Like & Click

Like & Click CLICK FOR HAPPINESS

28/08/2026

তিনটা বিষয় অন্যের কাছে বলবেন না।
১) আপনার ইনকাম
২) আপনার দুর্বলতা
৩) আপনার পরিকল্পনা।

“পৃথিবীর সব আবিষ্কার আর উন্নতি কি সত্যিই সবার জন্য?”মানবসভ্যতা যত এগিয়েছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তত উন্নত হয়েছে।কিন্তু এ...
28/08/2026

“পৃথিবীর সব আবিষ্কার আর উন্নতি কি সত্যিই সবার জন্য?”

মানবসভ্যতা যত এগিয়েছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তত উন্নত হয়েছে।
কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যায়—এই উন্নতির সুফল কি সমাজের সবাই সমানভাবে পাচ্ছে?

উন্নত চিকিৎসা আছে—কিন্তু সবার নাগালের মধ্যে নয়।
বিশ্বমানের শিক্ষা আছে—কিন্তু সবার জন্য সহজলভ্য নয়।
AI, ইন্টারনেট, স্মার্টফোন আছে—কিন্তু ডিজিটাল সুযোগও সবার সমান নয়।
স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি মানুষের কাজ সহজ করছে—আবার অনেকের কর্মসংস্থানের ধরনও বদলে দিচ্ছে।

অনেক সময় দেখা যায়, নতুন প্রযুক্তি ও আবিষ্কার প্রথমে যাদের হাতে অর্থ ও ক্ষমতা বেশি, তারাই সবচেয়ে বেশি সুবিধা পায়।
আর সাধারণ মানুষ হয় সেই প্রযুক্তির ব্যবহারকারী, নয়তো তার প্রভাবের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া শ্রমিক।

তাহলে কি উন্নতি শুধু ধনীদের জন্য?

না—সমস্যা আবিষ্কারে নয়, সমস্যা হলো সুযোগের বণ্টনে।

একটি সত্যিকারের উন্নত সমাজ হলো এমন একটি সমাজ, যেখানে নতুন প্রযুক্তি শুধু কিছু মানুষের জীবনকে বিলাসবহুল করবে না; বরং শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান—সব ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের সুযোগ বাড়াবে।

উন্নতি তখনই অর্থবহ, যখন তার সুফল সবার কাছে পৌঁছায়।

প্রশ্নটা তাই শুধু “আমরা কতটা উন্নত হয়েছি?” নয়।
প্রশ্ন হওয়া উচিত—
“এই উন্নতির কতটা অংশ সাধারণ মানুষের জীবনে পৌঁছেছে?”

আপনার কী মনে হয়—বর্তমান বিশ্বের উন্নতি কি সত্যিই সবার জন্য, নাকি মূলত ধনীদের জন্য? 🤔

29/07/2026

কেউ নতুন চাকরি পেল—আপনার মন খারাপ হয়ে গেল।
কারও বিয়ে ঠিক হলো—আপনার ভেতরে অদ্ভুত কষ্ট লাগলো।
কারও ব্যবসা ভালো চলছে—আপনি ভাবলেন, “ওর এত হচ্ছে, আমার কেন হচ্ছে না?”
কারও সুন্দর সংসার, সন্তান, বাড়ি, পড়াশোনা, জনপ্রিয়তা দেখে নিজের জীবনকে ছোট মনে হতে লাগলো।

এটা খুব বাস্তব অনুভূতি।
কিন্তু এই অনুভূতিটা যদি নিয়ন্ত্রণ না করি, একসময় তা হাসাদে পরিণত হতে পারে।

হাসাদ মানে শুধু কারও জিনিস দেখে মন খারাপ হওয়া না।
হাসাদ হলো—অন্যের নিয়ামত দেখে ভেতরে ভেতরে চাইতে থাকা, “এটা ওর থেকে চলে যাক” বা “ও কেন পেল?”

এটা ভয়ংকর রোগ। কারণ হাসাদ প্রথমে অন্যের ক্ষতি করার আগেই নিজের হৃদয়কে পুড়িয়ে দেয়।

আল্লাহ বলেন—

> “আল্লাহ তোমাদের কাউকে অন্য কারও উপর যে অনুগ্রহ দিয়েছেন, তোমরা তার আকাঙ্ক্ষা করো না। পুরুষদের জন্য আছে তাদের উপার্জনের অংশ, নারীদের জন্য আছে তাদের উপার্জনের অংশ। তোমরা আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করো।”
📖 সূরা আন-নিসা: ৩২

কী সুন্দর শিক্ষা!

অন্যেরটা দেখে বুক জ্বালাবেন না।
আল্লাহর কাছে নিজের জন্য চান।

কারণ যার জীবনে আপনি শুধু হাসিটা দেখছেন, তার ভেতরের পরীক্ষা আপনি দেখেন না।
যার রিজিক দেখছেন, তার কান্না দেখেন না।
যার বিয়ে দেখছেন, তার দায়িত্ব দেখেন না।
যার সফলতা দেখছেন, তার রাত জাগা, দুশ্চিন্তা, ভয়, ত্যাগ—কিছুই দেখেন না।

Social media আমাদের অন্যের জীবনের highlight দেখায়, reality না।
আর আমরা সেই highlight দেখে নিজের entire life বিচার করি।
এখান থেকেই কষ্ট, তুলনা, হিংসা আর অকৃতজ্ঞতা শুরু হয়।

রাসূল ﷺ বলেছেন—

> “তোমরা পরস্পর হিংসা করো না, পরস্পর বিদ্বেষ পোষণ করো না, পরস্পর সম্পর্ক ছিন্ন করো না; বরং আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে যাও।”
📚 সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম

ইসলাম আমাদের অন্যের ভালো দেখে কষ্ট পেতে শেখায় না; বরং “বারাকাল্লাহ” বলতে শেখায়।

কেউ ভালো কিছু পেলে বলুন—
“আল্লাহ আপনার রিজিকে বরকত দিন।”
“আল্লাহ আপনার নিয়ামতকে স্থায়ী করুন।”
“ইয়া আল্লাহ, তাকেও দিন, আমাকেও আপনার রহমত থেকে দিন।”

এটাই মুমিনের হৃদয়।

তবে একটা বিষয় বুঝতে হবে—অন্যের ভালো দেখে নিজেও ভালো হতে চাওয়া খারাপ না।
কেউ নিয়মিত কুরআন পড়ে, দেখে আপনারও কুরআন পড়তে ইচ্ছে হলো—এটা ভালো।
কেউ দান করে, দেখে আপনারও দান করতে ইচ্ছে হলো—এটা ভালো।
কেউ ইলম শিখছে, দেখে আপনারও শেখার আগ্রহ হলো—এটা ভালো প্রতিযোগিতা।

সমস্যা তখন, যখন অন্যের নিয়ামত দেখে নিজের আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামত ভুলে যাই।

আপনারও তো অনেক নিয়ামত আছে।
আপনার ঈমান আছে।
শ্বাস চলছে।
খাবার আছে।
চোখ আছে।
পরিবার আছে।
তাওবার দরজা খোলা আছে।
দোয়া করার সুযোগ আছে।

আমরা যা পাইনি, শুধু সেটার হিসাব করি।
কিন্তু যা পেয়েছি, তার শুকরিয়া করতে ভুলে যাই।

মনে রাখবেন—
আল্লাহ কারও রিজিক আপনাকে দিয়ে ভুল করেননি।
আপনার রিজিকও অন্য কারও কাছে ভুলে দিয়ে দেননি।

যা আপনার জন্য, তা আপনাকে খুঁজে নেবে ইন শা আল্লাহ।
আর যা আপনার জন্য নয়, তা জোর করেও শান্তি দেবে না।

তাই অন্যের সফলতা দেখলে নিজের হৃদয়কে এই তিনটা কথা শেখান—

“আল্লাহ তাকে দিয়েছেন, আল্লাহ আমাকেও দিতে পারেন।”
“ওর নিয়ামত আমার রিজিক কমিয়ে দেয় না।”
“আমি হিংসা নয়, বরকতের দোয়া করবো।”

এই অভ্যাস হৃদয়কে পরিষ্কার করে।
আর পরিষ্কার হৃদয়েই ঈমানের স্বাদ থাকে।

🌿 হাসাদ থেকে বাঁচার বাস্তব উপায়:

১. অন্যের ভালো দেখলে “বারাকাল্লাহ” বলুন।
২. তুলনা কমান, শুকরিয়া বাড়ান।
৩. Social media কম দেখুন, নিজের জীবন বেশি গুছান।
৪. অন্যের নিয়ামত চলে যাওয়ার কামনা করবেন না।
৫. আল্লাহর কাছে নিজের জন্য হালাল ও বরকতময় রিজিক চান।
৬. নিজের ৩টি নিয়ামত প্রতিদিন লিখুন।
৭. দোয়া করুন—আল্লাহ যেন অন্তর পরিষ্কার রাখেন।

Collected

24/07/2026

আজ কেমন কাটলো সবার দিন?

29/06/2026

কিছু মানি ম্যানেজমেন্ট টিপস 🎯😊

১. মোট আয়ের ২০% সঞ্চয় করবেন ( প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ)। যদি ভাবেন যে এই আয়েই তো চলে না, তাহলে লাইফস্টাইল ডাউনগ্রেড করে ৮০% নামাবেন, কিন্তু সঞ্চয় করবেন।

২. অবিশ্বাস্য রকম ভালো অফার বা সুযোগ যা হুজুগ হয়ে আসে, এড়িয়ে চলবেন। এগুলো আপনার জন্য না। শেয়ার মার্কেটে আপনি বাম্পার মারতে পারবেন না, ইভ্যালির জ্যাক মা আপা আপনার টাকাটাই গাপ করবে। এসবে টুকটাক খরচ করা ঠিক আছে, কিন্তু হাঁটুগেড়ে পুরো সঞ্চয় নিয়ে নেমে পড়লেন তো মরলেন।

৩. ভুয়া, নামহীন রিয়েল এস্টেট থেকে শতহাত দূরে থাকুন। ( ঢাকার আশেপাশে যত লোক কিস্তি দিয়ে যাচ্ছে, এত কাঠা জায়গা গোটা ঢাকায়ও নাই। )

৪. যে ব্যবসা বুঝেন না, অথবা নিজে পরিচালনা করবেন না, সেরকম ব্যবসায় পার্টনার হবেন না। অমুক ভাইয়ে ব্যবসা করে আপনাকে মাস শেষে মুনাফা দিবে-এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা।
(যে কোন অনুমোদনহীন ইনভেস্টমেন্ট থেকে দূরে থাকবেন )

৫. ফেরত পাওয়ার আশায় কোনদিন ঋণ দিবেন না, বাধ্য না হলে নিবেনও না। ব্যাংক বা ফিনান্সিয়াল ইন্সটিটিউটের কাছ থেকে ঋণ নেয়া খারাপ কিছু নয়, যদি স্মার্টলি ম্যানেজ করতে পারেন।

৬. জীবনে মাঝে মাঝেই ধরা খাবেন। সবকিছু যেমন ভাবছেন তেমন যাবে না। পেরেশান হইয়েন না, এটা পার্ট অব লাইফ।

৭. কন্টিনিউয়াস আপনার পেশার সাথে জড়িত বিষয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপ করতে থাকবেন। এটি ভাত খাওয়া বাথরুম করার মতোই অভ্যাসের বিষয় করে ফেলুন। নতুন দক্ষতা তৈরি করতে না পারলে আপনার জীবনের প্রাইম টাইম ৫ বছরের বেশি হবে না, তারপরই ধস নামতে শুরু করবে।

৮. নূন্যতম ৬ মাসের খরচের সমপরিমাণ ক্যাশ সবসময় সঞ্চয় রাখবেন। এই টাকা কাউকে কখনোই ধার দিবেন না বা বৃহত্তর পরিবারের অন্য কারো জন্য খরচ করবেন না।
আপনার চাকুরি কালকে চলে যেতে পারে, অথবা পরশু রাতে হার্ট এটাক হয়ে গেলে রিঙ পরানো লাগতে পারে হার্টে। তখন ক্যাশ ছাড়া উপায় নেই। এই টাকা সোনা বা জমিতে খাটাবেন না, কারণ সময়মতো বিক্রি করতে পারবেন না।

৯. স্থাবর সম্পত্তি কখনোই এমন দূরত্বে কিনবেন না যেখানে আপনি নিয়মিত যেতে পারেন না। আপনি ঢাকা শহরে থেকে কুয়াকাটা জমি কিনে ফেলে রাখবেন ভবিষ্যতে লাভের আশায়, নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোনো ঝুট ঝামেলা হলে সেটা সামাল দেয়ার ক্ষমতা আপনার আছে কী না। অধিকাংশ মানুষেরই সেই ক্ষমতা নাই।

১০. মানুষকে নিয়ে বেশি বেশি ভেবে তাদের ইচ্ছার বাইরেও উপকার করতে যাবেন না। যে বা যারা আপনার পরামর্শ শুনেন না তাদেরকে উপযাচক হয়ে পরামর্শ দিতে যাবেন না। সেল্ফিশ ও চালাক মানুষের থেকে দূরে থাকবেন।

(সংগৃহীত)

19/06/2026

আমেরিকা ইরানের মধ্যে অবশেষে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ফ্রান্সে। কিন্তু কথা হলো -এই যুদ্ধে আসলে জিতলো কে আর হারলো কে?
যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর সাধারণত বিজয়ী পক্ষ পরাজিত পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করে। যেমন উপসাগরীয় যুদ্ধের পর ইরাকের ক্ষেত্রে হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ক্ষেত্রে দু’বার হয়েছে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালি ও জাপানের ক্ষেত্রে হয়েছে। তুরস্কের কাছে পরাজিত হয়ে গ্রিস যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। জাপানের কাছে পরাজিত হলে চীনকে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে। এরকম আরও অসংখ্য উদাহরণ আছে। আমরা সবাই জানি এগুলোকে “যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ” বলে।
এবার ইরানকে দিতে হবে ৩০০ বিলিয়ন ডলার।
'রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফান্ড' নামের এই প্রস্তাবিত তহবিলটি মূলত গালফ কোস্ট কোয়ালিশন অর্থায়ন করবে। তার মানে হলো- উপসাগরীয় দেশগুলোই সেই ৩০০ বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ দেবে, যা ইরান পাবে। আর আমেরিকা দিবে বাজেয়াপ্ত করে রাখা সমস্ত অর্থ।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোই আবার আমেরিকাকে শত শত বিলিয়ন ডলার দিয়েছে তাদের ভূখণ্ডে আমেরিকা ও ইসরায়েলি বাহিনী মোতায়েন করার জন্য, ক্ষেপণাস্ত্র থেকে তাদের রক্ষা করার উদ্দেশ্যে।
উপসাগরীয় সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে বড় অস্ত্র আমদানিকারকদের মধ্যে অন্যতম এবং নিষেধাজ্ঞায় থাকা ইরানের তুলনায় অত্যাধুনিক অস্ত্রের মালিক। কিন্তু তাদের না আছে মেধা, না আছে কোনো যোগ্যতা। তারা এই পৃথিবীর সবচেয়ে অলস ও ফুলে-ফেঁপে ওঠা বাহিনী।
উপসাগরীয় সেনাবাহিনী নিজেদের অস্ত্র তৈরি করে না। শুধু কেনে। তারপর সেগুলো সামরিক কুচকাওয়াজে ব্যবহার করে আবার গুদামে রেখে দেয় যাতে মরিচা ধরে।
উপসাগরীয় সেনাবাহিনী শুধু সেগুলোই কেনে, যেগুলো পশ্চিমারা তাদের কিনতে দেয় এবং দেশের শত শত বিলিয়ন টাকা এতে খরচ করে। এমনকি এসব করতে গিয়ে কর্মকর্তারা বিপুল পরিমাণ কমিশন চুরি করে।
আমেরিকার মূল উদ্দেশ্য ছিলো ইরানের রেজিম বদলে দেয়া। সেটা শুধু সম্ভব হয়নি ইরানের জনগণের সরকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনের কারণে।
সেই একই কারণে ইরাকে সাদ্দামের পরাজয় হয়েছিলো- কারণ উনি জনতার সাপোর্ট পাননি।
সেই একই কারণে তুর্কিয়েতে এরদোয়ানের বিরুদ্ধে সামরিক ক্যু বন্ধ হয়ে যায়-শুধু তাঁর একটা মুঠোফোনের বার্তায়। সব জনগণ মুহুর্তেই রাস্তায় নেমে আসে।
আজ ট্রাম্প একটা সত্য কথা বলেই ফেলেছেন- আমেরিকা ছাড়া ইসরাইলের কোনো অস্তিত্ত্বই নেই। এই প্রথম কোনো আমেরিকান প্রেসিডেন্ট দ্বারা ইসরাইলকে সরাসরি এভাবে এক্সপোস করার ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।
যাদের মেরুদণ্ড সবসময় অন্যের উপর নির্ভর করে দাঁড়িয়ে রাখতে হয়। তারা সব সময় সর্বত্র পরাজিতই হয়।
তাই এ যু্দ্ধে আমেরিকা জিতেনি। ইরান হারেনি। জেতেছে ইরানের জনগণ।
আর প্রমাণ করেছে - সরকারের প্রতি যে কোনো দেশের জনগণের সমর্থন হলো পারমানবিক বোমার চেয়েও বেশি শক্তিশালী।

Writer Arif Mahmud

19/06/2026

Something New and very excited things are coming.

বিক্রয়ের জন্য: Nike Calm 2.0 Men’s Slides (একদম নতুন)আমি আমার colleague-এর জন্য India থেকে Nike Calm 2.0 Men’s Slides (S...
07/06/2026

বিক্রয়ের জন্য: Nike Calm 2.0 Men’s Slides (একদম নতুন)
আমি আমার colleague-এর জন্য India থেকে Nike Calm 2.0 Men’s Slides (Size 10M / 11W) একটি জোড়া কিনেছিলাম। কিন্তু Bangladesh এ আনার পর সাইজটি ঠিক হয়নি, তাই এটি একদিনও ব্যবহার করা হয়নি।

এখন এই জোড়াটি বিক্রি করতে চাই।

Model: Nike Calm 2.0 (Men’s Slides)
Size: 10 (Men) / 11 (Women)
Condition: Brand New (0 day use, unused)
Includes: Original Box
Price: BDT 6,500
Location: Dhaka, Bangladesh

দৈনন্দিন ব্যবহার, আরামদায়ক হাঁটা এবং ঘরে-বাইরে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।

Products link:

https://www.nike.com/t/calm-2-mens-slides-2mNfv0A1

আগ্রহী ক্রেতারা ইনবক্স করুন।


https://www.facebook.com/share/p/1E6ugK14F6/?mibextid=wwXIfr

Find the Nike Calm 2.0 Men's Slides at Nike.com. Free delivery and returns.

03/06/2026

গায়রত হলো একটা লিমিট। যা অতিক্রম করা শোভনীয় নয়। ইসলাম বলেছে নাভির উপরে ও হাঁটুর নিচে প্যান্টস পরিধান করো। কিছু আলেম একে ফরজ বলছে, কেউ বলছে ফরজ টরজ কিছু না, এটা উত্তম।

আগের দিনে পুরুষেরা বাড়ির বউয়ের পর্দার ব্যাপারে খুব কঠোর ছিল। আসলে পুরুষ বলা ঠিক নয়, ইসলাম কঠোর হয়েছে। যে মানবে সে রিওয়ার্ডস পাবে, যে মানবে না তাকে গ্রিলড বানানো হবে। সোজা হিসাব।

ইসলাম বলছে অল্প বয়সে বিয়ে করো, তোমাকে ধনী বানিয়ে দেয়া হবে (টেকনিক্যালি অভাব দূর করা হবে, সচ্ছলতা দেবে)
এখানে শর্ত রয়েছে, যদি বিয়ের সামর্থ্য থাকে তাহলে বিয়ে করো, নয়ত বিয়ে থেকে দূরে থাকো। হারামে জড়িত হওয়ার আশংকা থাকলে রোজা রাখো, কেননা রোজা সকল অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে।

৫৫০ বছর আগে মাত্র ২১ বছর বয়সী একটা ছেলে মহাপরাক্রমশালী বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ধ্বসিয়ে দেয় এবং কন্সটান্টিনোপল দখল করে হাদিসের পূর্ণতা দেয়। তার পূর্বে বহু বিখ্যাত সাহাবী, সেনা কমান্ডারেরা দখল করতে পারেনি।
আবার দেখুন, সিরাজউদ্দৌলা মাত্র ২১ বছর বয়সে সিংহাসন হারিয়ে ফেলে। পরাজিত ও নিহত হয়।

কারণ কি ছিল জানেন? নিজের বাদে অন্যের উপর নির্ভর করা। মেহমেদ চেয়েছিল কন্সটান্টিনোপল দখল করবে তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছিল, শত্রুদের ব্যস্ত রেখেছিল বিভিন্ন ফ্রন্টে। নিজের শত্রুদের ঘায়েল করে তারপর মূল শত্রুর উপর ঝাপিয়ে পরেছিল। টিভি সিরিজে বিখ্যাত একটা কথা মেহমেদ বলে, "আমার পরিকল্পনার কথা যদি কোন দাঁড়ি জানতে পারে তাহলে সেই দাঁড়িও তুলে নেবো"। সেখানে সিরাজ কোলকাতা হামলা করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে এক্সিকিউট করতে পারেনি। আত্মীয়দের প্রতি নির্ভরতা, সেনাপতিদের অতি বিশ্বাস কখনো লক্ষ্য পৌঁছাতে সাহায্য করে না।
যা কিছু পৃথিবীতে যারা অর্জন করেছে তার সিংহভাগ ছিল নিজ একক পরিকল্পনার ফল। এমনকি এখন আমরা দেখতে পারি, নিজের পরিকল্পনা শেয়ার করলে বদনজর লাগে।

ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থানকারীরা তাখত রক্ষা করতে ডজন ডজন আত্মীয়-ভাই সরিয়ে দিতো। ইতিহাস তাদের খুনি হিসাবে মনে রাখেনি। প্রজাদের প্রতি তার কর্মকান্ডকে ইতিহাস লিখে রাখে।
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব একজন ভাতৃ হত্যাকারী ও বাবাকে জেলে পচিয়ে মেরেছিলেন। কিন্তু ইতিহাস এসব বলেও না। ইতিহাস বলে তিনি ব্যাটলগ্রাউন্ডে আজান হলে নামাজে দাঁড়াতেন, রাজকোষ থেকে বেতন নিতেন না, টুপি ও কোরআন নকল করে তা বিক্রি করে আয় দিয়ে জীবনধারন করতেন। ইতিহাস এসবই মনে রেখেছে। ইতিহাস মনে রেখেছে আওরঙ্গজেবের গায়রত।

৫৫০ বছর আগে হাদিসের পূর্ণতা দিয়েছিল ২১ বছর বয়সী একটা ছেলে যাকে বর্তমানের দুনিয়া শিশু হিসাবে মানদন্ড নির্ধারণ করে। এ যুগের ২১ বছর বয়সী অধিকাংশ বা ৯৫% এর বেশি ছেলেরা হাওয়ায় চটি পরে ঘুরে বেড়ায়। ইনকাম দূরে থাকুক বাবার পকেট থেকে কষ্টার্জিত অর্থ চুরি করে গর্ব করে প্রচার করে কিভাবে বাবা-মাকে ঠকিয়েছে। তাদের বলদ বানিয়েছে। এসব গায়রতহীন চরিত্র। আকাশে হাত তুলে এসব চরিত্র যতোই বলুক, "আল্লাহ আমাকে ইসলামের জন্য কবু্ল করো" - হাজার বছর সেজদা দিলেও সে কোন দ্বায়িত্ব পাবে না। রাস্তা থেকে ডেকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয় না।

পুলিশ হতে চাইলে এডমিশনে যেতে হবে। নির্দিষ্ট ক্রাইটেরিয়া পূরণ করতে হবে, অন্যদের পরাজিত করে নিজের সিট কনফার্ম করতে হবে। তারপর রাষ্ট্র তাকে দ্বায়িত্ব দেয় যা বেশ কষ্টসাধ্য জার্নি।
গার্লফ্রেন্ডের বয়স ২০-২১। তার বাসা থেকে দ্রুত বিয়ের জন্য চাপ দিবে। তার বিয়ে হয়ে যাবে। তোমার সাথে বিয়ে কেন দিবে যে নিজের দ্বায়িত্ব নিজে নিতে পারো না, নিজের পোশাক নিজে ওয়াশ করো না। অন্যরা যখন কাজ করতে ব্যস্ত, তখন তুমি বিড়ি টানছো। একটা মেয়ের স্বপ্ন থাকে তার পছন্দের মানুষকে বিয়ে করবে। কিন্তু তুমি শুধু সময় নষ্ট করো, কাজ তো করো না।

তারপর প্রেয়সীর বিয়ে হলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দাও "মেয়ে জাতটাই খারাপ" নানারকম উপমা দাও।

তুমি যখন রাস্তায় ঘুরছো তখন আরেকটা ছেলে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে নিজের ভবিষ্যত দাঁড় করিয়ে ফেলছে। এটা করতে গিয়ে রাজপুত্রের চেহারা থাকে না। তারপর টাকা নিয়ে এসে তোমার প্রেয়সীকে নিয়ে যাচ্ছে। একটা গায়রতহীন নির্বোধের মত পোস্ট দিচ্ছো "চাচারা জিতে যাচ্ছে"।

তোমাকে জিততে কেউ বাঁধা দিচ্ছে? তুমি নিজেই নিজেকে ঠকাচ্ছো। ভাবছো সব অটো আসবে। আজকার কিছু স্টুপিড কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ভিডিও বানায়, "যা তোমার সেটা অটো আসবে"- পরিশ্রম ছাড়া একটা সুতাও পাবে না।

চাকরি পাও না, ব্যবসা করো। টাকা নাই তো টিউশনি করো। টিউশনি পাওয়া যায় না? যারা করছে কিভাবে পাচ্ছে? তোমাকে খাইয়ে দিতে হবে? টাকা জমিয়ে রাস্তায় লেবু নিয়ে বসো। মুনাফা বের করো। ধীরে ধীরে কাজ শিফট করো। যারা নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চায় আল্লাহ তাদের সাহায্য করে।

দুনিয়াতে কিছুই সহজ না। জন্ম সহজ না, মৃত্যুও সহজ না। জীবন কখনো উপন্যাসের পাতার মত রোমাঞ্চকর নয়। তবে যারা পরিশ্রমী তাদের কাছে জীবন রোমাঞ্চকর সেজে উপস্থিত হয়।

স্মার্ট হওয়ার আগে গায়রতবান হও। গায়রতওয়ালারা দুনিয়াতেও ঠেকা খাবে না, ওই কালেও আটকাবে না। বেস্ট অব লাক।
COLLECTED hasan

25/04/2026

আপনার উন্নতিতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় আপনার পরিচিত মানুষজনই।😞😞😞

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Like & Click posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category