The Path of Deen

The Path of Deen Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Path of Deen, Dhaka.

জিলহজের প্রথম ১০ দিন: সন্তানের জন্য দুআ একজন মায়ের নীরব শক্তি আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আবারও এমন এক সময়ের সাক্ষী হচ্ছি, যা আ...
07/05/2026

জিলহজের প্রথম ১০ দিন: সন্তানের জন্য দুআ
একজন মায়ের নীরব শক্তি

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আবারও এমন এক সময়ের সাক্ষী হচ্ছি, যা আল্লাহর কাছে বছরের সবচেয়ে প্রিয় সময়গুলোর একটি পবিত্র জিলহজের প্রথম ১০ দিন। এই দিনগুলো আমাদের জন্য শুধু কিছু আমল বাড়ানোর সুযোগ নয়, বরং আমাদের হৃদয়ের গভীর চাওয়াগুলো আল্লাহর কাছে তুলে ধরার এক অপূর্ব সময়। বিশেষ করে আমরা যারা মা-বাবা, আমাদের জন্য এই সময়ের সবচেয়ে সুন্দর আমলগুলোর একটি হলো আমাদের সন্তানদের জন্য দুআ করা।

আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য অনেক কিছু করি।তাদের ভালো খাবার দেই, ভালো পরিবেশে রাখার চেষ্টা করি, তাদের শিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। কিন্তু এর সবকিছুর মাঝেও একটি জিনিস আছে, যা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে সেটা হলো আমাদের দুআ। কারণ আমরা হয়তো সবসময় তাদের সাথে থাকতে পারবো না, কিন্তু আমাদের দুআ সবসময় তাদেরকে ঘিরে রাখতে পারে, তাদেরকে হেফাজত করতে পারে, তাদের জীবনের পথকে আলোকিত করতে পারে।

এই বরকতময় দিনগুলোতে আমার হৃদয়ের দুআ
ইয়া আল্লাহ, আমার সন্তানদের অন্তরকে পবিত্র করুন, তাদের ঈমানকে দৃঢ় করুন এবং তাদের জীবনকে আপনার সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন। তারা যেন এমন মানুষ হয়, যারা সত্যকে ভালোবাসে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে এবং সবসময় আপনার ভয় ও ভালোবাসাকে নিজেদের জীবনের কেন্দ্রস্থলে রাখে। তাদেরকে এমনভাবে গড়ে তুলুন যেন তারা শক্ত হয় কিন্তু অহংকারী না হয়, নম্র হয় কিন্তু দুর্বল না হয়, সাহসী হয় কিন্তু সীমা লঙ্ঘন না করে।

আমার ছেলেদের জন্য দুআ
ইয়া আল্লাহ, তাদেরকে দায়িত্বশীল, সৎ ও তাকওয়াবান পুরুষ হিসেবে গড়ে তুলুন। তাদের চোখ, অন্তর ও চরিত্রকে সব ধরনের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। তাদেরকে এমন শক্তি দিন, যাতে তারা নিজেদের প্রবৃত্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং সবসময় হালালকে বেছে নিতে পারে। তাদের জীবনে নেক বন্ধু, ভালো পরিবেশ এবং পবিত্র সম্পর্ক দান করুন।

আমার কন্যাদের জন্য দুআ
ইয়া আল্লাহ, তাদের বড় হওয়ার প্রতিটি ধাপকে সহজ করুন, তাদের অন্তরে হায়া, প্রজ্ঞা ও আত্মসম্মান দান করুন। তারা যেন নিজেদের মর্যাদা বুঝে, নিজেদের সুরক্ষিত রাখে এবং দ্বীনের উপর দৃঢ় থাকে। তাদেরকে এমন নারী হিসেবে গড়ে তুলুন, যারা নিজেরা আলো হয়ে অন্যদের পথ দেখায়, যারা তাদের চরিত্র ও আচরণ দিয়ে দীনকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে।

একজন মা হিসেবে নিজের জন্যও দুআ
ইয়া আল্লাহ, আমাকে ধৈর্য দিন যখন আমি ক্লান্ত হয়ে যাই, আমাকে হিকমত দিন যখন আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি না, এবং আমাকে কোমলতা দিন যখন আমার আচরণ কঠিন হয়ে যায়। আমাকে এমন একজন মা হিসেবে কবুল করুন, যিনি সন্তানদের শুধু দুনিয়ার জন্য নয়, আখিরাতের জন্যও গড়ে তোলেন। আমার ছোট ছোট চেষ্টাগুলো কবুল করুন এবং আমার ভুলগুলো ক্ষমা করুন।

আমাদের ঘরের জন্য দুআ
ইয়া আল্লাহ, আমাদের ঘরকে ঈমান, ভালোবাসা ও শান্তিতে ভরিয়ে দিন। আমাদের ঘরকে এমন একটি জায়গা বানান, যেখানে কুরআনের শব্দ শোনা যায়, যেখানে প্রতিটি কোণে দুআ করা হয়, যেখানে ভালোবাসা ও দয়া একসাথে বাস করে। আমাদের পরিবারকে ঐক্যবদ্ধ রাখুন এবং আমাদের মধ্যে রহমত ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি করুন।

এই দুআগুলো শুধু কিছু কথা নয়।এগুলো একজন মায়ের হৃদয়ের গভীর ভালোবাসা, ভয়, আশা এবং স্বপ্নের প্রকাশ। আমরা হয়তো সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না, কিন্তু আমরা দুআ করতে পারি। আর সেই দুআই হতে পারে আমাদের সন্তানদের জন্য সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সবচেয়ে সুন্দর পথনির্দেশ।

তাই আসুন, এই জিলহজের ১০ দিনে আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য বেশি বেশি দুআ করি। কারণ একজন নেক সন্তানই হতে পারে আমাদের জন্য সদাকায়ে জারিয়া, যা আমাদের মৃত্যুর পরও আমাদের উপকারে আসবে।

আল্লাহ আমাদের সন্তানদের দুনিয়া ও আখিরাতে সফল করুন এবং তাদেরকে আমাদের জন্য নেক আমলের উৎস বানিয়ে দিন।
আমীন

যারা এ বছর হজ্জ্বে আসতেছেন , তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস!১. হ্যান্ড লাগেজ: মক্কা মদীনায় পৌঁছে প্রথম দুই তিন দিন চলতে যা...
01/05/2026

যারা এ বছর হজ্জ্বে আসতেছেন , তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস!

১. হ্যান্ড লাগেজ: মক্কা মদীনায় পৌঁছে প্রথম দুই তিন দিন চলতে যা যা লাগবে, সেগুলো আপনার হ্যান্ড লাগেজে রাখুন। সবকিছু ক্যারিয়ারে দিয়ে দিবেন না। কেননা, হাজী ক্যাম্প থেকেই আপনার বড় লাগেজটা আপনার কাছ থেকে নিয়ে নেওয়া হবে৷ লাগেজ লাগেজের মতো আপনার তথ্য অনুযায়ী হোটেলে পৌঁছে যাবে৷ কখনো পৌঁছতে একদিন লাগতে পারে৷ কখনো দুই দিন লাগতে পারে। আবার অনেক সময় ভুলে একজনের লাগেজ অন্য হোটেলে চলে যায়। তখন সেই লাগেজ পেতে ৭/১০ দিনও লাগে। আপনার লাগেজ যদি ভুলে অন্য হোটেলে চলে যায় আর সেই হোটেলে দায়িত্ববান মানুষ না থাকে, তাহলে আপনার লাগেজ পেতে পুরো হজ্জ্বের সফরও শেষ হয়ে যেতে পারে। এমন পেরেশানিতে আল্লাহ কাউকে না ফেলেন।
অতএব, বি কেয়ারফুল! আপনার অতি জরুরী জিনিসগুলো হ্যান্ড লাগেজে অবশ্যই নিন। সেটাই বিমানে আপনার সঙ্গে থাকবে।

২. গলায় বা কাঁধে ঝুলানো ছোট্ট ব্যাগ: ছোট্ট একটা ব্যাগ মেইনটেইন করুন। পাসপোর্ট তাতে রাখবেন। সৌদিতে বিমান বন্দর থেকে নেমে হ্যান্ড লাগেজও গাড়ির বক্সে চলে যাবে। কিন্তু পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতেই হবে৷

৩. বাংলাদেশ গভঃ প্রদত্ত আইডি কার্ড: নিশ্চিত হোন, বাংলাদেশ গভঃমেন্ট প্রদত্ত আইডি কার্ড পেয়েছেন কি না। হাজি ক্যাম্পে প্রবেশ করতে এটা লাগবে। সৌদি পৌঁছে নুসুক কার্ড পেতেও এটা লাগবে৷।

৪. দেশ থেকেই লিখিত আকারে জেনে নিন, মক্কা ও মদীনায় আপনার হোটেলের নাম কি এবং সেটা কোথায় অবস্থিত৷ কেননা আপনার গ্রুপের সবাই সৌদি অবতরণ করে এক বাসে উঠতে পারবেন না। বিভিন্ন জনকে বিভিন্ন বাসে তুলে দেওয়া হবে। তখন আপনার প্রদর্শিত হোটেলের নাম অনুযায়ী (ইংলিশে/আরবিতে) আপনাকে আপনার হোটেলে পৌঁছানো হবে।

৫. নুসুক কার্ড: হোটেলে পৌঁছার পর কিংবা পৌঁছার আগেই বাসে সৌদির মূল এজেন্সি আপনাকে একটি নুসুক কার্ড দিবে এবং আপনার পাসপোর্ট জমা নিয়ে নিবে। আতঙ্কিত হবেন না। সফর শেষে তারাই আপনাকে আবার আপনার পাসপোর্ট ফেরত দিবে। নুসুক কার্ডটি যত্ন করে রাখুন। আর এটাও নিশ্চিত হোন যে, আপনি নুসুক কার্ড পেয়েছেন।
অনেক সময় এরা আগে পাসপোর্ট জমা নেয়, তারপর নুসুক কার্ড দেয়। এমন যেন না হয়, তারা আপনার পাসপোর্ট নিয়েছে কিন্তু কার্ড দেয়নি৷ কার্ড না পেলে পাসপোর্ট বুঝে নিন। হতে পারে, আপনি এমন এক গ্রুপের সাথে আছেন, যাদেরকে কার্ড প্রদান করা হচ্ছে কিন্তু আপনার কার্ড সেখানে নেই। অথচ তাদের সাথে আপনিও পাসপোর্ট জমা দিয়ে দিয়েছেন।

৬. বিমান থেকে নামার আগে: যদি ইমার্জেন্সি ওয়াশরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে বিমানেই প্রয়োজন সেরে নিন। কেননা নামার পর এয়ারপোর্টে তারা আপনাকে ইস্তিকবাল করবে, সালাম দিবে, ফুলও দিতে পারে। কিন্তু এক মিনিট কোথাও দাঁড়াতে দিবে না।

৭. বিমান থেকে নামার সময়: বিমান থেকে নামার পর এয়ারপোর্টের প্রবেশপথ পর্যন্ত তারা আপনাকে বাসে পৌঁছে দিবে। নামার সময় গ্রুপের সবাই এক সাথে থাকুন, এক সাথে নামুন এবং একই বাসে একসাথে ওঠা৷ যদি বিমান থেকে বিচ্ছিন্নভাবে নামেন, তাহলে আর হোটেলে পৌঁছার আগ পর্যন্ত একসাথে হতে পারবেন না। যে আগে থাকবে, তাকে আগের বাসে তুলে দেওয়া হবে। যে পরে থাকবে তাকে পরবর্তি বাসে তুলে দেওয়া হবে।

৮. এয়ারপোর্টে পৌঁছে: বাস থেকে নামার পর সবাইকে এক কিউ/লাইনে দাঁড় করানো হয়। অতঃপর সিরিয়াল অনুযায়ী পঞ্চাশ জন করে একেকটা বাসে তুলে দেওয়া হয়। অতএব সিরিয়ালে এক সাথে থাকুন, যেন এক বাসে উঠতে পারেন। এইজন্য নিজের বন্ধু বা সাথিসহ কাছাকাছি থাকুন।এক বাসে একাধিক বাসের যাত্রী থাকে। বাস সর্বপ্রথম সেই হোটেলে যাবে, যেই হোটেলের যাত্রী বেশী।

৯. পরিবার ও মাহরাম: কোনো অবস্থাতেই বিমানবন্দরের কিউতে বা লাইনে মাহরাম বা পরিবারের সদস্যরা আলাদা হবেন না। যদি আপনার পর লাইন বন্ধ হয়ে যায় আর আপনার পরিবারের সদস্যরা আপনার সাথে একই বাসে উঠতে না পারে, তবে জোর করে হলেও আপনি ফিরে আসুন। বলুন, আমার ফ্যামিলি পিছনে আছে, আমরা একই বাসে উঠব।

১০. বাসে ওঠার সময়/পরে: হ্যান্ড লাগেজ বাসের বক্সে দিন আর পাসপোর্ট সাথে রাখুন। জায়গায় জায়গায় পাসপোর্ট চেক করা হবে, যতক্ষণ না নুসুক কার্ড পাচ্ছেন। নুসুক কার্ড দিয়ে তারা পাসপোর্ট জমা নিয়ে নিবে। হারামে নামাজের জন্য প্রবেশ করতে হলেও কিন্তু নুসুক কার্ড দেখাতে হয়! নুসুক কার্ড যদি হারিয়ে যায়, দেখবেন পেরেশানি কাকে বলে! আল্লাহ না করুন৷ (নুসুক কার্ডের একটা সফট কপি নুসুক এপ ইন্সটল করে পাসপোর্ট দিয়ে লগ-ইন করে ডাউনলোড করে রাখুন। বিশেষ কোনো মূহুর্তে কাজে লাগলে লাগতেও পারে!)

১১. হোটেলের নাম ও গুগল লোকেশন: অবশ্যই ইংলিশে কোনো একটি কার্ডে বা কাগজে হোটেলের নাম লিখে রাখুন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি প্রয়োজনে আপনি মোবাইলে গুগল লোকেশন শো করতে পারেন।

১২. সিম রৌমিং: দেশ থেকে সিম রোমিং করে গেলে ভালো হয়। তাহলে হোয়াটসআপেও দেশে কথা বলতে পারবেন (সৌদি সিম দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলা যায় না); আর এয়ারপোর্টের পর রাস্তায় কোনো সমস্যা হলে আপনার এজন্সির লোকদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। এয়ারপোর্ট থেকে হোটেল পর্যন্ত এজেন্সির লোক আপনার বাসে উঠতে পারবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

১৩. দেশ থেকে ছোট্ট ব্যাগে তায়াম্মুমের মাটি নিতে ভুলবেন না। বিমানে তায়াম্মুম করতে হবে।

১৪. বিমানে নামাজ/সালাত: ওয়াক্ত তো আছেই। বিমানবন্দর নেমে নামাজ পড়ব৷ ভুলেও এমন চিন্তা করবেন না। বিমান থেকে নেমে মক্কা পর্যন্ত কোথাও নামাজের সুযোগ পাবেন না৷

১৫. প্রাণ বর্জন: শাহ জালাল এয়ারপোর্টে একাধিক কম্পানি আপনাকে হালকা নাস্তা দিতে পারে৷ অবশ্যই প্রাণের গিফট বর্জন করুন। নবিজির শহরে যাচ্ছেন, নবিজির শত্রুদের সাথে আপোষ করবেন না।

১৬. এয়ারপোর্ট থেকে হোটেল পৌঁছার সময়: সাধারণ সময়ে এয়ারপোর্ট থেকে মক্কা পৌঁছতে সময় লাগে সর্বোচ্চ দুই ঘন্টা। এখন সাত ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। পথে পথে তাফতীশ (চেক) হবে। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন।

কয়েকটি বাস্তব দৃষ্টান্ত:
১. আমাদের বাসে উঠেছিল এক দম্পতি। বেচারারা জানে না, তাদের হোটেল কোথায়। তাদের এজেন্সির মালিককে ফোনে ফেলাম না। তাদের গাইড অন্য বাসে৷ তাকেও রিচ করতে পারলাম না। কারণ সে রৌমিং করে আসেনি। সঙ্গে থাকা ব্যাগের গায়ে তাদের এজেন্সির সৌদি এক প্রতিনিধির নাম্বার পেলাম। সেখানে যোগাযোগ করে কোনো রকম হোটেলের নাম উদ্ধার করলাম৷ ততক্ষণে তাদের চোখ মুখ লাল হয়ে শেষ। তারা আমাকে বারবার অনুরোধ করছিল, আমি যেন তাদেরকে তাদের হোটেল পর্যন্ত পৌঁছে দিই। কিন্তু তাদেরকে বাসের ড্রাইভারের কাছে হাওলা করা ছাড়া আমার কোনো উপায় ছিল না। যদি সৌদি প্রতিনিধির নাম্বারও না পেতাম, তাহলে ড্রাইভার তাকে কোথায় নামায় দিত বলেন!

২. আমাদের একজন আন্টির লাগেজ তিন দিনেও আসেনি। আবার আমার রুমের সামনে অন্য হোটেলের এক লোকের একটা লাগেজ এসে পড়ে আছে। ওই লাগেজের মালিকের মূল এজেন্সি ও আমাদের এজেন্সি পর্যন্ত আলাদা। ওই ব্যক্তি কবে সে লাগেজ পাবে আর কবে আমাদের আন্টি লাগেজ ফিরে পাবেন, আল্লাহ ভালো জানেন।

৩. বাসে সৌদির মূল এজন্সির একজন প্রতিনিধি আমাদের সবার পাসপোর্ট নিয়ে নিল। উদ্দেশ্য নুসুক কার্ড দেওয়া। আমাদের সাথে এক ব্যমতি ছিল। বেচারা কোনোভাবেই তার পাসপোর্ট জমা দিবে না৷ কারণ তার একটাই চিন্তা! পাসপোর্ট নিয়ে নিলে সে দেশে ফিরবে কীভাবে! মূল সমস্যা হচ্ছে তার এজেন্সি দেশে থাকতে তাকে এ ব্যাপারে তথ্য দেয়নি কিংবা সে গ্রহণ করেনি।

হজ্জ্বের সফর কষ্ট ও অনিশ্চিত যাত্রার নাম। অত্যন্ত সবর প্রয়োজন। ভাষা সংযত রাখা প্রয়োজন। এজেন্সি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এজেন্সির লোক আন্তরিক, যোগ্য ও সৎ না হলে জীবন ত্যানা ত্যানা! এখানে অনেকের সাফারিং দেখছি তো! অথচ আল্লাহ আমাদেরকে কত ভালো রেখেছেন! আলহামদুলিল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের হজ্জকে মাবরুর, সাঈকে মাশকুর, যাম্বকে মাগফুর করুন। আল্লাহুম্মা আমীন।

❤️আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু❤️আমরা যখন হজ্জে যাবো তখন কি কি আমল করবো তা যাওয়ার আগেই জেনে নিতে হবে...
29/04/2026

❤️আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু❤️
আমরা যখন হজ্জে যাবো তখন কি কি আমল করবো তা যাওয়ার আগেই জেনে নিতে হবে।প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত সালাতের সাথে আমরা এই নেক আমল গুলি করতে পারি।✅

✅১/ ওজুর করার পর তাহ্যিয়াতুল ওজুর ২ রাকাত নামজ পড়বো।যেখানে ওজু করবেন সেখানেই নামাজ টা পড়বেন।হোটেলে, মক্কা ও মদিনা শরীফে।

✅২/ তাহ্যিয়াতুল মসজিদ ২ রাকাত নামাজ পড়বো।এটা যে কোন মসজিদে গিয়ে পড়া যায়।

✅৩/ আজান ও একামতের মাঝে যে অল্প সময় থাকবে তখন সুরা ফাতেহা ও ছোট একটি সুরা মিলিয়ে ২ রাকাত নামাজ পড়বো।সময় থাকলে দোয়া করবো।তখন দোয়া কবুলের সময়।

✅৪/ প্রতি ওয়াক্তের নামাজের পর জানাজার নামাজ হয়।তাই জানাজার নামাজ শিখে যাবো এবং জানাজার নামাজ পড়বো।

✅৫/ ফজরের পর সকালের দোয়া ও জিকির করবো।

✅৬/ সূর্য ওঠার ২০/২৫ মিনিট পর ৪ রাকাত এশরাকের নামাজ পড়বো।

✅৭/ যদি আপনি হারাম শরীফে থাকেন তাহলে ৪ রাকাত চাসতের নামাজ পড়বেন।

✅৮/ যোহরের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে ৪ রাকাত যাওয়ালের নামাজ পড়বো।

✅৯/ অবশ্যই হারাম শরীফে গিয়ে তাহজ্জুদের ৪-৮ রাকাত নামাজ পড়ার চেষ্টা করবেন।সব জায়গায় ৫ এয়াক্ত নামাজের আগে আজান দেয়। শুধু হারাম শরীফে তাহাজ্জুদের নামাযের জন্য ৬ ওয়াক্ত আজান দেয়া হয়।কিন্তু জামাত হয় না।

✅১০/ তওবার ২ রাকাত নামাজ পড়বো। যে কোন সময় পড়া যায়।তবে তাহাজ্জুদের সময় পড়তে পারলে ভালো।

✅১১/ প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যার দোয়া ও জিকির গুলো পড়বো।

✅১২/ প্রতি ফরজ নামাজের পর দোয়া ও জিকির গুলো পড়বো।

✅১৩/ এশারের নামাজের পর ঘুমানোর পূর্বের ও রাতে আমল আমল গুলি করবো।

✅১৪/ বেশী করে কোরআন মজিদ পড়বো।

✅১৫/ হারাম শরীফে ১ রাকাত নামাজের ১ লক্ষ গুন সোয়াব সুবহানাল্লাহ।তাই ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও অন্য নামাজ গুলি হোটেলে না পড়ে হারাম শরীফে পড়ার চেষ্টা করবো।

✅১৬/ বেশী বেশী দান সাদাকাহ করবো।

✅১৭/ যদি সামর্থ থাকে হারাম শরীফে কোরআন ও বসার ছোট চেয়ার হাদিয়া দিবো।

✅১৮/ কাবা শরীফের দিকে তাকিয়ে থাকলেও সোয়াব সুবাহানাল্লাহ। তাই চেষ্টা করতে হবে এমন জায়গায় নামাজের জন্য বসতে যেনো কাবা শরীফ তাকালেই দেখা যায়।

✅১৯/ বেশী বেশী তাওয়াফ করবো।কারন দুনিয়ার কোথাও গেলে কাবাশরীফ পাবেন না।তাই সুযোগ পেলে যতটুকু পারেন তাওয়াফ করবেন।

✅২০/ দোয়া কবুলের জায়গা গুলিতে বেশী বেশী দোয়া করবেন।তাই কোন কোন যায়গায় দোয়া কবুল হয় তা জেনে বুঝে যাবেন।

✅২১/ কোন কোন সময় দোয়া কবুল হয় সেই সময় গুলি মাথায় রেখে মন খুলে দোয়া করবেন।

✅২২/ পুরুষদের হারাম শরীফে এহেরাম পড়া ছাড়া মাতাফে তাওয়াফ করতে দেয় না। ২য়,৩য়,৪র্থ ও ছাদে তাওয়াফ করতে হয়।ঐ খানে তাওয়াফ করতে অনেক সময় লাগে তাই বেশী বেশী করে দোয়া মুখস্থ করে যেতে হবে।মেয়েরা যে কোন যায়গায় তাওয়াফ করতে পারবে।

✅২৩/ শুক্রবারের আমালগুলো সুন্দর করে করবো।সুরা কাহাফ,দুরুদ শরীফ, ইস্তেগফার পড়বো।শুক্রবার আসর ও মাগরিব এর সময়টা দোয়া কবুলের সময়।তাই আ সময়টায় বেশী বেশী দোয়া করবো।

💚মদিনা শরীফ💚❤💚

✅১/ মদিনা শরীফেও প্রতিদিন এর দৈনন্দিন আমালগুলি করবো।

✅২/ আমারা বেশী বেশী দুরুদ পড়বো।এবং রওজা মোবারকে সালাম পেশ করবো।

✅৩/ মদিনায় মসজিদে কুবায় গিয়ে ২ রাকাত নামাজ পড়লে এক ওমরার সোয়াব পাবেন ইংশাআল্লাহ।যেতে চেষ্টা করবেন।

✅৪/ উচ্চস্বরে কথা বলা যাবে না।শান্ত পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।কোন বেদাতি কাজ করা যাবে না।যা চাইবেন আল্লাহর কাছে চাইবেন।

✅৫/ মদিনার ঐতিহাসিক জায়গা গুলিতে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।মোয়াল্লেমরা এক সাথে বাসে করে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।সব জায়গায় ঘটনা গুলি যখন বলবে তখন আপনার চোখ দিয়ে অনবরত পানি পরতে থাকবে। আপনি ফিল করতে পারবেন উনারা কত কষ্ট করেছেন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার জন্য এবং হজ্জ করাও কত কঠিন ছিলো তখন।হযরত মোহম্মদ (সাঃ) উম্মতদের জন্য কত কষ্ট করেছেন।সুবহানাল্লাহ।💚

✅৬/ জান্নাতুল বাকিতে পুরুষরা যেতে পারবেন।মহিলারা ভিতরে যেতে পারে না।অনেক দুর থেকে দেখতে পারবেন।

✅৭/ রিয়াজুল জান্নাহ(বেহেস্তের টুকরা)সুযোগ পেলে নামাজ পরার চেষ্টা করবেন।

জীবনে প্রচুর বারাকাহ দরকার.. বারাকাহ থাকলে জীবন সহজ হয়, সুন্দর হয়। বারাকাহ আনার জন্য এই কাজগুলো অবশ্যই আমলে রাখবেন..🔷১। ...
18/04/2026

জীবনে প্রচুর বারাকাহ দরকার..

বারাকাহ থাকলে জীবন সহজ হয়, সুন্দর হয়। বারাকাহ আনার জন্য এই কাজগুলো অবশ্যই আমলে রাখবেন..

🔷১। ঘরে প্রবেশ করলে সবসময় সালাম দিবেন। তিরমিজির হাদীসে আছে, তুমি যখন তোমার পরিবারের কাছে প্রবেশ করো, তখন সালাম দাও। এতে তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর বরকত নাযিল হবে। এমনকি ঘরে কেউ না থাকলেও সালাম দিয়ে ঢুকবেন। এটাও সুন্নাহ।

🔷২। বিসমিল্লাহ বলে ঘরে ঢুকবেন। আল্লাহর নবী বলেছেন, আল্লাহর নাম নিয়ে ঘরে ঢুকলে শয়তান তখন তার সাথীদের বলে এখানে তোমাদের আর জায়গা নেই। এভাবে শয়তান দূরে সরে যায় ঘর পবিত্র থাকে, অশান্তি কমে।

🔷৩। আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক রাখতে হবে। মায়েদের ফুপুদের সাথে সম্পর্ক খারাপ তো বাবাদের চাচা/মামাদের সাথে রেশারেশি থাকে। বলে কয়ে মিটমাটের চেষ্টা করবেন। রিজিক আটকে থাকার জন্য এটা অনেক বড় একটা কারণ।

🔷৪। বাজার থেকে কিছু কিনে আনলে সবাই একসাথে ভাগাভাগি করে খাবেন। উপার্জনের অর্ধেক চলে যায় খাবার যোগান দিতে এজন্য খাবারে পিছনে অতিরিক্ত ব্যয় কমাতে এবং বরকত চাইলে একসাথে খাওয়া জরুরি। আল্লাহর নবী বলেছেন, তোমরা একসাথে খাও তাহলে তোমাদের খাবারে বরকত হবে।

🔷৫। স্বামী ভালো তো শ্বশুরবাড়ির লোকজন ভালোনা। আবার শ্বশুরবাড়ির সবাই ভালো হলে স্বামীর দোষ থাকে। কখনো সব ঠিক কিন্তু সংসারের টানাপোড়েন এমন সব অবস্থাতেই বুক ভরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবেন। সূরা ইব্রাহিমে আল্লাহর কালাম আছে এব্যাপারে, যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, আমি অবশ্যই তোমাদের আরও বাড়িয়ে দেব।

🔷৬। বাচ্চাকাচ্চা, স্বামী-সংসার সবকিছুর উর্ধ্বে ফরজ আমল যথাসময়ে পালন করার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এইটা মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট।

🔷৭। গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। কারণ গুনাহের কারণে আল্লাহর রাগ, আযাব পতিত হয়। একজনের গুনাহের কারণে পরিবারের সবার উপর পরীক্ষা চলে আসে। এজন্য কখনো অভাব দেখা দিলে সবাইকে নিয়ে তাওবা করা ও আমল বাড়িয়ে দেওয়া।

🔷৮। ইস্তেগফার কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবেনা। দৈনিক কমপক্ষে ১০০ বার ইস্তেগফার পড়বেন। ইস্তেগফারের ফজিলত বলে শেষ করা যাবেনা। এর উসিলায় সম্পদ, সন্তান, রহমত বর্ষন হয়। বালা-মুসিবত, দুশ্চিন্তা দূর হয়, গুনাহ মাফ হয়। রিজিকেও বরকত আসবে ইনশাআল্লাহ।

🔷৯। প্রত্যেকদিন সামান্য হলেও দান করার অভ্যাস করবেন। দানে সম্পদ কমেনা বরং সম্পদ পবিত্র হয়। তখন সম্পদে প্রচুর বারাকাহ আসবে অল্প সম্পদই যথেষ্ট হয়ে যাবে। তাছাড়া প্রতিদিন সকালে দুইজন ফেরেশতা নেমে আসেন তারা বলতে থাকেন, হে আল্লাহ! যে দান করে তাকে আরও দাও। আর ফেরেশতারা হলেন নিষ্পাপ তাদের দুআ মাকবুল।

🔷১০। ফজরের পর ঘুমাবেন না এই সময়টায় প্রচুর বরকত। রিজিক, কাজ, পড়াশোনা সবকিছুতে। কারণ রাসূল (সাঃ) বিশেষভাবে দোয়া করেছেন এভাবে যে, হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্য তাদের সকালবেলায় বরকত দান করুন।

বারাকাহ মানে শুধু টাকা-পয়সার প্রাচুর্য নয়। বারাকাহ হলো কম থাকলেও তাতে তৃপ্তি পাওয়া, কঠিন কাজও সহজে সম্পন্ন হয়ে যাওয়া, আর অল্প জিনিসেই হৃদয়ের প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া।

তাইতো জীবন সহজ করতে হলে প্রচুর বারাকাহ দরকার। এ জন্য আমলগুলো ছাড়বেন না ইনশাআল্লাহ❤️

রমাদানের মাঝামাঝিতে হঠাৎ করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ শুরু হলো। উত্তাল এই পরিস্থিতি সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য এক ভয়াবহ প...
02/04/2026

রমাদানের মাঝামাঝিতে হঠাৎ করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ শুরু হলো। উত্তাল এই পরিস্থিতি সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য এক ভয়াবহ পরীক্ষার সময় হয়ে দাঁড়ায়। এ সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া যেন অনিশ্চয়তা আর সংকটের অন্য নাম। বিশেষ করে যারা পশ্চিমা দেশে ছিল
তাদের অনেকেরই ফ্লাইট বাতিল হয়ে গেল—কবে আবার চালু হবে, তাও ছিল অজানা।

চারপাশের অনেকেই বলছিল, এই পরিস্থিতিতে উমরাহতে না যাওয়াই ভালো।
কিন্তু হৃদয়ের গভীরে ছিল একটাই নিয়ত—রমাদানের শেষ দশ দিনে উমরাহ আদায় করবো, ইন শা আল্লাহ।

তাই নিরন্তর দোয়া করতে থাকলাম:
“ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমান, ইয়া ফাত্তাহ—আপনি আমাদের জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন, এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে নিরাপত্তা দান করুন।”

এই কঠিন সময়টাতে বারবার মনে পড়ছিল কুরআনের সেই মহিমান্বিত আয়াত—

সূরা আল-হাজ্জ (২২:২৭):
“আর মানুষের মধ্যে হজ্জের ঘোষণা করে দাও;
তারা তোমার কাছে আসবে পদব্রজে এবং প্রত্যেক ক্ষীণকায় উটের পিঠে চড়ে,
তারা দূর-দূরান্তের সব পথ থেকে আসবে।”

তাফসিরে বর্ণিত আছে—কাবা শরীফ নির্মাণের পর আল্লাহ তাআলা ইব্রাহিম (আঃ)-কে বললেন,
“মানুষের মাঝে হজ্জের আহ্বান জানাও।”
তিনি বললেন, “হে আমার রব! আমার কণ্ঠ তো তাদের কাছে পৌঁছাবে না!”
আল্লাহ বললেন, “তুমি আহ্বান করো, পৌঁছে দেওয়া আমার দায়িত্ব।”

সুবহানাল্লাহ!
সেই আহ্বান আজও ধ্বনিত হচ্ছে—আর আল্লাহ যাদের চান, তাদেরকেই তাঁর ঘরে ডেকে নেন, যে কোনো পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই হোক না কেন।

আল্লাহুম্মা লাকাল হামদ ওয়া শুকর।
রাব্বুল আলামিন তাঁর অসীম রহমতে আমাদের মতো অসংখ্য বান্দাকে তাঁর ঘরের মেহমান হিসেবে কবুল করেছেন—যাদের অনেকেই ফ্লাইট বাতিল হওয়ার পরও বিভিন্ন দেশ ঘুরে, কষ্ট সহ্য করে, অবশেষে পৌঁছাতে পেরেছেন।

এ যেন তাওয়াক্কুলের এক জীবন্ত উদাহরণ—
যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেন।

একটি দোয়া:
“হে আল্লাহ, আমাদেরকে পূর্ণ ঈমান দান করুন, আপনার উপর সত্যিকারের ভরসা করার তাওফিক দিন, এবং এমন দৃঢ় ইয়াকিন দিন যা কখনো টলবে না।
আমাদেরকে আপনার ঘরের অতিথি হিসেবে কবুল করুন এবং সমগ্র উম্মাহকে শান্তি, নিরাপত্তা ও রহমত দান করুন। আমীন।”

তাওয়াক্কুলের উত্তম প্রতিদান হলো—আল্লাহর নৈকট্য, তাঁর রহমত, এবং এমন সব পথ উন্মুক্ত হওয়া, যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না❤️❤️❤️

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 08:00
Wednesday 10:00 - 08:00
Thursday 10:00 - 08:00
Friday 10:00 - 08:00
Saturday 09:00 - 08:00
Sunday 09:00 - 08:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Path of Deen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Path of Deen:

Share