SH clothing

SH clothing We are always available at your service. �

15/07/2025

Something new is coming.🔥

20/06/2025
অফার! অফার!  অফার!  যেকোন তিনপস কিনলেই ডেলিভারি চার্জ একদম ফ্রী! আপনার পারফরম্যান্স আর স্টাইল একসাথে বাড়াতে আমরা নিয়ে এস...
19/06/2025

অফার! অফার! অফার! যেকোন তিনপস কিনলেই ডেলিভারি চার্জ একদম ফ্রী!
আপনার পারফরম্যান্স আর স্টাইল একসাথে বাড়াতে আমরা নিয়ে এসেছি হাই-কোয়ালিটি স্পোর্টস টিশার্ট — তৈরি হয়েছে প্রিমিয়াম ড্রাই-ফিট ফেব্রিক দিয়ে যা ঘাম শোষণ করে দ্রুত, রাখে আপনাকে ঠান্ডা ও স্বচ্ছন্দ।
চলাফেরা হোক জিম, রানিং, ফুটবল বা যেকোনো আউটডোর এক্টিভিটিজ — এই টিশার্টই হবে আপনার পারফেক্ট পার্টনার।

Key Features:

Quick-dry breathable fabric

Lightweight and stretchable

Modern athletic fit

Reflective logo design (নাইট স্পোর্টসের জন্য উপযোগী)
সকল বয়সের জন্য মানানসই।

স্টকে এখনই অর্ডার করুন!
Available in multiple colors & sizes.
Inbox করুন বা কল করুন এখনই!
Call:01312886290

19/06/2025

Back!!!!!

Eid Mubarak 💞
09/07/2022

Eid Mubarak 💞

নিজের উপলব্ধি থেকে বলছি, যখন একটি নারী মারা যায় তখন তার লাশকে পর পুরুষকে দেখতে দেওয়া হয়না। যখন তাকে কবরে নামানো হয় তখন ক...
21/06/2022

নিজের উপলব্ধি থেকে বলছি, যখন একটি নারী মারা যায় তখন তার লাশকে পর পুরুষকে দেখতে দেওয়া হয়না। যখন তাকে কবরে নামানো হয় তখন কাফন দ্বারা আব্রৃত থাকার পড়েও তাকে একটি কাপড় বা পর্দার দ্বারা ডেকে রাখা হয় বলা হয় রক্তের সম্পর্ক ছাড়া কেও কবরে নামবেন-না/ দেখতে পাবে না এমন একটা কন্সেপ্ট। আমার কথা হলো যে মৃত্যুর পরে পর্দার জন্য এতো কড়াকড়ি, কিন্তু মৃত্যুর পূর্বে যে সে বিধিবিধান এর পালনকারী ছিলো না। যেখানে মৃত্যুর পরে পর পুরুষের সামনে তার মুখ প্রদর্শন করতেই বাধা দেওয়া হয়। মৃত্যুর পূর্বে যে সে মুখ সহ তার শরীর ও সকলকে প্রদর্শন করে বেড়াতো। কোথায় গেলো তখন তার পর্দা?
-এই কথাগুলো সেইসকল গার্জিয়ান কে উদ্দেশ্য করে বলা যারা তার অধীনস্ত মহিলাদের ব্যাপারে খামখেয়ালী ভাব পোষণ করে। এই কথাগুলো সেইসকল মা-বোনদের কে উদ্দেশ্য করে বলা যারা বেপর্দায় জীবনযাপন করে। নামাজ যেমন ফরজ, পর্দাও তেমন ফরজ বিধান।
একটি পালন করে অপরটি ছেড়ে দিলে জবাবদিহি পরকালে করতেই হবে।

(সংগৃহীত)।।।।।

30/05/2022

আসসালামু আলাইকুম
শুভ সকাল সবাইকে 💞💞💞

SN Fashion World এর পক্ষ থেকে সকল ক্রেতা বন্ধুদের জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। ঈদ মোবারক।
03/05/2022

SN Fashion World এর পক্ষ থেকে সকল ক্রেতা বন্ধুদের জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। ঈদ মোবারক।

19/04/2022

🔴 রমাদান মাসের ১৭তম দিন, আজ একটি বিশেষ দিন,
আজকের দিনে বদরের যু-দ্ধ সংগঠিত হয়েছিল।

৬২৪ খ্রিস্টাব্দের ১৬ মার্চ, হিজরি দ্বিতীয় বর্ষের ১৭ রমাদ্বান ৩১৩ জন সাহাবিকে সঙ্গে নিয়ে মহানবী ﷺ মদিনা শরিফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে ৮০ মাইল দূরে বদর নামক স্থানে অমুসলিমদের সঙ্গে এক যু-দ্ধে অবতীর্ণ হন।

ঐতিহাসিক এদিনে, এসময়ে সেনাপতি ছিলেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ।

রাসূলুল্লাহ ﷺ যু-দ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার আগে উভয় হাত তুলে ক্বিবলামুখী হয়ে প্রার্থনা করতে থাকলেন,
‘হে আল্লাহ! তুমি যদি এই জামা‘আতকে আজ ধ্বং-স করে দাও, তাহ’লে এই যমীনে তোমাকে ডাকার মত আর কেউ অবশিষ্ট থাকবে না‘। (সহীহ্ মুসলিম : ১৭৬৩)

💔 রাসুল ﷺ -এর এই দোয়া থেকেই স্পষ্ট হয়, বদর যু-দ্ধের প্রেক্ষাপট কী ভয়াবহ ছিল!

মহান আল্লাহ জমিনের বুকে সেদিন ফেরেশতা প্রেরণ করে মুসলিমদের সাহায্য করেছিলেন।

জীব্রাঈল আঃ, মিকাঈল আঃ, ঈসরাফীল আঃ বদর যু-দ্ধে মুসলিমদের পক্ষে লড়াই করেছিলেন। [মুসনাদে আহমদ ১/১৪৭; মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, হাদীস : ৩২৬১৭]

যদিও এটি ক্ষুদ্র একটি যু-দ্ধ ছিল, কিন্তু এর প্রভাবে বিশ্বের তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি পাল্টে যায়। বাতাসের গতি পরিবর্তন হয়ে যায়।

⭕ মহানবী ﷺ -এর সঙ্গে জনবল ছিল মাত্র ৩১৩ জন। এর মধ্যে ৭০ জন মুহাজির ও বাকিরা আনসার। অন্যদিকে কা-ফের কুরাইশ বাহিনীর সংখ্যা ছিল এক হাজার। তন্মধ্যে ১০০ জন অশ্বারোহী, ৭০০ জন উষ্ট্রারোহী ও বাকিরা পদব্রজী ছিল। সত্যপথের অনুসারী অল্পসংখ্যক রোজাদার মুসলমান বিশাল অ-স্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত মিথ্যার অনুসারী অমু-সলিম বাহিনীর বিরুদ্ধে যু-দ্ধে জয়লাভ করায় সত্য-মিথ্যার চিরপার্থক্য সূচিত হয়ে যায়। তাই এ দিনকে সত্য-মিথ্যার পার্থক্যের দিন বলা হয়।

কেউ আল্লাহর হলে আল্লাহও তার হয়ে যান। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কুরাইশ পুরাপুরি পরাজিত হল। তাদের বড় বড় নেতা মারা গেল। আবু জাহল— (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শত্রুতায় যার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি) — নিহত হল। তাদের ৭০জন মুসলমানদের হাতে গ্রেফতার হল। তারা সবাই ছিল রাসূলের বড় শত্রু।

মক্কায় তারা নবীজীকে অনেক কষ্ট দিয়েছিল এবং মুসলমানদের প্রতি অনেক জুলুম করেছিল। অন্য কেউ হলে চরম প্রতিশোধ নিত। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন অতি দয়ালু। তিনি তাদেরকে সামান্য কষ্টও দেননি। এমনকি মুসলমানদেরকে সতর্ক করে দিলেন যেন তাদের কোনো কষ্ট না হয়। যাদের কাছে পরিধানের কাপড় ছিল না তাদেরকে কাপড় দিয়েছেন। সাহাবীগণ নিজেরা খেজুর খেয়ে দিন পার করলেও বন্দিদেরকে রুটি খাওয়াতেন।

এভাবে কিছুদিন আরাম ও নিরাপদে রাখার পর মুক্তিপণ নিয়ে সবাইকে মুক্ত করে দেওয়া হল।

দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক প্রিয় নবী ﷺ এবং তার সেসকল বদরী সাহাবীদের উপর, যারা আত্মত্যাগের মাধ্যমে ইসলামকে করেছেন সমুন্নত।

اللهم صل علی سیدنا محمد وعلی اله اصحابه وبارک وسلم

© 🧡

18/04/2022

কেউ যদি #কদরের_রাতে আমল করতে চান, এই নিয়মে করতে পারেন...

১। রাত দশটার পর থেকে টিভি বা মোবাইল দেখা থেকে বিরত থাকুন।

২। বেশি গরম লাগলে গোসল করুন ও পরিষ্কার পোষাক পরিধান করুণ।

৩। কোরআন পড়তে পারলে ১২ টার আগ পর্যন্ত কোরআন পরুন।

৪। ৩০মিনিট ধ্যান খেয়াল এনে সালাতু তাজবিহের নামাজ পরুন।

৫। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন। যেমনঃ-
(১) সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার। (১০০ বার করে)

(২) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (২০০ বার)

(৩) আস্তাগফিরুল্লাহ (কমপক্ষে ৫০০ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)

(৪)বেশী বেশী দুরুদ পড়া।

(৫) সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)

(৬)"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)

(৭) দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)

(৮)"সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি ওয়া সুবহানাল্লাহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।

(৯) "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।

(১০) সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।

(১১) সায়্যিদুল ইস্তেগফার পাঠ করা।

(১২)আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’( যত বেশি পারেন)

৬। রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত তাহাজ্জুদ পরুন ৮ রাকাত। রুকু ও সিজদায় বেশি সময় ব্যয় করুন।পারলে সিজদায় দোয়া করা।

৭। তাহাজ্জুদের পর তিন রাকাআত বিতরের নামাজ পরুন।

৮। সেহরি খাওয়ার পূর্বেই হাত তুলুন মালিকের কাছে। আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন..একটু চোখের পানি ফেলে বলুন, "মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...😭 খালি হাতে ফিরিয়ে দিবেন না.....ইত্যাদি...
৯। সেহরি খান।

১০। ফরজ নামাজ পরে ঘুমিয়ে পরুন।

উপরের কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার কথা শুনে এ আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমান সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথ প্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।..." [মুসলিম ২৬৭৪]

রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন দিন শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই শবে কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, বিশেষ করে বিজোড় রাতে এই আমল গুলো করুন।
আল্লাহ্‌ আমাদের আমল করার তৌফিক দিন।আমিন।

16/04/2022

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একজন কয়েদি ও তাঁর প্রার্থনার শক্তি

( সংগৃহীত পোষ্ট )

খাবার দিতে গিয়ে দেখি উনি সেলের এক কোনে জায়নামাজে বসে আছেন। পায়ের শব্দে চোখ উপরে তোলেন। অশ্রুসজল চোখ। শান্ত স্বভাব। ধীর স্থির।
মৃত্যদণ্ড প্রাপ্ত আসামীদের এই সেলে নিয়ে আসা হয়। আর আমার মতো যাদের হৃদয় পাথরের মতো শক্ত- তাদেরকেই এই সেলে পাহারায় নিযুক্ত করা হয়। উনার বিরুদ্ধে মামলা খুবই শক্ত। খুনের আসামী। নিম্ন আদালতে মৃত্যদণ্ডের আদেশ হয়েছে। এখন উচ্চ আদালতে রায় বহাল থাকলেই উনার ফাঁসি কার্যকর হবে।
আসামীর প্রতি আমার আচরণ যত কঠোর। উনার আচরণ ঠিক ততোই কোমল। আমার সুদীর্ঘ ত্রিশ বছরের কারারক্ষী জীবনে অনেক খুনিকে দেখেছি। খুনির চোখ দেখে চেনা যায়। কিন্তু উনার চোখ দুটো বড়ই নিষ্পাপ।
উনি আমাকে সালাম দেন। অশ্রুসজল চোখেও একটু স্মিথ হাসেন। আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়- এমন নরম স্বভাবের একজন মানুষ এরকম ভয়ঙ্কর খুনি হতে পারে।
আমি সরাসরি জিজ্ঞাসা করি -খুনটা আপনি কেন করলেন?
তিনি কোরআন শরীফ থেকে সুরা মায়েদার একটা আয়াত আরবিতে পাঠ করে বলেন- নিরাপরাধ কোনো ব্যক্তিকে কেউ হত্যা করলো- মানে সে যেন দুনিয়ার সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে হত্যা করল; আর কেউ কারও প্রাণ রক্ষা করলো মানে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানবগোষ্ঠীর প্রাণ রক্ষা করল। এরপর তিনি বলেন- তিরমিজিতে একটা হাদিস আছে- ‘দুনিয়া ধ্বংস করে দেওয়ার চেয়েও আল্লাহর কাছে ঘৃণিত কাজ হলো মানুষ হত্যা করা।’ তাই মানুষ খুনের মতো এমন নৃশংস, জঘন্য অপরাধ আমি কেমন করে করতে পারি। উনার কন্ঠ ভারাক্রান্ত হয়।

জীবনের বায়ান্ন বছর বয়সে এই প্রথম বুঝতে পারি- আমার মতো পাথর হৃদয়ের মানুষের মনও নরম হয়।
আচ্ছা- তাহলে এই খুনের মামলায় প্রধান আসামি হিসাবে আপনি জড়িয়ে পড়লেন কেমন করে?
ঘটনা সত্য - একজন প্রভাবশালী মানুষ খুন হয়েছে এবং কাকতালীয়ভাবে এই খুনের ঘটনা থেকে আমি মাত্র কয়েক কদম দূরে ছিলাম। যারা খুন করেছে- তারা আরো প্রভাবশালী। আর আমার মতো এক দূর্বল মানুষকে ফাঁসিয়ে দিয়ে ওরা বেঁচে গেছে আর নিয়তি আমাকে এই নির্জন সেলে নিয়ে এসেছে।
আপনার আত্মীয় স্বজনরা কোনো চেষ্টা করেনি। উকিলরা আপনার পক্ষে দাঁড়ায়নি।
ওরা যে যেভাবে পারে চেষ্টা করছে। আমাকে বাঁচাতে একটুকরো ভিটে ছিলো- সেটা বিক্রি হয়েছে। বউ ছোট দুই সন্তান নিয়ে গৃহহীন হয়েছে। বৃদ্ধা মা আগে থেকেও কম দেখতেন। আমার জন্য কাঁদতে কাঁদতে বৃদ্ধ মায়ের চোখ দুটো এখন আর আলো দেখে না। কিন্তু বিচার, কোর্ট, আদালত, সমাজ, সংবাদ এসবতো আমার মতো দূর্বলের পক্ষে না। তাই, আমার যত দ্রুত ফাঁসি হবে- ওরা সবাই তত দ্রুত বেঁচে যাবে। কিন্তু আমি জানি আমি নির্দোষ। তাই উচ্চ আদালতে আমি পিটিশন দায়ের করেছি। আমার উচ্চ আদালত হলো- আমার আল্লাহ। উনি সবচেয়ে উত্তম পরিকল্পনাকারী। আমার নিয়তিতে যদি ফাঁসি লেখা থাকে সেটা হবে। আর যদি আমার মুক্তি লেখা থাকে তবে সেটাও হবে। আমার জীবন মৃত্যুর মালিক একমাত্র আল্লাহ। সবকিছুই আমি আমার রবের উপর ছেড়ে দিয়েছি।

পরদিন উনার স্ত্রী দুই পুত্র সহ উনার মাকে নিয়ে দেখা করতে আসেন। সবাই অনবরত কাঁদছে। বৃদ্ধা মায়ের হাত দুটো ছেলের মুখের উপর হাতড়ে বেড়াচ্ছে। মা ছেলের মুখে, ঠোঁটে, গালে, মাথায় চুমু খাচ্ছেন। পিতা চুমু দিচ্ছে তার নিষ্পাপ দুটো সন্তানের মুখে। সুদীর্ঘ সময়ের কারারক্ষী জীবনে এই প্রথম আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ে। বুকের ভিতরটা মোচড়ে ওঠে।

তিনি মাকে বলেন- মা পিটিশনতো দিয়ে রেখেছি। উচ্চ আদালতে। আল্লাহর আরশে। এই যে আমার মুখের সাথে তোমার লেগে থাকা হাত দুটো যত কাছে । উনি তার চেয়েও কাছে মা। উনি খুব কাছে। উনি সব দেখছেন মা। কোনো কিছুই তার পরিকল্পনার বাইরে না। আমি আমার দুটো অবুঝ সন্তানের মতো নির্দোষ আর নিষ্পাপ মা।

আল্লাহর উপর বিশ্বাস আমি অনেক পড়েছি, অনেক গল্প শুনেছি। কিন্তু এমন দৃঢ় বিশ্বাস জীবনে এই প্রথম দেখলাম। কয়েকদিন কেটে গেলো। যখনই খাবার দিতে যাই। দেখি উনি জায়নামাজে আছেন। অথবা সিজদায় পড়ে রয়েছেন। হাইকোর্টে চূড়ান্ত রায় নিষ্পত্তির আগে এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে।

যে লোক এই নিরাপরাধ মানুষটিকে খুনের মামলায় জড়িয়েছিলো- তার গাড়ী এক মারাত্মক দূর্ঘটনায় পড়ে। ঘটনাস্থলেই স্ত্রী, পুত্র মারা যায়। অজ্ঞান অবস্থায় দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। কয়েক ঘন্টা পর তার জ্ঞান ফিরে আসলে সে জানতে পারে- দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী-পুত্র মারা গেছে। এটা শুনার পর তার অবস্থায় আরো অবনতি ঘটে। সে বুঝতে পারে- জীবনের সব কিছু দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ধন, দৌলত, ঘর বাড়ি, ক্ষমতা কোনো কিছুই তার আর কাজে লাগবেনা। যে কোনো সময় সে মারা যাবে। তাই, নিজে খুন করে আরেকজনকে খুনের মামলায় ফাঁসিয়ে সে আল্লাহর কাছে এতো বড় পাপ নিয়ে যাবে কেমন করে। সেখানেতো আর কোনো কোর্ট, হাইকোর্ট নেই। হয়তোবা জীবনে সে এমন কোনো কল্যাণ করেছে যার জন্য আল্লাহ তাকে একটা শেষ সুযোগ করে দিয়েছেন। মৃত্যু শয্যায় শুয়ে সে চীৎকার করে বলতে থাকে - সব মিথ্যা, সব মিথ্যা। সত্য হলো- আব্দুল বাতিন নির্দোষ। আর আমিই সেই খুনি।

কোর্টে আব্দুল বাতিনকে বেখুসুর খালাস দেয়া হয়। কোর্টে দাঁড়িয়ে বুঝলাম- যারা নির্দোষ আর যারা গভীরভাবে আল্লাহকে বিশ্বাস করে- আল্লাহ তাদের এভাবেই রক্ষা করেন। উনাকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে আমি বলি - কারারক্ষি হিসাবে আমার চাকরিরও শেষ দিন ঘনিয়ে আসছে। আমাকে আপনি এমন কিছু বলুন যা আমি সারাজীবন মনে রাখতে পারি। উনার কথাগুলো হুবুহু নীচে তোলে ধরলামঃ
আল্লাহর চেয়ে আপনজন আর কেউ নেই। জীবনের কঠোর সংকটময় দুঃসময়ে শুধু না যে কোনো সময় তার কাছে চান এবং হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করুন -তিনি আপনার ডাক শুনছেন। আল্লাহ শুধু একটা নাম বা ইমাজিনারি সত্তা না। তিনি এক জীবন্ত বাস্তবতা। ঘাড়ের শিরার চেয়ে তিনি মানুষের সন্নিকটে। আর , আল্লাহ এমন ভাবে মানুষকে সাহায্য করেন পৃথিবীর কোনো উইসডম দিয়ে তার ব্যাখ্যা করা সম্ভব না।

আব্দুল বাতিন দু হাতে তার দু সন্তানকে ধরে হাঁটেন। পিছনে স্ত্রী আর মা। আমি বিস্ময়ভরা চোখে যেন আল্লাহর এক অলৌকিক নিদর্শন দেখি। খার্তুম কোর্টে সেদিন আমি শুধু আব্দুল বাতিনের ঈমান দেখিনি। আমি শুধু তাঁর দোয়ার শক্তি দেখিনি। একজন নিরাপরাধ মানুষের অলৌকিক মুক্তি দেখিনি। এই দিন আমি নতুন করে মুসলমান হয়েছি । এই দিন আমি আমার আল্লাহকে খুঁজে পেয়েছি।

লিখেছেন-আরিফ মাহমুদ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SH clothing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share