Online Shopping BD

Online Shopping BD ﷽Äłłāh﷽
তুমি জান্নাত চেওনা বরং তুমি দুনিয়াতে এমন কাজ করো যেন জান্নাত তোমাকে চায়।
-হযরত আলী (রাঃ)

10/04/2025
08/11/2023

আপনি কি জানেন,,,,?

●"সূর্য" ডুবার পর কোথায় যায়❓
●রাসূল সাঃ, সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবু যর গিফারি (রা:) কে বললেনঃ তুমি কি জানো, সূর্য ডুবার পর কোথায় যায়❓ আমি বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) তা ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ তা যেতে যেতে আরশের নিচে গিয়ে সিজদায় পড়ে যায়। এরপর সে পুনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর অচিরেই এমন দিন আসবে যেদিন সেজদা করবে কবুল হবে না, ও অনুমতি চাইবে কিন্তু অনুমতি দেয়া হবে না।

তাকে বলা হবে যে পথে এসেছ সে পথে ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম আকাশে উদিত হবে তখনই ঘনিয়ে আসবে কেয়ামত। তখন থেকে আর দোয়া কবুল হবে না। সহীহ বুখারী (২৯৭১)।

আল্লহুম্মাগফিরলী।
©

04/10/2023

এই ফিতনার যামানায় যে আল্লাহ্ তা'আলাকে সন্তুষ্ট রেখে মরে যেতে পারলো সে সত্যি কামিয়াব হয়ে গেলো। বর্তমান দুনিয়াটা ঈমানদারদের জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। পদে পদে ফিতনা। আল্লাহ্ রক্ষা না করলে ইহকাল পরকাল দুটোই ধ্বংস।


©

22/09/2023

“ আপনি যদি নিস্বার্থে গোপনে ভালো কাজ করেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রকাশ্যে আপনার উপরে তার রহমাত বর্ষণ করবেন ”

- ইমাম ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহ

©

স্ত্রী চাকরী করলে স্বামীর হক আদায় হয়না। স্ত্রী চাকরী করলে সন্তানের হক আদায় হয়না।স্ত্রী চাকরী করলে তার কমনীয়তা নষ্ট হ...
19/09/2023

স্ত্রী চাকরী করলে স্বামীর হক আদায় হয়না।
স্ত্রী চাকরী করলে সন্তানের হক আদায় হয়না।
স্ত্রী চাকরী করলে তার কমনীয়তা নষ্ট হয়।
স্ত্রী চাকরী করলে পরিবার ধ্বংস হয়।
স্ত্রী চাকরী করলে পর্দা নষ্ট হয়।
স্ত্রী চাকরী করলে সমাজ নষ্ট হয়।

স্ত্রীকে যেই স্বামী বলে আমার স্ত্রীর চাকরী করার দরকার নেই। আমি যা পাই তােমাকে খাওয়াব, সে তাে রাজরানী হয়ে আছে। এখন সে রাজরানী না হয়ে কর্মচারী হতে চায়।

আসলে স্ত্রী স্বামীর মর্যাদা বােঝে নি, স্ত্রী নিজের মর্যাদাও বোঝে নি। ঘর একটি জগৎ। অসংখ্য কাজ রয়েছে। আজ ছেলেদের বেকারত্বের বড় কারন হচ্ছে মেয়েরা এগিয়া আসছে, ছেলেরা কোন চাকরী পাচ্ছে না। একটি ছেলেকে চাকরী দিলে পুরাে পরিবারের উপকার হয়।

‘অতএব মা-বোনেরা নিজের আত্মমর্যাদা রক্ষার্থে স্বামীর আনুগত্য ও বাসায় অবস্থান করে রানির হালাতে অবস্থান করুন। অতএব মা-বোনেরা দুনিয়া কামাতে যেয়ে আখেরাত না হারিয়ে ঘরে অবস্থান করে স্বামী-সন্তানের খেদমত করে দুনিয়া ও আখেরাত দুটিই কামাই করতে পারবেন ইন শা আল্লাহ।’

শায়খ আবু বকর মুহাম্মাদ জাকারিয়া (হাফিযাহুল্লাহ)

©

হঠাৎ আমি অফলাইনে চলে যাবো! এভাবে করে ২-১ মাস কেটে যাবে! অনেক মেসেজ জমা হয়ে থাকবে‌! কেউ নতুন, কেউ পুরোনো! কেউ সালাম দিয়...
11/09/2023

হঠাৎ আমি অফলাইনে চলে যাবো! এভাবে করে ২-১ মাস কেটে যাবে! অনেক মেসেজ জমা হয়ে থাকবে‌! কেউ নতুন, কেউ পুরোনো! কেউ সালাম দিয়ে রিপ্লাইয়ের অপেক্ষায়, আর কেউ রিপ্লাই না পেয়ে দু একটা বকাও দিয়ে রাখবে‌! এরপর বন্ধুদের টাইম লাইনে আচমকা একটা পোস্ট আসবে!🌸

'এই আইডির মালিক গত এত তারিখ, এত সময়ে ইন্তেকাল করেছেন! তার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন!🖤

এটা দেখে কয়েক'শ Sad react , আর কমেন্টের বন্যা! এভাবে ৩-৪ দিন! এরপর এটা ধামাচাপা, পুরোনো! ২-১ এক দিন হয়তো মন খারাপ হবে, যারা আমার খারাপ চাইতো তারাও সহানুভূতি হবেন! এভাবে করেই আমার নামটি মুছে যাবে! ব্যস্ত দুনিয়ায় সবাই ব্যস্ত হয়ে যাবেন! মুছে যাবে আমার নামটি!আইডি টাও পড়ে থাকবে! সময় তার গতিতে চলমান। শুধু আমার সময়টা শেষ হয়ে যাবে!এই তো ক্ষণিকের হৈ হুল্লোড়!🖤🤍

©

11/09/2023

চমৎকার কিছু পরামর্শ:

১। মেয়েরা শরীরের কাপড় চেঞ্জ করার সময় অবশ্যই "বিসমিল্লাহ" বলে নিবেন। নইলে আশেপাশে থাকা ফেরেশতারা লজ্জা পেয়ে চলে যাবে এবং জ্বীনরা আপনার সব দেখে ফেলবে।

২। আপনি যখন ওয়াশরুমে যাবেন, যাওয়ার আগে অবশ্যই দোয়া পড়ে নিবেন। তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা আপনার ও জ্বীনদের মধ্যে একটি পর্দা তৈরী করে দেবে। এতে করে খবিশ জ্বীন গুলো আপনাকে ইভটিজিং করতে পারবেনা।

৩। কোথাও কিছু ফেলার আগে বিসমিল্লাহ বলে ফেলবেন। এতে অন্যান্য সৃষ্টির কোনো অসুবিধা হবে না।

৪। বাহিরে যাওয়ার সময় ঘরে থাকা ফেরেশতাদের সালাম দিয়ে বের হবেন ও দোয়া পরে বের হবেন।যেসব ফেরেশতারা আপনার অনুপস্থিতি তে আপনার ঘরটি পাহারা দিলেন ঘরে এসে তাদের আবারো সালাম দিন। এটা ভদ্রতা।

৫। বেশি বেশি সালাম দেওয়ার অভ্যাস করুন। ছোটদের আগে সালাম দিন। তারা উৎসাহিত হবে।

৬। আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে বাচ্চাদেরকে ছোট থেকে মসজিদে পাঠানোর অভ্যাস করুন। দাঁড়িয়ে পানি খেতে দিবেন না বাচ্চাদের, তারা ছোট থেকেই শিখবে। আপনি নিজেও দাঁড়িয়ে পানি খাওয়া বন্ধ করুন। বসে খাবেন। এটা সুন্নাহ।

৭। ডান কাত হয়ে ঘুমাবেন। এটা সুন্নাহ ও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ঘুমের আগে অবশ্যই ৩ কুল পড়ে ঘুমাবেন। এটা আপনাকে সারারাত বদ মানুষ ও জ্বীন থেকে হেফাজত করবে, ইন শা আল্লাহ্।

৮। প্রতিরাতে অবশ্যই সুরা মুলক পড়ে ঘুমাবেন। এটা আপনার কবরের জীবনের সাথী, আপনাকে কবরের আযাব থেকে বাঁচাবে ইন শা আল্লাহ্।

৯। ঘুমের আগে প্রতিদিন বিছানা ঝাড়েন অথচ এটা সুন্নত মনে করে ঝাড়লেই পেয়ে যাচ্ছেন সওয়াব! অনুরূপ ভাবে কাপড় পড়ার আগে অবশ্যই একটু ঝেড়ে নিবেন এটা সুন্নাহ এবং কাপড়ে কোনো পোকামাকড় থাকলেও আপনার ক্ষতি করতে পারবেনা।

১০। খিলখিল করে হাসা বন্ধ করুন। মুচকি হাসবেন। এটাই সুন্নাহ!

১১। রাতে ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসী পড়ে ঘুমাবেন এতে করে শয়তান আপনার নিকট আসতে পারবে না। ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, এবং ৩৪ বার আল্লাহ আকবর পড়ে নিবেন।

১২। রাতে ওযু করে ঘুমাবেন এতে করে সারা রাত একজন ফেরেশতা আপনার জন্য দোয়া করতে থাকবে।

১৩। ঘুমানোর আগে সবাইকে মাফ করে দিয়ে এবং আপনি নিজে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে ঘুমাবেন।

১৪। রাতে ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ত করে ঘুমাবেন আপনি যদি ঘুমের কারনে নাও উঠতে পারেন তারপরও তাহজ্জুদ এর সওয়াব পেয়ে যাবেন।

#সংগৃহিত

08/09/2023

❝কিছু লোক ওযর পেশ করে বলে যে, তাদের সময়ে বরকত নেই। এ রকম লোকদের বলা দরকার, বরকত তো আছেই। কিন্তু তোমাদের গুনাহ আর কাজকর্মে বিশৃঙ্খলা তাকে ঢেকে রেখেছে।❞

>~~ড. আব্দুল আযিয আস সাদহান হাফি.

08/09/2023

প্রশ্ন: যাদের গর্ভের বাচ্চা ২/৩ মাসে মিসক্যারেজ হয়। এই বাচ্চাদের কি জান্নাত দেওয়া হবে এবং তারা তাদের পিতা-মাতার জন্য শুপারিশ করবে?

উত্তর:
মাতৃগর্ভে ১২০ দিন‌ তথা চার মাস অতিক্রম করে পঞ্চম মাসে ভ্রূণে আত্মার সঞ্চার ঘটে। যেমনটি সহিহ বুখারি ও মুসলিমের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (যিনি ছিলেন পরম সত্যবাদী এবং সত্যায়নকৃত) বলেছেন,

“নিশ্চয় তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান নিজ নিজ মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (নিজ অবস্থায়) জমা থাকে। অতঃপর তা জমাট বাঁধা রক্তে পরিণত হয়। ঐভাবে চল্লিশ দিন অবস্থান করে। অতঃপর তা মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়ে (আগের মত চল্লিশ দিন) থাকে। অতঃপর আল্লাহ একজন ফেরেশতা প্রেরণ করেন। আর তাঁকে চারটি বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়। তাঁকে লিপিবদ্ধ করতে বলা হয়, তার ‘আমল, রিজিক, আয়ু এবং সে কি সৌভাগ্যবান হবে নাকি হতভাগ্য হবে। অতঃপর তার মধ্যে আত্মা ফুঁকে দেওয়া হয়।” [সহিহ বুখারি ও মুসলিম]

চার মাস পূর্ণ হওয়ার আগে তা প্রাণহীন একটি মাংসপিণ্ড মাত্র। এটি মানব সৃষ্টির সূচনা। তাই তার উপর পূর্ণ মানুষের বিধান প্রযোজ্য হবে না‌। এ কারণে যদি মাতৃগর্ভে ভ্রূণের মধ্যে আত্মার সঞ্চার ঘটার পূর্বে মিসক্যারেজ (অকাল গর্ভপাত) হয়ে যায় তাহলে তার ওপর মৃত মানুষের বিধি-বিধান প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ তাকে গোসল, জানাজা, কাফন, দাফন ইত্যাদি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

অনুরূপভাবে সে পরকালে জান্নাতবাসী হবে না, কিয়ামতের দিন তার মায়ের জন্য শাফায়াত করবে না বা নাড়ির সাথে টেনে জান্নাতে নেবে না। কারণ প্রাণের সঞ্চার ঘটার পূর্বেই তা নষ্ট হয়ে গেছে।

তবে আত্মার সঞ্চার ঘটার পরে এমনটি হলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ ব্যাপারে আহলুস সুন্নাহর-এর আলেমদের মাঝে কোনও দ্বিমত নেই। অনুরূপভাবে আশা করা যায়, কিয়ামতের দিন সে তার পিতা-মাতার জন্য শাফায়াত করবে।

▪️ইমাম নাওয়াবি রাহ. বলেন,

”মুসলিমদের নিকট যে সকল আলেম নির্ভরযোগ্য হিসেবে পরিগণিত হয় তাদের সর্বসম্মত অভিমত হল, মুসলিমদের যেসব শিশু মৃত্যু বরণ করবে সে জান্নাতবাসী হবে। কারণ তার উপর শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য ছিল না।” [শারহে মুসলিম, ১৬/২০৭]

এ বিষয়ে হাদিস হলো:

আনাস ইবনে মালেক রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ওসমান ইবনে মাজউন রা.-এর ছেলে মৃত্যুবরণ করলে তিনি প্রচণ্ড কষ্ট পেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তাকে বললেন, "হে ওসমান, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, জান্নাতের আটটি দরজা এবং জাহান্নামের সাতটি দরজা রয়েছে। তুমি জান্নাতের যে দরজায় যাও না কেন সেখানেই দেখবে, তোমার সেই সন্তান তোমার কামরা ধরে দাঁড়িয়ে আছে এবং আল্লাহর‌ নিকট সুপারিশ করছে?

তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই।

একথা শুনে অন্যান্য মুসলিমগণ বললেন, হে আল্লাহর রসুল, ওসমানের মৃত শিশুর মত আমাদের মৃত শিশুর ক্ষেত্রেও কি একই কথা?
তিনি বললেন, "হ্যাঁ, যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করবে এবং সওয়াবের আশা করবে।

[তারিখে হাকেম, মাজমাউল বুহুসিল ইসলামায়া]

▪️ শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায রাহ. বলেন,-----

"চার মাসের পূর্বে "সন্তান" বলা হবে না। সন্তান বলা হবে, চার মাস পরে যখন তার মধ্যে আত্মার সঞ্চার ঘটবে। (এরপরে অকাল গর্ভপাত হলে) তার গোসল দিতে হবে এবং জানাজা পড়তে হবে। এটিকে "শিশু" হিসেবে গণ্য হবে। আশা করা যায়, সে তার পিতা-মাতার জন্য কিয়ামত দিন সুপারিশ করবে।'

তবে অকাল গর্ভপাত যখনই হোক না কেন তা একজন মায়ের জন্য অনেক দুঃখ ও কষ্টের কারণ। এ ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ তার গুনাহ মোচন করবেন এবং অশেষ সওয়াব দান করবেন ইনশাআল্লাহ।

আবু সাঈদ খুদরি ও আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

"মুসলিম ব্যক্তির উপর যে কষ্ট-ক্লেশ, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানি আসে, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে ফুটে, এ সবের মাধ্যমে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।"

[সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন), অধ্যায়: ৭৫/ রুগী, পরিচ্ছেদ: ৭৫/১. রোগের কাফফারা ও ক্ষতিপূরণ এবং সহিহ মুসলিম ৪৫/১৪, হা/২৫৭৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৬)]
আল্লাহু আলম।

- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

08/09/2023

রিযিক, বরকত, সুখ এগুলো নিয়ে আমাদের ধারণা ক্লিয়ার করি নিই

১. অনেকেই মাসে এক লক্ষ টাকা উপার্জন করে। এতো উপার্জন করেও সারাক্ষণ টেনশনে থাকে। তার আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। আবার কেউ কেউ মাসে বিশ হাজার টাকা উপার্জন করেও সন্তুষ্ট, দুশ্চিন্তা মুক্ত খুব সুন্দর জীবনযাপন করে।

২. দামি খাবার খেলেই পরিতৃপ্ত হবেন এমন না। অনেকেই ফাইভ স্টার হোটেলের খাবার খায়, ভালো রেস্টুরেন্টে খায়। কিন্তু, খাবার খেয়ে তৃপ্ত হতে পারে না। 'সব আছে, কী যেন নেই' এমন একটা দুশ্চিন্তা কাজ করে। অথচ কেউ ডাল, ভর্তা দিয়ে খায়, কিন্তু খুব তৃপ্তি নিয়ে খায়।

দামি খাবার খেয়েও অনেকেই সেই স্বাদ পায় না। অথচ মা-স্ত্রীর রান্না খেয়েও অনেকেই তৃপ্ত।

৩. অনেকেই রাত একটায় ঘুমায়, সকাল দশটায় ঘুম থেকে উঠে। তারপরও দেখা যায় আলসেমি হয়, মনে হয় আরেকটু ঘুমালে ভালো হতো। আবার কেউ কেউ এগারোটায় ঘুমায়, তিনটায় উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে, আবার এক ঘন্টা ঘুমিয়ে ফজর পড়ে। ফজরের পর মনে হয় আর না ঘুমালেও চলবে।

একজন বেশি ঘুমিয়েও তৃপ্ত না, আরেকজন মোটামুটি ঘুমিয়েও বেশ প্রশান্ত।

৪. বাসায় মেহমান আসলে কেউ কেউ বিরক্ত হয়। যদিও মেহমানদেরকে খাওয়ানোর মতো টাকা আছে, কেনাকাটা করতে পারবে। আবার কেউ দিন আনে দিন খায়, এতোটা স্বচ্ছল না। কিন্তু, মেহনান আসলে খুব খুশি হয়। দুই-একদিন একটু কম খেয়ে মেহমানকে একটু ভালো খাবার খেতে দেয়।

বাহ্যিকভাবে সে গরীব হলেও মনের দিক থেকে সেই ধনীর চেয়ে উত্তম।

৫. অনেকের টাকা থাকা সত্ত্বেও তার কথা শুনলে মনে হবে 'তাকে একটু দান করি'। যা আছে সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট না। কেউ সাহায্য চাইতে গেলে সাহায্য করে না, ধার চাইতে গেলে 'আমিই খেতে পারছি না' বলে।

আবার আরেকজনের তেমন কিছু নেই৷ কিন্তু, সে যদি দেখে কেউ বিপদে পড়েছে, তখন নিজের সবকিছু দিয়ে বিপদগ্রস্থকে সাহায্য করে। দান-সাদকা করে; ১০ টাকা দিয়ে হলেও।
.

'সুখে থাকা' এটাকে স্রেফ ভাগ্য মনে করবেন না। এটা মানসিক বিষয়। সুখে থাকার জন্য অন্যের মতো ঐটা লাগবে এমনটা ভাবার কোনো দরকার নেই৷ যার ঐসব আছে, তাকেও জিজ্ঞেস করলে দেখবেন সে 'আরেকজনেরটা হলে সুখী হতাম' এমনটা ভাবে।

আপনার কী আছে সেটা চিন্তা করে সেটার মধ্যেই সুখ অনুভব করুন এবং আল্লাহ আপনাকে যে নিয়ামত দান করেছেন, সেটার শুকরিয়া আদায় করুন।

সুখে থাকার সূত্র খুবই সহজ। আমরাই একে জটিল মনে করি!

প্রত্যেক দিন, প্রত্যেক মাস সমানভাবে যাবে না। কোনো মাসে আপনার ব্যয় অনেক বেশি হতে পারে, কোনো মাসে আপনার উপার্জন অনেক কম হতে পারে। মানসিক সুখের সাথে অর্থকে একমাত্র অনুসঙ্গ বানাবেন না।

টাকা-পয়সা মানুষকে সুখ এনে দিতে পারে, টাকা পেলে মানুষ আনন্দিত হয় এটা সত্য। কিন্তু, টাকা ছাড়াও কিভাবে জীবনকে উপভোগ করা যায়, কিভাবে কষ্টের মধ্যেও আল্লাহর নিয়ামত চেনা যায় সেটা খুঁজে বের করতে পারলে দেখবেন সুখ নিয়ে হা-হুতাশ করবেন না।

- আরিফুল ইসলাম

#সংগৃহীত

07/09/2023

যখন তুমি কোনো অহংকারী ব্যক্তিকে দেখবে,জেনে রাখো সে হয় তার সালাত আদায়ে কম করে অথবা একেবারেই আদায় করে না।

ইমাম কুরতুবী (রাহি:)

06/09/2023

বাহির থেকে দ্বীনদার আমি,
ভেতরটা আমলে শূন্য।
অন্যদের করি নসিহা প্রচুর,
নিজেরই নফস পাপে পূর্ণ💔😔

#সংগৃহীত

Address

Dhaka
1362

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Shopping BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share