্স মাস দুয়েক পরের এক বৃহস্পতিবার রাতে। সোনারগাঁওয়ে কাজ শেষ করতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। মাকু ঘরে শাড়িটা আনতে গেলাম। রাত তখন প্রায় বারোটা। গলিটা অস্বাভাবিক নিস্তব্ধ। শুধু নিস্তব্ধ না, মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবীর শব্দ কেউ মিউট করে দিয়েছে। আর সেই নিস্তব্ধতার ভেতর থেকে ভেসে আসছিল একটা ছান্দিক শব্দ। খট... খট... খট... খট।
তাঁত চলছে। খুব দ্রুত। এত দ্রুত কোনো মানুষের হাত চলতে পারে না। আমি সন্তর্পণে দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিলাম। ঘরের ভেতরে চাঁদের আলো এসে পড়েছে। আর সেই আলোয় দেখলাম, কাঠের বিশাল তাঁতটা একা একা চলছে। মাকুটা এপাশ থেকে ওপাশ ছুটে যাচ্ছে বাতাসের বেগে। কিন্তু কারিগরের আসনে কেউ বসে নেই। না, কেউ বসে নেই বলাটা ভুল হবে। একটা ছায়ার মতো কিছু বসে আছে। যার কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, শুধু হাতের মুভমেন্ট বোঝা যাচ্ছে। আর ঘরের চারপাশের সমস্ত মাকড়সা, টিকটিকি এমনকি ইঁদুরগুলো গোল হয়ে বসে সেই বুনন দেখছে। একটা অদ্ভুত গুনগুন শব্দ ভেসে আসছিল। কোনো গান না, শুধু একটা রিদম। যা শুনলে মনে হয়, এই রিদমটাই আমার হার্টবিট হওয়া উচিত। আমার মনে হচ্ছিল দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে যাই, ওই কাপড়ের একটা অংশ হয়ে যাই।

হঠাৎ আমার কাঁধে একটা হাত পড়ল। নূরী। “পিছে ঘোরেন। তাকাইয়েন না।” নূরীর গলা কাঁপছিল। আমি ঘোরের মধ্যে ওর সাথে বেরিয়ে এলাম।

পরদিন কারিগর মারা যান। সকালে উনাকে তাঁতের ওপরেই শোয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। উনার সামনে রাখা ছিল আমার মায়ের সেই শাড়িটা। নিখুঁতভাবে সারানো। আর শাড়ির আঁচলে নতুন করে বোনা একটা ছোট্ট নকশা - একটা মাকু আর একটা পদ্মফুল।

কারিগর আমাকে একটা চিঠি লিখে রেখে গিয়েছিলেন নূরীর কাছে। “বাজান, মেশিনের শব্দে নিজের গলার আওয়াজ ভুইলো না। সুতো যখন ডাক দেয়, তখন যাইতে হয়। রাইত বারোটার পরে দুনিয়া যখন চুপ হয়, তখন আসল বুনন শুরু হয়। আমি আমার বুনন শেষ কইরা গেলাম। তোমার মায়ের শাড়িতে আমি নতুন একটা সুতো জুইড়া দিছি। ওই সুতো আর নূরীর জীবনের সুতো একলগে বান্ধা। প্যাটার্নটা মিলাইয়া নিও।”

এই গল্পের বাকি অংশে একটা বিয়ে আছে। নূরীর সাথে আমার। আমি এখন আর ফাস্ট ফ্যাশনে কাজ করি না। চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। আমি আর নূরী মিলে নিজস্ব একটা হ্যান্ডলুম ব্র্যান্ড দাঁড় করিয়েছি। আমরা দিনে মাত্র কয়েকটা কাপড় বুনি। কিন্তু প্রতিটা কাপড়ে আমরা সময় দিই, যত্ন দিই।
গত মাসে আমাদের একটা ছেলে হয়েছে। হাসপাতাল থেকে আনার পর, নূরী তাকে একটা সাদা কাপড়ে জড়িয়ে দিল। আমি চমকে উঠলাম। এটা সেই সুতো - চাঁদের আলো আর শিশির দিয়ে বোনা সেই জাদুকরী সুতো, যেটা কারিগর সেই রাতে বুনেছিলেন। বাচ্চাটা কাঁদছিল খুব। কিন্তু ওই কাপড়ে জড়ানোর সাথে সাথে সে একদম শান্ত হয়ে গেল। সে এমনভাবে চারদিকে তাকাচ্ছিল, যেন সে সব বুঝতে পারছে। যেন সে তার নিজের প্যাটার্ন চিনে গেছে।

আমি এখন আর রাইতে ফ্যাক্টরির প্রোডাকশন চার্ট দেখি না। আমি এখন কাপড় বাছি। মানুষ যেমন খাবার বাছে। আপনি গায়ে কি জড়াচ্ছেন তার হিসাব কবে করেছেন শেষবার? যেই কাপড় পরলে ভেতরটা অস্থির লাগে, ঘাম হয়, মেজাজ খিটখিটে হয়, সেটা স্টাইল হতে পারে, কিন্তু আরাম না। আর যেই কাপড় পরলে ভেতরটা শান্ত হয়, মায়ের হাতের ছোঁয়ার মতো লাগে সেটার দাম লাখ টাকার ব্র্যান্ডের চেয়েও বেশি। প্রকৃতি সারাক্ষণ আমাদের বুনছে। প্রশ্ন হলো, আমরা কার সুতোয় নিজেদের জড়াচ্ছি।

তবে নানুর নিয়মটা আমি এখনো মানি। রাত বারোটার পর আমাদের ঘরে কেউ সুতো কাটে না। সমস্যা একটাই। মাঝে মাঝে, খুব গভীর রাতে, যখন চারদিক নিস্তব্ধ হয়ে যায়, আমাদের স্টোররুম থেকে একটা শব্দ ভেসে আসে। খট... খট... খট... খট। মাকু একা একা হাঁটে। তবে আমি আর ভয় পাই না। কারণ ততদিনে আমি ব্যাপারটা বুঝে গেছি। কিছু বুনন শেষ হওয়ার নয়।

"তাঁত"
লেখাঃ Zannat Ul Ferdous
৬ সেপ্টেমবর, ২০২৬

উদয় রহমানের “সুর” থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁত নিয়ে লেখাটাও ভাবিয়েছে, হ্যান্ডমেইড কিছু কেন প্রশান্তির, আরামের এইটা স্পষ্ট আজ আরও।

হাতের কাজের যে কোন জিনিস মানেই সেটাতে মিশে থাকে মানুষের মমতা!

শিশুর ত্বকের যত্ন মানে শুধু সুন্দর ত্বক নয়, সুস্থ ত্বকও 💚বাচ্চাদের ত্বক বড়দের তুলনায় অনেক বেশি কোমল ও সংবেদনশীল। তাই একট...
24/08/2026

শিশুর ত্বকের যত্ন মানে শুধু সুন্দর ত্বক নয়, সুস্থ ত্বকও 💚

বাচ্চাদের ত্বক বড়দের তুলনায় অনেক বেশি কোমল ও সংবেদনশীল। তাই একটু অসাবধানতাতেই শুষ্কতা, র‍্যাশ, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে।

একজন মা হিসেবে শিশুর ত্বকের যত্নে কয়েকটি ছোট অভ্যাসই অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে। 🌸

✨ শিশুর ত্বকের যত্নে যা করবেন—

🛁 ১. অতিরিক্ত গোসল করাবেন না
প্রতিদিন দীর্ঘসময় ধরে গোসল করানো বা খুব গরম পানি ব্যবহার করা শিশুর ত্বক শুষ্ক করে দিতে পারে। কুসুম গরম পানি যথেষ্ট।

🧴 ২. গোসলের পর ময়েশ্চারাইজার দিন
ত্বক পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়ার আগেই শিশুর উপযোগী, fragrance-free moisturizer ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

👕 ৩. আরামদায়ক পোশাক পরান
নরম, বাতাস চলাচল করে এমন সুতির পোশাক শিশুর কোমল ত্বকের জন্য বেশি আরামদায়ক। অতিরিক্ত আঁটসাঁট পোশাক এড়িয়ে চলুন।

🌿 ৪. সুগন্ধিযুক্ত পণ্য কম ব্যবহার করুন
পারফিউম, সুগন্ধিযুক্ত সাবান বা অনেক ধরনের কসমেটিক একসঙ্গে ব্যবহার না করাই ভালো। শিশুর ত্বকে যত কম অপ্রয়োজনীয় পণ্য, তত ভালো।

☀️ ৫. রোদ ও ঘামের ব্যাপারে খেয়াল রাখুন
অতিরিক্ত গরমে ঘামাচি বা ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে। শিশুকে অতিরিক্ত গরম কাপড় পরাবেন না এবং ত্বক পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।

🚫 ৬. র‍্যাশ হলেই নিজের ইচ্ছায় মলম লাগাবেন না
বিশেষ করে শক্তিশালী স্টেরয়েড বা অ্যান্টিবায়োটিকযুক্ত মলম চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ সব র‍্যাশের কারণ এক নয়।

❤️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—

শিশুর ত্বকে নতুন কোনো ফোসকা, অস্বাভাবিক র‍্যাশ, পুঁজ, দ্রুত ছড়িয়ে পড়া লালচে দাগ, তীব্র চুলকানি বা ব্যথা দেখা দিলে শুধু ঘরোয়া উপায়ে না থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন—

শিশুর ত্বকের যত্নে বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই,
প্রয়োজন সঠিক জিনিসটি সঠিকভাবে করা।

আপনার ছোট্ট শিশুর ত্বকের যত্নে আপনাদের সবচেয়ে বেশি কোন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়—শুষ্ক ত্বক, ঘামাচি, নাকি র‍্যাশ?
কমেন্টে জানাতে পারেন। 💚

#শিশুরযত্ন

নতুন কিছু!
22/08/2026

নতুন কিছু!

🌸 Kiddieom — শুধু একটি নাম নয়, একজন মায়ের ভালোবাসার গল্প 🌸অনেকেই হয়তো ভাবেন, “Kiddieom” নামটা কেন?এই নামটার পেছনে আসলে খ...
21/08/2026

🌸 Kiddieom — শুধু একটি নাম নয়, একজন মায়ের ভালোবাসার গল্প 🌸

অনেকেই হয়তো ভাবেন, “Kiddieom” নামটা কেন?

এই নামটার পেছনে আসলে খুব ছোট্ট, কিন্তু খুব আপন একটা গল্প আছে। ❤️

Kiddie + Mom = Kiddieom

Kiddie মানে আমাদের ছোট্ট শিশুরা,
আর Mom মানে সেই মা—
যার পৃথিবীর সবচেয়ে বড় চিন্তা, ভালোবাসা আর স্বপ্ন জুড়ে থাকে তার সন্তান।

তাই Kiddieom নামটি যখন ভেবেছিলাম, তখন আমার মনে হয়েছিল—

“শিশুর প্রয়োজন বুঝবে একজন মা-ই সবচেয়ে ভালো।”

একজন মা যেমন সন্তানের পোশাক বেছে নেওয়ার সময় শুধু সৌন্দর্য দেখেন না, দেখেন আরাম ও নিরাপত্তা।
খেলনা কেনার সময় শুধু রঙ দেখেন না, ভাবেন শিশুর বয়স ও বিকাশের কথা।
খাবার বেছে নেওয়ার সময় স্বাদের পাশাপাশি ভাবেন পুষ্টির কথা।

Kiddieom-এর ভাবনাটাও ঠিক এমনই। 🌿

এখানে প্রতিটি পণ্য, প্রতিটি আইডিয়া আর প্রতিটি উদ্যোগের পেছনে আছে একজন মায়ের সেই চেনা অনুভূতি—

“আমার সন্তানের জন্য যেটা ভালো, অন্য মায়ের সন্তানের জন্যও সেটাই ভালো হোক।” ❤️

২০২১ সালে শুরু হওয়া এই ছোট্ট উদ্যোগটি তাই আমার কাছে শুধু একটি ব্যবসার পেজ নয়।

এটা আমার মাতৃত্বের অনুভূতি, সৃজনশীলতা আর ভালোবাসার একটি অংশ।

আর সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় হলো—
আজ Kiddieom শুধু আমার নাম নয়, আপনাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের সঙ্গেও জড়িয়ে গেছে। 🥰

Kiddieom — Kiddie-এর জন্য, Mom-এর ভালোবাসায়। 💕

আপনাদের ভালোবাসা আর বিশ্বাস নিয়েই
Kiddieom এগিয়ে যেতে চায় আরও অনেক দূর। 🌸

বাচ্চার মানসিক বিকাশে প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নই সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ একটি শিশুর সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য শুধু ভালো খাবার, স...
20/08/2026

বাচ্চার মানসিক বিকাশে প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নই সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ

একটি শিশুর সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য শুধু ভালো খাবার, সুন্দর পোশাক আর ভালো স্কুলই যথেষ্ট নয়।
তার মনটাকেও প্রতিদিন একটু একটু করে যত্ন নিতে হয়।

বাচ্চার মানসিক বিকাশে আমরা কী করতে পারি?

🌸তার কথাগুলা মন দিয়ে শুননে পারি
সে ছোট হলেও তার অনুভূতিগুলো ছোট নয়। সে কী বলতে চায়, কেন কষ্ট পেয়েছে—মন দিয়ে শুনুন।

🌸প্রতিদিন কিছুটা “বিশেষ সময়” তাকে দিতে পারি
মাত্র ১৫–২০ মিনিট হলেও মোবাইল দূরে রেখে শুধু তার সঙ্গে খেলুন, গল্প করুন বা আঁকুন।

🌸প্রশ্ন করতে উৎসাহ দিতে পারি
“এত প্রশ্ন করছ কেন?” না বলে বলুন—
“চলো, আমরা একসাথে উত্তরটা খুঁজে দেখি।”
এতে তার কৌতূহল ও চিন্তাশক্তি বাড়ে।

🌸ভুল করার সুযোগ দিতে পারি
সবসময় ভুল ধরিয়ে না দিয়ে তাকে চেষ্টা করতে দিন।
কারণ ভুল থেকেই শিশু শেখে, আত্মবিশ্বাসী হয়।

🌸তুলনা না করতেই পারি
“ওর মতো হতে পারো না?”—এই একটি বাক্যও শিশুর আত্মবিশ্বাসে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
তুলনার বদলে বলুন, “তুমি তোমার মতো করে আরও ভালো করতে পারবে।”

🌸 অনুভূতির নাম শেখাতে পারি
“তুমি কি রাগ করেছ?”, “তোমার কি মন খারাপ?”—এভাবে অনুভূতিগুলোর নাম শেখান।
নিজের আবেগ বুঝতে পারা মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

🌸গল্প, ছবি আঁকা ও সৃজনশীল খেলায় উৎসাহ দিতে পারি
এসব শুধু সময় কাটানোর মাধ্যম নয়; এগুলো শিশুর কল্পনা, ভাষা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা ও প্রকাশের দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।

মনে রাখার বিষয় শিশুর শৈশব একবারই আসে।
আজ যে শিশুটি আপনার কাছে ছোট্ট, কাল সে-ই নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়া একজন মানুষ হবে।

তাই শুধু তাকে বড় করে তুলবেন না—
একজন আত্মবিশ্বাসী, অনুভূতিশীল ও সুন্দর মনের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন।

#শিশুরমানসিকবিকাশ

ছোট্ট মেয়েদের জন্য সুতির সালোয়ার—শুধু পোশাক নয়, আরামেরও যত্ন আমাদের ছোট্ট মেয়েরা সারাদিন কত কিছুই না করে!খেলাধুলা, দৌড়ঝা...
19/08/2026

ছোট্ট মেয়েদের জন্য সুতির সালোয়ার—শুধু পোশাক নয়, আরামেরও যত্ন

আমাদের ছোট্ট মেয়েরা সারাদিন কত কিছুই না করে!
খেলাধুলা, দৌড়ঝাঁপ, স্কুল, ঘুরতে যাওয়া—সবকিছুর মাঝেই তাদের পোশাকটা হওয়া চাই আরামদায়ক, নরম ও ত্বকবান্ধব।

আর তাই ছোট্ট মেয়েদের জন্য সুতির সালোয়ার হতে পারে দারুণ একটি পছন্দ।

✨ কেন সুতির সালোয়ার জরুরি?
🌿 সুতি কাপড় ত্বকের জন্য তুলনামূলক আরামদায়ক
🌿 বাতাস চলাচল করতে সাহায্য করে, তাই গরমে স্বস্তি দেয়
🌿 দীর্ঘসময় পরেও অস্বস্তি কম হয়
🌿 খেলাধুলা ও দৈনন্দিন চলাফেরায় সহজে নড়াচড়া করা যায়
🌿 শিশুদের কোমল ত্বকের কথা মাথায় রেখে পোশাক বেছে নেওয়া যায়

💗 আর আমাদের কাছ থেকেই কেন?

কারণ আমরা শুধু সুন্দর পোশাক দিতে চাই না—
আমরা চাই আপনার মেয়েটা পোশাকটি পরে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলুক, হাসুক আর নিজের মতো করে থাকুক।

আমাদের সুতির সালোয়ারে আমরা গুরুত্ব দিই—
✔️ আরামদায়ক কাপড়
✔️ শিশুর উপযোগী ডিজাইন
✔️ সুন্দর ও পরিপাটি ফিনিশিং
✔️ দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগিতা
✔️ মায়েদের পছন্দের সুন্দর কালার ও ডিজাইন

একটা শিশুর পোশাক সুন্দর হওয়া যেমন জরুরি,
তার চেয়েও জরুরি—সেটা পরে সে কতটা স্বস্তিতে আছে। 💕

তাই আপনার ছোট্ট রাজকন্যার জন্য পোশাক বাছাইয়ে
সৌন্দর্যের সঙ্গে আরামকেও দিন সমান গুরুত্ব। 🌸

📩 আপনার মেয়ের বয়স ও পছন্দের কালার জানিয়ে আমাদের ইনবক্স করুন।
আপনার ছোট্ট মেয়ের জন্য আমরা সাজিয়ে দেব সুন্দর ও আরামদায়ক সুতির সালোয়ার। 💗

#সুতিরসালোয়ার #বাচ্চাদেরপোশাক

Address

Dhaka
7700

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 23:00
Thursday 08:00 - 11:00
Saturday 08:00 - 23:00
Sunday 08:00 - 23:00

Telephone

+8801912124937

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kiddieom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kiddieom:

Shortcuts

Share