09/09/2025
কুরআনকে জানুন,,
আলহামদুলিল্লাহ! আইওএম হাজির হয়েছে "কুরআন কুইজ" এর প্রথম পর্ব নিয়ে। মূল পর্ব শুরু করার আগে আসুন জেনে নেই কুইজ সম্পর্কিত জরুরি কিছু তথ্য:
🔰 তথ্য
➖➖➖
1️⃣ কুইজে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে (রেজিস্ট্রেশন লিংক প্রথম কমেন্টে)
2️⃣ আইওএম থেকে শেয়ারকৃত অডিও শুনে এটেন্ডেন্সের জন্য কমেন্ট করতে হবে, 'আলহামদুলিল্লাহ'।
3️⃣ সকল পর্ব শেষে এমসিকিউ আকারে ১০ই অক্টোবর রাতে অনুষ্ঠিত হবে কুইজ প্রতিযোগিতা।
🟢 আজকের পর্বটি সাজানো হয়েছে দুটি সূরা নিয়ে।
১. মাক্কী সূরা আন-নাবা (৭৮), যার আয়াত সংখ্যা ৪০:
এই সূরাটি শুরু হয়েছে কিয়ামত ও আখিরাতের আভাস দিয়ে, যা যুগে যুগে নাস্তিকদের হাসি-ঠাট্টার বিষয়। তাই তাদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, "তারা অচিরেই জানতে পারবে" (৪), অর্থাৎ কিয়ামত ও আখিরাতের সত্যতা অচিরেই দৃশ্যমান হবে। পরবর্তীতে এ সূরায় স্থান পেয়েছে আল্লাহর নিদর্শনসমূহ, যেমন সাত আসমান, সূর্য, মেঘমালা, শস্যক্ষেত ইত্যাদি। এই সূরায় রয়েছে সেই সুপরিচিত আয়াত, "আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায়" (৮)। এই একটি আয়াতে লুকায়িত রয়েছে দুনিয়াবী নানান প্রশ্নের উত্তর। এরপর পুনরায় আখিরাতের বিষয়, যেমন মুমিনদের জন্য জান্নাত ও কাফেরদের কঠিন শাস্তির বর্ণনা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, জান্নাতবাসীরা হবে তরুণ আর তাঁদের জন্য থাকবে অফুরন্ত খাবারের ব্যবস্থা। অপরদিকে জাহান্নামবাসীদের খাদ্য হবে পুঁজ,যেখানে থাকবে না কোনো ঠান্ডা পানীয়। এভাবে জাহান্নামের শাস্তি সম্পর্কে অবগত করা হয়েছে যাতে মানবজাতি সতর্কতা অবলম্বন করে। কিন্তু হায় আফসোস! আমাদের করুণ দশা। তাই তো রোজ আখিরাতে অনেকে বলে উঠবে, "হায়! আমি যদি মাটি হতাম" (৪০)।
২. ৪৬ আয়াত বিশিষ্ট মাক্কী সূরা আন-নাজিয়াত:
এ সূরাটির সূচনা হয়েছে আত্মা কবজকারী ফেরেশতাদের বর্ণনা দিয়ে। এখানে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে ফেরেশতারা মুমিনের জান কবজ করেন মৃদুভাবে, অথচ কাফেরদের আত্মা তার শরীরে ডুব দিয়ে টেনে বের করেন। এরপর বর্ণনা করা হয়েছে কিভাবে সেই কিয়ামত সংঘটিত হবে। লোমহর্ষক সেই বর্ণনা থেকে জানা যায় কেমন হবে রোজ কিয়ামতে দুনিয়া এবং মানুষের অবস্থা। বিশেষত অবিশ্বাসীদের ভীতসন্ত্রস্ত হালত হবে সেদিন।
সূরাটিতে মূসা (আ) ফিরআউনকে দ্বীনের দাওয়াত দিতে গেলে ফেরআউন তাঁকে পরাহত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ঘোষণা দেয় যে, "আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ রব" (২৪), আস্তাগফিরুল্লাহ! এরপর শুরু হয় সীমালঙ্ঘনকারীর আযাব, যা ছিল তার অহংকারের ফলস্বরূপ। এরই মধ্য দিয়ে আল্লাহ রব্বুল আলামিন অহংকারকারীদের সর্তক করে দেন। আচ্ছা, আপনি কি জানেন, জাহান্নাম কার স্থান?
"এবং পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছে, জাহান্নামই হবে তার আবাস" (৩৮-৩৯)। অপরদিকে নিজেকে সংযতকারীর স্থানই জান্নাত। আর এই জান্নাত-জাহান্নাম লাভের ক্ষণ, তথা কিয়ামত কবে সংঘটিত হবে, তার জ্ঞান কেবল আল্লাহই রাখেন।
📢 আজকের অডিও: চেক কমেন্ট
🔺অডিও শুনে এটেন্ডেন্স মার্ক পেতে কমেন্ট করুন 'আলহামদুলিল্লাহ'।