MR SHOP

MR SHOP ক্রয় বিক্রয়
(1)

20/11/2025

জামিয়া ইসলামিয়া দারুল ফালাহ ঢাকা মিরপুর ১ এর প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান চলমান।

28/10/2024
08/04/2023

আমরা যদি একে অপরকে ফলো করি তাহলে 10k হওয়া কোন ব্যাপার না।
এতে সকলের উপকার হবে।

✅Follow to Follow ✅

08/04/2023

💯Follw to follow po .. ❤️❤️❤️leetsss go my friends

05/04/2023
চলতি রমাযানে জনপ্রতি ছদাক্বাতুল ফিতর সর্বনিম্ন ১০০/= টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৩০০/= টাকা।ছদাকাতুল ফিতরের বিবরণعن أبي سعيد الخد...
30/03/2023

চলতি রমাযানে জনপ্রতি ছদাক্বাতুল ফিতর সর্বনিম্ন ১০০/= টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৩০০/= টাকা।

ছদাকাতুল ফিতরের বিবরণ

عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه يقول: كنا نخرج زكاة الفطر صاعا من طعام أو صاعا من شعير أو صاعا من تمر أو صاعا من أقط

أو صاعا من زبيب وزيد في رواية أخرى أو نصف صاع من قمح على كل حر أو مملوك . অর্থ : : হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে এক সা' পরিমাণ খাদ্য (ভুট্টা), যব বা খেজুর অথবা এক সা' পরিমাণ পনির বা কিসমিস দিয়ে ছদাকাতুল ফিতর আদায় করতাম। এবং অন্য এক রেওয়ায়েতে প্রত্যেক স্বাধীন এবং গোলামের উপর অর্ধ সা' গমের কথা বর্ণিত হয়েছে। (বুখারী, হাদীস নং ১৫০৬, মুসলিম: ১৮৫, আবু দাউদ : ১৬২২ ) হাদীস শরীফে বর্ণিত দ্রব্যের যেকোনো একটি দ্বারা ছদাকাতুল ফিতর আদায়ের সুযোগ রয়েছে। যেন প্রত্যেকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী আদায় করতে পারে। তবে যে ব্যক্তি খেজুর, কিসমিস ইত্যাদি দিয়ে ছদাকাতুল ফিতর আদায় করার সামর্থ্য রাখে, তার জন্য তা দিয়ে আদায় করা উত্তম

ফিতরার পরিমাণ খেজুর, কিসমিস, ভুট্টা, পনির এবং যবের ক্ষেত্রে এক সা' (৩ কেজি ২৭০ গ্রাম) বা তার সমপরিমাণ টাকা, এবং গম বা আটার ক্ষেত্রে

আধা সা (১ কেজি ৬৩৫ গ্রাম) বা তার সমপরিমাণ টাকা।

নিম্নে টাকার মাধ্যমে ফিতরা আদায়ের সুবিধার্থে প্রচলিত দ্রব্যের পরিমাণ ও তার মূল্য তালিকা দেয়া হলো।

পণ্য পরিমাণ কেজি প্রতি সর্বমোট

( ১ ) আটা,
১ কেজি ৬৩৫ গ্রাম,প্রতি কেজি ৬০/=টাকা,
সর্বমোট ১৯৮.১০/= টাকা[আদায়ের সুবিধার্থে ১০০/= টাকা।
( ২ ) গম,
১ কেজি৬৩৫ গ্রাম, প্রতি কেজি ৬০/=টাকা,
সর্বমোট ১৯৮.১০/= টাক [আদায়ের সুবিধার্থে ১০০/= টাকা।
( ৩ ) যব,
৩ কেজি ২৭০ গ্রাম, প্রতি কেজি ১০০/=টাকা,
সর্বমোট ৩২৭/=টাকা ( আদায়ের সুবিধার্থে ৩৩০/=টাকা।
( ৪ ) ভুট্টা ,
৩ কেজি ২৭০ গ্রাম, প্রতি কেজি ১০০/=টাকা,
সর্বমোট, ৩২৭=টাকা,( আদায়ের সুবিধার্থে ৩৩০/=টাকা ।
( ৫ ) খেজুর,
৩ কেজি ২৭০ গ্রাম,প্রতি কেজি ৩০০/=টাকা
সর্বমোট ৯৮১/=টাকা,( আদায়ের সুবিধার্থে, ৯৮৫/=টাকা ।
( ৬ ) কিসমিস,
৩ কেজি ২৭০ গ্রাম,প্রতি কেজি ৫০০/=টাকা
সর্বমোট ১৬৩৫/=টাকা,( আদায়ের সুবিধার্থে ১৬৪০/=টাকা।
( ৭ ) পনির,
৩ কেজি ২৭০ গ্রাম, প্রতি কেজি ৭০০/=টাকা,
সর্বমোট ২২৮৯=টাকা[আদায়ের সুবিধার্থে ২৩০০/=টাকা

(বিঃ দ্রঃ) উল্লিখিত পরিমাণ কেবল চট্টগ্রাম জেলার জন্য প্রযোজ্য। অন্য জেলার বাজার মূল্য এর চেয়ে কম-বেশি হলে উপরে উল্লিখিত পদ্ধতিতে হিসাব করতে হবে।

ফিতরার নিসাব: ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় যার মালিকানায় মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা কিংবা এর সমমূল্য সম্পদ বা নগদ অর্থ যা বর্তমান বাজার মূল্য হিসেবে (রুপা প্রতি ভরি ১,৬৫০/-×৫২.৫০) ৮৬,৬২৫/-টাকা থাকে, তার ওপর ছদাক্বাতুল ফিত্র ওয়াজিব হবে।

যাকাতের নিসাব: যার মালিকানায় সাড়ে বায়ান্ন ভরি রূপা বা এর সমমূল্যের ব্যাবসার মাল কিংবা প্রয়োজনের অতিরিক্ত নগদ অর্থ থাকে, এবং এর ওপর পূর্ণ
একবছর অতিবাহিত হয়, তাহলে তার উপর যাকাত
ওয়াজিব হবে।
উল্লেখ্য যে, যার কাছে সাড়ে সাত ভরি নিসাব পরিমাণ স্বর্ণ রয়েছে, সে এই নিসাব হিসেবেই যাকাত আদায় করবে।
যার বর্তমান বাজার মূল্য (স্বর্ণ প্রতি ভরি ৯৩,৩০৩/-×৭.৫০= ৬,৯৯, ৭৭২/- টাকা। আর যদি স্বর্ণ সাড়ে সাত ভরির চেয়ে কম থাকে, সাথে রূপা বা ব্যবসার মাল কিংবা প্রয়োজন-অতিরিক্ত নগদ অর্থ থাকে, অথবা স্বর্ণ ছাড়াই শুধু রূপা বা উপরে উল্লেখিত কোনো সম্পদ থাকে, তাহলে সব মিলিয়ে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার মূল্য পরিমাণ হলেই তাকে যাকাত আদায় করতে হবে। (বিন্দ্র এই হিসাবটি বর্তমান বাজার মূল্য হিসাবে পরবর্তীতে যদি বাজার মূল্য কম বেশি হয় তাহলে সে অনুযায়ী হিসাব করতে হবে। )
রোজার ফিদইয়াহ: শরিয়ত মোতাবেক কেউ রোজা রাখার সামর্থ্যহীন হলে তাকে প্রতিটি রোজার জন্য উপরোল্লেখিত যেকোন একটি পণ্য বা তার মূল্য গরিবদেরকে আদায় করতে হবে ।

প্রচারে ফাতওয়া বিভাগ
আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম
হাটহাজারী , চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

তারিখ: ২৫-০৩-২০২৩ ইং

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ এই সেলাই মেশিনটি বিক্রি করা হবে একটি ভালো মানের সেলাই মেশিন একদম নতুন মাত্র কিছুদিন ব...
01/03/2023

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ

এই সেলাই মেশিনটি বিক্রি করা হবে
একটি ভালো মানের সেলাই মেশিন
একদম নতুন মাত্র কিছুদিন ব্যবহার হয়েছে
তাও ব্যক্তিগতভাবে বাসায় ব্যবহার করেছি
আমি কিনেছিলাম নিজে ব্যবহার করার জন্য পার্সোনালি কোন টেইলারিং কোন কাজের জন্য না দোকানের কোন কাজের জন্য না
ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য আমি বিদেশে চলে যাবো
তাই মেশিনটি বিক্রি করে দিচ্ছি
মেশিনটা নতুন কিনেছি মার্কেট থেকে
কিনেছিলাম ২৭ হাজার টাকা দিয়ে বর্তমান মার্কেটে এটার দাম আছে ২৮ হাজার টাকা কেউ যদি নিতে ইচ্ছুক থাকেন তাহলে দয়া করে

এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন
ইমু ওয়আটসআপ
01316143194
01312059310

বিদায় জামিয়া! ছিলাম আমি তোমার মাঝে দীর্ঘ অনেক দিন,সুখেঃ দুখেঃ রেখেছ তুমি আগলে কয়টা দিন,আর ক'টা দিন পরেই বাজবে বিদায়েরই ...
14/02/2023

বিদায় জামিয়া!

ছিলাম আমি তোমার মাঝে
দীর্ঘ অনেক দিন,
সুখেঃ দুখেঃ রেখেছ তুমি
আগলে কয়টা দিন,
আর ক'টা দিন পরেই বাজবে
বিদায়েরই বীন।
তোমার প্রেমের পরশ ছোঁয়ায়
সিক্ত হলো প্রাণ,
বিদায় ধ্বনি বাজবে দ্রুত
হয়নি অনুমান।
হৃদয়ের গহীনে তুমি
থাকবে আজীবন,
তোমার বিরহ ব্যথা স্মরণ
করবো আমরণ।
হে জামিয়া হাটহাজারী
তুমি আমার প্রাণ,
তোমায় স্মরণ রাখতে আমার
যাকনা তবুও প্রাণ,
তোমার থেকেই শিখছি আমি
ইলমে ওহীর জ্ঞান।
সকাল- সন্ধ্যা, রাত্রি- নিশি
ছিলাম সারাক্ষণ,
কুরআন হাদীস যিকির তালীম
এইতো ছিলো ধ্যাণ।
তোমায় নিয়ে শত স্মৃতি
আছে এ-ই মনে,
বল আমি তোমায় ছাড়া
বাঁচবো কেমনে।

স্বরবৃত্ত ছড়া ৪+৪+৪+১

হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ মুহিব্বুল্লাহ রহমানী
জামাতে তাকমীল, দারুল উলূম হাটহাজারী।

13/02/2023

🔥দ'শের লাঠি একের বোঝা, Follow বাড়ানো একদম সোজা🔥
🔥–follow to follow –🔥
👇👇👇

দারুল উলূম দেওবন্দ ও হক্বানী উলামায়ে কেরামের মতে, যে সমস্ত কারণে মাওলানা সাদ সাহেব বিতর্কিত এবং তাকে মানা হারাম --------...
08/02/2023

দারুল উলূম দেওবন্দ ও হক্বানী উলামায়ে কেরামের মতে, যে সমস্ত কারণে মাওলানা সাদ সাহেব বিতর্কিত এবং তাকে মানা হারাম
------------------- কারণগুলি নিম্নরূপ- ------------------------

১. ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম। কারো পকেটে ক্যামেরা বিশিষ্ট মোবাইল রেখে নামায পড়লে তার নামায শুদ্ধ হবে না।

২. যেই উলামায়ে কেরাম ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখেন, তাঁরা উলামায়ে ছূ। বারবার কসম করে বলেন, তাঁরা হলেন উলামায়ে ছূ। এমন আলেমরা হল গাধা।

৩. মোবাইলে কুরআন শরীফ পড়া এবং শোনা, প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করার মতো। পেসাবদানী ছে পানি পিনা হাঁয়'।

৪. কুরআন শরীফ শিখিয়ে যাঁরা বেতন গ্রহণ করেন, তাঁদের বেতন বেস্যার উপার্জনের চেয়ে খারাপ। যেই ইমাম এবং শিক্ষকরা বেতন গ্রহণ করেন, তাদের আগে বেস্যারা জান্নাতে প্রবেশ করবেন।

৫. মাদরাসা গুলোতে যাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না। সারা আলমের মাদরাসা গুলো যাকাত নিয়ে হারাম কাজ করতেছে।

৬. রাসূল স. এর বাই'আতের পর কেবল তিন জনের বাই'আত পূর্ণতা পেয়েছে, আর সবার বাই'আত অপূর্ণ। তিনজন হলেন, (ক) শাহ ইসমাঈল শহীদ রহ. (খ) মাও. মুহা. ইলিয়াছ রহ. (গ) মাও. মুহা. ইউসূফ রহ.।

৭. মাও. সা'আদ বিভিন্ন ইজতিমায় একাধিকবার সুন্নাতকে তিন প্রকার বলে বয়ানে বলে থাকেন, ইবাদাতের সুন্নাত, দাওয়াতের সুন্নাত এবং আচার-আচরণের সুন্নাত।

৮. দাওয়াতের পথ নবীর পথ, তাছাউফের পথ নবীর পথ নয়।

৯. আযান হল-তাশকীল, নামায হল-তারগীব আর নামাযের পরে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া হল-তারতীব।

১০. রাসূল স. দাওয়াত ইলাল্লাহ'র কারণে ইশারের নামায দেরীতে পড়ছেন। অর্থাৎ নামাযের চেয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বেশি।

১১. হযরত ইউসূফ আ. 'উযকুরনী ইনদা রাব্বিক' বলে গাইরুল্লাহ'র দিকে নযর দেয়ার কারণে অতিরিক্ত সাত বছর জেলখানায় থাকতে হয়েছে।

১২. হযরত মুসা আ. দাওয়াত ছেড়ে দিয়ে কিতাব আনতে চলে গেছেন। দাওয়াত ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে পাঁচলক্ষ সাতত্তর হাজার লোক মুরতাদ হয়েগেছেন।

১৩. হযরত যাকারিয়া আ. আল্লাহকে বাদ দিয়ে গাছের কাছে আশ্রয় চাইলেন ফলে শাস্তি ভোগ করতে হল।

১৪. হযরত মূসা আ. থেকে এক বড় ভুল হয়েগেছে (এই ইবারতাটা হুবাহু মওদুদী সাহবের ইবারত)। এবং তিনি অপরাধ করে বসছেন। এই জন্য তিনি ক্বওমকে ছেড়ে আল্লাহর সান্বিধ্য লাভের জন্য নির্জনতা গ্রহণ করলেন।

১৫. আমাদের কাজের (তাবলিগী) সাথে লেগে থাকা এবং মাওলানা ইলিয়াছ ও মাওলানা ইউসূফ সাহেবের কিতাব পড়বে, অন্য কোন কিতাব পড়বে না।

১৬. হযরত মূসা আ. কর্তৃক হযরত হারুন আ. কে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানানো উচিত হয় নি।

১৭. সকাল সকাল কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা এবং নফল নামায পড়ার একটা অর্থ বুঝে আসে কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ জিকির কী অর্জন হয়? কিছুই হয় না।

১৮. এ-তাবলীগী কাজ, এছাড়া দীনের যত কাজ আছে-দীনি ইলম শিখানো, দীনি ইলম শিখা, আত্মশুদ্ধি, কিতাবাদি রচনা করা; কোনটাই নবুওয়াতী কাজ না।

১৯. মাদরাসার শিক্ষকগণ মাদরাসায় খিদমাত করার কারণে দুনিয়াবী ধ্যান্দায় জড়িয়ে পড়ছে, এই জন্য তাদের দীনের মেহনতে সময় দেয়া দরকার।

২০. কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা বান্দাকে জিজ্ঞাস করবেন, তা’লীমে বসছিলে কি না, গাস্ত করছিলে কি না?

২১. প্রত্যেক সাহাবী অপর সাহাবীর ‍বিরুদ্ধাচরণ করছেন।

২২. হিদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো, তাহলে নবী পাঠাতেন না।

২৩. আপনাদের কাছে সবচাইতে বড় গোনাহ চুরি-যেনা, এর চাইতে বড় গোনাহ হল, খুরুজ না হওয়া। তাই হযরত কা’ব ইবনে মালেকের সাথে পঞ্চাশ দিন পর্যন্ত কথা-বার্তা বন্ধ রাখা হয়।

২৪. কুরআন শরীফ বুঝে-শুনে তেলাওয়াত করা ওয়াজিব। না বোঝে তেলাওয়াত করলে ওয়াজিব তরকের গোনাহ হবে। ইত্যাদি ইত্যাদি।

সুত্র...... সা'দ সাহেবের আসল রূপ

-------------------------------------------
শতবছর আগে দ্বীন ও ইসলামের দাওয়াতি কাজকে তরান্বিত করতে মাওলানা ইলিয়াস (রাহ.) দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদ থেকে তাবলিগের কাজ শুরু করেন।
মাওলানা ইলিয়াস (রাহ.)-এর ছেলে মাওলানা ইউসুফ(রাহ.), তাহার ছেলে মাওলানা হারুন (রাহ.), তারই ছেলে হলেন বিতর্কিত মাওলানা সাদ কান্ধলভী।

দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের বর্তমান মুরব্বী সাদ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় কুরআন, হাদিস, ইসলাম, নবি-রাসুল ও নবুয়ত এবং মাসআলা-মাসায়েল নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

তিনি তার এ সব আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য দেওবন্দসহ বিশ্ব আলেমদের কাছে বিতর্কিত হয়েছেন। তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যগুলো ‘সা’আদ সাহেবের আসল রূপ’ নামে একটি ছোট্ট বই আকারে প্রকাশ করেছেন জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার মুহাদ্দিস, তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বী এবং দ্বন্দ্ব নিরসনে ভারত সফরকারী ৫ সদস্যের অন্যতম মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক।

তাঁর লিখিত ‘মাওলানা সাদ সাহেবের আপত্তিকর’ কুরআন-হাদিস বিরোধী বক্তব্যগুলো তুলে ধরা হলো-

> ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকা
>> ভোটের সময় চিহ্ন হিসাবে (আঙুলে) যে রং লাগানো হয়, তার কারণে নামাজ হয় না। তাই ভোট না দেয়া উচিত।

> কুরআন শরীফের ভুল ব্যাখ্যা
>> বিভিন্ন আয়াতে তিনি বলেন, মুফাসসিরিন এই আয়াতের কোনো এক তাফসির করেছেন, ওলামা কোনো এক তাফসির করে থাকেন, কিন্তু আমি এই তাফসির করে থাকি। এটা শুনো। এটাই সঠিক তাফসির!

> ইসলাম ও ওলামাদের বিরোধীতা
>> ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম এবং পকেটে ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রেখে নামাজ হয় না। যে আলেমগণ ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখাকে ‘জায়েজ’ বলেন, তারা ‘ওলামায়ে ছু’। বার বার কসম খেয়ে তিনি বলেন, তারা হলো ‘ওলামায়ে ছু’। এমন আলেমরা হলো গাধা! গাধা! গাধা!

> জাহেলি ফতোয়া
>> মোবাইলে কুরআন শরীফ পড়া এবং শোনা; প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করার মতো! (নাউজুবিল্লাহ)

> মাদরাসা মসজিদের বেতন বেশ্যার উপার্জনের চেয়ে খারাপ
>> কুরআন শরিফ শিখিয়ে বেতন গ্রহণ করেন, তাদের বেতন বেশ্যার উপার্জনের চেয়েও খারাপ। যে ইমাম এবং শিক্ষক বেতন গ্রহণ করেন, বেশ্যারা তাদের আগে জান্নাতে যাবে!

> কাওমি মাদরাসা বন্ধ করার অপচেষ্টা
>> মাদরাসাগুলোতে জাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় জাকাত দিলে জাকাত আদায় হবে না।

> আওলিয়াদের সঙ্গে শত্রুতা
>> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর কেবল তিনজ লোকের ‘বাইআত’ পূর্ণতা পেয়েছে। আর বাকি সবার বাইআত অপূর্ণ। সেই ৩ জন হলেন- শাহ ইসমাঈল শহীদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস এবং মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ।

> সুন্নাত সম্পর্কে জাহেলি মন্তব্য
>> মাওলানা সাদ সাহেব আযমগড়ের ইজতেমায় এবং অন্যান্য ইজতেমায় একাধিকবার সুন্নাতকে ‘৩ প্রকার’ বলে বর্ণনা করেছেন- ইবাদতের সুন্নাত, দাওয়াতের সুন্নাত এবং আচার-অভ্যাসের সুন্নাত।

> নবিওয়ালা কাজের বিরোধীতা
>> ‘দাওয়াতের পথ’ হলো নবির পথ, ‘তাসাউফের পথ’ নবির পথ না।

> ভ্রান্ত আকিদা
>> আজান হলো ‘তাশকিল’ (প্ল্যান-পরিকল্পনা)। নামাজ হলো ‘তারগীব’ (পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্বুদ্ধকরণ)। আর নামাজের পর আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া হলো ‘তারতীব’ (পরিকল্পনার মূল বাস্তবায়ন)।

>> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাওয়াত ইলাল্লাহর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইশার নামাজকে পর্যন্ত বিলম্ব করে পড়েছেন। অর্থাৎ নামাজের চেয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বেশি।

>> হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম ‘তোমার প্রভুর কাছে আমার কথা বল’ বলে গাইরুল্লাহর দিকে দৃষ্টি দেয়ার কারণে তাকে অতিরিক্ত ৭ বছর জেলখানায় থাকতে হয়েছে।

>> হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম আল্লাহকে ছেড়ে গাছের কাছে আশ্রয় চাইলেন। ফলে শাস্তি ভোগ করতে হলো।

>> মুজিজার সম্পর্ক কেবল দাওয়াতের সঙ্গে। নবুয়াতের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম থেকে বড় এক ভুল হয়ে গেছে এবং তিনি এক অপরাধ করে ফেলেছেন- জামাআত এবং কাওমকে ছেড়ে তিনি আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য ‘নির্জনতা’ অবলম্বন করেছেন।

>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক হজরত হারুন আলাইহিস সালামকে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানানোও অনুচিৎ কাজ হয়েছে।

>> হেদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো; তাহলে তিনি নবি পাঠাতেন না।

>> কুরআন শরীফ বুঝে-শুনে তেলাওয়াত করা ওয়াজিব। তরজমা না জেনে তেলাওয়াত করলে তরকে ওয়াজিবের গোনাহ হবে।

>> আপনাদের কাছে সবচাইতে বড় গোনাহ- চুরি, যিনা। ঠিকই এটা বড় গোনাহ; তবে তার চাইতে বড় গোনাহ হলো খুরুজ না হওয়া। তাই হজরত কা’ব ইবনে মালেকের সঙ্গে ৫০ দিন পর্যন্ত কথাবার্তা বন্ধ রাখা হয়।

>> জিকিরের অর্থ আল্লাহ আল্লাহ বা অন্যান্য তাসবিহ পড়া নয়; জিকিরের আসল অর্থ আল্লাহর আলোচনা করা।

> আল্লাহ তাআলার হুকুমের সমালোচনা
>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম দাওয়াত ছেড়ে দিয়ে (আল্লাহর হুকুমে) কিতাব আনতে চলে গেছেন। দাওয়াত ছেড়ে (কিতাব আনতে) চলে যাওয়ার কারণে ৫ লাখ ৭৭ হাজার লোক মুরতাদ হয়ে গেল।

> তাবলিগের নতুন ধারা
>> আমাদের কাজের সঙ্গে লেগে থাকা সাথীরাই কেবল মাওলানা ইলিয়াস এবং মাওলানা ইউসুফ সাহেবের মালফুজাতই পড়বে। এগুলো ছাড়া (ফাজায়েলে আমল ও ফাজায়েলে সাদাকাতসহ) অন্য কিতাবাদি পড়বে না।

> জিকিরের অস্বীকার
>> সকাল-সকাল কুরআন তেলাওয়াত করা এবং নফল নামাজ পড়ার তো একটা অর্থ বুঝে আসে। কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ বলে জিকির করে কী অর্জন হয়? কিছুই অর্জন হয় না!

>> এই এক তাবলিগই নবুয়তের কাজ। এ ছাড়া দ্বীনের যত কাজ আছে- দ্বীনি ইলম শিখানো, দ্বীনি ইলম শেখা, আত্মশুদ্ধি, কিতাবাদি রচনা করা কোনোটাই নবুয়তের কাজ না।

>> মাদরাসার উস্তাদরা বেতন নেয়ার কারণে দুনিয়াবি ধান্দায় জড়িয়ে আছে। এ কারণে দ্বীনের খেদমতের জন্যও তাদের কিছু সময় দেয়া উচিৎ।

> আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ
>> কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা বান্দাকে জিজ্ঞাসা করবেন, তা’লিমে বসেছিলে কি না? গাশ্‌ত করেছিলে কি না?

> সাহাবায়ে কেরামের ওপর মিথ্যা অপবাদ
>> প্রত্যেক সাহাবী অপর সাহাবীর বিরুদ্ধাচরণই করেছেন।

উল্লেখিত কুরআন-হাদিস বহির্ভূত আলোচনার জন্য ওলামায়ে দেওবন্দসহ বিশ্ব মুসলিমের অন্যতম আলেমগণ তাঁকে ক্ষমা চাওয়া এবং তাওবার আহ্বান জানান।

এসব গোমরাহী কথা-বার্তার অডিও রেকর্ড দারুল উলুম দেওবন্দে সংরক্ষিত আছে।

সুতরাং, এ কারণে উনাকে মানা হারাম।

■  কিছু কথাসোনায় সোহাগা আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের আনাচে কানাচে, ঝোপ জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মুক্তো মানিক। কিন্তু অতিব দ...
07/02/2023

■ কিছু কথা
সোনায় সোহাগা আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের আনাচে কানাচে, ঝোপ জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মুক্তো মানিক। কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এই যে আমারা আজও সেই মুক্তো মানিক চিনতেই পারিনি। আমরা এগুলোকে পা দিয়ে মাড়িয়ে চলে যাই,তারপরও ভেবে দেখিনি, জেনেও দেখিনি কোন উপকারে আসবে কিনা। রাস্তার ধারে, পুকুরের পাড়ে,বনে বাগানে হাজারো উপকারী গাছপালা, লতাপাতা আছে যা আমাদের প্রাকৃতিক সুরক্ষার দেয় , পাশাপাশি অনেক সুবিধাও দিয়ে থাকে। আজ আপনাদের জানাবো এমনই এক উপকারী গাছের কথা।
■ রিফুজি লতা'র পরিচয়
বাংলা নাম রিফুজি লতা বা আসামি লতা। বৈজ্ঞানিক নাম Mikania micantha । আসামলতা, কইয়া লতা, বুচিলতা, তরুলতা, রিফুজি লতা, শঙ্খুনি লতা, ইত্যাদি নামে এটাকে ডাকা হয়। এই লতা অতি বৃদ্ধিপ্রবল, একবার বেড়ে উঠবার সুযোগ পেলে বিপুলভাবে ছড়িয়ে পড়ে, জড়িয়ে ধরে অন্য গাছের শাখা-প্রশাখা।
রিফুজি লতা বনে-জঙ্গলে, পতিত জমিতে বা পথের পাশে যেখানে ফোটে সে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হতেই থাকে। রিফুজি লতার কোন ধরনের যত্ন না নিলেও চলে,এটি একবার বেয়ে গেলে আর সহজে মরে না।
■ রিফুজি লতা'র ঔষধী গুনাগুন
* প্রসাবে জ্বলাপোড়ায় নিয়মিত পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* লিভারের যে কোন সমস্যায় এই পাতার রস অনেক উপকার করে।
* চোখ লাল হয়ে গেলে এই পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* পাকস্থলীর প্রদাহ হলে আদার সাথে তিনটি পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন।
* এই পাতার রস নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
* শরীরের কাটা ছেঁড়ায় এ লতার পাতা পিষে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে তিন থেকে চার ঘন্টা বেধে রাখুন, জোড়া লেগে যাবে।
* বসন্ত বা হাম হয়েছে যাদের, তারা রিফুজি পাতা পিষে রস পানির সাথে মিশিয়ে পু্রো শরীর ধুয়ে ফেলুন।
* রক্ত দূষিত হলে ৭দিন প্রতি সকালে খালি পেটে আধা-কাপ পাতার রস এক চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন।
* পেটে গ্যাস, এসিডিটি হলেই আধা-কাপ রিফুজি পাতার রস খেয়ে নিন, সেরে যাবে।
* বিষাক্ত পোকা-মাকড় কাঁমড় দিলেই রিফুজি পাতার রস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সেই সাথে পাতা পিষে লাগিয়ে রাখুন।
* চুলকানী, একজিমা, দাদ হলে এই পাতার রস দিয়ে ধুয়ে রস লাগাতে থাকেন দেখবেন সেরে যাবে।
* এই পাতার রস কাচা হলুদের সাথে মিশিয়ে শরীরে লাগালে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং শরীরে দাগ দুর হয়।
* মূখে মেসতা হলে হলুদের সাথে লেবুর রস ও এই পাতার রস মিশিয়ে লাগান সেরে যাবে।

06/02/2023

👉Followers বাড়াতে চাইলে সবাই সবার পেজ প্রমোট করতে সাহায্য করি।
Back to Back 👉 inshallah👈

Address

Dhaka

Telephone

+8801312059310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MR SHOP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MR SHOP:

Share