NTD Fashion Wear

NTD Fashion Wear Retail and Wholesale

17/03/2024

মহান আল্লাহতাআলা অবশ্যই সত্য বলেছেন। আর তাঁর সন্মানিত নবী ও রাসুল (সাঃ) ও সত্য বলেছেন। আমি এর সাক্ষী। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে পবিত্র কুরআনের প্রতিটি হরফের স্বাদ আস্বাদান করান এবং কুরআনের প্রতিটি অংশের বদলে প্রতিদান প্রদান করুন।

হে আল্লাহ! আমাদেরকে 'আলিফের' বিনিময়ে ভালোবাসা, 'বা' এর বিনিময়ে বরকত, 'তা' এর বিনিময়ে তওবা, 'ছা'এর বিনিময়ে সওয়াব, 'জীম' এর বিনিময়ে সৌন্দর্য, 'হা'এর বিনিময়ে হিকমত-প্রজ্ঞা, 'খা' এর বিনিময়ে কল্যান, 'দাল' এর বিনিময়ে দলিল-প্রমান, 'যাল' এর বিনিময়ে তীক্ষ্ন বুদ্বি, 'রা' এর বিনিময়ে দয়া, 'যা' এর বিনিময়ে পরিশুদ্বতা, 'সীন' এর বিনিময়ে সৌভাগ্য, 'শীন' এর বিনিময়ে আরোগ্য, 'ছায়াদ' এর বিনিময়ে সত্যবাদিতা, 'দ্বাদ' এর বিনিময়ে আলো, 'ত্বোয়া' এর বিনিময়ে সজীবতা, 'জোয়া' এর বিনিময়ে সাফল্য, 'আইন' এর বিনিময়ে জ্ঞান, 'গাইন' এর বিনিময়ে ঐশ্বর্যময়, 'ফা' এর বিনিময়ে সাধনায় সাফল্য লাভ, 'ক্বাফ' এর বিনিময়ে নৈকট্য, 'কাফ' এর বিনিময়ে মর্যাদা, 'লাম' এর বিনিময়ে বিনম্রতা, 'মীম' এর বিনিময়ে উপদেশ, 'নুন' এর বিনিময়ে নুর, 'ওয়াও' এর বিনিময়ে মিলন, 'হা' এর বিনিময়ে হেদায়াত ও 'ইয়া' এর বিনিময়ে দৃঢ় বিশ্বাস নছীব করুন।

হে আল্লাহ! পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে আমাদেরকে উপকৃত করুন। সঠিকভাবে, শুদ্ধভাবে ও স্পষ্টভাবে কুরআন তেলওয়াত করার এবং এর অর্থ বুজার তৌফিক দান করুন।আমিন।

30/03/2022

ঢাকা কলেজ আর টিচার ট্রেনিং কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে সংঘর্ষ....

20/02/2022

ভাষা নিয়ে যতটানা আমার উৎসাহ,আকুল-আবেদন,চিন্তা তারচেয়ে শতগুন বেশী আবেগ আমার বাংলা নিয়ে।

মা না শিখালে হয়ত অন্য ভাষা বলতাম।
তারা সেদিন রক্ত দিয়েছে বলেই আজকে আমার নামটা বাংলায়।

বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সব ভাষা শহীদের প্রতি...

18/02/2022

টানটান উত্তেজনায় ফাইনাল ম্যাচ হয়ে গেলো!
অভিনন্দন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স🏆🤘


আসসালামু আলাইকুম। ২০২২!!সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। নতুন বছরের প্রথম মাসে আপনাদের জন্য NTD Fashion Wear নিয়ে এলো সুখবর!!...
25/01/2022

আসসালামু আলাইকুম।

২০২২!!
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
নতুন বছরের প্রথম মাসে আপনাদের জন্য NTD Fashion Wear নিয়ে এলো সুখবর!!!

নতুন বছর ২০২২ উপলক্ষে প্রত্যেকটি হুডিতে পাচ্ছেন বিশাল মূল্যছাড়! এই মূল্যছাড় অফারটি আগামি ১০ই ফেব্রয়ারি পর্যন্ত।
সুতরাং দেরি না করে আজই নিয়ে নিন আপনার পছন্দের প্রোডাক্টটি।

Colour :Black, Navy, Ash/Grey, Purple, Maroon

Available Size:M,L,XL

দামঃ ৳৪৫০ (অফার)

ডেলিভারি চার্জঃ
ঢাকার মধ্যেঃ ৳৬০
ঢাকার বাহিরেঃ৳১৩০
(ঢাকার বাহিরে অবশ্যই ডেলিভারি চার্জ আগে পেমেন্ট করতে হবে।)

অর্ডারের জন্যঃ
অর্ডারটা কনফার্ম করতে আপনার-
নামঃ
সম্পুর্ন ঠিকানাঃ
মোবাইল নাম্বারঃ
প্রোডাক্টের কালার/ছবিঃ
সাইজঃ

লিখে আমাদেরকে ইনবক্স করুন, ইনসাআল্লাহ্ আমরা ঢাকার মধ্যে ১২ ঘন্টা এবং ঢাকার বাহিরে ২ দিনের মধ্যে পাঠায় দিবো॥

*Wholesale Available
For details: 01688388422

Happy New Year 2022 May this year bring all the happiness to all of you❤️
31/12/2021

Happy New Year 2022
May this year bring all the happiness to all of you❤️

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
15/12/2021

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে বিজয়ের শুভেচ্ছা। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আপনাদের জন্য NTD Fashion Wear   নিয়ে এলো সুখবর। স্বাধীনতা...
12/12/2021

আসসালামু আলাইকুম।

সবাইকে বিজয়ের শুভেচ্ছা।
বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আপনাদের জন্য NTD Fashion Wear নিয়ে এলো সুখবর।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রত্যেকটি হুডিতে পাচ্ছেন বিশাল মূল্যছাড়!
সুতরাং দেরি না করে আজই নিয়ে নিন আপনার পছন্দের প্রোডাক্টটি।

Colour :Black,Navy,Ash,Purple,Maroon,Blue,Red,Yellow, White.

Size:M,L,XL,XXL

দামঃ৳৫৫০(অফার)

ডেলিভারি চার্জঃ
ঢাকার মধ্যেঃ ৳৬০
ঢাকার বাহিরেঃ৳১৩০
(ঢাকার বাহিরে অবশ্যই ডেলিভারি চার্জ আগে পেমেন্ট করতে হবে।)

*Wholesale Available

🔥🔥🔥Premium Basic Hoodie🔥🔥🔥●Price: 650 TK each.(Offer Price-550TK)●Colour: Blue,Maroon.●300+ GSM | Basic fit.●Available s...
09/12/2021

🔥🔥🔥Premium Basic Hoodie🔥🔥🔥

●Price: 650 TK each.(Offer Price-550TK)

●Colour: Blue,Maroon.

●300+ GSM | Basic fit.
●Available sizes are— M, L, XL,XL

●For any kind of query— feel free to do inbox.

●Delivery Charge:
Inside Dhaka (60 tk | cash on delivery)
●Outside Dhaka (150 tk | advance payment applicable)

যে কান্না আনন্দের! আমি মায়ের গর্ভে থাকতেই বাবা মারা যান। ফলে জন্মের পরপরই লোকের কাছে ‘অপয়া’ ছিলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর ম...
03/12/2021

যে কান্না আনন্দের!

আমি মায়ের গর্ভে থাকতেই বাবা মারা যান। ফলে জন্মের পরপরই লোকের কাছে ‘অপয়া’ ছিলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন মা মামার বাড়ি গেলেন। আমার দিদিমাও মারা গিয়েছিলেন। পরে দাদু দ্বিতীয় বিয়ে করেন। যে কারণে মামাবাড়িতেও এক ধরনের আগন্তুকের মতো ছিলাম। স্থানীয় একটা স্কুলে দপ্তরির কাজ করতেন মা। তত দিনে আমি অ আ ক খ শিখে ফেলেছি। সেই সময়কার একটা ঘটনা মনে আছে। একটা জামা বা কী যেন কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরেছিলাম। মায়ের হাতে পয়সা নেই। পরে ঘরের মুরগির ডিম বিক্রি করে সেটা কিনে দিয়েছিলেন। এটা জানতে পেরে মামা রাগ করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেছিলেন। একটা পোঁটলা আর আমাকে নিয়ে মা বাড়ি ছাড়লেন। বাইরে তখন তুমুল বৃষ্টি। মায়ের চোখে জল। কোথাও যাওয়ার মতো জায়গা যে আমাদের নেই!

দিদিমার নিজের চলাই দায়
উপায়ান্তর না দেখে মা তখন তাঁর পিসির বাড়িতে গেলেন। কিন্তু তাঁদের সংসারেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দুই-তিন মাস পর মায়ের একটা কাজ জুটল। কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ। সেই বাড়িতে রান্নাঘরের পাশে ছোট্ট একটা রুমে আমরা থাকতাম। সেখানে বেগমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন বাড়িওয়ালা বললেন, ‘কাজ করে একজন। খায় দুজন। তোমার মেয়েকে কেন রাখব?’ এক পর্যায়ে সেই বাসাও ছাড়তে হলো।

কিন্তু কোথায় যাবে মা?
অনন্যোপায় হয়ে আবার গন্তব্য মামাবাড়ি। অনুনয়-বিনয়ের পর মামার দয়া হলো। সেখানে একটা স্কুলে ক্লাস ফোরে ভর্তি হলাম। তত দিনে কোনো কাজ জোগাড় করতে পারেননি মা। ফলে মাস দুয়েক পর আবার মামার বাড়ি ছাড়তে হলো। এবারও শেষ ঠিকানা মায়ের সেই পিসির বাড়ি। পরে মা সেই বাড়িতে আমাকে রেখে কুমিল্লা চলে গেলেন। এক বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ পেলেন। মা যে বাসায় কাজ করতেন বছরখানেক পর তারাও অন্যত্র চলে যায়। ফলে মা আবার গ্রামে ফেরেন।

আবার বিয়ের পিঁড়িতে
তখন অবস্থা এমন যে মামার বাড়িতেও আমাদের ঠাঁই নেই, দিদিমণির বাড়িতেও থাকার উপায় নেই। এদিকে আমি বড় হচ্ছি। মা-মেয়ের স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। আজ এখানে তো কাল ওখানে। ফলে প্রতিবেশীরা চাচ্ছিল মাকে আবার বিয়ে দিতে। কিন্তু মা রাজি ছিলেন না। অনেকে বোঝানোর পর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবেই রাজি হলেন। তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। বিয়ের পর কুমিল্লা থেকে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে চলে আসি। সেখানে আদর্শ কিন্ডারগার্টেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। পিএসসি পাসের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। কয়েক শ শিক্ষার্থীর মধ্যে আমিসহ মাত্র ১২০ জন ভর্তির সুযোগ পেল। স্কুলের কাছেই ছিল নিউ অক্সফোর্ড কোচিং সেন্টার। সেখানে দিদার স্যার এবং পার্থ স্যার অল্প টাকায় আমার পড়ার ব্যবস্থা করলেন। স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম হয়েছিলাম!

বাবা ছিলেন উদাসীন
তাঁর সহায়-সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। চায়ের দোকানে কাজ করতেন। একদিন কাজ করলে দুই দিন বসে থাকতেন। ছোট্ট এক রুমের ভাড়া বাসায় উঠিয়েছিলেন আমাদের। ঠিকমতো চাল-ডাল আনতেন না। ঘরভাড়াও বাকি পড়ত। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়াঝাঁটি হতো। একটু উচ্চবাচ্য করলেই মায়ের ওপর চলত নির্যাতন। পড়ার টেবিলে বসে আমি কাঁদছি। চোখের জলে বইয়ের পাতা ভিজে গেছে কত দিন! খাবারদাবার বা অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে শুধু প্রার্থনা করতাম, আমাকে এমন একটা পরিবেশ দাও যেন একটু পড়তে পারি। জীবনে আর কিছুই চাই না। শুধু পড়াশোনা করতে চাই!

টিউশনি শুরু করলাম
তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তাম। খাবার, পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সব কিছু মাকেই জোগাড় করতে হতো। স্থানীয় একটা কারখানায় আচার, চকোলেট ইত্যাদির প্যাকেট বানাতেন মা। আচারের এক হাজার প্যাকেট বানালে ৩০ টাকা পেতেন। আমি এলাকার কয়েকটা বাচ্চাকে পড়ানো শুরু করলাম। সপ্তাহে সাত দিন।
মাসে একেকজনের কাছ থেকে ৫০-১০০ টাকা করে পেতাম।
জীবনে কোনো দিন অপচয় করেছি বলে মনে পড়ে না। যতটুকু লাগত তার চেয়ে কম বৈ বেশি চাইনি। দিন দিন পড়াশোনার খরচ বাড়ছিল। আমাদের এমন করুণ অবস্থার কথা স্কুলে তখনো জানত না। স্কুলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েরা পড়ে। সব সময় মনে হতো তারা জানলে কী ভাববে।

চোখের জল ফুরাত না
জেএসসি পরীক্ষার রাতগুলোও খুব কষ্টের ছিল। বাবা প্রায়ই এসে ঝগড়া করতেন। রাতে ঘুমাতে যেতাম কাঁদতে কাঁদতে। সকালে উঠে কোনো মতে পরীক্ষার হলে যেতাম। এসবের মধ্যেও পড়তে চেষ্টা করতাম। জেএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেলাম। বৃত্তিও পেলাম। নবম শ্রেণিতে চেয়েছিলাম কমার্সে পড়তে। কারণ বিজ্ঞানে পড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য নেই। পরে স্যাররা পাশে দাঁড়ালেন। বললেন, তুমি বিজ্ঞানেই পড়বে। নবম ও দশম শ্রেণিতে ক্লাসে প্রথম হয়েছিলাম।

ভেবেছিলাম আর হবে না
ক্লাস নাইনে ওঠার পর ভেবেছিলাম, আর পড়াশোনা করব না। এমন পরিস্থিতি কত সহ্য করা যায়? আগে তো বাঁচতে হবে। একদিন বইপত্র সব বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলেছি। মাকে বললাম—চলো, যাই। কিন্তু প্রতিবেশীরা তখন বুঝিয়েছে। কোচিং সেন্টারের স্যাররাও বলেছেন, কষ্টসৃষ্টে এই স্কুল থেকেই এসএসসি শেষ করো। ফলে আবারও সৎবাবার ঘরে ফিরে গেলাম।

দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন খবর পেলাম, আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে একটা বৃত্তি এসেছে। ক্লাসে দাঁড়িয়ে ম্যাডামকে বললাম, বৃত্তিটা পেলে খুব উপকার হবে। বৃত্তিটা পেলাম। এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস এবং বৃত্তি পেয়েছি। এসএসসিতে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগের রাতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাবা ঘর থেকে বের করে দেন। রাতভর কিছুই পড়তে পারিনি। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে ৯৮ নম্বর পেয়েছিলাম। এসএসসিতে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও উচ্চতর গণিতে আমার গড় নম্বর ছিল ৯৮.৯১।
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনও একই ঘটনা ঘটল। তখনো ভেবেছিলাম, আর নয়। কোচিং সেন্টারের স্যাররা আবার বোঝালেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হলাম। তখন একটা বেসরকারি ট্রাস্ট থেকে অদম্য মেধাবী হিসেবে বৃত্তি পেলাম।

অবশেষে ঘর ছাড়লাম
এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে শহরে একটা মেসে উঠলাম। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কেন্দ্রবিন্দু একাডেমিক কেয়ারে বিনা পয়সায় কোচিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। তারা বৃত্তি দিত। টিউশনি করতাম। অপুষ্টি, ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলে মা তত দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিডনি, মেরুদণ্ডের সমস্যাসহ নানা রকম জটিলতায় ভুগছিলেন। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি মাসে আড়াই হাজার টাকার মতো মায়ের চিকিৎসার পেছনে খরচ হতো। এসবের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা হলো।

এবার ভর্তিযুদ্ধে
এইচএসসি পরীক্ষার আগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন একটা পরীক্ষার আয়োজন করেছিল। সেখানে নির্বাচিত হয়ে বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ও হোস্টেলে থাকার সুযোগ পেলাম। সেই থেকে ঢাকায় হোস্টেল জীবন। এর মধ্যে ঈদ আসে, পূজা আসে। সবাই নিজ নিজ বাড়ি যায়। কিন্তু আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই! মন খারাপ হতো। কিন্তু আবার নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আমাকে হতেই হবে।

মা তখনো কাঁদছিলেন
আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফরম পূরণ, যাতায়াতসহ সব খরচ দিয়েছিল মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। তারা মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। যাহোক বুয়েট, ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, বুটেক্সসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। সব কটিতে মেধাতালিকায় প্রথম দিকে আছি। ২৫ নভেম্বর বুয়েটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হলো। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। খবরটা জেনে সবার আগে মাকে ফোন করেছি। মুঠোফোনের অন্য প্রান্তে মা তখনো কাঁদছিলেন।

তবে এ কান্না আনন্দের!
কারন হয়তো, ঠিকানাহীন’ শোভার ঠিকানা এখন দেশ সেরা ৫ বিশ্ববিদ্যালয়!

(কড়চা)

The wait is over,without hoodie winter is incomplete!Get Premium quality Hoddie from NTD Fashion Wear.Price:৳650GSM=300+...
24/11/2021

The wait is over,without hoodie winter is incomplete!
Get Premium quality Hoddie from NTD Fashion Wear.

Price:৳650

GSM=300+(Fleece fabrics)
One side brushed

*Cash On Delivery.

Available sizes: M,L,XL,XXL

● Inbox us to order or Call us at 01635584697

*Easy Exchange or return policy

●Delivery charge Inside Dhaka 60/-, Outside Dhaka 130/-

Note:Delivery charge outside Dhaka must be paid in advance.

Address

122/5, Ulan, Rampura
Dhaka
1217

Telephone

+8801635584697

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NTD Fashion Wear posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to NTD Fashion Wear:

Share