The True Express

The True Express The True Express is a online based news platform.This page available all news, moral,advice & the slogans is good news, good society

যেকোনো মাছ থেকেই অ্যালার্জি হতে পারে, তবে সবচেয়ে বেশি অ্যালার্জি সৃষ্টি করে সামুদ্রিক মাছ (যেমন- টুনা, ম্যাকরল, স্যামন)...
19/06/2026

যেকোনো মাছ থেকেই অ্যালার্জি হতে পারে, তবে সবচেয়ে বেশি অ্যালার্জি সৃষ্টি করে সামুদ্রিক মাছ (যেমন- টুনা, ম্যাকরল, স্যামন) এবং শেলফিশ (চিংড়ি ও কাঁকড়া)। এছাড়া আমাদের দেশে সহজলভ্য বিভিন্ন মাছেও অনেকের এলার্জির সমস্যা দেখা যায়।
✪যেসব মাছে সাধারণ এলার্জির প্রবণতা বেশি:
➤চিংড়ি ও কাঁকড়া: (শেলফিশ) এলার্জির ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে পরিচিত।
➤ইলিশ: অনেকেরই ইলিশ মাছ খেলে শরীরে চুলকানি বা লালচে র‍্যাশ দেখা দেয়।
➤স্যামন ও টুনা: সামুদ্রিক মাছে অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি থাকে।
➤অন্যান্য মাছ: পুঁটি, বোয়াল, শোলসহ অন্যান্য মাছেও অনেকের শরীরে হিস্টামিনজনিত জটিলতা তৈরি হতে পারে।
✪মাছ থেকে এলার্জি হলে সাধারণত ত্বক ও মুখে চুলকানি, র‍্যাশ, সর্দি, হাঁচি, গলা বা জিহ্বা ফুলে যাওয়া, পেট ব্যথা বা বমি ভাব দেখা দিতে পারে। মাছের Parvalbumin নামের প্রোটিনের কারণে সাধারণত এই প্রতিক্রিয়াগুলো হয়।
✅যাদের মাছে এলার্জি রয়েছে, তাদের এলার্জি প্রতিরোধে মাছ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা (যেমন- Skin Prick Test) করিয়ে নেওয়া উচিত। সংগৃহীত

ভিটামিন এ-এর অভাব হলো এমন একটি অবস্থা, যা শরীরে এই গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানের ঘাটতির কারণে ঘটে। এটি প্রধানত দৃষ্টিশক্ত...
19/06/2026

ভিটামিন এ-এর অভাব হলো এমন একটি অবস্থা, যা শরীরে এই গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানের ঘাটতির কারণে ঘটে। এটি প্রধানত দৃষ্টিশক্তি হ্রাস, রাতকানা রোগ, শুষ্ক ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হওয়ার মতো সমস্যা তৈরি করে। অপুষ্টি এবং দীর্ঘস্থায়ী অন্ত্রের রোগ এর প্রধান কারণ।
➡লক্ষণসমূহ
➤দৃষ্টি সমস্যা: কম আলোতে বা রাতে দেখতে সমস্যা হওয়া (রাতকানা), চোখের স্বাভাবিক অশ্রু শুকিয়ে যাওয়া বা জেরোফথালমিয়া।
➤ত্বক ও চুল: ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হওয়া, রোমকূপে ছোট ছোট সাদা গুটি ওঠা।
➤রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ঘন ঘন সর্দি-কাশি, গলা বা বুকে সংক্রমণ এবং ছোটখাটো ক্ষত সারতে দেরি হওয়া।
✅প্রতিরোধের উপায়ভিটামিন এ-এর অভাব পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
আপনার খাদ্যতালিকায় নিচের খাবারগুলো রাখতে পারেন:
➤প্রাণীজ উৎস: ডিমের কুসুম, কলিজা, চর্বিযুক্ত মাছ এবং দুধ।
➤উদ্ভিদ উৎস: রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল, যেমন—গাজর, মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে, আম, টমেটো এবং গাঢ় সবুজ শাক। সংগৃহীত

মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও সুস্থতার জন্য ১৩টি অপরিহার্য ভিটামিন রয়েছে। এগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: ✪পানিতে দ...
18/06/2026

মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও সুস্থতার জন্য ১৩টি অপরিহার্য ভিটামিন রয়েছে।
এগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
✪পানিতে দ্রবণীয় (ভিটামিন সি এবং বি-কমপ্লেক্স) ও
✪স্নেহ বা চর্বিতে দ্রবণীয় (ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে)।
✅প্রধান ভিটামিনগুলোর বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
☞১. স্নেহজাতীয় বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (Fat-Soluble Vitamins)এই ভিটামিনগুলো শরীরে চর্বিতে জমা থাকে।
➤ভিটামিন ‘এ’ (Vitamin A): দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বক সুস্থ রাখে।উৎস: গাজর, পাকা আম, মিষ্টি কুমড়া, ডিম এবং মাছের তেল।
➤ভিটামিন ‘ডি’ (Vitamin D): হাড় ও দাঁত মজবুত করে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে।উৎস: সূর্যের আলো, দুধ, এবং সামুদ্রিক মাছ।ভিটামিন
➤‘ই’ (Vitamin E): শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং কোষকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।উৎস: বাদাম, সূর্যমুখী তেল এবং সবুজ শাকসবজি।
➤ভিটামিন ‘কে’ (Vitamin K): রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং হাড়ের বিপাকে ভূমিকা রাখে।উৎস: পালং শাক, ব্রকলি এবং বাঁধাকপি।
☞২. পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (Water-Soluble Vitamins)এই ভিটামিনগুলো শরীরে জমা থাকে না, তাই প্রতিদিনের খাবার থেকে গ্রহণ করতে হয়।
➤ভিটামিন ‘সি’ (Vitamin C): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বক ভালো রাখে এবং ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।উৎস: লেবু, কমলা, পেয়ারা এবং আমলকী।
➤ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স (Vitamin B-Complex): এটি মূলত আটটি ভিটামিনের একটি দল, যা খাবার থেকে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
➤বি১ (থায়ামিন): স্নায়ুতন্ত্র ও হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে।
➤বি২ (রাইবোফ্লাভিন): ত্বক ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
➤বি৩ (নিয়াসিন): হজমশক্তি ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়।
➤বি৫ (প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড): হরমোন তৈরি ও শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
➤বি৬ (পাইরিডক্সিন): লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
➤বি৭ (বায়োটিন): চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
➤বি৯ (ফলিক অ্যাসিড): নতুন কোষ তৈরিতে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় অত্যন্ত জরুরি।
➤বি১২ (কোবালামিন): স্নায়ুর কার্যকারিতা ও ডিএনএ (DNA) গঠনে ভূমিকা রাখে। সংগৃহীত

পটাশিয়াম হলো মানবদেহের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খনিজ ও ইলেকট্রোলাইট। এটি আমাদের হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক স্পন্দন বজায়...
18/06/2026

পটাশিয়াম হলো মানবদেহের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খনিজ ও ইলেকট্রোলাইট। এটি আমাদের হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক স্পন্দন বজায় রাখতে, স্নায়ুর কার্যকারিতা ঠিক রাখতে এবং পেশী সংকোচনে সাহায্য করে। এটি প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন ফল, শাকসবজি ও মাংসে পাওয়া যায়।
✅পটাশিয়ামের কাজ
শরীরে পটাশিয়াম অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে:
➤ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য: শরীরের তরল এবং ইলেকট্রোলাইটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
➤হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।
➤পেশী ও স্নায়ু: হাত-পায়ের পেশীর সঠিক সংকোচন ও প্রসারণে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতন্ত্রের বার্তা আদান-প্রদানে কাজ করে।
➤পুষ্টি উপাদান পরিবহন: কোষে পুষ্টি উপাদান পৌঁছাতে এবং বর্জ্য নিষ্কাশনে সাহায্য করে।
✅অভাবজনিত সমস্যা (Hypokalemia)রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা কমে গেলে তাকে বলা হয় হাইপোক্যালেমিয়া।
এর লক্ষণগুলো হলো:
➤অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা
➤পেশীতে টান লাগা বা ব্যথা
➤কোষ্ঠকাঠিন্য
➤বুক ধড়ফড় করা

✅মাত্রাতিরিক্ত সমস্যা (Hyperkalemia)রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে তাকে বলা হয় হাইপারক্যালেমিয়া। মূলত কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে এই সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে:
➤বমি ভাব হতে পারে
➤হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া অনিয়মিত হতে পারে

✅পটাশিয়ামের প্রধান উৎস
যেসব খাবার থেকে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম পাওয়া যায়:
➤ফলমূল: কলা, কমলা, তরমুজ, কিশমিশ এবং অন্যান্য শুকনো ফল।
➤সবজি: আলু, মিষ্টি আলু, পালং শাক ও অন্যান্য সবুজ শাকসবজি।
➤অন্যান্য: ডাবের পানি, দুধ, দই, মাছ এবং শিমজাতীয় খাবার। সংগৃহীত

গরমে পান্তা ভাত একটি চমৎকার ও পুষ্টিকর খাবার। এটি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে, হজমশক্তি বাড়ায়, পানিশূন্যতা দূর করে এবং ...
18/06/2026

গরমে পান্তা ভাত একটি চমৎকার ও পুষ্টিকর খাবার। এটি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে, হজমশক্তি বাড়ায়, পানিশূন্যতা দূর করে এবং প্রচুর পরিমাণে ভালো ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক তৈরি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
✅গরমের দিনে নিয়মিত পান্তা ভাত খাওয়ার প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
➤শরীর ঠান্ডা রাখে: পান্তা ভাত ‘ন্যাচারাল কুলার’ হিসেবে কাজ করে। তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে এটি দারুণ কার্যকরী।
➤হজমশক্তি ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: ভাত পানিতে ভিজিয়ে রাখার ফলে গাঁজন বা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়া ঘটে, যা প্রচুর ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে। এটি হজমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের (gut) বিভিন্ন ইনফেকশন বা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা দূর করে।
➤পুষ্টি ও আয়রন বৃদ্ধি: গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ ভাতের চেয়ে পান্তা ভাতে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাসিয়ামের মতো খনিজ উপাদান অনেক বেশি পরিমাণে থাকে, যা রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) প্রতিরোধে সাহায্য করে।
➤শক্তি জোগায়: পান্তা ভাত অনেকক্ষণ শরীরে শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ক্লান্তি দূর করে।
➤রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: এতে থাকা প্রোবায়োটিকস অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য রক্ষা করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে।
✅পরামর্শ: পান্তা ভাতের সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ পেতে ও সুস্বাদু করতে এটি কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, সরিষার তেল এবং লবণ দিয়ে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। সংগৃহীত

পেট ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি তাজা ফল, শাকসবজি এবং প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।✅পেট ঠান্ডা ও ...
17/06/2026

পেট ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি তাজা ফল, শাকসবজি এবং প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।
✅পেট ঠান্ডা ও সুস্থ রাখতে সহায়ক কিছু খাবার হলো:
➤তরমুজ ও শসা: এগুলোতে প্রায় ৯২-৯৫% পানি থাকে, যা শরীর ও পেট হাইড্রেট রাখে।
➤টক দই: প্রোবায়োটিকের চমৎকার উৎস, যা হজমশক্তি বাড়ায় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
➤ডাবের পানি: এতে থাকা প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে।
➤ছাতু ও বেলের শরবত: গরমে পেটের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং হজমশক্তি ঠিক রাখতে এগুলো খুব উপকারী।
➤সবুজ শাকসবজি: পালং শাক, পুদিনা পাতা, এবং লাউয়ের মতো সহজে হজমযোগ্য সবজি।
⭕অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার ও ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা উচিত এবং ডায়েটে পর্যাপ্ত ফাইবারযুক্ত খাবার রাখা উচিত। সংগৃহীত

পর্যাপ্ত পানি পান না করা, অতিরিক্ত লবণ ও প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়া এবং শারীরিক ওজন বেশি থাকা কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রধান কারণ।...
17/06/2026

পর্যাপ্ত পানি পান না করা, অতিরিক্ত লবণ ও প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়া এবং শারীরিক ওজন বেশি থাকা কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রধান কারণ। প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম, অক্সালেট ও ইউরিক অ্যাসিডের মতো উপাদান বেড়ে গেলে এবং তা তরলে দ্রবীভূত হতে না পারলে সেগুলো ক্রিস্টাল বা দানায় পরিণত হয়ে পাথরের রূপ নেয়।
➡️কিডনিতে পাথর হওয়ার পেছনে মূল কারণ ও ঝুঁকিসমূহ নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
➤কম পানি পান করা: পানি কম খেলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়, ফলে খনিজ ও লবণের উপাদানগুলো একত্রিত হয়ে পাথর তৈরি করতে পারে।
➤খাদ্যাভ্যাস: খাবারে অতিরিক্ত লবণ (সোডিয়াম), অতিরিক্ত চিনি এবং মাংস, মাছ ও ডিমের মতো প্রাণিজ প্রোটিন বেশি গ্রহণ করলে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
➤ওজন বৃদ্ধি: অতিরিক্ত শারীরিক ওজন বা স্থূলতা, বিপাকীয় সমস্যা (মেটাবলিক সিনড্রোম) এবং ডায়াবেটিসের রোগীদের কিডনি পাথরের প্রবণতা বেশি থাকে।
➤প্রস্রাবের সংক্রমণ: বারবার মূত্রনালীতে সংক্রমণ (UTI) হলে 'স্ট্রুভাইট' নামক পাথর তৈরি হতে পারে।
➤পরিবার ও চিকিৎসা ইতিহাস: পরিবারে কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকলে বা আগে গ্যাস্ট্রিক বাইপাস সার্জারি হয়ে থাকলে এই ঝুঁকি বেড়ে যায়। সংগৃহীত

সুস্থ ব্যক্তিরা কুসুমসহ ডিম খেতে পারবেন। ডিমের কুসুমে রয়েছে ভিটামিন A, D, E, B-12, আয়রন, এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা শরীর...
17/06/2026

সুস্থ ব্যক্তিরা কুসুমসহ ডিম খেতে পারবেন। ডিমের কুসুমে রয়েছে ভিটামিন A, D, E, B-12, আয়রন, এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
তবে বয়সভিত্তিক ডিম খাওয়ার পরিমাণ ও সতর্কতা নিচে দেওয়া হলো:
➤সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক: দৈনিক ১টি (সর্বোচ্চ ২টি) কুসুমসহ ডিম খাওয়া নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত।
➤বয়স্ক ও অন্যান্য: ৪০ বা তার বেশি বয়সের মানুষ চাইলে সপ্তাহে ৪ দিন কুসুমসহ এবং বাকি দিনগুলো কুসুম ছাড়া ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।
➤হৃদরোগ, কোলেস্টেরল বা ডায়াবেটিস রোগী: তাদের জন্য ডিম খাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট বাধা নেই, তবে কুসুম খাওয়ার আগে অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সংগৃহীত

কাঁঠালের বিচি পুষ্টি ও খনিজের দারুণ উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন (যেমন- এ, ...
16/06/2026

কাঁঠালের বিচি পুষ্টি ও খনিজের দারুণ উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন (যেমন- এ, বি-কমপ্লেক্স) থাকে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্ট সুস্থ রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
✅কাঁঠালের বিচির প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
➤হজমশক্তি ও বিপাক বাড়ায়: কাঁঠালের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকে, যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
➤হার্ট ভালো রাখে: এটি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়াতে সাহায্য করে, যা হৃদ্‌রোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়।
➤রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: এতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
➤রক্তস্বল্পতা দূর করে: কাঁঠালের বিচি আয়রনের খুব ভালো একটি উৎস। নিয়মিত খেলে শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ হয়।
➤হাড় মজবুত করে: এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে হাড়কে মজবুত রাখতে ভূমিকা রাখে।
➤ত্বক ও চুলের তারুণ্য ধরে রাখে: কাঁঠালের বিচি ত্বকের বলিরেখা দূর করতে এবং সজীবতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন এ চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
✅খাওয়ার নিয়ম:কাঁঠালের বিচি সাধারণত সিদ্ধ করে, আগুনে পুড়িয়ে, তরকারিতে দিয়ে বা ভর্তা বানিয়ে খাওয়া যায়। সংগৃহীত

৮০ বা ৯০ কেজি থেকে ওজন কমাতে আপনার ৮০% ডায়েট (পুষ্টিকর খাবার) এবং ২০% ব্যায়ামের (শারীরিক পরিশ্রম) নিয়ম অনুসরণ করা উচিত...
16/06/2026

৮০ বা ৯০ কেজি থেকে ওজন কমাতে আপনার ৮০% ডায়েট (পুষ্টিকর খাবার) এবং ২০% ব্যায়ামের (শারীরিক পরিশ্রম) নিয়ম অনুসরণ করা উচিত। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মানুবর্তিতা মেনে চললে খুব সহজেই বাড়তি ওজন কমানো সম্ভব।

✅ওজন কমানোর মূল উপায়গুলো নিচে দেওয়া হলো:

❌প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন: ফাস্টফুড, কোল্ড ড্রিংকস এবং সব ধরনের মিষ্টি বা প্যাকেটজাত খাবার খাওয়া বন্ধ করুন।
➤সুষম খাদ্যাভ্যাস: খাবারে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও চিনি এড়িয়ে চলুন। ভাত বা রুটির পরিমাণ কমিয়ে প্লেটের অর্ধেক অংশ শাকসবজি এবং এক-চতুর্থাংশ প্রোটিন (যেমন: মাছ, ডিম, মুরগির মাংস বা ডাল) রাখুন।
➤পর্যাপ্ত পানি পান: প্রতিবার ভারী খাবার খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে ২ গ্লাস পানি পান করুন। এটি অতিরিক্ত খাওয়া রোধ করে।
➤নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০-৪৫ মিনিট brisk walking (দ্রুত হাঁটা) বা হালকা জগিং করতে পারেন।
➤ঘুম ও মানসিক চাপ: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন এবং মানসিক চাপমুক্ত থাকুন।

✅ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা: দ্রুত ওজন কমানোর চেয়ে ধীরে ও সুস্থভাবে (সপ্তাহে ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি) কমানো স্বাস্থ্যকর। সংগৃহীত

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The True Express posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The True Express:

Share