RBAR Fashion

RBAR Fashion All Kinds of Readymade Garments Exporter,
Stoke Lot Buyer & Seller.

31/01/2026
01/11/2024

❓আলেমদেরকে প্রশ্ন করার আদব সমূহ:

১- প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে যোগ্যতাসম্পন্ন আলেমকে প্রশ্ন করা , যিনি আল্লাহর দীনকে আমানতের চোখে দেখেন।
২- শুরুতে সালাম দেয়া, তারপর প্রশ্নের শুরুতে এবং শেষে প্রশ্নকৃত আলেমের জন্য সংক্ষেপে দোয়া করা, তার সম্মানের দিকে লক্ষ রাখা, উত্তম শব্দ ব্যবহার করা।
৩- উপকারী বিষয়ে প্রশ্ন করা, কেননা তা তার দীনদারিত্ব বৃদ্ধির কারণ হবে, আর ওয়াজিব বিষয়ে প্রশ্ন না করে মুস্তাহাব মুবাহ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত নয়, এমন বিষয়ে প্রশ্ন করা যা বর্তমানে তার প্রয়োজন।
৪- এমন বিষয়ে প্রশ্ন না করা যা তার জানা আছে এবং স্পষ্ট, কিন্তু যদি সাধারণ মানুষের সামনে এমন প্রশ্ন করা হয় যা প্রত্যেকের জানা প্রয়োজন তাহলে অবশ্যই তেমন প্রশ্ন করা উচিত।

৫- প্রশ্নের মাঝে প্রত্যেকটি কথার ধারাবাহিকতা ঠিক রাখার এবং যতটুকু সম্ভব সংক্ষেপ করার চেষ্টা করা।

৬- প্রশ্নের মাঝে “অমুক আলেমের এই বক্তব্যের ব্যপারে আপনার মতামত কি” কিংবা প্রশ্নের জবাবে “কিন্তু অমুক আলেম তো এটা বলেছেন” এমন কথা উল্লেখ না করা।

৭- প্রশ্নের সাথে বিশেষ প্রেক্ষাপটের সম্পর্ক থাকলে তা প্রশ্ন করার শুরুতে জানিয়ে নেয়া যেনো প্রশ্নটি অস্পষ্ট না হয়।

৮- প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে এমন অবস্থায় প্রশ্ন করা যেনো প্রশ্নকৃত আলেম বিরক্ত না হন(যেমন হাটার সময় বা দাড়ানো অবস্থায়), তবে যদি সমস্যা না থাকে সেই ক্ষেত্রে প্রশ্ন করা যাবে, আর বিশেষ করে এমন অবস্থায় প্রশ্ন না করা যখন তিনি কোনো কিছু নিয়ে ব্যস্ত আছেন।

৯- এমনভাবে প্রশ্ন না করা যেনো মনে হয় যে কুরআন সুন্নাহর মাঝে সংঘর্ষ আছে।

১০- সালাফদের মাঝে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত ঘটনার ব্যপারে প্রশ্ন না করা।

১১- প্রশ্ন করতে গিয়ে যাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে তার উপর কঠোরতা ও চাপ সৃষ্টি না করা, কেননা এতে করে জবাব দিতে তার কষ্ট হবে, বরং নম্রতার সাথে প্রশ্ন করা।

১২- গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা সম্পর্কে ছোট আলেমদের প্রশ্ন না করে বড় আলেমদেরকে প্রশ্ন করা, তবে যদি উপকার হবে বলে মনে হয় সেক্ষেত্রে সাধারণ বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারে।

১৩- সাধারণ মানুষের সামনে এমন প্রশ্ন না করা যাতে করে মজলিসে হাসিতামাশা শুরু হয়, কিংবা তাদের অন্তরে সন্দেহ জেগে উঠে।

১৪- তর্ক বিতর্কের জন্য , কিংবা যাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে তিনি যেনো জবাব দিতে সক্ষম না হন সেজন্য, কিংবা তার ইলম যাচাইয়ের জন্য, কিংবা তাঁকে ভুল প্রমাণের জন্য প্রশ্ন না করা।

১৫- প্রশ্নের জবাব দেয়ার সময় তা লিখার কিংবা রেকর্ড করার পূর্বে অনুমতি নেয়া।

১৬- জবাব দেয়া শেষ করার পূর্বেই তাড়াহুড়া করে তার কথার মাঝে বাধা দিয়ে তাঁকে আবারও প্রশ্ন না করা, কিছু না বুঝলে যখন তার কথা শেষ হবে তখন প্রশ্ন করবে।

১৭- ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশ্নের জবাব না দিলে পুনরায় একই প্রশ্ন না করা, আর যদি মেসেজে প্রশ্ন করে এবং উত্তর দিতে খেয়াল না থাকে তাহলে আদবের সাথে স্মরণ করিয়ে দেয়া।

(একজন তালেবে ইলম কর্তৃক সংগৃহিত)

✍️ প্রফেসর ড. আবূ বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
পিএইচডি, আকীদাহ্ ও দাওয়াহ্ অনুষদ,
মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

"র" এর বাংলাদেশ শাখা।নাম 'প্রথম আলো' হলেও যার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অন্ধকার তাই আসুন সব্বাই মিলে এই "ভারত আলো" কে Unfol...
31/10/2024

"র" এর বাংলাদেশ শাখা।
নাম 'প্রথম আলো' হলেও যার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অন্ধকার তাই আসুন সব্বাই মিলে এই "ভারত আলো" কে Unfollow + Report করি।

28/10/2024

🌿ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বলেছেনঃ ❝আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন❞।

📚সুনান আদ-দারেমী হা/২৭৪৪
📚তিরমিযী হা/২৬৪৭

ধারাবাহিক ভাবে প্রথম থেকে শেষ সকল নবীদের নাম- Collected
24/10/2024

ধারাবাহিক ভাবে প্রথম থেকে শেষ সকল নবীদের নাম

- Collected

20/10/2024

সুফইয়ান ইবনু আবদুল্লাহ ছাকাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত,
তিনি বলেন, আমি রাসূল ﷺ বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! "আমাকে এমন একটি বিষয়ের কথা বলুন যা আপনার পরে আর কাউকে জিজ্ঞেস করতে হবে না"।
রাসূল ﷺ বললেনঃ ❝তুমি আল্লাহকে ভয় করো, তারপর এতে দৃঢ় হয়ে থেকো❞
আমি বললাম, এরপর কোন কাজটি?
তিনি তার জিহ্বার দিকে ইশারা করলেন।

[ইবনু হিব্বান হা/৫৬৯৮ ও ৫৬৯৯
সুনান আদ-দারেমী হা/২৭৪৮]

19/10/2024

যারা বলে বেশির ভাগ উম্মত আশআরী বা মাতুরিদী, তাদের কাছে প্রশ্ন
প্রথমত, আমাদেরকে এটি বিশ্বাস করতে হবে যে সর্বদা বেশির ভাগ মানুষের পক্ষেই হক্ক থাকবে তা নয়। পূর্ববর্তী নবীদের অনুসারীরা সংখ্যায় বেশি ছিল না, তারপরও হক তাদের সাথে ছিল।
দ্বিতীয়ত, বেশিরভাগ যদি হকের মাপকাঠি ধরা হ্য় তাহলে সেটা সাহাবায়ে কিরামের যুগ, তাবেঈদের যুগ ও তাবে তাবেঈদের যুগকে ধরা হোক,
- যাদের হকের উপর থাকার ব্যাপারে রাসূলের পক্ষ থেকে ঘোষণা এসেছে।
- যারা হকের উপর ছিলেন বলে উম্মতের ইজমা বা ঐকমত্য রয়েছে।
যদি তারপরও বিতর্ক করে যান, তাহলে আমরা বলবো,
১- আশআরী ও মাতুরিদীর জন্মের আগে যারা চলে গেছে তারা আকীদার মৌলিক বিষয়গুলোতে কোন আকীদা পোষণ করত?!!
যেমন,
- আল্লাহ কোথায় আছেন?
- আল্লাহর সত্তাগত গুণগুলো কি সাব্যস্ত হবে?
- আল্লাহর কর্মগত গুণগুলো কি সাব্যস্ত হবে?
- আল্লাহর কর্ম তিনি যখন ইচ্ছা করেন?
- আল্লাহর উপর ঈমান বলতে কী বুঝায়?
- আল্লাহর তাওহীদ বলতে কী বুঝায়?
এ জাতীয় প্রশ্নগুলোর উত্তর কি কুরআনে কারীমের বাণীতে, রাসূলের হাদীসে, সাহাবায়ে কিরামের উক্তিতে, তাবেঈদের বক্তব্যে, তাবে তাবেঈদের আকীদা ও বিশ্বাসে ছিল না? তারা যে আকীদা পোষণ করত সে আকীদা বিশ্বাসে আমাদের অবস্থান থাকলে কী সমস্যা?!!
২- আশআরী ও মাতুরিদীর আগে বিখ্যাত যে সব ইমামগণ চলে গেছেন তাদের মধ্যে কেউ কি কোনো আকীদা পোষণ করে কোনো বক্তব্য কিংবা গ্রন্থ রচনা করেননি? তাদের সেসব বক্তব্য ও আকীদা গ্রহণ না করে তৃতীয় শতাব্দীতে আলোচিত আকীদা কেন গ্রহণ করতে হবে?
৩- নিম্নলিখিত ইমামগণের কেউ কি আশআরী ও মাতুরিদীদের আকীদা জানতেন? তারা সেগুলো না জেনে যদি জান্নাতের পথে যেতে পারেন তাহলে আমাদের সে পথে চলে জান্নাত খুঁজতে অসুবিধা কোথায়?
যেমন,
- সাহাবায়ে কিরাম, বিশেষ করে যারা ফিতনার যুগ পেয়েছেন, ইবন মাসঊদ, ইবন আব্বাস, ইবন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম।
- তাবেঈনে ইযাম, বিশেষ করে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব মৃত্যু ৯৪ হিজরী, উমার ইবন আব্দুল আযীয মৃত্যু ১০১ হিজরী, হাসান বসরী মৃত্যু ১১০ হিজরী।
- ইমাম আবু হানীফা মৃত্যু ১৫০ হিজরী।
- ইমাম আওযাঈ মৃত্যু ১৫৭ হিজরী।
- ইমাম সুফইয়ান সাওরী, মৃত্যু ১৬১ হিজরী।
- ইমাম মালেক মৃত্যু ১৭৯ হিজরী।
- ইমাম সুফইয়ান ইবন উয়াইনাহ, মৃত্যু ১৯৮ হিজরী।
- ইমাম শাফেঈ মৃত্যু ২০৪ হিজরী।
- ইমাম ইসহাক ইবন রাহওয়িয়াহ, মৃত্যু ২৩৮ হিজরী।
- ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল মৃত্যু ২৪১ হিজরী।
- ইমাম আহমাদ ইবন সাঈদ আদ- দারেমী, মৃত্যু ২৫৩ হিজরী।
- ইমাম আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আদ-দারেমী, মৃত্যু ২৫৫ হিজরী।
- ইমাম বুখারী, মৃত্যু ২৫৬ হিজরী।
- ইমাম মুসলিম, মৃত্যু ২৬১ হিজরী।
- ইমাম ইবন মাজাহ, মৃত্যু ২৭৩ হিজরী।
- ইমাম আবু দাঊদ, মৃত্যু ২৭৫ হিজরী।
- ইমাম তিরমিযী, মৃত্যু ২৭৯ হিজরী।
- ইমাম নাসাঈ, মৃত্যু ৩০৩ হিজরী।
- ইমাম তাবারী, মৃত্যু ৩১০ হিজরী।
এরা সবাই আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাআতের ইমাম বলে সর্বজন স্বীকৃত। এমনকি ইমাম ইবন জারীর আত তাবারীকে বলা হয় সর্বশেষ মুজতাহিদে মুতলাক। এরা সকলে যে আকীদা পোষণ করতেন তা আমাদের জন্য আকীদার পথের মাইলফলক হলো না কেন?
৪- আশআরী আকীদার ইমাম আবুল হাসান আশআরী নিজে যে আকীদা বাদ দিয়ে জীবনের শেষ সময়ে তিনটি গ্রন্থ রচনা করেছেন সে ইমামের শেষের গ্রন্থগুলোতে কেন আশআরীরা থাকলো না? তিনি বাগদাদে আসার পরে প্রখ্যাত মুহাদ্দিস যাকারিয়া আস-সাজী এর দরবারে বসে আলোচনার পরে ইমাম আহমাদ ও মুহাদ্দিসগণের আকীদা কী তা জানার পরে নিজের মতগুলোকে পরিশীলিত করে নিন্মোক্ত তিনটি গ্রন্থ রচনা করেন,
- আল ইবানাহ আন উসূলিদ দিয়ানাহ।
- মাকালাতুল ইসলামিয়্যীন।
- রিসালাতুন ইলা আহলিস সাগার।
যা এখনো বিদ্যমান, যার বেশির ভাগই আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদার সাথে মিলে যায়, আশআরীরা সে আকীদা কেন গ্রহন করে না?
৫- যে সব আকীদা না জেনে সাহাবা, তাবেঈ, তাবে তাবেঈ ও ইমামগণ চলে গেছেন, আমাদেরকে সেসব আকীদা-বিশ্বাস কেন পোষণ করতে হবে?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি জাওহার কিংবা আরাদ্ব নিয়ে কথা বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি কাদীম ও হাদেস নিয়ে কথা বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি আল্লাহকে উপরে বলা যাবে না বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি আল্লাহকে সর্বত্র বিরাজমান বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি কুরআন ও সুন্নাহর ভাষ্যকে প্রকাশ্য অর্থে নেয়া যাবে না বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি আল্লাহর কালামকে বর্ণহীন, ধ্বনীহীন বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি আল্লাহর কথাকে শুধু নফসে সীমাবদ্ধ করে কালামে নাফসী বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি আল্লাহর “ইস্তেওয়া আলাল আরশ” বা আরশের উপর উঠার গুণটিকে পরিবর্তন করে ইস্তীলা বা আরশ দখল করার অর্থ করতে বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি আল্লাহর হাতকে নেয়ামত বা কুদরত বলেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি আল্লাহর কোনো গুণ অস্বীকার করেছেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি আল্লাহর গুণগুলোকে অর্থহীন বলতেন?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি বলতেন যে মানুষের ক্ষমতা আছে তবে সেটার কোনো প্রভাব নেই?
- সাহাবায়ে কিরামের কেউ কি খবরে ওয়াহিদ (এমন হাদীস যার বর্ণনাকারীরা অগণিত অসংখ্য হয়নি) আকীদার জন্য গ্রহণ করা হবে না বলে কোনো শর্ত লাগিয়েছেন? নাকি তারা বিশুদ্ধ হওয়াই যথেষ্ট মনে করেছেন?! বস্তুত তারা তো সনদ বিশুদ্ধ হওয়াই গ্রহণ করার মাপকাঠি নির্ধারণ করতেন।
৬- ইমাম আবুল হাসান আল আশআরীর জন্ম যদি ২৬০ হিজরী সালে হয়, (মৃত্যু ৩২৪ হিজরীতে হয়) তাহলে তার আগের লোকেরা কী আকীদা পোষণ করত? তাদের কি আকীদা বিশ্বাস ছিল না? তাদের জন্য যা যথেষ্ট ছিল আমাদের জন্য তা যথেষ্ট হতে বাধা কোথায়?
৭- আকীদার মৌলিক মাসআলাগুলো এমন নয় যা পরে এসেছে। বরং রাসূল স্বয়ং সেগুলো সুসংহত করেছেন। সাহাবায়ে কিরাম সেগুলোর দাওয়াত সর্বাগ্রে প্রদান করতেন। তাবেঈগণ সেগুলো বিস্তারিত আলোচনা করতেন। তাবে তাবেঈগণ সেগুলো নিয়েই প্রথম আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাহলে পরে সেখানে ইজতিহাদ করে বলার সুযোগ কি আশআরী বা মাতুরিদীর কারো থাকে?
৮- এখনো বিশ্বের বেশিরভাগ মুসলিম স্বাভাবিক অর্থেই কুরআন ও সুন্নাহ গ্রহণ করে আমল করে থাকে। যেমন
- তারা আল্লাহর উপর ঈমান নিয়ে সন্দেহে থাকে না।
- তারা আল্লাহর কথা মনে হলেই উপরের দিকে অন্তর ধাবিত করে।
- তারা দোআ করতে গেলেই দু হাত উপরে তুলে দেয়।
- তারা আল্লাহর গুণাবলীর স্বাভাবিক প্রকাশ্য অর্থ করে।
- তারা বিশ্বাস করে নবীজীর সাথে আল্লাহ আরশের কাছে কথা বলেছেন।
- তারা বিশ্বাস করে আল্লাহর কাছ থেকে ওহী অবতরণ করে।
- তারা বিশ্বাস করে ফিরিশতাকুল রূহ নিয়ে আল্লাহর কাছে উপরের দিকে নিয়ে যায়।
- তারা বিশ্বাস করে আরশ সবকিছুর উপরে। আর আল্লাহ আরশের উপরে।
তাহলে আশআরী মাতুরিদীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম হওয়ার দাবী সম্পূর্ণ মিথ্যা।
প্রিয় ভাই সকল!
সুতরাং আসুন আমরা ইনসাফ করি, নিজেদেরকে পরিশুদ্ধ করি। সাহাবা, তাবেঈ, তাবে তাবেঈ ও প্রথম তিন যুগের সম্মানিত ইমামগণের আকীদার দিকে ফিরে যাই, তাদের আকীদা গ্রহণ করি। আশআরী ও মাতুরিদী আকীদা হিসাবে যা প্রচলিত আছে তা পরিত্যাগ করি।
আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক পথের দিশা দিন, আমীন।

✍️ প্রফেসর ড. আবূ বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
পিএইচডি, আকীদাহ্ ও দাওয়াহ্ অনুষদ,
মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

18/10/2024

🔹এই ৩৬টি বালা-মুসীবত থেকে নবী মুহাম্মাদ ﷺ সর্বদা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেনঃ

১- অপারগতা। ২- অলসতা।
৩- ভীরুতা। ৪- কৃপণতা।
৫- হঠাৎ বিপদ। ৬- কঠোরতা।
৭- দু্র্ভাগা হওয়া। ৮- সামর্থহীনতা।
৯- অপমান। ১০- দারিদ্রতা।
১১- কপর্দকহীনতা। ১২- কুফর।
১৩- শির্ক। ১৪- দীন বিরোধিতা।
১৫- পেরেশানী। ১৬- মুনাফেকী।
১৭- দুশ্চিন্তা। ১৮- প্রদর্শনেচ্ছা।
১৯- বধিরতা। ২০- মুক অবস্থা।
২১- পাগলামী ২২- কুষ্ঠ।
২৩- শ্বেত (ধবল)। ২৪- খারাপ রোগ।
২৫- ঋণের প্রাদুর্ভাব। ২৬- মানুষের নীপিড়ন।
২৭- নেয়ামত চলে যাওয়া।
২৮- নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া।
২৯- অতিশয় বৃদ্ধাবস্থা।
৩০- শোনানোর প্রবণতা।
৩১- দ্বীনের অবাধ্যতা।
৩২- অমনোযোগিতা।
৩৩- ফয়সালার খারাপি।
৩৪- শত্রুদের দ্বারা জিঘাংসা চরিতার্থ করা।
৩৫- আল্লাহর সবধরণের অসন্তুষ্টি।
৩৬- অধৈর্য করে দেয়া বিপদ।

সুতরাং প্রতিটি মুসলিমেরও উচিত এগুলো থেকে আল্লাহর কাছে সর্বদা আশ্রয় প্রার্থনা করা।

✍️ড. আবু বকর যাকারিয়া

🟥 প্রত্যেক পুরুষ মুসলিমের দাড়ি রাখা ওয়াজিব।      এবং দাঁড়ি কাটা বা চাঁছা কবিরা গুণাহ‼      এ সংক্রান্ত শরী‘আতের দলীল নিচ...
16/10/2024

🟥 প্রত্যেক পুরুষ মুসলিমের দাড়ি রাখা ওয়াজিব।
এবং দাঁড়ি কাটা বা চাঁছা কবিরা গুণাহ‼
এ সংক্রান্ত শরী‘আতের দলীল নিচে বর্ণনা করা হলোঃ

🌿আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন...
নবী মুহাম্মাদ ﷺ বলেছেনঃ ❝তোমরা মুশরিকদের উল্টো করবে- দাড়ি লম্বা রাখবে, গোঁফ ছোট করবে❞
[সহীহ্‌ বুখারী, হা/৫৮৯২]

🌿রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বলেছেনঃ
❝তোমরা গোঁফ অধিক ছোট করবে এবং দাড়ি ছেড়ে দিবে (বড় রাখবে)❞
[সহীহ্‌ বুখারী, হা/৫৮৯৩]

🌿আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন...
রাসূল ﷺ বলেছেন, ❝তোমরা দাড়ি ছেড়ে দাও, গোঁফ ছোটো করো, পাকাচুলে খেযাব (মেহেদী) লাগাও এবং ইহুদী ও খ্রিস্টানদের সাদৃশ্য অবলম্বন করো না❞।
[মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৬৫৭; ছহীহুল জামে, হা/১০৬৭]

🌿আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
❝তোমরা গোঁফ ছেঁটে এবং দাড়ি রেখে অগ্নিপূজকদের বিপরীত করো❞ [মুসলিম, হা/২৬০, মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৭৭১]

🌿উবায়দুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে,
একবার ইয়েমেনের শাসকের পক্ষ থেকে দু’জন মাজুসী (অগ্নিউপাসক) লোক রাসূল ﷺ-এর কাছে এলেন। ঐ লোকদের মোচ ছিল অনেক লম্বা আর তার দাড়ি ছিল খাটো এবং কাটছাট করা। তাদের চেহারার দিকে তাকাতেও আল্লাহর রাসূলের কষ্ট হচ্ছিল। রাসূল ﷺ তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন- কে তোমাদেরকে এরূপ করতে আদেশ করল? উত্তরে তারা বলল, আমাদের প্রভু (কিসরা) আমাদেরকে আদেশ করেছেন।
তখন রাসূলুল্লাহ্ ﷺ তাদেরকে বললেন...
❝কিন্তু আমার রব তো আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, আমার মোচ খাটো করতে আর দাড়ি লম্বা করে রাখতে।❞
[আওজাযুল মাসালেক, ১৫/৬]
[আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া (৪/২৭০) দারুল ফিকর সংস্করণ]
(ত্বাবাকাত ইবনে সাদ, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)

⬛️ দাঁড়ি রাখা সকল নবীর সুন্নাত।

🌿রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বলেন, "যে আমার সুন্নাত থেকে বিরাগভাজন হয় সে আমার দলভুক্ত নয়"
[মুসলিম, হা/৩২০৬]
🌿প্রিয় নবী (ﷺ) বলেছেনঃ "যে ব্যক্তি আমার সুন্নাতকে ভালবাসল, সে আমাকে ভালবাসল, আর যে ব্যক্তি আমাকে ভালবাসল, সে জান্নাতে আমার সাথেই থাকবে।"
[তিরমিজি, হা/২৭২৬]

✍️ সকল আলেমগণের ঐকমত্যে রায় হলো, দাড়ি কামানো হারাম, কবিরা গুণাহ। কারণ এতে মুশরিকদের অনুসরণ, তাদের সাদৃশ্য বরণ এমনকি অগ্নিউপাসকদেরও অনুকরণ করা হয়, আর সব চেয়ে বড় কথা এতে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ-এর নির্দেশ লঙ্ঘিত হয়‼
====================

🍂 মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন-
❝হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ ও তার রাসূলের নির্দেশ মান্য কর এবং শোনার পর তা থেকে বিমূখ হয়ো না❞
[সূরা আনফাল, আয়াত:২০]

🍂 আল্লাহ্‌ ﷻ বলেন-
❝রাসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা❞
[সূরা হাশর, আয়াত:৭]

🍂আল্লাহ্‌ ﷻ আরও বলেন-
❝বল, 'যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমার (রাসূলের) অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু'❞
[সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ৩১]

▬▬▬▬●●●▬▬▬▬

☘️রাসূল ﷺ বলেছেন-
❝আমার কথা অন্য কাছে পৌঁছিয়ে দাও ৷ তা যদি একটি আয়াতও হয়❞
[সহীহ বুখারি, হা/৩২১৫]

KN95 Mask  বিক্রয় হবে😷Type - A (With filter)Type - B (Without filter)Original China productযে কোন কোয়ানটিটি বিক্রয় যোগ্য...
21/06/2020

KN95 Mask বিক্রয় হবে😷
Type - A (With filter)
Type - B (Without filter)
Original China product

যে কোন কোয়ানটিটি বিক্রয় যোগ্য
বনানী শো-রুম থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

বিস্তারিত জানতেঃ +88 018 7892 4004

Address

Dhaka
1229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RBAR Fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category