GirlClout

GirlClout A clothing (brand)

আল্লাহ র কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই। তাই ছোট থেকে ছোট হোক কিংবা অসম্ভব কিছু হোক আল্লাহ র কাছে চাইতে লজ্জা পাবেন না ❤️❤️
17/06/2026

আল্লাহ র কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই। তাই ছোট থেকে ছোট হোক কিংবা অসম্ভব কিছু হোক আল্লাহ র কাছে চাইতে লজ্জা পাবেন না ❤️❤️

"জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) যখন বন্দি ছিলেন, তখন তিনি জানতেন না যে এই অন্ধকার কামরাই তাকে মিশরের রাজপ্রাসাদে পৌঁছে দেবে। আমরা আ...
16/06/2026

"জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) যখন বন্দি ছিলেন, তখন তিনি জানতেন না যে এই অন্ধকার কামরাই তাকে মিশরের রাজপ্রাসাদে পৌঁছে দেবে। আমরা আমাদের বিপদের সময় কেবল 'দেয়াল' দেখি, কিন্তু আল্লাহ সেই দেয়ালের ওপারে আমাদের জন্য 'সিংহাসন' তৈরি করে রাখেন। আপনার বর্তমান কষ্ট আসলে আপনার ভবিষ্যতের বড় কোনো প্রাপ্তির সোপান।"

নোমান আলী খান

আপনি কোন দলে?? আমি তো ২ নম্বর গ্রুপ এ 🫣🫣
13/06/2026

আপনি কোন দলে?? আমি তো ২ নম্বর গ্রুপ এ 🫣🫣

13/06/2026
কুরআনের চারটি মোটিভেশনাল শব্দ 🤍
13/06/2026

কুরআনের চারটি মোটিভেশনাল শব্দ 🤍

স্ত্রীর হক নষ্ট করার ভয়াবহ পরিণতি!ইসলামের আলোকে কিছু হৃদয়স্পর্শী কথা!অনেক মানুষ মনে করেন,আমি তো সংসারের খরচ দিচ্ছি!তাই দ...
12/06/2026

স্ত্রীর হক নষ্ট করার ভয়াবহ পরিণতি!
ইসলামের আলোকে কিছু হৃদয়স্পর্শী কথা!

অনেক মানুষ মনে করেন,আমি তো সংসারের খরচ দিচ্ছি!
তাই দায়িত্ব শেষ!কিন্তু ইসলাম শুধু ভরণ-পোষণের কথা বলেনি!বরং দাম্পত্য সম্পর্ককে ভালোবাসা,সম্মান ও দয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত করেছে।
একজন স্ত্রী শুধু ঘরের মানুষ নন!
তিনি একজন অনুভূতিশীল মানুষ!
একজন আমানত একজন সঙ্গী যার হক!
আদায় করা স্বামীর ঈমানি দায়িত্ব।

এক, স্ত্রী আপনার অধীন নয় আপনার দায়িত্ব!
আল্লাহ তাআলা স্ত্রীকে স্বামীর জন্য!
শান্তি ও সঙ্গী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন!
তাকে অপমান করা,অবহেলা করা বা ছোট করা কখনোই পুরুষত্বের পরিচয় নয়!বরং এটি দায়িত্বহীনতার লক্ষণ।

যে স্বামী স্ত্রীর অনুভূতিকে মূল্য দেয় না!
সে আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতের কদর করে না।

দুই,কোমল আচরণ সুন্নাহ🥀

রাসূলুল্লাহ ﷺ ছিলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ!
অথচ তিনি পরিবারের সাথে সবচেয়ে কোমল আচরণ করতেন।

তিনি কখনো স্ত্রীদের অপমান করেননি!
কঠোর ভাষায় আঘাত দেননি বরং হাসিমুখে কথা বলা! ভালোবাসা প্রকাশ করা ও ভুল ক্ষমা করা ছিল তাঁর চরিত্র।

তিন, স্ত্রীর কান্না অবহেলা করবেন না!

অনেক স্ত্রী মুখে কিছু না বললেও অন্তরে ভেঙে পড়েন।
তাদের নীরব কান্না দীর্ঘশ্বাস ও কষ্ট,আল্লাহর কাছে গোপন থাকে না!মজলুমের দোয়ার মাঝে কোনো পর্দা নেই।
আর জুলুম যদি নিজের ঘরের মানুষের উপর হয়!
তবে তার ভয়াবহতা আরও বেশি।

চার,সংসারে শান্তি আসে সম্মান থেকে!

শুধুমাত্র টাকা-পয়সা দিয়ে সুখী পরিবার গড়া যায় না!
যেখানে সম্মান নেই,সেখানে ভালোবাসা কিভাবে থাকবে!
একজন স্ত্রী সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা অনুভব করেন!
তার স্বামীর ভাষা,কথা বলার ধরণ আচরণ ও ভালো ব্যবহার!
কঠিন কথা অনেক সময় এমন ক্ষত তৈরি করে তা আপনি! মুছতে পারবেন না,যা বছরের পর বছর বয়ে বেড়াতে হয়!

পাঁচ, স্ত্রীর হক কিয়ামতে আদায় করতে হবে!

অনেক মানুষ নফল ইবাদতে মনোযোগী হলেও!
পরিবারের হক নষ্ট করেন,কিন্তু কিয়ামতের দিন!
মানুষের হক আগে আদায় করতে হবে সেটা ভূলে যায়!
স্ত্রীর উপর করা অন্যায়, অপমান বা মানসিক কষ্ট সবকিছুর! হিসাব দিতে হবে আল্লাহর দরবারে।

ছয়,ভালো স্বামী হওয়াও ইবাদতের কাজ!

একজন স্বামী যখন স্ত্রীর কষ্ট বোঝার চেষ্টা করেন!
তার পাশে দাঁড়ান,তার ভুল ক্ষমা করেন!
তখন সেটিও ইবাদত হয়ে যায়!

স্ত্রীর মুখে হাসি ফোটানো, তাকে সম্মান দেওয়া!
তার মন ভালো রাখার চেষ্টা করা এইসব ছোট!
কাজও আল্লাহর কাছে অনেক মূল্যবান এবং দামী!

সাত,ভয় নয় ভালোবাসাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে!

যে সংসারে স্ত্রী স্বামীর আচরণে আতঙ্কিত থাকে!
সেখানে ধীরে ধীরে রহমত কমে যায়!

ইসলাম এমন সম্পর্ক চায়, যেখানে দু’জন দু’জনের পোশাকের মতো হবে!নিরাপত্তা দেবে আড়াল করবে শান্তি দেবে!

আট,একজন নেককার স্বামীর পরিচয়!

নেককার স্বামী সেই ব্যক্তি নন!
যিনি শুধু বাইরের মানুষের কাছে ভালো।
বরং প্রকৃত উত্তম মানুষ তো তিনি যিনি!
ঘরের মানুষের কাছেও উত্তম!
কারণ পরিবারের সাথে আচরণই!
একজন মানুষের প্রকৃত চরিত্র প্রকাশ করে!

মনে রাখবেন!
স্ত্রীকে কষ্ট দিয়ে কখনো প্রকৃত সুখ পাওয়া যায় না!
একজন নারীর ভাঙা মন অনেক সময়!
পুরো সংসারের বরকত কমিয়ে দেয়!আল্লাহুম্মাগাফিরলি😥

নিজেকে প্রশ্ন করুণ !
আমার স্ত্রী কি আমার উপস্থিতিতে শান্তি অনুভব করে!
নাকি ভয় ও কষ্ট কারণ একজন মানুষ বাইরে যতই ভালো! হোক!যদি ঘরের মানুষ তার আচরণে কষ্ট পায় তবে সেই! ভালোত্ব অসম্পূর্ণ!

স্ত্রীকে ভালোবাসুন, সম্মান করুন, তার অনুভূতিকে মূল্য দিন!এতে শুধু সংসারই সুন্দর হয় না, আল্লাহর কাছেও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।🥀🌸💜

⚠️ "আল্লাহর ওপর মাঝে মাঝে 'রাগ' হয়। কেন তিনি আমার সমস্যা ইনস্ট্যান্ট মেটান না?" ⚠️এই লেখাটা পড়ার পর আর হয় না।———ইবরাহিম ...
10/06/2026

⚠️ "আল্লাহর ওপর মাঝে মাঝে 'রাগ' হয়। কেন তিনি আমার সমস্যা ইনস্ট্যান্ট মেটান না?" ⚠️

এই লেখাটা পড়ার পর আর হয় না।

———

ইবরাহিম নবির কথাই ধরুন। অবিশ্বাসীরা তাঁকে জ্যান্ত পোড়ানোর সব ফন্দি আঁটলো।

আল্লাহ চাইলে কতভাবেই না তাঁকে বাঁচাতে পারতেন! শত্রুর চোখে ধুলো দিয়ে পারতেন আড়াল করতে, যেন নাগালই না পায়। কিংবা পাঠাতে পারতেন এমন দুর্গম ডেরায়, যেখানে কারও পৌঁছানোর সাধ্য নেই। এমনও তো হতে পারত—আগুনে ছুড়তেই আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নেমে দাউদাউ চিতা জল হয়ে গেল।

কিন্তু আল্লাহ কোনো সহজ পথ বাছলেন না। শত্রুরা ইবরাহিম নবিকে বন্দি করে ছুড়ে দিল গনগনে আগুনে। আকাশ থেকে নামল না এক ফোঁটা বৃষ্টিও। সবাই ভাবল—ইবরাহিম বুঝি এবার শেষ!

ঠিক তখনই ঘটল মহাবিস্ময়। আল্লাহর এক ইশারায় খেলা উলটে গেল। ডাক এল, "আগুন, তুমি ইবরাহিমের জন্য ঠান্ড হও, নিরাপদ হও।" (সুরা আনবিয়া: ৬৯)।

কেন ঘটল এই অপার্থিব ঘটনা?

যাতে দুনিয়া দেখে—রক্ত-মাংসের এক মানুষকে আগুনে ফেলেও পোড়ানো গেল না। অথচ জাগতিক নিয়মে তো তাঁর ছাই হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

এখানে মূল রহস্য—মানুষের সীমাবদ্ধতা আর আল্লাহর অসীম ক্ষমতার ফারাক স্পষ্ট করা। শত্রু ভাবে কেল্লাফতে, অথচ আল্লাহর খাস বান্দাদের চুল পরিমাণ ক্ষতিও তারা করতে পারে না।

——

আস-সিহরু ওয়াল-হাসাদ, শাইখ মুতাওয়াল্লি শারাওয়ি

- মাসুদ শরীফ

যখন চারপাশের সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন আল্লাহর কুদরত শুরু হয়..." একদা এক ভাঙা নৌকার পালের ওপর ভর করে এক ব্যক্তি সমুদ্র...
07/06/2026

যখন চারপাশের সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন আল্লাহর কুদরত শুরু হয়..."

একদা এক ভাঙা নৌকার পালের ওপর ভর করে এক ব্যক্তি সমুদ্রের বুকে এক নির্জন দ্বীপে এসে পৌঁছাল। ঝড়ের কবলে পড়ে তার সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। দ্বীপে এসে সে আল্লাহর কাছে প্রতিদিন কাঁদত আর সাহায্য চাইত।
দিন কেটে যাচ্ছিল, কিন্তু কোনো সাহায্য আসছিল না। নিজের মাথা গোঁজার জন্য সে বনের কাঠ কুড়িয়ে দ্বীপে ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর বানালো। একদিন সে খাবারের সন্ধানে দূরে গেল। ফিরে এসে দেখল—তার সাধের কুঁড়েঘরটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে! ধোঁয়ায় আকাশ কালো হয়ে গেছে।

সে কান্নায় ভেঙে পড়ল এবং আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, "হে আল্লাহ! আমার যা কিছু ছিল সব তো কেড়ে নিয়েছ, শেষমেশ এই মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও পুড়িয়ে দিলে? আমার কপালে আর কী কষ্ট আছে?" সে চরম হতাশ হয়ে ওই রাতেই মাটির বুকে ঘুমিয়ে পড়ল।
পরদিন সকালে একটি বড় জাহাজের সাইরেনের আওয়াজে তার ঘুম ভাঙল। দেখল একটি জাহাজ তাকে উদ্ধার করতে দ্বীপে এসেছে! সে অবাক হয়ে জাহাজের ক্যাপ্টেনকে জিজ্ঞেস করল, "আপনারা কীভাবে জানলেন যে আমি এই নির্জন দ্বীপে আটকে আছি?"
ক্যাপ্টেন মুচকি হেসে উত্তর দিলেন, "আমরা দূর সমুদ্র থেকে আকাশে কালো ধোঁয়ার সংকেত দেখতে পেয়েছিলাম। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, কেউ একজন চরম বিপদে পড়ে আমাদের সাহায্য চাচ্ছে!"

সুবহানাল্লাহ! আমরা অনেক সময় আমাদের জীবনের ছোটখাটো ক্ষতি দেখে হতাশ হয়ে পড়ি, আল্লাহকে দোষারোপ করি। কিন্তু আমরা জানি না, আমাদের ভেঙে যাওয়া কুঁড়েঘরের আগুনটাই হয়তো আমাদের উদ্ধারের উসিলা হতে যাচ্ছে। আল্লাহ আমাদের জন্য যা নির্ধারণ করে রাখেন, তার চেয়ে উত্তম আর কিছু হতে পারে না।
হে আল্লাহ, আমাদের সবাইকে আপনার সিদ্ধান্তের ওপর পূর্ণ সন্তুষ্ট থাকার তৌফিক দান করুন।
আমীন।

লেখাটি ভালো লাগলে এবং অন্যদের মনে আল্লাহর প্রতি ভরসা জাগিয়ে তুলতে একটি 'শেয়ার' করে সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব হাসিল করুন।

#শিক্ষা

আল্লাহ তার প্রিয় বান্দাদের হৃদয়ে এমন শান্তি দান করেন,যা দুনিয়ার কোনো সম্পদ দিয়ে কেনা যায় না। মানুষ যখন দুশ্চিন্তায় ভেঙে ...
06/06/2026

আল্লাহ তার প্রিয় বান্দাদের হৃদয়ে এমন শান্তি দান করেন,

যা দুনিয়ার কোনো সম্পদ দিয়ে কেনা যায় না। মানুষ যখন দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়ে, তখন আল্লাহ তাদের হৃদয়কে শক্ত করে দেন। প্রিয় বান্দাদের জন্য আল্লাহ সবসময় উত্তম ফয়সালা নির্ধারণ করেন।

তারা কষ্ট পেলেও শেষ পর্যন্ত কল্যাণ লাভ করে। আল্লাহ তাদের জীবনে অদৃশ্যভাবে বরকত দান করেন, তাদের প্রতিটি ধৈর্যের জন্য আল্লাহ আলাদা প্রতিদান লিখে রাখেন।

দুনিয়ার মানুষ না বুঝলেও আল্লাহ তাদের মূল্য দেন। আল্লাহ তাদের জন্য ফেরেশতাদের মাধ্যমে রহমত নাজিল করেন। আখিরাতে তাদের জন্য থাকবে অফুরন্ত সুখের জান্নাত। আর আল্লাহর সন্তুষ্টিই হবে তাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

এক আপু বললেন উনার সবচেয়ে পছন্দের ফল হচ্ছে কাঁঠাল। সেই আপুর বাবা সিজন শুরু হওয়ার আগেই কোনোভাবে কাঁঠাল নিয়ে আসতেন আর উনার ...
06/06/2026

এক আপু বললেন উনার সবচেয়ে পছন্দের ফল হচ্ছে কাঁঠাল। সেই আপুর বাবা সিজন শুরু হওয়ার আগেই কোনোভাবে কাঁঠাল নিয়ে আসতেন আর উনার আম্মা রাগ করতেন যে কচি কাঁঠাল নিয়ে চলে আসছে। কিন্তু যতই যাইহোক আপুর বাবার চিন্তা থাকতো কবে প্রথম বাজারে কাঁঠাল দেখবে আর তাকে খাওয়াবে। তারপর আপুটার বিয়ে হলো, বিয়ের বহুদিন পরে আপুর হাজবেন্ড জানতে পারলো কাঁঠাল তার খুব পছন্দ। হাতে গোণা দুই একবার হয়তো কিনেও নিয়ে এসেছিলো। তবুও আপু একদিন অভিমান করে বলেছিলো নিজে খাও না বলে কিনো ও না। এই কথা বলার পরই দুই একবার কিনেছিলো। তারপর আপু ও আর বলে না, উনিও আর নিয়ে আসে না। আপুর বাবা আপুর বাসায় গিয়ে বলছে কাঁঠাল উঠে গেছে তো বাজারে, নিয়ে আসি? কাঁঠাল খাওনি এবার এখনও? তখন আপু বললো কাঁঠাল খাই না, বাসায় কাঁঠাল ভাঙা খুব ঝামেলা তাই তোমাদের জামাইকে আমি আনতে মানা করে দিয়েছি। আর কাঁঠালের গন্ধ এখন আমার খুবই বিরক্ত লাগে।
ভাবছেন এটা খুব সাধারণ একটা জিনিস, তাই না? এখানে খাওয়া বা জিনিসের মূল্য বড় কিছু ছিলো না। বড় ছিলো প্রায়োরিটি। এরকম ছোট ছোট প্রত্যাশাই একটা মেয়ের জীবনে দু:খ হয়ে চলে আসে যখন তার প্রিয় মানুষ তাকে প্রায়োরিটি দেয় না। আর তখনই একটা মেয়ে অসম্ভব সুখী হয় যখন তার প্রিয় মানুষ এই ছোট ছোট জিনিস খেয়াল করে। মেয়েরা এরকমই। মেয়েরা কখনো, কোনো অবস্থাতে নিজের বাপ-মাকে এটা বুঝতে দেয় না তাদের আদরের মেয়ে যে অন্যের ঘরে গুরত্বহীন। বরং বাবা-মাকে বেশি করে বোঝায় যে তাদের মেয়ে খুব যত্নে আছে।

★ যারা ব্যাতিক্রম তারা ব্যাতিক্রম, আমি তাদের কথা আজ বলিনি। বলেছি সেসব বোকা বোনদের কথা যারা কিনা অর্থপ্রাচুর্য নয় সামান্য যত্নের পাগল।

Address

Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GirlClout posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to GirlClout:

Share