23/06/2026
বেহেস্তের স্বাদ !
আপনার বয়স ১৮ বছর এর উর্ধে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সির মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল, সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নববী (সা) তে। সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন, নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন, জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানির স্বাদ দুনিয়ার যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ),
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন। যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা মসজিদুল নববীর চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস, মদিনার রাস্তা, সব কিছু কেমন আরামদায়ক। আপনার সেই সময় মনে হবে, মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতের এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন। খাবার দোকান থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে কয়েক টুকরা করে ছিটিয়ে দিবেন। কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে, কোলে উঠবে, মুরগি খাবে। আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নববী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন, সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন। মনে হবে, আরে ! এই তো আমার পরিচিত বন্ধু, কত দিনের চেনা!
আস্তে আস্তে ফজরের সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) এর রওজায় সালাম দিবেন, সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে, আপনার মনের কথা বলবেন। বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।
এই কাজের যে শান্তি, দুনিয়ার সব সম্পদ হাতে দিলেও আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়, একবার হলেও মদিনায় যাবেন, বেহেস্তের স্বাদ আপনি দুনিয়াই পাবেন।
নিয়ত করেন, পারবেন....
আল্লাহ সাথে আছে, আমরা পাশে আছি....
Copypost & Edited