Rojanic

Rojanic Rojanic is our 'Everyday', an aspiration for the desideratum of our lives. Rojanic subsumes all types of essentials for a smooth and better way of living.

Our quotidian necessities, ample consumptions, expansive desires, or fancies - all have varieties. Rojanic Bangladesh is an aspiration for the desideratum of our everyday lives. Our quotidian necessities, ample consumptions, expansive desires, or fancies- all have varieties of origins in the spans of our daily lives. Rojanic Bangladesh is the name that subsumes all types of essentials for a smooth and better way of living every day. Rojanic Bangladesh has the vision to bring all the diversities into one platform, from commodities to convenience goods; from niche products to consumer preferences; wholly based on organic, farm fresh, biotic, or biodegradable categories. Our customers are our precedence and their everyday comforts are our main areas of interest. Our goal is to maintain the best quality in our everyday products, ensuring no harm to our consumers and a boon for well-being. Our products come into reality after many pilot projects to avoid falsification and deception, so it consumes some time to launch our upshots. Rojanic Bangladesh is at work on the finest products of our country and across the boundaries. Rojanic Bangladesh cordially hopes for the assiduous support of our persevering consumers.

মৃত্যু...❗ মৃত্যু আসিতেছে...❗যেকোনো বয়সে...❗যেকোনো সময়...❗যেকোনো জায়গায়...❗যেকোনো অবস্থায়...❗যেকোনো উছিলাই...❗যেকোন...
29/07/2026

মৃত্যু...❗

মৃত্যু আসিতেছে...❗
যেকোনো বয়সে...❗
যেকোনো সময়...❗
যেকোনো জায়গায়...❗
যেকোনো অবস্থায়...❗
যেকোনো উছিলাই...❗
যেকোনো কারণে...❗
যেকোনো ভাবে...❗

আমাকে থামিয়ে দিবে...❌
অথবা
আমার প্রিয়জনকে আমার থেকে কেড়ে নিবে...❌

আমি কি তৈরি...❓

আসুন আল্লাহকে ভয় করি...
মৃত্যুকে স্মরণ রেখে পথ চলি...
আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবন গড়ি...

21/07/2026

ইসলাম = শান্তি

ইসলামে শান্তি (সাকীনা ও ইতমিনান) শুধু একটি অনুভূতি নয়, বরং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক, সঠিক জীবনদর্শন এবং উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে অর্জিত একটি অবস্থা। ইসলাম বিভিন্নভাবে মানুষের জীবনে শান্তি এনে দেয়।
১. আল্লাহকে স্মরণ করার মাধ্যমে
কুরআনে আল্লাহ বলেন:
"জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।"
— সূরা আর-রা'দ ১৩:২৮
নিয়মিত যিকির, কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মানুষের মানসিক অস্থিরতা কমাতে সাহায্য করে।
২. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত
সালাত একজন মুসলিমকে দিনে পাঁচবার আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়। এটি আত্মসমালোচনা, কৃতজ্ঞতা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা বাড়ায়, যা মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।
৩. আল্লাহর ওপর ভরসা (তাওয়াক্কুল)
ইসলাম শিক্ষা দেয়, চেষ্টা করা মানুষের দায়িত্ব, আর ফলাফলের মালিক আল্লাহ। এই বিশ্বাস অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।
৪. ধৈর্য (সবর)
জীবনের পরীক্ষাকে অর্থপূর্ণভাবে গ্রহণ করতে ইসলাম উৎসাহিত করে। কষ্টকে শুধু দুর্ভাগ্য নয়, বরং ধৈর্য ও ঈমানের পরীক্ষা হিসেবেও দেখতে শেখায়।
৫. ক্ষমা ও উত্তম চরিত্র
অন্যকে ক্ষমা করা, রাগ নিয়ন্ত্রণ করা এবং ভালো আচরণ বজায় রাখা সম্পর্ককে সুন্দর করে এবং অন্তরের ভার কমায়।
৬. কৃতজ্ঞতা (শুকর)
ইসলাম মানুষকে আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ হতে শেখায়। কৃতজ্ঞতার অভ্যাস জীবনের ইতিবাচক দিকগুলোকে বেশি উপলব্ধি করতে সাহায্য করে।
৭. আশা ও রহমতের বার্তা
ইসলামে কখনো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হতে বলা হয় না। তাওবা ও নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ সবসময় খোলা—এটি হতাশা কমিয়ে আশা জাগায়।
বাস্তব জীবনে কী করতে পারি?
• পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসম্ভব সময়মতো আদায় করি।
• প্রতিদিন কিছু সময় কুরআন তিলাওয়াত ও এর অর্থ বোঝার চেষ্টা করি।
• সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন যিকির পড়ি ।
• নিয়মিত ইস্তিগফার করি।
• মানুষের প্রতি সদাচরণ করি এবং কৃতজ্ঞতার অভ্যাস গড়ে তুলি।
ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত শান্তি কেবল বাহ্যিক সমস্যা না থাকাকে বোঝায় না; বরং পরিস্থিতি কঠিন হলেও আল্লাহর প্রতি ঈমান, ভরসা ও সন্তুষ্টির মাধ্যমে হৃদয়ে যে প্রশান্তি আসে, সেটিই প্রকৃত শান্তি।

এটি তাইফের আল-শাফা (Ash Al-Shafa) পাহাড়ি অঞ্চল। পাথুরে পাহাড়, পুরোনো জুনিপার গাছ এবং শুষ্ক-সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশ আল-শা...
19/07/2026

এটি তাইফের আল-শাফা (Ash Al-Shafa) পাহাড়ি অঞ্চল। পাথুরে পাহাড়, পুরোনো জুনিপার গাছ এবং শুষ্ক-সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশ আল-শাফার বৈশিষ্ট্য ।
আল-শাফা সম্পর্কে বিস্তারিত:
📍 অবস্থান
• আল-শাফা তাইফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
• এটি সারাওয়াত (Sarawat) পর্বতমালার অংশ এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
• 🌤️ আবহাওয়া
• সৌদি আরবের অন্যতম শীতল এলাকা।
• গ্রীষ্মকালেও তাপমাত্রা সাধারণত ২০–৩০° সেলসিয়াস থাকে।
• শীতকালে তাপমাত্রা ৫° সেলসিয়াসের নিচেও নেমে যেতে পারে এবং কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত হয়।
• 🌳 প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
• শতবর্ষী জুনিপার গাছ, গভীর উপত্যকা, খাড়া পাহাড় এবং অসাধারণ ভিউপয়েন্টের জন্য বিখ্যাত।
• এখান থেকে পশ্চিমে তিহামা সমভূমির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।

সৌদি ব্যবসায়ী শেখ সালেহ আবদুল্লাহ কামেল এর নামে নির্মিত একটি সুন্দর মসজিদ। জেদ্দা রেড সি এর একেবারে কাছাকাছি হওয়ায় এখ...
15/07/2026

সৌদি ব্যবসায়ী শেখ সালেহ আবদুল্লাহ কামেল এর নামে নির্মিত একটি সুন্দর মসজিদ।
জেদ্দা রেড সি এর একেবারে কাছাকাছি হওয়ায় এখান থেকে সমুদ্রের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
সাদা মার্বেল, খোলা প্রাঙ্গণ ও সারিবদ্ধ নকশা, এর স্থাপত্যকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

Jeddah Red Seaজেদ্দার রেড সি (Red Sea)-এর পানি লাল নয়, কারণ সমুদ্রের পানির নিজস্ব রং আসলে লাল নয়।জেদ্দায় রেড সি নীল দ...
05/07/2026

Jeddah Red Sea
জেদ্দার রেড সি (Red Sea)-এর পানি লাল নয়, কারণ সমুদ্রের পানির নিজস্ব রং আসলে লাল নয়।
জেদ্দায় রেড সি নীল দেখানোর প্রধান কারণগুলো হলো:
• পানি সূর্যের নীল আলো বেশি প্রতিফলিত ও ছড়িয়ে দেয়, তাই সমুদ্র নীল বা ফিরোজা (turquoise) দেখায়।
• জেদ্দার উপকূলের পানি খুবই স্বচ্ছ, ফলে প্রবালপ্রাচীর (coral reef) ও বালুকাময় তলদেশের কারণে পানির রং আরও সুন্দর নীল-সবুজ দেখায়।
• "Red Sea" নামটি পানির স্থায়ী রং বোঝায় না। এটি একটি ঐতিহাসিক নাম।
তাহলে "রেড সি" নাম হলো কেন?
সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো:
• কিছু মৌসুমে Trichodesmium erythraeum নামের এক ধরনের শৈবাল বা সায়ানোব্যাকটেরিয়া পানির উপর ভেসে উঠে লালচে-বাদামি আভা সৃষ্টি করতে পারে। তবে এটি খুবই বিরল এবং অল্প সময়ের জন্য ঘটে।
• এছাড়া প্রাচীনকালের নামকরণ ও আশপাশের লালচে পাহাড়ের কারণেও "Red Sea" নামটি প্রচলিত হয়েছে।
তাই আপনি যদি জেদ্দায় রেড সি দেখতে যান, তাহলে প্রায় সব সময়ই নীল বা ফিরোজা রঙের পানিই দেখবেন। লাল পানি দেখা খুবই বিরল ঘটনা।

28/06/2026

তাকওয়া:
তাকওয়া শব্দের বাংলা অর্থ হলো আল্লাহভীতি, আল্লাহ-সচেতনতা, আল্লাহর প্রতি গভীর দায়িত্ববোধ এবং তাঁর অসন্তুষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করা।
সহজভাবে বলতে গেলে, তাকওয়া হলো এমন একটি মানসিকতা, যেখানে একজন মানুষ—
• আল্লাহকে সর্বদা স্মরণ রাখে।
• তাঁর আদেশ পালন করে।
• তাঁর নিষেধ থেকে বিরত থাকে।
• প্রকাশ্যে ও গোপনে সৎ ও ন্যায়ের পথে চলার চেষ্টা করে।
Quran এ আল্লাহ বলেন: "হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় (তাকওয়া) কর!"
— সূরা আলে ইমরান ৩:১০২
তাকওয়ার লক্ষণ
• ইবাদতে আন্তরিকতা
• সত্যবাদিতা ও আমানতদারিতা
• গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা
• ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতা
• মানুষের প্রতি ন্যায় ও উত্তম আচরণ
সংক্ষেপে
তাকওয়া মানে শুধু ভয় নয়, বরং আল্লাহর ভালোবাসা, সচেতনতা এবং এমন জীবনযাপন, যা তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। এটি একজন মুমিনের চরিত্র ও কর্মের মূল ভিত্তি।

The beauty of Madinah is beyond words, it is felt by the heart...          ❤️ ❤️ ❤️ JBAL UHUD ❤️ ❤️ ❤️
27/06/2026

The beauty of Madinah is beyond words, it is felt by the heart...
❤️ ❤️ ❤️ JBAL UHUD ❤️ ❤️ ❤️

মহরমের সিয়াম, ৯~১০~১১। ২৫~২৬~২৭
24/06/2026

মহরমের সিয়াম, ৯~১০~১১। ২৫~২৬~২৭

23/06/2026

বেহেস্তের স্বাদ !

আপনার বয়স ১৮ বছর এর উর্ধে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সির মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল, সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নববী (সা) তে। সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন, নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন, জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানির স্বাদ দুনিয়ার যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ),
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন। যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা মসজিদুল নববীর চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস, মদিনার রাস্তা, সব কিছু কেমন আরামদায়ক। আপনার সেই সময় মনে হবে, মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতের এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন। খাবার দোকান থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে কয়েক টুকরা করে ছিটিয়ে দিবেন। কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে, কোলে উঠবে, মুরগি খাবে। আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নববী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন, সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন। মনে হবে, আরে ! এই তো আমার পরিচিত বন্ধু, কত দিনের চেনা!
আস্তে আস্তে ফজরের সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) এর রওজায় সালাম দিবেন, সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে, আপনার মনের কথা বলবেন। বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।

এই কাজের যে শান্তি, দুনিয়ার সব সম্পদ হাতে দিলেও আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়, একবার হলেও মদিনায় যাবেন, বেহেস্তের স্বাদ আপনি দুনিয়াই পাবেন।

নিয়ত করেন, পারবেন....
আল্লাহ সাথে আছে, আমরা পাশে আছি....

Copypost & Edited

21/06/2026

হজ্জ্ব কি ?

হজ্জ হলো ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ এবং সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত একটি বার্ষিক ধর্মীয় সফর। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দায়িত্ব, যা শারীরিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য জীবনে একবার পালন করা ফরজ (অবশ্যকর্তব্য)।

হজ্জের মূল বক্তব্য ও তাৎপর্য:

· সম্প্রীতি ও আত্মসমর্পণ: এটি বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের একতা প্রদর্শন এবং আল্লাহর প্রতি তাদের আনুগত্যের প্রতীক।
· আত্মিক প্রশিক্ষণ: হজ্জকে আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও ত্যাগের প্রশিক্ষণ হিসেবেও দেখা হয়।
· পাপমোচন: সঠিকভাবে পালন করলে এটি পূর্ববর্তী সকল পাপ থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়।

হজ্জের সময় ও স্থান:

· সময়: এটি ইসলামি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস জ্বিলহজ্জ-এর ৮ থেকে ১২ বা ১৩ তারিখ পর্যন্ত পালিত হয়।
· স্থান: প্রধান কেন্দ্র হলো মক্কার কাবা শরিফ এবং এর আশপাশের মিনা, আরাফাত ও মুযদালিফা প্রান্তর।

প্রধান আমলসমূহ:
১. ইহরাম: বিশেষ দুই টুকরো সাদা কাপড় পরিধান করা ও নিয়ত করা।
২. তাওয়াফ: কাবা শরিফকে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা।
৩. সায়ী: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যবর্তী পথে ৭ বার গমন করা।
৪. উকূফে আরাফা: আরাফাতের ময়দানে নির্দিষ্ট সময় অবস্থান করা (হজ্জের প্রধান ও ফরজ আমল)।
৫. রমী: মিনার জামারাই পাথর নিক্ষেপ করা।
৬. কুরবানি: ঈদুল আজহার দিন পশু কুরবানি করা।
৭. চুল মুণ্ডানো/ছাঁটা: ইহরাম থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মাথার চুল কাটা।

হজ্জের প্রকারভেদ:
মূলত তিন প্রকার :
১. হজ্জে ইফরাদ: শুধু হজ্জের নিয়ত করা।
২. হজ্জে কিরান: হজ্জ ও ওমরাহ একত্রে একই ইহরামে করা।
৩. হজ্জে তামাত্তু: প্রথমে ওমরাহ করে ইহরাম খোলা, পরে হজ্জের জন্য নতুন ইহরাম বাধা।

Address

Dhaka

Telephone

+8801552545262

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rojanic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rojanic:

Shortcuts

Share

Category