A B M Hanif Master

A B M Hanif Master Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from A B M Hanif Master, Dhaka.

02/01/2025
10/04/2023

abm hanif mia

.জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আবদুল হামিদ মাষ্টার ভীষণ অসুস্থ। তিনি ঢাকা বারডেম হাসপাতালে ১৩ তলা ১৩২ নং ওয়...
08/04/2023

.জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আবদুল হামিদ মাষ্টার ভীষণ অসুস্থ। তিনি ঢাকা বারডেম হাসপাতালে ১৩ তলা ১৩২ নং ওয়াড়ের ৩৪ নং বেডে চিকিৎসাধীন আছেন। জনাব আবদুল হামিদ মাষ্টার সাহেবর শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেকটা উন্নত। তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।মহান আল্লাহ পাক তাহাকে দ্রুত সুস্হ ও দীর্ঘ হায়াত দান করুন। তিনি আমার রাজনৈতিক গুরু। তাহার হাত ধরেই আমি রাজনৈতিক দীক্ষা লাভ করি। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও দুই যুগ চাঁদপুর সদর উপজেলার সভাপতির দ্বায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করেছন।

15/07/2020

Our product is all indian clothing women colletion.We ensure products quality more than anything.

25/06/2017

পা ছুঁয়ে সালাম বা কদমবুচি...

হিন্দুধর্মে বয়োজ্যেষ্ঠ, গুরু, পিতা মাতার পা স্পর্শ করা তাদের প্রণামের একটি রুপ... একে হিন্দুধর্মে চরণস্পর্শ বলা হয়।

এক্ষেত্রে একজন মাথা নত করে পা ছুঁয়ে আশির্বাদ চায়, অপরজন ডান হাত তার মাথার উপর রেখে "আয়ুষ্মান ভব" বা "তোমার দীর্ঘায়ু হোক" বলে আশির্বাদ করে...

হিন্দুধর্মমতে চরণস্পর্শের মুল উদ্যেশ্য হল "শ্রদ্ধা" ও "করুণা"র আদান প্রদান... যে পা স্পর্শ করবে সে শ্রদ্ধা জানাবে, আর যার পা স্পর্শ করা হবে তিনি করুণা জানাবেন, শুভ কামনা করবেন।

যেহেতু বয়স্ক ব্যক্তিরা পৃথিবীতে বেশিদিন ধরে আছেন, তারা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার ধুলা পায়ে মেখেছেন, তাই তাদের পায়ের সেই ধুলা স্পর্শ করে নিজের মাঝে নেওয়ার জন্য এটি করা হয়।

সাধারণত দর্শন (গুরুদর্শন, বয়োজ্যেষ্ঠ দর্শন, দেবতা দর্শন ইত্যাদি) বা বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে চরণস্পর্শ খুব কমন প্র্যাকটিস... বিয়ের পর নববধুরা তাদের শ্বশুর শাশুড়ির পা ছুঁয়ে সম্মান ও আশির্বাদ কামনা করে... জ্যৈষ্ঠ মাসে যখন জামাই ষষ্টি হয়, তখন জামাইরা শ্বশুর শাশুড়ির পা ছুঁয়ে পদধূলি না নিলে জামাই ষষ্টি পুর্ন হয় না...

এদেশে ইসলাম আসার আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা যারা হিন্দু ছিল তারা সবাই এই চরণস্পর্শ প্র্যাকটিস করতেন। কিন্তু পরবর্তীতে মুসলমান হওয়ার পরেও অন্যান্য কিছু রীতি(যেমন যৌতুক প্রথা) এর মত এই চরণস্পর্শের রীতিও থেকে যায়... শুধু নাম পরিবর্তন করে এটার নাম দেওয়া হয় "পা ছুঁয়ে সালাম" বা "কদমবুচি"!

ঈদের দিনে এই পা ছুঁয়ে সালামের বিনিময়ে যা পাওয়া যায়, সেটাকে বলা হয় সালামী।

হিন্দুদের প্রণাম দুভাবে করা হয়... একটি হল মুখে মুখে বলে "নমস্কার"... আরেকটি হল মাথা নত করে পা ছুঁয়ে "চরণস্পর্শ"...

আর আমাদের মুসলিমদের সালামও ঠিক দুভাবে বানিয়ে ফেলেছি আমরা... মুখে মুখে বলে সালাম "আসসালামু আলাইকুম", আর পা ছুঁয়ে সালাম "কদমবুচি।"

অথচ ইসলামের সালাম শুধু একভাবেই করার নিয়ম... মুখে "আসসালামু আলাইকুম" বলে... আর কাউকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এটিই হল সবচেয়ে বেস্ট পদ্ধতি, যা স্বয়ং মহান আল্লাহ আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন।

ইসলামে ইবাদত হোক বা শ্রদ্ধা জানানোর উদ্যেশ্যে হোক- আল্লাহ ছাড়া আর কারো সামনেই মাথা নত করা সম্পুর্ন নিষিদ্ধ, তিনি যেই হোন না কেন...

তবে ইসলামে হিন্দু রীতির ন্যায় পা ছুঁয়ে সালাম নয়, তবে পায়ে চুম্বন করা আই রিপিট শুধু পায়ে চুম্বন করা (পা ছুঁয়ে সালাম নয়) বিষয়ক দুর্বল হাদিস রয়েছে, যার উপর ভিত্তি করে পীর, সুফি বা মাজারপন্থি হুজুররা কদমবুচিকে জায়েজ বলেন।

তারা এর পক্ষে এই হাদিস দেন যে "ওয়াযি বিন আমির বলেন, আমি একদা রাসূল সাঃ এর খেদমতে গিয়া হাজির হলাম। আমাকে বলা হল ইনিই হচ্ছেন আল্লাহর রাসূল। আমরা তখন তাঁর হস্তদয় ও পদদ্বয় ধরে চুমু খেলাম"।

কিন্তু হাদিসবিদদের মতে এটি এটি যইফ হাদিস, যা গ্রহণযোগ্য নয়। বরং অন্য হাসান (যা গ্রহণযোগ্য) হাদিসে রাসুল (সা) পায়ে চুমু খেতে নিষেধ করেছেন, কারণ এটি ইসলামপুর্ব জাহেলি যুগের প্রথা ছিল।

হযরত আনাস বিন মালিক রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, জনৈক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো যদি তার ভাই বা তার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ হয়, তবে কি সে তার অভিবাদন এর জন্য মাথা ঝুঁকাবে? তিনি বললেন, না। লোকটি বলল, তাহলে কি তাকে লেপ্টে ধরবে এবং চুমু খাবে? তিনি বললেন, না। তাহলে কি তার হাত ধরবে এবং তার সাথে মুসাফাহা করবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (তিরমিজী, হাদীসটি হাসান)

আমার বিয়ের সময় বউ, আত্মীয় স্বজন ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের আগেই বলে রেখেছিলাম বিয়েতে আমি কাউকে পা ছুঁয়ে সালাম করবো না কিংবা আমার বউও করবে না...

কেন করব না সেটা তাদের ব্যাখ্যা করার পর তারা বুঝেছে... কিন্ত এরপরেও দুপক্ষেরই দুএকজন মুরুব্বি ছিল যারা বলেছে কি বেয়াদব জামাই কিংবা বউ যে সালাম করল না! কিন্তু এমন কাজ করে মানুষকে সন্তুষ্ট করে কি হবে, যখন সে কাজে স্বয়ং আমার সৃষ্টিকর্তা অসন্তুষ্ট!

ইসলাম সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাজকে সমর্থন করে। পায়ের কাছে ময়লা, নোংরা ধুলাবালি থাকে, জীবাণু থাকে- যা স্বাস্থ্যকরও নয়। অনেকে তো আছে টয়লেট থেকে বের জুতা ধুয়া তো দূরে থাক, পা-ও পর্যন্ত ধোয় না।

ঈদে যদি মুরুব্বিদের শ্রদ্ধা জানাতেই হয়, তাদের মুখে সালাম দিন, হাত ধরে মুসাফা করুন, বুকে জড়িয়ে নিন, দুআ চান... এরকম আরো অনেক উপায় আছে শ্রদ্ধা জানানোর... কিন্তু কারো পা স্পর্শ করে কদমবুচি করা যাবে না, হোক সেটা শ্রদ্ধার জন্য কিংবা সালামির টাকা আদায়ের জন্য।

10/06/2017

সৌদিআরব সহ মুসলিম বিশ্বের নেতাদের ভূমিকায় আমরা উদ্বিগ্ন,শংকিত,হতাশ।

ইহুদীরা যদি কারো বন্ধু হয় তাহলে তার আর শত্রুর দরকার হয়না।
সৌদিআরব এর বন্ধু এখন ইহুদীরা।তাদেরই পাতানো ফাদে পা দিল দেশটি। এর সাথে যোগ হয়েছে আরো কিছু মুসলিম দেশ।
যেখানে গোটা মুসলিম বিশ্বের সমস্যা সমাধানে নেতৃত্ব দেয়ার কথা ছিল তাদের।মানবতার কল্যানে,অসহায় মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যাদের ভূমিকা থাকার কথা। সেখানে তারা এখন আমেরিকার হাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে।
এর চেয়ে লাজ্জা আর কি হতে পারে?

তারা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী মুসলমানদের পাশে না দড়িয়ে পরোক্ষভাবে ইজরাইলের ইহুদীদের সহায়তা করছে।
তারা যে শত শত বিলিয়ন ডলারের অস্র ক্রয় করছে সে অস্র কার বিরুদ্ধে ব্যাবহার করবে? তারা কি শিয়া সুন্নি দ্বন্দ্বের কথা বলে সেই মুসলমানদের রক্তই ঝরাবেনা?

তারা এখন কাতার কে বয়কট করেছে। এর সাথে তালমিলিয়ে আরো কিছু মুসলিম দেশেও কাতারকে বয়কট করেছে। কাতারকে বয়কট করে তারা এখন ইহুদী খ্রিষ্টান দেশের সাথে বন্ধুত্ব শুরু করেছে।এর পরিনাম হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।কাতাররে অবস্থা আবার ইরাক বা সিরিয়া না হয়! এই আশংকা এখন অমুলক নয়।

যে সব দেশ কাতারকে বয়কট করল তাদেরও সময়ের ব্যাবধানে বয়কট হওয়া লাগতে পারে।কাউকেই ইহুদীরা ছাড় দেবেনা।একটা একটা করে মধ্যপ্রাচ্যের সবদেশকেই ধরবে । ইরাক, আফগানিস্তান ,সিরিয়ার অবস্থা দেখেও কি হুস হবেনা? ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, এর অবস্থা দেখেও কি হুস হবেনা? এখন টার্গেট কাতার।এর পর কে??

চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও চাঁদপুর জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এডভোকেট মনিরা চৌধুরীর স্বামী জাকির ...
28/05/2017

চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও চাঁদপুর জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এডভোকেট মনিরা চৌধুরীর স্বামী জাকির হোসেন চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকার্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।

27/03/2017

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A B M Hanif Master posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share