Ainaz

Ainaz Ainaz is inspired by the progressive fashion sense of women these days. This is a clothing based page specially for saree lovers.

Our product line includes different ranges of deshi sarees, fashion accessories for women & many more. Ainaz is inspired by the progressive fashion senses of women these days. We start with original "Dhakai Jamdani" from jamdani polli. Products : Our product line includes different ranges of deshi sarees, fashion accessories for women and many more. Address : 6/4A, KM Valley, Ring Road, Mohammadpu

r
Phone :01739640007, 0 1727113449

Story : A place of exquisite and exotic saree collection. Ainaz offers exclusive sarees at affordable prices.We ensure quality and standardization through supervision. We try to develop and procure new designs.We appreciate your support. Everyone is humbly invited to check out Our page and grab the best one for you.

┏━━━━━━━━━━┓♥ ꫛꫀꪝ   A  r  r  i  v  a  l  ♥┗━━━━━━━━━━┛New Additions to our collections Inbox us to order...
09/01/2021

┏━━━━━━━━━━┓
♥ ꫛꫀꪝ A r r i v a l ♥
┗━━━━━━━━━━┛

New Additions to our collections
Inbox us to order...

05/10/2020
পণ্যের নামঃ চুমকি শাড়ি।পণ্যের বিবরনঃ হ্যান্ডলুম সুতি শাড়িতে চুমকির কাজ। ১৪ হাত শাড়ি।যার যার লাগবে নাম, ফোন নম্বর, ঠিক...
17/09/2020

পণ্যের নামঃ চুমকি শাড়ি।
পণ্যের বিবরনঃ হ্যান্ডলুম সুতি শাড়িতে চুমকির কাজ। ১৪ হাত শাড়ি।

যার যার লাগবে নাম, ফোন নম্বর, ঠিকানা দিয়ে আমাদের কাছে অর্ডার করুন।

রংটা দেখেই মাথা নষ্ট হাফসিল্ক জামদানী, ব্লাউজ আছে৫৫০০ টাকা মাত্র।Sold out
14/09/2020

রংটা দেখেই মাথা নষ্ট
হাফসিল্ক জামদানী, ব্লাউজ আছে
৫৫০০ টাকা মাত্র।
Sold out

নীল ভীষণ সুন্দর হাফসিল্ক জামদানী ব্লাউজ আছে৫৫০০টাকা।Sold out
14/09/2020

নীল ভীষণ সুন্দর হাফসিল্ক জামদানী
ব্লাউজ আছে
৫৫০০টাকা।
Sold out

বেগুনি রঙের সাথে সবুজ পাড়অসম্ভব সুন্দরব্লাউজ আছে।৫৫০০টাকা।Sold out
14/09/2020

বেগুনি রঙের সাথে সবুজ পাড়
অসম্ভব সুন্দর
ব্লাউজ আছে।
৫৫০০টাকা।
Sold out

কালো আর লালের মিশ্রনে অসম্ভব সুন্দর একটি শাড়ি। সাথে জরিসুতার কাজ।ব্লাউজ নেই।৫৫০০টাকা।Sold out
14/09/2020

কালো আর লালের মিশ্রনে অসম্ভব সুন্দর একটি শাড়ি। সাথে জরিসুতার কাজ।
ব্লাউজ নেই।
৫৫০০টাকা।
Sold out

বেশ আরামদায়ক, মার্জিত ও রুচিশীল টাঙ্গাইলের শাড়ি । গরমে পরার জন্যও উত্তম। যেকোন উৎসব বা অনুষ্ঠানের যুগোপযোগী।       অর্ডা...
09/09/2020

বেশ আরামদায়ক, মার্জিত ও রুচিশীল টাঙ্গাইলের শাড়ি । গরমে পরার জন্যও উত্তম। যেকোন উৎসব বা অনুষ্ঠানের যুগোপযোগী।

অর্ডার করতে আমাদের পেজ ইনবক্স এ মেসেজ করুন-
( আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, আপনার ঠিকানা এবং প্রোডাক্টের ছবি) অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ঢাকা সিটির মধ্যে আপনাকে অর্ডার করার জন্য কোন এডভান্স টাকা দিতে হবে না, আপনি অর্ডার কনফার্ম করলে আমাদের ডেলিভারি ম্যান আপনার কাছে যাবে তারপর আপনি প্রোডাক্ট দেখবেন তারপর তাকে টাকা পেমেন্ট করবেন।

08/09/2020

বাংলাদেশের যেসব নারী শাড়ি পছন্দ করেন, তাদের সংগ্রহে অন্তত একটি হলেও জামদানি শাড়ি থাকে।

নান্দনিক ডিজাইন এবং দামে বেশি হওয়ার কারণে জামদানির সঙ্গে আভিজাত্য এবং রুচিশীলতা - এই দুটি শব্দ জড়িয়ে আছে।

ঐতিহ্যবাহী নকশা ও বুননের কারণে ২০১৬ সালে জামদানিকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে আজকাল বিভিন্ন মার্কেটে জামদানির নামে বিক্রি হচ্ছে নকল শাড়ি, ফলে ঐতিহ্যবাহী জামদানির আবেদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ক্রেতারা।

অনেক বিক্রেতা জামদানি বলে ভারতীয় কটন, টাঙ্গাইলের তাঁত, পাবনা ও রাজশাহীর সিল্ক শাড়ি ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

প্রশ্ন হল আসল জামদানি শাড়ি চেনার উপায় তাহলে কী?

নারায়নগঞ্জে জামদানির পাইকারি বাজারে শাড়ি তুলে দাম হাকানো হয়।

আসল জামদানি শাড়ি চেনার উপায়:
জামদানি শাড়ি কেনার আগে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে - শাড়ির দাম, সূতার মান এবং কাজের সূক্ষ্মতা।

আসল জামদানি শাড়ি তাঁতিরা হাতে বুনন করেন বলে এগুলো তৈরি করা অনেক কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ। তাই এগুলোর দামও অন্যান্য শাড়ির তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।

একটি জামদানি শাড়ি তৈরি করতে দুইজন কারিগর যদি প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা শ্রম দেন, তাহলে ডিজাইন ভেদে পুরো শাড়ি তৈরি হতে সাত দিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সাধারণত শাড়ি তৈরির সময়, সূতার মান ও কাজের সূক্ষ্মতা বিবেচনায় একটি জামদানির দাম ৩,০০০ টাকা থেকে এক লাখ ২০,০০০ টাকা কিংবা তারচেয়েও বেশি হতে পারে।

কিন্তু মেশিনে বোনা শাড়িতে তেমন সময় বা শ্রম দিতে হয় না। এজন্য দামও তুলনামূলক অনেক কম।

জামদানি শাড়ি হাতে বোনা হওয়ায়, শাড়ির ডিজাইন হয় খুব সূক্ষ্ম এবং নিখুঁত। ডিজাইনগুলো হয় মসৃণ।

কারিগর প্রতিটি সুতো হাত দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনন করেন। সূতার কোন অংশ বের হয়ে থাকে না। এ কারণে জামদানি শাড়ির কোনটা সামনের অংশ আর কোনটা ভেতরের অংশ, তা পার্থক্য করা বেশ কঠিন।

জামদানি শাড়ির কোনটা সামনের অংশ আর কোনটা ভেতরের অংশ সেটা পার্থক্য করা বেশ কঠিন।

মেশিনে বোনা শাড়িতে কেবল জামদানির অনুকরণে হুবহু নকশা সেঁটে দেয়া হয়। এই শাড়িগুলোর উল্টো পিঠের সূতাগুলো কাটা কাটা অবস্থায় বের হয়ে থাকে।

জামদানি শাড়ি চেনার আরেকটি উপায় হতে পারে এর সূতা ও মসৃণতা যাচাই করা। জামদানি শাড়ি বয়নে সুতি ও সিল্ক সূতা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সূতার ব্যবহারের দিক থেকে জামদানি সাধারণ তিন ধরণের হয়ে থাকে।

১. ফুল কটন জামদানি - যেটা তুলার সূতা দিয়ে তৈরি করা হয়।

২. হাফ-সিল্ক জামদানি - যেখানে আড়াআড়ি সুতাগুলো হয় রেশমের আর লম্বালম্বি সূতাগুলো হয় তুলার।

৩. ফুল-সিল্ক জামদানি - যেখানে দুই প্রান্তের সূতাই রেশমের হয়ে থাকে।

শাড়ি কেনার আগে এই সূতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি, কেননা নকল জামদানি শাড়ি সিল্কের পরিবর্তে পলেস্টার বা নাইলনের মতো কৃত্রিম সূতা ব্যবহার করে থাকে।

সূতার মান যাচাই করতে শাড়ির আঁচলের শেষ প্রান্তে যে কিছু সুতা বের হয়ে থাকে, সেগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখতে হবে।

নাইলনের সূতা মসৃণ হয়, আর জামদানির সিল্ক সূতায় মাড় দেয়া থাকায় সেটা হবে অপেক্ষাকৃত অমসৃণ। সাধারণ পিওর সিল্কের সূতা টানাটানি করলে ছিঁড়ে যায় এবং এই সূতা আগুনে পোড়ালে চুলের মতো পোড়া গন্ধ বেরোয়।

জামদানির সূতায় মাড় দেয়া থাকে।আঁচলের শেষ প্রান্তের সূতাগুলো আঙ্গুল দিয়ে মোড়ানোর পর যদি সুতাগুলো জড়িয়ে যায়, তবে সেটা সিল্ক সূতার তৈরি আর যদি সূতাগুলো যেকোনো অবস্থায় সমান থাকে, তবে তা নাইলন।

এছাড়া কাউন্ট দিয়ে সূতার মান বোঝানো হয়। যে সুতার কাউন্ট যত বেশি, সেই সুতা তত চিকন। আর সূতা যতো চিকন, কাজ ততই সূক্ষ্ম হবে - যা ভাল মানের জামদানি শাড়ির প্রধান বৈশিষ্ট্য।

জামদানি শাড়ির সূতাগুলো সাধারণত ৩২-২৫০ কাউন্টের হয়ে থাকে।

জামদানির মান মূলত কাজের এই সূক্ষ্মতার উপর নির্ভর করে। আর শাড়ি কতোটা সূক্ষ্ম হবে, তা নির্ভর করে এই সূতা এবং তাঁতির দক্ষতার উপর।

সাধারণত যে শাড়িটা কাজ যতো সূক্ষ্ম, স্বাভাবিকভাবেই তার দামও ততো বেশি হয়ে থাকে। আবার সুতা যত চিকন, শাড়ি বুনতে সময়ও লাগে তত বেশি - কাজেই দামও বেশি পড়ে।

অন্যদিকে মেশিনে বোনা শাড়ির সুতা ২৪-৪০ কাউন্টের হয়ে থাকে।

তবে মেশিনে বোনা শাড়িগুলোর বুনন অনেক ঘন হয়। তাঁতে আর যাই হোক মেশিনের মতো ঘন বুনন দেয়া সম্ভব না।

জামদানি শাড়িতে যে অংশটুকু কোমরে গুঁজে রাখা হয়, ওই অংশটায় অর্থাৎ সাড়ে পাঁচ হাত পর্যন্ত কোন পাড় বোনা থাকে না। কিন্তু মেশিনে বোনা শাড়ির পুরো অংশ জুড়েই পাড় থাকে।

হাতে বোনা জামদানি ওজনে হালকা হয়ে থাকে এবং পরতেও আরামদায়ক।

তবে জামদানি খুব যত্ন করে রাখতে হয়, না হলে বেশিদিন টেকসই হয় না।

অন্যদিকে কোনও রকম হাতের ছোঁয়া ছাড়া, জামদানির ডিজাইন নকল করা, মেশিনে বোনা শাড়ি কৃত্রিম সুতোয় তৈরি হয় বলে এই শাড়িগুলো হয় ভারি এবং খসখসে।

তবে এই শাড়িগুলো বছর বছর ধরে পরা যায়।

দীর্ঘ সময় ও কঠোর শ্রমের কারণে জামদানির দাম তাই অন্যান্য শাড়ির তুলনায় বেশি পড়ে।

জামদানির বৈশিষ্ট্য:
জামদানির প্রধান বৈশিষ্ট্য এর জ্যামিতিক নকশা। এই জ্যামিতিক নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয় নানা ধরণের ফুল, লতাপাতা, কলকাসহ নানা ডিজাইন।

জামদানির ডিজাইন বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। তারমধ্যে পান্না হাজার, তেরছা, পানসি, ময়ূরপঙ্খী, বটপাতা, করলা, জাল, বুটিদার, জলপাড়, দুবলি, ডুরিয়া, বলিহার, কটিহার, কলকাপাড় ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

জামদানিতে ছোট ছোট ফুল বা লতাপাতার ডিজাইন যদি তেরছা ভাবে সারিবদ্ধ থাকে, তাহলে তাকে তেরছা জামদানি বলে।

ফুল, লতার বুটি জাল বুননের মতো সমস্ত জমিনে থাকলে তাকে জালার নকশা বলা হয়।

পুরো জমিনে সারিবদ্ধ ফুলকাটা জামদানি ফুলওয়ার নামে পরিচিত। ডুরিয়া জামদানি ডোরাকাটা নকশায় সাজানো থাকে।

তেমনি পাড়ে কলকির নকশা থাকলে তা হবে কলকাপাড়।

08/09/2020

💕😍😍😍💕

সব ধরনের উৎসব ও অনুষ্ঠান উপযোগী নতুন কিছু ধামাকা কালেকশন নিয়ে হাজির হলাম।
08/09/2020

সব ধরনের উৎসব ও অনুষ্ঠান উপযোগী নতুন কিছু ধামাকা কালেকশন নিয়ে হাজির হলাম।

08/09/2020

অনেক আপুরাই জামদানী যত্নের ব্যাপারে জানতে চান,আশা করি সবার উপকার হবে

♠ শাড়ি কিনে প্রথমেই শাড়ির পাড়ে ফলস লাগিয়ে ফেলুন। তাহলে শাড়ির পাড় ভাজ হয়ে যাবেনা, ফেটে যাবেনা, নষ্টও হবেনা। আবার কুচিও সুন্দর হবে। এক্সক্লুসিভ জামদানীতে অনেকে আঁচলেও ফলস লাগিয়ে নেয় নেট এর। চাইলে আপনিও করতে পারেন।

♠ আমরা সবাই যে ভুল টা বেশি করি তা হলো জামদানী আমরা রেগুলার ইউজ করিনা। তুলে রাখি। কিন্তু জামদানীকে ভালো রাখার জন্য তাকে ইম্পর্টেন্স দিতে হবে। মানে তাকে কালে ভদ্রে পরলে হবেনা। কিছুদিন পর পরই পরতে হবে। জামদানী রেগুলার ইউজে ভালো থাকে। তাই মাঝে মধ্যেই জামদানী পরুন। কোথাও না গেলেও বাসায় পরেই প্রিয়জনের জন্য একটু সাজুন না, দেখবেন জামদানীও ভালো থাকবে, সাথে আপনার মনও।

♠জামদানী পরার পর জামদানী তুলে রাখার সময় ভাঁজ টা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অন্য শাড়ি যেভাবে ৪ ভাঁজ করে মাঝখানে একটা ভাঁজ দিয়ে আরেক ভাঁজে ভেংগে রেখে দেই জামদানী কখনোই এভাবে রাখা উচিত না। এমন কি মাঝখানে ভেংগে হ্যাংগারেও ঝুলয়ে রাখা উচিত না। এটা হাতের বুনন তাই বুনন এর একটা সুতা এদিক ওদিক হলেই শাড়ি ফেঁসে যেতে পারে। তাই জামদানীর জন্য স্পেশাল ভাঁজ আছে। প্রথমে দুই ভাঁজ দিবেন নরমাল শাড়ির মতোই। এরপর একটা পাতালি করে ভাজ দিবেন। তারপর আবার মাঝখানে ভেংগে একটা ভাঁজ দিয়ে হ্যাংগারে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন অথবা দুইপাশ থেকে ছোট ছোট ভাঁজ দিয়ে দোকানের মতো একটা আরেকটির ভিতর দিয়ে দিতে পারেন। এভাবে আলমিরা তে তুলে রাখতে পারেন।

♠একই ভাঁজে দীর্ঘদিন জামদানি শাড়ি রেখে দিলে ও আবার ভাঁজে ভাঁজে এটি ফেটে যায়। এক্ষেত্রে ২০/২৫ দিন পরপর ভাঁজ পরিবর্তন করে দিন। সুতি বা থান কাপড় পেঁচানোর যে রোলার আছে, বাজার থেকে সেগুলো কিনে আনতে পারেন। এই ধরণের রোলগুলোয় জামদানি শাড়ি পেঁচিয়ে রেখে দিলে তা অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে খেয়াল রাখা জরুরি, যেন এইভাবে রোল করে রাখার পর শাড়িতে কোন ধরণের চাপ না লাগে। অন্য কাপড়ের চাপে জামদানি শাড়ি ভাঁজে ভাঁজে ফেটে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। তাই জামদানি শাড়িটি অন্য সব কাপড়ের ওপরে রাখুন। হালকা রঙের জামদানি অনেকদিন অবহেলায় পড়ে থাকলে রং নষ্ট হয়ে যায়। একই কথা প্রযোজ্য গাঢ় রংয়ের ক্ষেত্রেও। এরকম হলে জামদানিটি বের করে বাতাসে বা রোদে শুকিয়ে নিতে হবে।

♠ছোট ভাঁজে আলমিরাতে তুলে রাখলে চেষ্টা করবেন সাদা কাগজের প্যাকেটের ভিতর রাখতে। সাদা কাগজের প্যাকেটে রেখে দিলে শাড়িতে ফাংগাসের দাগ পড়েনা। সেজন্যই দোকানের শাড়িগুলো ভালো থাকে। কারন সাদা কাগজ আদ্রতা শুষে নিয়ে কাপড় কে ভালো রাখে।

♠মাসে অন্তত একবার ২০-৩০ মিনিটের জন্য জামদানি শাড়িটি রোদে দিন। এক পাশ ১৫ মিনিট রোদে দিয়ে, উল্টিয়ে অন্যপাশ আরো ১০-১৫ মিনিট ধরে রোদের তাপে শুকিয়ে নিন। এতে শাড়ির তন্তুগুলো মজবুত থাকবে। শাড়িটিও বেশিদিন টেকসই হবে। শাড়ি পরার পর ঘাম অথবা বৃষ্টির পানি লাগলে ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে নিন। সম্ভব হলে রোদে দিন।

♠মনে রাখবেন জামদানি শাড়িতে পানি ছোঁয়ানো একেবারেই বারণ। সাবান পানি কিংবা পানিতে ধুলে এর সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়।

♠অনেকদিনের ব্যবহারে যদি দেখেন প্রিয় জামদানীটি নরম হয়ে গেছে, তাহলে এটি কাটা ওয়াশ করতে দিন। কাটা করতে ১৫ দিনের মতো সময় লাগে। ভালো কারিগর বা তাঁতীর কাছে শাড়িটি নিয়ে গেলে ৪০০-৫০০ টাকার বিনিময়ে তারা আপনার শাড়িটি কাটা ওয়াশ করে দেবেন। এতে আপনার প্রিয় শাড়িটি আরো কিছুদিন ভালো থাকবে। কাটা ওয়াশ হলো জামদানী শাড়িতে মাড় দিয়ে দিয়ে সুতার বুনন কে সঠিক ভাবে প্লেসড করা এবং শাড়ির উজ্জ্বলতা কে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া। এটা শুধু এক্সপার্ট তাঁতীরাই পারেন।

♠ জামদানী নিয়ে আমাদের সবার কমন কম্পলেইন হলো জামদানীর ফেসে যাওয়া। শাড়ি ফেসে গেলে / ফাংগাসের সাদা সাদা দাগ পড়লে কখনোই ড্রাই ওয়াশে দিবেন না। কাটা ওয়াশ করতে দিবেন। কাটা ওয়াশ এর জন্য যারা জামদানী সেল করে তাদের কাছে দিবেন। কখনোই অন্য শাড়ি যেখানে ক্লিন করে, পলিশ করে, রিপু করে এসব জায়গায় দিবেন না।

‌‌‌‌‌‌♠সবচেয়ে ভালো হয় যদি নিয়মিত একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর কাটা ওয়াশ করানো হয়। যেমন আমরা যে ভাবে গাড়ির সার্ভিসিং করাই টিক সে ভাবে নিয়মিত ভাবে কাটা ওয়াশ করানো হলে শখের জামদানীটি খুব ভালো থাকবে ইনশাআল্লাহ।

♠ সুতা ছিড়ে গেলে, মিসপ্লেসড হয়ে গেলে তাঁতীর কাছে/ জামদানীর সেলার এর কাছে দিন। তারা কাটা ওয়াশ করে ঠিক করতে পারলে করে দিবে। নয়তো বুননের মাধ্যমে করে দিবে।

এটা ফলো করলে আমি নিশ্চিত আপনার শখের জামদানীটি আজীবন সুন্দর থাকবে।

Address

Dhaka
1207

Telephone

+8801739640007

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ainaz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category