19/06/2026
যেকোনো মাছ থেকেই অ্যালার্জি হতে পারে, তবে সবচেয়ে বেশি অ্যালার্জি সৃষ্টি করে সামুদ্রিক মাছ (যেমন- টুনা, ম্যাকরল, স্যামন) এবং শেলফিশ (চিংড়ি ও কাঁকড়া)। এছাড়া আমাদের দেশে সহজলভ্য বিভিন্ন মাছেও অনেকের এলার্জির সমস্যা দেখা যায়।
✪যেসব মাছে সাধারণ এলার্জির প্রবণতা বেশি:
➤চিংড়ি ও কাঁকড়া: (শেলফিশ) এলার্জির ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে পরিচিত।
➤ইলিশ: অনেকেরই ইলিশ মাছ খেলে শরীরে চুলকানি বা লালচে র্যাশ দেখা দেয়।
➤স্যামন ও টুনা: সামুদ্রিক মাছে অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি থাকে।
➤অন্যান্য মাছ: পুঁটি, বোয়াল, শোলসহ অন্যান্য মাছেও অনেকের শরীরে হিস্টামিনজনিত জটিলতা তৈরি হতে পারে।
✪মাছ থেকে এলার্জি হলে সাধারণত ত্বক ও মুখে চুলকানি, র্যাশ, সর্দি, হাঁচি, গলা বা জিহ্বা ফুলে যাওয়া, পেট ব্যথা বা বমি ভাব দেখা দিতে পারে। মাছের Parvalbumin নামের প্রোটিনের কারণে সাধারণত এই প্রতিক্রিয়াগুলো হয়।
✅যাদের মাছে এলার্জি রয়েছে, তাদের এলার্জি প্রতিরোধে মাছ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা (যেমন- Skin Prick Test) করিয়ে নেওয়া উচিত। সংগৃহীত