31/05/2026
আজকে সারাদিন কুরবানির হাট নিয়ে গুজব ছড়ানো হইলো। এই পালে এখন হাওয়া দিছে বিএনপিরই এক গ্রুপ। অথচ এই হাট পুরোটাই বিএনপির নেতৃবৃন্দের সম্মিলিত ইনভেস্টমেন্ট ছিলো, ব্যবস্থাপনাও ছিলো তাদেরই।
একজন বহিষ্কৃত নেতাও সেই ইনভেস্টমেন্টের অংশীদার ছিলো। হাট শুরুর আগে থেকে ছেলেপেলে নিয়ে হাটে শোডাউন দিতো। এখন নাকি হাটের অব্যবস্থাপনা তাদের চোখে ধরা পড়ছে।
হাটে ছোটখাটো বিষয়ে সমস্যা হবেই, এটাই নিয়ম, এটাই হয়ে আসতেছে। সানভ্যালি এবং বেরাইদের হাট এবার যতোটা না জায়গা নিয়ে করছে, এর আগে কখনোই আশেপাশে এমনভাবে হয় নাই। তার উপর মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে আসছে বৃষ্টি। এতো কিছু থাকার পরও হাটে যাতে পানি না জমে, সেই ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হইছে।
হাটের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, যখন নতুন বাজার হাট ছিলো, তখন যারা গরু বিক্রেতা ছিলো তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিলো বাথরুম এবং পানি। এমনও দেখা গেছে, নতুন বাজার হাট থাকাকালীন ড্রেন থেকে পানি এনে গরুকে খাওয়ানো হইছে। এটা তো বেশিদিন আগের কথা না, গত কয়েক বছর যাবত এভাবেই হয়ে আসতেছে।
কিন্তু এবার গরু বিক্রেতাদের জন্য পর্যাপ্ত বাথরুমের ব্যবস্থা ছিলো এবং খাবার পানির ব্যবস্থাও ছিলো।
এতো সুন্দরভাবে সবকিছু সমাধান হওয়ার পরও কেনো বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা নিয়ে এবার হাটকে ব্যর্থ হিসেবে প্রমাণ করতে চাইতেছে স্বয়ং নিজেদের বিএনপি পরিচয়দায়ক বিষফোড়ারা?
আমরা চাই, তাদের চতুষ্পদ প্রাণীর মতো চোখ-কান বন্ধ না থাকুক; বরং চারপাশ ভালোভাবে দেখুক।
ধন্যবাদ সবাইকে।
-এডমিন