Signature cloth collection

Signature cloth collection সুলভ মূল্যে অত্যন্ত রুচিসম্মত পোশাক
(5)

দিন-রাত চুলোচুলি করা দুই সতীনের মাঝে মারা গেল ছোট সতীন একদিন।মারা যাবার আগে তার তিন বছরের ছেলেকে বড় সতীনের হাতে তুলে দিয়...
22/08/2023

দিন-রাত চুলোচুলি করা দুই সতীনের মাঝে মারা গেল ছোট সতীন একদিন।
মারা যাবার আগে তার তিন বছরের ছেলেকে বড় সতীনের হাতে তুলে দিয়ে বলল,'আমারে মাফ কইরা দিয়েন। আমার পোলাডারে আপনের হাতে দিয়া গেলাম। আইজ থেইক্কা আপনেই ওর মা।'

বড় সতীনের ঘরে দুই সন্তান। আড়াই বছরের এক ছেলে। পাঁচ বছরের এক মেয়ে।
এখন তার তিন সন্তান হল।
ছোট সতীন মারা যাবার পরে তার কোল থেকে নেমে গেল আড়াই বছরের ছেলে। সেখানে প্রতিস্থাপিত হল সতীনের তিন বছরের সন্তান।
সে এটাকে কোলে কোলে রাখে। মুখে তুলে খাওয়ায়। কোথাও গেলে নিজের ছেলেকে হাঁটিয়ে নিয়ে যায় কিন্তু সতীনের ছেলেকে নেয় কোলে তুলে।

এভাবেই আস্তে আস্তে বড় হল সে। কিন্তু সৎমা তাকে কোনও কাজ করতে দেয় না। নিজের ছেলেমেয়েদের দিয়ে কাজ করায়। কিন্তু তাকে দেয় মুখে তুলে খাইয়ে। এক গ্লাস পানিও ঢেলে খেতে দেয় না। পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয় -স্বজন সবাই প্রশংসা করে সৎমায়ের।
'তুমি তো অনেক ভালা মানুষ। মা মরা পোলাডারে কত্ত আদর কর। এরেই তুমি আরও বেশি ভালবাস। কে কইব তুমি অরে প্যাডে ধরনাই।'

'ভুল ভাবতাছেন আপনেরা।' মুখ খুলল বড় বউ। 'আমি শোধ নিতাছি। অর মায়ে আমার স্বামী কাইড়া নিছিল। আমারে পাঁচটা বচ্ছর জ্বালাইছে। আমি সেই শোধ নিতাছি এই পোলারে দিয়া। আমার পোলা মাইয়া জীবনে চলতে শিখব। কিন্তু অরে আমি আদর দিয়া পঙ্গু বানাইয়া দিতাছি। অয় জীবনে চলতে গিয়া পদে পদে আছাড় খাইয়া পড়ব। উইঠ্যা দাঁড়াইতে পারব না।' বলে মুচকি হাসে বড় বউ।

যে মা কলেজ পড়ুয়া ছেলের জিন্সের প্যান্ট ধুয়ে দেন, বিছানা তুলে দেন ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ের। আমার ছেলে/মেয়ে আমাকে ছাড়া চলতেই পারে না বলে গল্প করেন যে মা। আপনি এক বেলা বাসায় না থাকলে আপনার ছেলেমেয়ে এক মুঠো চাল সেদ্ধ করে খেতে জানে না বলে গর্ব করেন যে মা। আপনারা আদতে কিন্তু মা না।
সৎমা।

আপনি নিজে খুব ক্ষতিকারক আপনার সন্তানের জন্য।
এটাও ব্যাড প্যারেন্টিং।

Courtesy: মাসুমা মাইমুর

Available in stock 💕Imported from chinaDiscount price available...💥💥
19/08/2023

Available in stock 💕
Imported from china
Discount price available...💥💥

Women Rhinestone pointed heels In stock.😍😍Grab this discount.💥💥(Last two pair available.)🤩🤩Black size 38 Off white size ...
19/08/2023

Women Rhinestone pointed heels
In stock.😍😍

Grab this discount.💥💥
(Last two pair available.)🤩🤩
Black size 38
Off white size 40

Offer price 12*0

16/08/2023

ঘটক বলেছিলো আমার বড় বোনকে দেখতে ছেলে আর ছেলের বাবা মা আসবে শুধু। আমরা সেই হিসাবেই আয়োজন করেছিলাম। পরে দেখি ছেলের সাথে ছেলের চৌদ্দগুষ্ঠিও হাজির। লোক আসার কথা ছিলো ৩ জন অথচ আসলো ১৫জন। সাথে তো বাচ্চারা আছেই। বাবা আমায় আড়ালে ডেকে নিয়ে গিয়ে ১২ হাজার টাকা হাতে দিয়ে বললো,
- “পিয়াস, তাড়াতাড়ি বাজারে যা। গরুর মাং'স, মুরগীর মাং'স, যা যা লাগে সব কিনে নিয়ে আয়।

আমি আমার এক বন্ধুকে সাথে নিয়ে তাড়াতাড়ি বাজারে গেলাম। সবকিছু কিনলাম শুধু গরুর মাং'সটা কিনা হলো না। একে তো বৃষ্টি তার উপর গ্রামের ছোট একটা বাজার। গরুর মাং'স সব সময় পাওয়া যায় না। বাবাকে যখন ফোনে বললাম, বাজারে কোথাও গরুর মাংস পেলাম না তখন বাবা বললো, “যেভাবে পারিস গরুর মাং'সের ব্যবস্থা কর। তা নাহলে আমার ইজ্জত থাকবে না”

বাইক ভাড়া করে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে গেলাম থানার বড় বাজারে গরু'র মাং'স কিনতে। গ'রু'র মাং'স কিনে বাসায় আসতে আসতে একটু দেরি হয়ে গেলো। বাবা আমার দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো,
-“ দেরি করলি কেন? এতো অল্প সময়ে এই গুলো রান্না করবে কিভাবে?”
এই বৃষ্টির দিনেও বাবা ঘামছেন। চোখে মুখে বাবার ভয়ের ছাপ স্পট বুঝা যাচ্ছে। আমার মাস্টার বাবাকে এতোটা আসহায় আগে দেখি নি
আমি বললাম,
-আপনি চিন্তা করবেন না। সব ব্যবস্থা হয়ে যাবে। আপনি উনাদের সাথে গিয়ে বসে কথা বলুন।

মাকে রান্নার কাজে সাহায্য করার জন্য আমার বড় বোন যখন রান্নাঘরে ঢুকলো তখন আমার মা বড় বোনকে বাঁধা দিয়ে বললো,
- “তুই কেন রান্নাঘরে আসলি? যা যা তুই রুমে যা। রুমে গিয়ে তৈরি হ”
বড় আপু বললো,
- “মা তুমি পারবে না একা হাতে এতোকিছু সামাল দিতে। আমি একটু সাহায্য করি?”
মা বললো,
- “আমি পারবো একা সামাল দিতে। তুই তৈরি হয়ে থাক। ওরা কখন না কখন মেয়ে দেখতে চাইবে”

আমি ছেলে মানুষ রান্নার এতো কিছু বুঝি না। তবে এটা ওটা কেটে দিয়ে মাকে যতটুকু পারি সাহায্য করার চেষ্টা করছিলাম। কেউ চায়ে চিনি খায় না, কারো বা চায়ে চিনি কম হয়ে গেছে। কেউ সিগারেট খাবে তাকে সাথে নিয়ে সেইভ জায়গায় যাওয়া। সাথে আসা বাচ্চাদের দেখা শুনা করা এইসব করে করে আমার ছোটভাইটাও দেখি ক্লান্ত হয়ে গেছে।

৫মিনিট পর পর বাবা রান্নাঘরে এসে মাকে বলে, “কি গো রান্না কত দূর হলো?”
কপালে জমে থাকা ঘামটা মা আঁচল দিয়ে মুছতে মুছতে বলে, “এইতো হয়ে গেছে আরেকটু”

রান্না হয়ে গেলে খাওয়ার পর্ব শুধু। আমি আর বাবা নিজ হাতে সবাইকে খাওয়াচ্ছিলাম। বাবা বারবার বিনয়ের সহিত বলছিলো, “ জানি না রান্না কেমন হয়েছে। কোন ভুল ক্রটি হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন?”

উনাদের খাবার খাওয়ার স্টাইল দেখে মনে হচ্ছিলো উনারা তিন বেলায় ফাইভ স্টার হোটেলে কাটা চামচ দিয়ে খাবার খান। এইখানে হাত দিয়ে খাবার খেতে হচ্ছে বলে উনারা কিছুটা বিরক্ত। উনারা যত খাবার খেয়েছে তার চেয়ে বেশি নষ্ট করেছে।
বাচ্চা খাচ্ছে না বলে বাচ্চার মা ধমক দিয়ে বলে, “ এই তুমি খাচ্ছো না কেন? এই নাও মাং'স”
বাচ্চা বলে, “আমি খাবো না”
বাচ্চার মা বলে, “ তোমাকে খেতেই হবে এই নাও মাং'স” এইবলে বাচ্চার প্লেটে পুরো বাটিই ঢেলে দেয়।

খাওয়ার পর্ব শেষে মেয়ে দেখানোর পর্ব শুধু। আমার অনার্স পাস করা বোনকে দিয়ে সুরা ফাতিহা বলানো থেকে শুধু করে হাতের লেখা দেখানো সব কিছু শেষ হলে পাত্রের মা আমার বাবাকে বললো,
“আসলে মেয়ে আমাদের পছন্দ হয় নি। আমরা আমাদের ছেলের জন্য একটা সুন্দরী মেয়ে খুজছিলাম।”
পাত্রের বড় বোন বললো, “ মেয়ে দেখছি কিছুটা খাটো তাছাড়া মেয়ের বয়সটাও একটু বেশি”

কথাগুলো শুনে আমার বড়বোন মাথা নিচু করে নিরবে চোখের জল ফেলছিলো। কেন জানি আমার আর সহ্য হচ্ছিলো না। আমি তাদের বললাম,
-কেন, আপনারা কি জনতেন না আমার বোন শ্যামলা। আমি তো ঘটককে আমার বোনের ইডিট ছাড়া ছবি দিয়েছিলাম। তাছাড়া আপনারা কি জানতেন না আমার বোনের উচ্চতা ৫ফুট ২ ইঞ্চি আর আমার বোন অনার্স পাশ করেছে? আমি তো সবি ঘটককে বলেছি আগে থেকেই

পাত্রের দুলাভাই আমতা আমতা করে বললো,
- “হ্যাঁ সবি জানতাম। তারপরেও এসেছিলাম সামনাসামনি একবার মেয়েকে দেখতে”

দাঁতের সাথে দাঁত চেপে রেখে নিজের রাগটা কন্ট্রোল করে আমি বললাম,
-সামনা-সামনি দেখলে কি হতো? আমার বোন তো আর শ্যামলা থেকে ফর্সা হয়ে যেতো না। তার উচ্চতাও বেড়ে যেতো না কিংবা তার বয়সও কমে যেতো না। তাহলে শুধু শুধু আপনারা এতো কষ্ট করে আসতে গেলেন কেন?

পাত্রের বড় বোন কিছুটা রেগে বললো,
“ আমরা মেয়ে দেখতে এসেছি বলে দোষ করে ফেলেছি নাকি?”
আমি বললাম,
-না আপনারা কোন দোষ করেন নি। ৩জনের জায়গায় ১৫জন এসেছেন এতে আপনাদের দোষ হয় নি, খাবার খাওয়ার চেয়ে নষ্ট করেছেন বেশি এতেও আপনাদের দোষ হয় নি। আপনারা ছেলের জন্য ফর্সা, লম্বা, কম বয়সী মেয়ে খুজছেন। যার কোনটাই আমার বোনের মাঝে নাই। সেটা জানার পরেও আপনারা এইখানে চলে এসেছেন এতে আপনাদের দোষ হয় নি। দোষ তো করেছে আমার বাপ মা। উনারা কেন মেয়ে জন্ম দিলো। দোষ করেছে আমার বোন। কেন সে আপনাদের অপমান নিরবে সহ্য করলো। দোষ তো করেছি আমি। কেন এখনো পায়ের জুতা গুলো হাতে তুলে নেই নাই…

আমার কথা শুনে বাবা আমার গালে থা'প্প'ড় মে'রে আমাকে থামিয়ে দিয়ে উনাদের কাছে মাফ চাইলো। সবাই চলে গেলে বাবা আমার কাছে এসে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললো, “ যেদিন নিজে মেয়ের বাবা হবি সেদিন বুঝবি মেয়ের বাবাদের কত কি সহ্য করে নিরব থাকতে হয়”

রাতে আপুর রুমে গিয়ে দেখি আপু এখনো কান্না করছে।১৫ মানুষের সামনে যখন রিজেক্ট শব্দটা শুনতে হয় তখন অপমানে চোখে জল আসবেই। ছোট ভাইটা ক্লান্ত শরীর নিয়ে শুধু ডাল মেখে ভাত খাচ্ছে অথচ কিছুক্ষণ আগেও রোস্ট, গরুর মাংস, মাছ ভাজা সব এইবাসায় রান্না হয়েছে। নিজের দিকে তাকিয়ে দেখি বৃষ্টিতে ভেজা টিশার্টটা শরীরেই শুকিয়ে গেছে।

আমাদের সমাজে কিছু কিছু মানুষ এখনো দববল নিয়ে মেয়ে দেখতে যায়। তারপর কব্জি ডুবিয়ে খেয়ে, মেয়ে পছন্দ হয় নি বলে, বুক ফুলিয়ে চলে আসে। অথচ একটা বার ভেবে দেখে না ১০জনের সামনে যে মেয়েটাকে রিজেক্ট করা হলো সে মেয়েটা কতটা কষ্ট পেতে পারে। ২জনের কথা বলে ১০জন গিয়ে যখন হাজির হলো তখন মেয়ের পরিবারের মানুষজন কতটা বিব্রতকর পরিস্থিতে পড়তে পারে।

বিয়ের কথাবার্তা চলাকালীন মেয়েকে আলাতাভাবে আপনি নিজে একবার দেখুন। যদি মেয়েকে দেখে আপনার পছন্দ হয় তাহলে বাবা-মা আর সাথে দুই একজন মুরব্বি নিয়ে মেয়ের বাসায় যান। মেয়ের বাড়িতে আ গু ন লাগে নাই যে আপনি দমকল বাহিনী নিয়ে ছোট লোকের মত মেয়ের বাড়িতে হাজির হবেন…

#মেয়ে_দেখা
#আবুল_বাশার_পিয়াস.
❤️

12/07/2023

আম্মাকে সবসময় মাছের মধ্যে খেতে দেখতাম লেজের পিসটা। সে বলত ঐটা তার প্রিয়। ভাবতাম এত কাটার দিকটা কিভাবে একটা মানুষের প্রিয় হয়। আর মুরগির মধ্যে তার নাকি গলা মাথা আর পা পছন্দ।
সে ভুল ভেঙ্গে গেলো আমার বিয়ের পর।
পারিবারিক ভাবে যৌথ পরিবারে বিয়ে হলো আমার। ৯ জনের পরিবারে সবাই নতুন। স্বামীও অপরিচিত। বিয়ের পরদিন যখন খেতে বসবো তখন শ্বাশুড়ী বলল - তুমি পরে খাও। আগে পুরুষ বেটারা খায়া নেক।
তখন সবাই খেতে বসার আগে আমার শ্বাশুড়ী বলল - মাছের মাথাটা তোমার শ্বশুর খায়। তার ঐটা পছন্দ। প্যাটা দুইটা দুই মাইয়া (আমার ননদ) পছন্দ করে। কাঁটা কম তো তাই। ঘাড়ের পাশটা বাবুরে (আমার বর) এক পিস , এক পিস দিবা অনুরে (মেঝো দেবর) , এক পিস দিবা সোহাগ রে (সেঝো দেবর) আর ঘাড় পেট মিলানো এক পিস দিবা মহসিন রে (ছোট দেবর)..
আর বাকী দুই পিছ তুমি আমি খামুনে। আমার তো কাটা বাছতে কষ্ট হয় তাও লেজটা আমিই নিমুনে।
আমি অতি ভদ্রতা দেখিয়ে বললাম ঘাড় পেটের আরেক পিস টা আপনি নিয়েন। আমি লেজ খাবো।
শ্বাশুড়ী বলে উঠলো - ওহ আগে কইবা না তুমি লেজ পছন্দ করো।
আমি আসলে এমন কিছুই বলি নাই।
যাই হোক এরপর থেকে খেতে বসলেই আমার শ্বাশুড়ী বলতেন - বৌ তো লেজ পছন্দ করে।
আমি মনে মনে হাসতাম। আর লেজের মাছ খেতে বসলে মায়ের চেহারাটা ভেসে উঠত আর ভাবতাম.. আম্মারও তাহলে লেজটা খেতে ভালো লাগত না। আমাদের ভাগাভগি করে দিয়ে লেজটাই তার কপালে জুটতো।
আর আমরা কখনো জিজ্ঞাসাও করতাম না আম্মা - তোমার কি সত্যিই লেজের মাছটা ভালো লাগে?
মেয়েরা হয়ত এভাবেই সেক্রিফাইস করে। খুব গোপনে। কেউ জিজ্ঞাসাও করেনা। কারো চোখেও পরে না। কেউ বুঝতেও চায়না। কেউ বুঝাতেও চায়না।

© জাকিয়া জুলিয়েট💕💕

13/03/2023

আমি চাইলেই আমার আম্মাকে যা ইচ্ছে কিনে দিতে পারি। যেটা আমার স্ত্রী তার বাবা মাকে পারে না। কারণ সে জব করে না।

একজন মাস্টার্স করা নারী হওয়ার পরও সে তার সবটুকু ঢেলে দিয়েছে আমার সংসারে। এটা অনেক বড় জব, অথচ স্যালারি নেই।

আমি তাকে বলেছি, তোমাকে আমি কতটুকু কি দিতে পারব জানি না, কিন্তু তোমার বাবা মাকে যদি কিছু দিতে ইচ্ছে করে, সেটা যত দামীই হোক আমার মানিব্যাগ থেকে নিয়ে নিবা। এর জন্য আমার পারমিশনও নিতে হবে না। সেই সময়ের জন্য আমার মানিব্যাগটা হয়ে যাবে তোমার স্যালারি একাউন্ট।

একটা মেয়ে তার বাবা মাকে কতটা ভালবাসে তা আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না। কারণ আমারও দুটো মেয়ে।

আমি আমার স্ত্রীকে সেভাবেই রাখার চেষ্টা করি যেভাবে আমার মেয়েদের দেখতে চাই।

©❤
কথা গুলো এক ভাইয়ার,,,অনেক ভালো লাগলো।

বিশ্বাস করেন পর্যাপ্ত পরিমাণে ধৈর্য এবং টাকা না থাকায় সুলতান'স ডাইনে কাচ্ছি খেতে না পেরে জীবনে প্রথমবার গরীব হওয়ায় গর্বব...
10/03/2023

বিশ্বাস করেন পর্যাপ্ত পরিমাণে ধৈর্য এবং টাকা না থাকায় সুলতান'স ডাইনে কাচ্ছি খেতে না পেরে জীবনে প্রথমবার গরীব হওয়ায় গর্ববোধ করা আমি🙂🐸

19/02/2023

বেশ ভালো একটা পেজ। সবাই ঘুরে দেখতে পারেন। শুভকামনা রইল।

18/06/2022

যেটার আশংকা ছিল সেটাই হল।
সুনামগঞ্জ ইতিমধ্যে বিচ্ছিন্ন।

সুনামগঞ্জ ও ছাতকের পাওয়ার গ্রিড বন্ধ করা হয়েছে। ওখানকার মানুষের জীবনের কী অবস্থা তা সুনামগঞ্জের মানুষ ছাড়া কেউ বলতে পারবে না।

সর্বশেষ সিলেট কুমারগাও পাওয়ার গ্রিড। এটি রক্ষা করা বা চালু রাখা না গেলে, পুরো সিলেট কলাপ্স করবে।

গ্যাস স্টেশন, মোবাইল নেটওয়ার্ক, হাসপাতাল, জরুরি সেবা সবই হুমকির সম্মুখীন। এ বন্যা সিলেটের ইতিহাসে বিরল।

সিলেটের সীমান্তবর্তি এলাকা কোম্পানিগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর এর মানুষের ঘর বাড়ি, ফসলি জমি, দোকান পাট, গবাদিপশু সব ডুবে গেছে বা কারও কারও ভেসে চলে গেছে।

সবার প্রার্থনায় মহান আল্লাহ পাক সিলেটকে রক্ষা করুক।

আমীন।😪

Eid mubarak to all of you...😁😁
03/05/2022

Eid mubarak to all of you...
😁😁

Products Name:Love Ear Ring Material:Alloy 💞Colors:Silver Price: 250 tk
30/12/2021

Products Name:Love Ear Ring
Material:Alloy
💞Colors:Silver
Price: 250 tk

Address

193 House, Road 3/A South Bonosree
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Signature cloth collection posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Signature cloth collection:

Share