27/08/2026
মূল ঘটনা:
একদা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বিখ্যাত সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর (রা.) মদীনার এক প্রান্তরে কিছু সঙ্গীসহ বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এমন সময় এক রাখাল বালককে তার ভেড়ার পাল নিয়ে সেখান দিয়ে যেতে দেখলেন। ইবনে উমর (রা.) বালকটিকে ডেকে বললেন, "হে রাখাল, এই পাল থেকে একটি ভেড়া আমাদের কাছে বিক্রি করো। আমরা তোমাকে এর মূল্য দেব এবং কিছু মাংসও দেব যা দিয়ে তুমি ইফতার করতে পারবে।"
রাখাল বালকটি জবাব দিল, "এই ভেড়াগুলো আমার নয়, আমার মালিকের। আমি এখানে শুধু একজন আমানতদার বেতনভোগী রাখাল।"
ইবনে উমর (রা.) তার সততা পরীক্ষা করার জন্য বললেন, "তোমার মালিককে গিয়ে বলবে যে নেকড়ে বাঘে একটি ভেড়া খেয়ে ফেলেছে, তাহলেই তো হলো। সে তো আর দেখতে আসছে না।"
বালকটি আকাশের দিকে আঙুল তুলে কেঁদে উঠে বলল, "ফা আইনাল্লাহ? (তাহলে আল্লাহ কোথায়?)" অর্থাৎ, মালিক না দেখলেও আল্লাহ তো সবকিছু দেখছেন! বালকটির এই খোদাভীতি দেখে ইবনে উমর (রা.) এতোটাই অভিভূত হলেন যে, তিনি মদীনায় ফিরে গিয়ে সেই মালিকের কাছ থেকে রাখাল বালকটিকে এবং তার সমস্ত ভেড়ার পাল কিনে নেন। এরপর বালকটিকে মুক্ত করে দিয়ে সব ভেড়া তাকে উপহার দেন।
শিক্ষণীয় শিক্ষা:
মানুষের চোখের আড়ালে অন্যায় করা গেলেও আল্লাহর চোখ ফাঁকি দেওয়া অসম্ভব।
সততা ও খোদাভীতির কারণে আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গাতেই সম্মানিত করেন। [1]