O STAR

O STAR O Star, an ultimate online clothing destination for Bangladesh offering best shopping experience. Ou

অনেক দিন পর আবার ফিরে এলাম – নতুন কালেকশন, নতুন স্টাইল আর আগের থেকেও বেশি যত্ন নিয়ে!তিন বছর ধরে আমাদের পেজ কিছু সীমাবদ্ধ...
15/04/2025

অনেক দিন পর আবার ফিরে এলাম – নতুন কালেকশন, নতুন স্টাইল আর আগের থেকেও বেশি যত্ন নিয়ে!

তিন বছর ধরে আমাদের পেজ কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে একটিভ ছিল না। তবে এবার থেকে নিয়মিত পোস্ট, কালেকশন আপডেট, এবং এক্সক্লুসিভ অফার পাবেন এখানেই।

আপনারা যেভাবে আগে পাশে ছিলেন, এবারও সেভাবেই সাপোর্ট চাই।

নতুন করে শুরু করছি – ট্রেন্ডি, এফোর্ডেবল আর ইউনিক ফ্যাশনের যাত্রা!

রক্তাক্ত মেহেদিকে ঢাকা মেডিকেল নেওয়া হলে দায়িত্বরত কর্তারা বলেন, উপর থেকে নির্দেশ দিয়েছে চিকিৎসার জন্য কাউকে রিসিভ করা য...
19/10/2024

রক্তাক্ত মেহেদিকে ঢাকা মেডিকেল নেওয়া হলে দায়িত্বরত কর্তারা বলেন, উপর থেকে নির্দেশ দিয়েছে চিকিৎসার জন্য কাউকে রিসিভ করা যাবে না। অন্য কোথাও নিয়ে যান, নাহয় লাশের সাথে মর্গে ফেলে রাখেন, পরিবার আইস্যা খুঁজে নিয়ে যাবে।

৫ আগষ্ট ভোরে মেহেদির মা ফজর নামাজ পড়ে কুরআন শরীফ পড়তেছেন। তিনি শুনতে পান ড্রয়িংরুম থেকে টিভির শব্দ শোনা যাচ্ছে। উনি গিয়ে দেখেন, মেহেদি বিভিন্ন চ্যানেল পাল্টিয়ে খবর দেখতেছে। মা বলেন, এতো ভোরে টিভি না দেখে ঘুমাও কিছুক্ষণ, বাবা। মেহেদি মাকে বলে, ঘুমাবো না, আম্মু। মা তখন বলেন, কিছু খাবে? রেডি করে দিবো? মেহেদি মাথা নাড়িয়ে না-বোধক উত্তর দেয়। আম্মু রোজা রাখছি, কিছুক্ষণ ঘুমাই—এ কথা বলে মা তখন ঘুমাতে চলে যায়। মেহেদির বাবা তখন ফজর পড়ে হাঁটতে বের হয়েছিল।

কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে বাবা মেহেদিকে বলেন, যাও বাইরে (দোকান) থেকে নাস্তা নিয়ে আসো। মেহেদি বলে, আজকে সকালে নাস্তা করব না। মা’র হাতে রসুনভর্তা দিয়ে ভাত খাব। মা বলে, শুধু রসুনভর্তা? সাথে ডিম ভেজে দিই?
( তার মায়ের হাতে রসুনভর্তা তার খুব পছন্দের ছিল)

মায়ের হাতে ভাত খেতে খেতে মেহেদি বলে, আম্মু তোমার কাছে একটা বিষয় লুকাইছি। মা কৌতুহলী হয়ে জানতে চায়, কী লুকাইছো!
মেহেদি হাসতে হাসতে বলে, আমি তোমাকে না জানিয়ে লুকিয়ে ২দিন আন্দোলনে গেছি। রাস্তায় ভাইয়াদের পানি-বিস্কুট খাওয়াইছি।
মেহেদি খেতে খেতে মাকে বুঝায়, আমাদের বয়সী কতজন রাস্তায় নামছে। মার খাচ্ছে। প্রতিবন্ধী ছেলেরা পর্যন্ত রাস্তায় নামতেছে, আমরা কিভাবে ঘরে বসে থাকি। বড় ভাইয়ারা ত আমাদের সবার অধিকারের জন্যই জীবন দিচ্ছে।

ছেলের কথায় মন গলে মায়ের। মা তখন বলেন, আজকে আমরা সবাই বের হবো। মেহেদির বড়বোন, মা এবং মেহেদি একসাথে বের হওয়ার পরিকল্পনা করেন। মেহেদির বড়বোনের কলেজ থেকে জানতে পারে সেখানে স্টুডেন্টরা অভিভাবকদেরও আহবান করছে যেতে। তারা পরিকল্পনা করে সেখানে যাবেন। এরমধ্যে মা বোরকা পড়ছেন, মেহেদি বলে মা একটু অপেক্ষা করো, আমার এক বন্ধু আছে ওকে নিয়ে আসি। আমরা একসাথে যাব। মা বলেন, ঠিক আছে। তাড়াতাড়ি আইসো।
এইদিকে মেহেদির মা-বোন যখন রেডি হচ্ছিল বের হতে তখন ওর বাবা বকাঝকা করতে থাকে। আজকে ঢাকার পরিস্থিতি ভালো হবে না। তোরা ভুলেও বের হইছ না। মেহেদির মা বোরকা পরতে পরতে বলে, আল্লাহ কপালে যা রাখছে তা-ই হবে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা মার খাবে, আমরা ঘরে বসে থাকব কিভাবে!

এরমধ্যে মা-মেয়ে রেডি হয়ে মেহেদির জন্য অপেক্ষা করে, কিন্তু মেহেদির ফেরার কোনো লক্ষণ নাই। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে মা বলে, আচ্ছা থাক, ও মনে হয় বন্ধুকে আনতে গিয়ে খেলতে চলে গেছে (প্রতিদিন এ সময় বন্ধুদের সাথে ধুপখোলা মাঠে খেলতে যায়)। আমরা দু'জন বের হয়ে যাই। মা-মেয়ে চলে যায় মেয়ের কলেজ মতিঝিল আইডিয়ালের সামনে। এদিকে আনাস বন্ধুূের সাথে চলে যায় চাঁনখারপুল আন্দোলনের ফ্রন্টলাইনে।
মোড়ে মোড়ে পুলিশ জিজ্ঞেস করতেছিল, কই যাচ্ছেন? মেহেদির মা প্রতিবারই উত্তর দিছেন, লাশ দেখতে যাচ্ছি। আমার নিকটাত্মীয় একজনের লাশ।
তিনি তখনো জানতেন না, তাকে ঘরে ফিরতে হবে ছেলের লাশের খবর পেয়ে। ঘরে ফিরে তাকে সত্যিই লাশ দেখতে হবে।

মেয়েকে নিয়ে বারোটার আগেই আইডিয়াল কলেজের সামনে পৌঁছে যান। উনাকে দেখে, একজন শিক্ষার্থী মাইকে বলতেছিল, আমাদের একজন মা চলে এসেছেন মেয়েকে সাথে নিয়ে। এভাবে আমাদের সব মায়েরা আমাদের সাথে থাকলে আমরা সাহস পাব। ...

এরমধ্যে প্রায় এক-দেড় ঘন্টা পার হয়ে গেছে। মায়ের মনটা কেমন যেন ছটফট করতেছে। পাশে থাকা মেয়ে বলে, আম্মু তুমি রোজা রাখছো, আর রোদ ত এজন্য খারাপ লাগছে। দেখবা ঠিক হয়ে যাবে।
উনি তখন উত্তর দেন, না রে। আমার বুকটা ধুকধুক করছে। ভালো লাগতেছে না। এটা রোজা রাখার জন্য না। আমার মেহেদির কিছু হলো কিনা, আল্লাহ মাবুদ জানে। এরমধ্যে মেয়েকে একটু বকাও দেন, তোমার ফোনে ২টা সিম, একটা সিম তো ওর ফোনে রাখলে এখন খোঁজ-খবর নিতে পারতাম। মেয়ে তখন বলেন, ওর ফোনে সিম রেখে কী হবে, মাঝেমধ্যে একটু গেমস খেলা ছাড়া ওই ত কারো সাথে কথাবার্তা বলে না।
আন্দোলনেই তাদের সময় কাটে। কিছুক্ষণ পর ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করে দেখেন প্রায় ১৫-১৬টা কল। সব তার বাপের বাড়ির আত্নীয়স্বজনের কল। মেহেদির মা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ মনে বড় ভাইয়ের কল রিসিভ করতেই ও পাশ থেকে বলে ওঠে, মোস্তাকিম কই? (এখানে বলে রাখি, মেহেদির ডাকনাম মোস্তাকিম। তার মা আদর করে এ নাম দিয়েছিল। এটা তার সার্টিফিকেট নামে নাই।)
উত্তর দেন, বাসায়।
তুই শিউর, ও বাসায় আছে?
এ সময় ত ঘরেই থাকে।
তাড়াতাড়ি ওর খোঁজ নে।
এভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে কল আসতে থাকে মেহেদির মায়ের কাছে। কেউ তখনো বলেনি সে মারা গেছে। বলছে, মাথায় আঘাত পেয়েছে, তারাতাড়ি বাসায় আসতে।
ততক্ষণে মায়ের মনের ভেতর পুরোপুরিভাবে খবর হয়ে গেল তার কলিজার টুকরার কিছু একটা হয়ে গেছে।

মেয়েকে নিয়ে আইডিয়াল কলেজের আন্দোলন থেকে দ্রুত বাসায় ফিরেন। বাসার কাছাকাছি এসে দেখেন, তাদের বাসার সামনে পুকুরপাড়ে শতশত মানুষ, কেউ কান্নাকাটি করতেছে। উনি সবাইকে ঠেলে সামনে এগিয়ে গিয়ে দেখেন, তার ছেলের নিথর দেহটা পরে আছে৷ ঐ মুহূর্তে তার সারা শরীর নিস্তেজ হয়ে যায়। সেন্সলেস হয়ে পরেন।

ফিরে আসা যাক চাঁনখারপুলে, সেদিন কিভাবে শহীদ হয়েছিল শেখ মেহেদি হাসান জুনায়েদ।
এগারোটার দিকে মেহেদি তার বন্ধুদের সাথে চাঁনখারপুল আন্দোলনের ফ্রন্টলাইনে চলে যায়। দেড়-দুই ঘন্টা সেখানে পুলিশের সাথে তারা ফাইট করে। পুলিশের গুলির বিপরীতে প্রতিরোধ হামলা চলে ইটপাটকেল ছুঁড়ে। মেহেদি এবং তার বন্ধুরা ছিল বড়দের সাথে একদম সামনে। একটার দিকে তার এক বন্ধু বলে, দোস্ত চল আমরা বাসায় চলে যাই।
মেহেদি উত্তর দেয়, তুই যাইলে যা, আমি যাব না। হয় শহীদ হয়ে ঘরে ফিরব, না হয় তার পতন (হাসিনার) শেষে বীরের বেশে ঘরে ফিরব।
মেহেদির এক বন্ধু তখন বাসায় চলে যায়, আরেক বন্ধু তার সাথে থেকে যায়। আনুমানিক দেড়টার দিকে, ওদের মিছিল যখন একটু সামনে আগায় তখন ব্যাকফুটে যায় সামনের পুলিশের দল। তখন পাশে একটা গলির মুখে অবস্থান করছিল কিছু পুলিশ। মেহেদি মাথানিচু করে ইটের টুকরা হাতে নিতে যাবে, ঠিক তখনি পরপর দুইটা গুলি তার মাথায় আঘাত করে। একটা গুলি একপাশে দিয়ে ঢুকে ছিদ্র করে আরেকপাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। আরেকটা গুলি তার চোখ দিয়ে ঢুকে ভেতরে আটকে যায়।
আহত অথবা নিহত মেহেদিকে মানুষজন উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল নিয়ে যায়। মেডিকেল কতৃপক্ষ তাকে রিসিভ করতে অস্বীকৃতি জানায়। বলে, উপর থেকে নির্দেশ এসেছে কাউকে চিকিৎসা না দিতে। এখান থেকে নিয়ে যান, নাহয় মর্গে নিয়ে লাশের সাথে ফালাই রাখেন। পরিবার আইস্যা খুঁজে নিয়ে যাবে।

পরে সেখান থেকে মেহেদিকে মিটফোর্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে সে আর বেঁচে রইল না। শহীদের খাতায় তার নাম যোগ হয়ে যায়।
ঐখানের মানুষজন মেহেদির পকেটে থাকা সিম ছাড়া স্মার্টফোনটাতে ডায়াল কলে দেখেন, বাবা নামে একটা নম্বর সেইভ করা। মানুষজন মনে করছিল, বোধহয় তার বাবা হতে পারে। কিন্তু কল দিলে তার নানা ধরেন। মেহেদির মা তার বাবার (মানে মেহেদির নানা) নম্বর বাবা নামে সেইভ করছিল। এই ফোনটা তার মা চালাতো।

তাদেরকে কল দিয়ে মেহেদির খবর জানানো হয়। সেখান থেকে আত্নীয়স্বজন সবার জানাজানি হয়। তার মা তখনো মেয়েকে নিয়ে রাজপথে আন্দোলনে। মেহেদির নিথর দেহ বাসায় আনার এক ঘন্টা পর তিনি বাসায় এসে পৌঁছান।

মেহেদির বয়স মাত্র ১৪বছর। উইল ফাওয়ার স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়তো। স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে সে ইঞ্জিনিয়ার হবে, একইসাথে কুরআনে হাফেজ হবে। এজন্য হাফেজি মাদ্রাসায় ভর্তিও হয়েছিল। প্রায় ১০ পারার মতো মুখস্থ করে ফেলছে। নম্র এবং ভদ্র ছেলে হিসেবে এলাকার সবাই তাকে ভালোবাসত। তার মা জানায়, মেহেদির জানাযায় এতো মানুষ হয়েছে যে, এখানে কেন্দ্রীয় ঈদের জামাতেও এতো মানুষ হয়নি কখনো।
কয়েক মাস আগে এলাকার মসজিদে আয়োজন করছিল, যারা ৪০দিন জামাতে ৫ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, তাদের সাইকেল দেওয়া হবে। মেহেদি সেখান থেকে অনেক বড় একটা সাইকেল পেয়েছিল। ওর মা বলছিল, এতবড় সাইকেল তুমি কী করবে? ও তখন বলে, কয়দিন পর আমি পড়তে চলে গেলে আব্বু চালাবে আমার সাইকেল।

কোনো কারণে বাবা তাকে মাঝেমধ্যে বকাঝকা করলে বাবার অনুপস্থিতিতে মাকে সে সময় বলতো, দেখ আম্মু, আব্বু এখন আমাদের বকাঝকা করে। একদিন দেখবা আমাদের দুই ভাই-বোনকে নিয়ে তোমরা গর্ববোধ করবা। মা তাকে হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করে, তোমার আপু ভালো ছাত্রী। এসএসসিতে গোল্ডেন এপ্লাস পেয়েছে, ওকে নিয়ে নাহয় আশা করা যায় ভবিষ্যতে কিছু করতে পারবে, কিন্তু তুমি এমন কী করছো বা করবা যে তোমাকে নিয়ে আমরা গর্ববোধ করবো!

মেহেদি তখন বলে ওঠে, আরে দেইখো, এখন নাহয় কিছু করতে পারি নাই। একদিন দেখবা আমাকে নিয়েই বেশি গর্ববোধ করবা।
মেহেদি সত্যিই বাবা-মাকে গর্ববোধ করতে পেরেছে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মিত হয়েছে তার রক্তের উপর দিয়ে। তার মা-বাবার জন্য এটা পরম গৌরবের।

একজন সন্তানহারা মায়ের কথা একনাগাড়ে শুনে গেলাম। তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কোনো শব্দ আমার জানা ছিল না। সর্বশেষ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আড়াই মাস ধরে ঠিক মতো ঘুমাতে পারি না। ছেলের জন্য কাঁদতে কাঁদতে অসুস্থ হয়ে যাই। রাতে ঘুম ভেঙে যায়, ছেলের কথা মনে পড়ে। কাঁদতে থাকি। তার প্রিয় খাবার রসুনভর্তা তৈরি করে রাখি, কিন্তু আমার মোস্তাকিম (মেহেদি) খেতে আসে না। তার বিড়ালগুলো তাকে খুব মিস করে। তার রুমে ঘুরাঘুরি করে। তার ছবির পোস্টারের ওপর শুয়ে থাকে, তাকে খোঁজে। সুকেইস-ভরতি ক্রেস্টগুলো দেখি। কানে বাজে তার কথা, আম্মু দেখবা, আমাকে নিয়ে তোমরা একদিন অনেক গর্ববোধ করবা।

-Farid Uddin Rony

Kashmiri Gents Shalws কাশ্মীরি জেন্টস শালপ্রাইজঃ ১৫৫০ টাকা (অফার প্রাইজ) √√লম্বা: ৮ ফুট√√চওড়া: ৪ ফুটঅর্ডার করতে আপনারপূ...
23/01/2022

Kashmiri Gents Shalws

কাশ্মীরি জেন্টস শাল

প্রাইজঃ ১৫৫০ টাকা (অফার প্রাইজ)

√√লম্বা: ৮ ফুট
√√চওড়া: ৪ ফুট

অর্ডার করতে আপনার
পূর্ণাঙ্গ নাম :
পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা :
ফোন নাম্বার :
পন্যের ছবি
আমাদের ইনবক্স করুন।
হোম ডেলিভারি চার্জ ঢাকার ভিতরে-৮০/- টাকা
কুরিয়ার ডেলিভারী চার্জ ঢাকার বাহিরে-১৫০/- টাকা
(ঢাকার বাইরে অর্ডার কনফার্ম করার জন্যে কুরিয়ার চার্জ ১৫০ টাকা বিকাশ করে পাঠাতে হবে)

Kashmiri shawl
20/01/2022

Kashmiri shawl

আসসালামুয়ালাইকুম❤️পুজার জন্য বিশেষ ছাড় আগে আসলে আগে পাবেন হোল সেল ও দেয়া হয় নিম্নে ৬ পিছ দেরী না করে আজই যোগাযোগ করুন ১৩...
11/09/2021

আসসালামুয়ালাইকুম❤️

পুজার জন্য বিশেষ ছাড়
আগে আসলে আগে পাবেন
হোল সেল ও দেয়া হয় নিম্নে ৬ পিছ
দেরী না করে আজই যোগাযোগ করুন

১৩৫০ টাকা দামের ড্রেস এখন মাত্র ১০৫০ টাকা

ঈন্ডিয়ান পার্টি ড্রেস

★Body - full ambrodari...
★Metarial- indian jorjet....
★Orna- full ambrodari metarial-soft jorjet....
★Inner- india soft butter silk....
★Seloyar- indian soft butter silk....
★Hata- jorjet.

🥦অর্ডার করতে আপনার
🍄পূর্ণাঙ্গ নাম :
🍄পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা :
🍄ফোন নাম্বার :
🍄পন্যের ছবি এবং সাইজ আমাদের ইনবক্স করুন।

☎ অথবা কল করুন- 01749741339 / whatsapp
🚛 হোম ডেলিভারি চার্জ ঢাকার ভিতরে-৮০/- টাকা
🚛 কুরিয়ার ডেলিভারী চার্জ ঢাকার বাহিরে-১৫০/- টাকা (অগ্রিম)

👉 ছবির সাথে 100% পন্যের মিল আছে।
👉🏻 সারা বাংলাদেশ ক্যাশ অন হোম ডেলিভেরি করা হয়।
👉🏼 ডেলিভেরি ম্যান কে টাকা দিয়ে পন্য নিবেন।
👉🏽 ডেলিভেরি ম্যান এর সামনে মাল চেক করে নিবেন।
👉🏾 কোন ধরনের পন্য মিল না থাকলে সাথে সাথে ডেলিভেরি ম্যানকে পন্য ফেরত দিবেন এবং টাকা ফেরত নিবেন।
👉ডেলিভেরি চার্জ অর্ডার করার সময় এ্যাডভান্স পরিশোধ করবেন।(ঢাকার বাহিরের সবার জন্য)
👉🏻সমস্যা হলে ডেলিভেরি ম্যানকে সামনে রেখে ফোন দিবনে।
👉🏼পন্যের সমস্যা থাকলে ছবি তুলে পাঠাবেন টাকা ফেরত নিবেন।

⭕⭕ডেলিভারি ম্যান চলে আসার পর কোন অভিযোগ গ্রহন হবে না।⭕⭕

আসসালামুয়ালাইকুম  ❤️💥💥 কাপল ড্রেস  💥💥 অবিশ্বাস্য দামে সাইজ S-38, M-40, L-42 XL-44,  XXL- 46 শাড়ী ১৩ হাত শুধু শাড়ী এবং পা...
09/09/2021

আসসালামুয়ালাইকুম ❤️

💥💥 কাপল ড্রেস 💥💥

অবিশ্বাস্য দামে

সাইজ S-38, M-40, L-42 XL-44, XXL- 46

শাড়ী ১৩ হাত

শুধু শাড়ী এবং পাঞ্জাবী

🥦অর্ডার করতে আপনার
🍄পূর্ণাঙ্গ নাম :
🍄পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা :
🍄ফোন নাম্বার :
🍄পন্যের ছবি এবং সাইজ আমাদের ইনবক্স করুন।

☎ অথবা কল করুন- 01749741339 / whatsapp
🚛 হোম ডেলিভারি চার্জ ঢাকার ভিতরে-৮০/- টাকা
🚛 কুরিয়ার ডেলিভারী চার্জ ঢাকার বাহিরে-১৫০/- টাকা (অগ্রিম)

👉 ছবির সাথে 100% পন্যের মিল আছে।
👉🏻 সারা বাংলাদেশ ক্যাশ অন হোম ডেলিভেরি করা হয়।
👉🏼 ডেলিভেরি ম্যান কে টাকা দিয়ে পন্য নিবেন।
👉🏽 ডেলিভেরি ম্যান এর সামনে মাল চেক করে নিবেন।
👉🏾 কোন ধরনের পন্য মিল না থাকলে সাথে সাথে ডেলিভেরি ম্যানকে পন্য ফেরত দিবেন এবং টাকা ফেরত নিবেন।
👉ডেলিভেরি চার্জ অর্ডার করার সময় এ্যাডভান্স পরিশোধ করবেন।(ঢাকার বাহিরের সবার জন্য)
👉🏻সমস্যা হলে ডেলিভেরি ম্যানকে সামনে রেখে ফোন দিবনে।
👉🏼পন্যের সমস্যা থাকলে ছবি তুলে পাঠাবেন টাকা ফেরত নিবেন।

⭕⭕ডেলিভারি ম্যান চলে আসার পর কোন অভিযোগ গ্রহন হবে না।⭕⭕

আসসালামুয়ালাইকুম , ❤️ইন্ডিয়ান পার্টি ড্রেস (4 piece)ইন্ডিয়ান টিস্যু কাপরের ফোর পিছ।জামার বিবরন:টিস্যু কাপড় এর উপর ডলার ...
08/09/2021

আসসালামুয়ালাইকুম , ❤️

ইন্ডিয়ান পার্টি ড্রেস (4 piece)

ইন্ডিয়ান টিস্যু কাপরের ফোর পিছ।

জামার বিবরন:

টিস্যু কাপড় এর উপর ডলার লেইছ কারচুপির কাজ করা আছে
ওরনা : নেট এর উপর লেইস এবং ডলার এর কাজ করা আছে
সেলোয়ার: বাটার সিল্ক এর এবং ইনার বা ফলস কাপড় দেয়া থাকবে।(৩.৫ গজ)

🥦অর্ডার করতে আপনার
🍄পূর্ণাঙ্গ নাম :
🍄পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা :
🍄ফোন নাম্বার :
🍄পন্যের ছবি এবং সাইজ আমাদের ইনবক্স করুন।

☎ অথবা কল করুন- 01749741339 / whatsapp
🚛 হোম ডেলিভারি চার্জ ঢাকার ভিতরে-৮০/- টাকা
🚛 কুরিয়ার ডেলিভারী চার্জ ঢাকার বাহিরে-১৫০/- টাকা (অগ্রিম)

👉 ছবির সাথে 100% পন্যের মিল আছে।
👉🏻 সারা বাংলাদেশ ক্যাশ অন হোম ডেলিভেরি করা হয়।
👉🏼 ডেলিভেরি ম্যান কে টাকা দিয়ে পন্য নিবেন।
👉🏽 ডেলিভেরি ম্যান এর সামনে মাল চেক করে নিবেন।
👉🏾 কোন ধরনের পন্য মিল না থাকলে সাথে সাথে ডেলিভেরি ম্যানকে পন্য ফেরত দিবেন এবং টাকা ফেরত নিবেন।
👉ডেলিভেরি চার্জ অর্ডার করার সময় এ্যাডভান্স পরিশোধ করবেন।(ঢাকার বাহিরের সবার জন্য)
👉🏻সমস্যা হলে ডেলিভেরি ম্যানকে সামনে রেখে ফোন দিবনে।
👉🏼পন্যের সমস্যা থাকলে ছবি তুলে পাঠাবেন টাকা ফেরত নিবেন।

⭕⭕ডেলিভারি ম্যান চলে আসার পর কোন অভিযোগ গ্রহন হবে না।⭕⭕

CongrathulationCongratulation
05/09/2021

CongrathulationCongratulation

Congratulations to Mahmudullah Riyad for becoming the first Bangladeshi player to play 100* T20I 🏏

Happy birth Day legend
05/09/2021

Happy birth Day legend

The first Bangladesh player to achieve the 1000 runs/100 wickets double in both Tests and ODIs 🇧🇩

Happy birthday to Mohammad Rafique 🎂

05/09/2021

bangladesh vs new zeland 3Rd t20

04/09/2021

every one supporting us

An ultimate online clothing destination for Bangladesh offering best shopping experience

Address

দোকান নংঃ২১, তৃ্তীয় তলা , বনলতা সুপার মার্কেট, নিউ মার্কেট।
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when O STAR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to O STAR:

Share