23/06/2026
আপনার বয়স ২২-৩০ এর মধ্যে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে ২ লাখ টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সি মাধ্যমে মদিনায় ৭ দিন থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল, সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,নফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নবী (সা) তে। সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন, নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন,মজমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানি স্বাদ দুনিয়া যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ)
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন।যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস, মদিনার রাস্তা, সব কিছু কেমন আরামদায়ক। আপনার সেই সময় মনে হবে,মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতে এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন। রাস্তা থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে দিবেন। কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে, কোলে উঠবে, মুরগি খাবে। আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নবী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন, সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।নবাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন। মনে হবে, আরেহ এই তো আমার পরিচিত বন্ধু,নকত দিনের চেনা।
আস্তে আস্তে ফজরে সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) রওজায় সালাম দিবেন, আপনার মনের কথা বলবেন। সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।
সিম্পল কিছু কাজ। কিন্তু এই কাজের যে শান্তি,মদুনিয়া সব সম্পদ হাতে দিলে আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়, একবার হলেও মদিনায় যাবেন, বেহেস্ত স্বাদ আপনি দুনিয়া পাবেন।
হে কাবার মালিক!🤲🏼
কবুল করে নে