Mom and Baby's Care

Mom and Baby's Care Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mom and Baby's Care, Dhaka.

We offer the best brands diapers and accessories, maternity & new mom products, fashion items, baby carriers, baby wraps, natural and organic crib mattresses, baby strollers, breastfeeding products.

07/08/2025

Be careful

♦জ্বর নিয়ে সচেতনতা প্রয়োজন♦১. যেকোনো ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫দিন টানা ১০২/১০৩°f আসতে পারে এবং কমলে, ১০১ এর নিচে নাও নামতে পা...
16/07/2025

♦জ্বর নিয়ে সচেতনতা প্রয়োজন♦

১. যেকোনো ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫দিন টানা ১০২/১০৩°f আসতে পারে এবং কমলে, ১০১ এর নিচে নাও নামতে পারে। কাজেই জ্বর শুরু হওয়ার পরেরবেলাতেই বা পরের দিন জ্বর কেনো কমছে না, অস্থির হওয়া যাবে না।

২. একদিনে জ্বর কমিয়ে দেয়ার কোনো মেডিসিন বা ম্যাজিক ডাক্তারদের জানা নাই। ভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিক কোনো কাজে লাগে না যদি না কোন ইনফেকশনের সোর্স পাওয়া যায় যা অনেকসময় প্রকাশ পেতে ৩দিনও লেগে যায়।

৩. জ্বর হলে বাচ্চা খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিবে, বড়রাও দেয়। এই অরুচির প্রাথমিক কোনো চিকিৎসা নাই। সবার মতো আপনাকেও বুঝিয়ে শুনিয়ে অল্প অল্প করে পানি তরল জাউ স্যুপ শরবত বা বাচ্চা যেটা খেতে চায় ( এমন কিছু দিবেন না যা আবার বমি, পাতলা পায়খানা ঘটায়) তাই খাওয়াবেন। পেশাব যেন অন্তত ৪ বার হয়। মুখে একদমই খেতে না পারলে, পেশাব কমে গেলে, বমি বন্ধ না হলে বা খিচুনি হলে বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

৪. হালকা জ্বরে ( ১০০ থেকে ১০২°) গা মুছে দিবেন, মুখে ঔষধ খাওয়াবেন। একবার ঔষধ খাওয়ানোর পর আবার সিরাপ দিতে অন্তত ৪/৬ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। আর সাপোসিটারী দিতে হলে অন্তত ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে।

৫. বেশী জ্বরে ( ১০২° F এর উপরে গেলে) তাড়াতাড়ি জ্বর কমানোর প্রয়োজন হলে সাপোসিটার ব্যবহার করতে পারেন (যদিও এটা বাচ্চাদের জন্য অস্বস্তিকর), এতে জ্বর সাময়িকভাবে হয়তো ১০২ এর নিচে নামতে পারে তবে পুরোপুরি যাওয়ার সম্ভাবনা কমই ১ম তিনদিনে। একটা সাপোসিটারী দেয়ার ৮ ঘন্টার মধ্যে আরেকটা সাপোসিটারী দিতে পারবেন না। তবে ৪/৬ ঘন্টা পর সিরাপ দিতে পারেন।

৫. জ্বরের ঔষধ ডাবল ডোজে বা ঘন ঘন খাওয়ালে, এন্টিবায়োটিক দিলেই জ্বর ভালো হয়ে যাবে এমন না। ভাইরাসের পরিমানের উপর, কতদিন এরা এক্টিভ থাকে তার উপর জ্বরের স্থায়ীত্ব নির্ভর করে।

৬. জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর চেয়ে বাচ্চার যত্ন নিন, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে গা মুছে দিন, গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন, সবচেয়ে বড় কথা বাচ্চাকে বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন, ঘুমের মধ্যে জ্বর থাকলেও তাকে ঘুম ভাঙিয়ে জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর দরকার নাই।

৭. থার্মোমিটার দিয়ে মেপে জ্বর ১০০ বা বেশী পেলেই জ্বরের ঔষধ খাওয়াবেন। গায়ে হাত দিয়ে গরম লাগা, জ্বর ৯৮, ৯৯° ; জ্বরের আগে শীত শীতভাব, অস্থির করা জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর কোন কারণ হতে পারে না।

৮. বাচ্চাদের এসিডিটি কম হয়, তাই একদম সম্ভব না হলে, খালিপেটে জ্বরের ঔষধ দিতে পারবেন।

৯. জ্বর হলে বাচ্চা এক আধটু বমি হতে পারে, কিছু জ্বরের ঔষধেও বাচ্চাদের বমি হয়। এসব ক্ষেত্রে বমির ঔষধ লাগে না, প্রয়োজনে জ্বরের ঔষধ পাল্টান। ঔষধ খাওয়ার ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে বমি করলে ১৫/২০ মিনিট পর আবার ঔষধটটুকু খাওয়াতে হবে।

ডেঙ্গু সিজন এখন। পাশাপাশি করোনার প্রকোপ আবার বাড়ছে।কাজেই সন্দেহ হলেই আশেপাশে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে টেস্ট করে নিবেন।
আপনার শিশুকে সাবধানে রাখুন ও সবাই সুস্থ থাকুন।

ধন্যবাদ!

লিখেছেনঃ DrKaderul Gani Tanim

16/11/2024



🟥বাচ্চাদের সিরাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন-
১)ঘুমের মধ্যে ওষুধ খাওয়াবেন না।
২)বেশি পরিমাণ ওষুধ এক সাথে মুখে দিবেন না।
৩)অনেকগুলো ওষুধ এক সাথে পর পর দিবেন না।
৪)কাশি দেওয়া অবস্থায় ওষুধ খাওয়াবেন না।
৫)অতিরিক্ত কান্নাকাটির সময় ওষুধ দিবেন না।

17/07/2024

---দাম্পত্য সম্পর্ক ও সন্তান পালন: একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবন

সন্তান জন্মের পর আমাদের দেশের বেশিরভাগ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কেই পরিবর্তন আসে। সন্তানের যত্ন নেওয়া এবং সংসারের কাজের চাপের কারণে দাম্পত্য জীবনে অনেক সময় তিক্ততা দেখা দেয়। বিশেষ করে ২-৩ জন সন্তান হলে, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক প্রায় ভাইবোনের মতো হয়ে যায়। সন্তানের পিছনে দৌড়াতে দৌড়াতে এবং সংসারের কাজ করতে করতে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে রোমান্টিক সম্পর্কের মুড আর থাকেনা।

বাচ্চার যত্নের জন্য আমাদের দেশে সাধারণত বাচ্চাদের মা-বাবার সাথে ঘুমানোর চল রয়েছে। কিন্তু বাচ্চার বয়স আড়াই বা তিন হলে তাদের আলাদা ঘুমানো উচিত। কারণ, এ সময় বাচ্চারা অনেক কিছুই বুঝতে পারে। রাতে বাচ্চার ঘুম ভেঙে মা-বাবাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখলে তাদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক হয়। এছাড়াও, বাচ্চাদের সাথে একসাথে ঘুমানোর কারণে দাম্পত্য জীবনে বিঘ্ন ঘটে।

---বাচ্চাকে আলাদা ঘুমানোর অভ্যাস

বাচ্চার বয়স আড়াই বা তিন হলে তাদের আলাদা ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। এটি তাদের ভালো থাকার জন্য এবং স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো রাখার জন্য অত্যাবশ্যক। বাচ্চার জন্য আলাদা বিছানা তৈরি করুন। তাদের রুমটাকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী সাজিয়ে দিন। রাতে গল্প শুনিয়ে বা বই পড়ে তাদের ঘুম পাড়ান। ঘুমিয়ে গেলে আপনার রুমে চলে আসুন। বাচ্চা আপনার অনুপস্থিতি টের পাবে না। রাতে বাচ্চা উঠতে পারে এই ভয়ে থাকলে একটি বেবি মনিটর কিনে নিন। এতে আপনি রাতে বাচ্চার কোন সমস্যা হলে সাথে সাথে টের পাবেন। সকালে বাচ্চার ওঠার সময়ের একটু আগে গিয়ে তার পাশে শুয়ে থাকুন। এতে বাচ্চা আপনার অনুপস্থিতি বুঝতে পারবে না।

---দ্বিতীয় সন্তানের আগমনে বড় সন্তানের যত্ন

দ্বিতীয় সন্তান হলে অনেক মায়েরা প্রথম সন্তানকে অবহেলা শুরু করেন। সব আদর ছোটজনের জন্য থাকে, অথচ বড়জন এই পরিবর্তন বোঝে এবং কষ্ট পায়। মায়ের উচিত এই সময়ে বড়জনকে বেশি করে সময় দেওয়া এবং তাকে বোঝানো যে তার প্রতি ভালোবাসা একটুও কমেনি। স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই এই দায়িত্ব নিতে হবে।

দুজন সন্তানের মধ্যে তুলনা করবেন না। তাদের আলাদা মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করুন। একজনকে মোবাইল দিয়ে খাওয়াবেন আর অন্যজনকে বলবেন নো ডিভাইস, এটি সঠিক নয়। দুজনের জন্যই একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। রাতে একই সময়ে তাদের বিছানায় যেতে সাহায্য করুন। কোনো জিনিস কিনলে দুজনের জন্যই কিনুন।

---পরিবারের সাথে সময় কাটানো

দিনে এক থেকে দেড়ঘণ্টা আলাদা সময় রাখুন যখন পুরো পরিবার একসাথে সময় কাটাবে। হাসি-আনন্দ করবেন, খেলবেন। নিজের সঙ্গীর দিকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকাবেন। মেজাজ খারাপ থাকলে প্রিয় মানুষগুলোর কাছ থেকে সরে যান এবং শান্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। আলাদা রুমে বা বারান্দায় গিয়ে মেডিটেশন করুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে কারনে আপনার মেজাজ খারাপ তা কতটা যুক্তিযুক্ত। গভীর নিঃশ্বাস নিন এবং মন খারাপকে বাতাসে ছেড়ে দিন।

---দাম্পত্য জীবনের সম্পর্ককে অটুট রাখুন

সংসার তৈরি হয় স্বামী, স্ত্রী, এবং সন্তানকে নিয়ে। সংসারের কাজ করতে করতে যেন এই মানুষগুলো অবহেলিত না হয় তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদেরই। ভালোবাসার সম্পর্কগুলো অটুট রাখতে চেষ্টা করুন। দাম্পত্য জীবন ও সন্তানের যত্নের মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন করুন।

Only mummy knows 😭
08/05/2024

Only mummy knows 😭

Indeed
08/05/2024

Indeed

পর্যাপ্ত জল পান করা: বাচ্চাদেরকে প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে উৎসাহিত করুন। তারা যেন নিয়মিত পানি পান করে।ঠান্ডা পরিবেশ সৃ...
18/04/2024

পর্যাপ্ত জল পান করা: বাচ্চাদেরকে প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে উৎসাহিত করুন। তারা যেন নিয়মিত পানি পান করে।

ঠান্ডা পরিবেশ সৃষ্টি করা: ঘরকে ঠান্ডা রাখতে পর্দা দিয়ে রোদ আটকানো, ফ্যান বা এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করা সহায়ক। যদি এয়ার কন্ডিশনার না থাকে, তবে ঘরের বাতাস চলাচলের জন্য উইন্ডো ফ্যান ব্যবহার করতে পারেন।

হালকা ও পরিষ্কার পোশাক: বাচ্চাদেরকে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও সুতির পোশাক পরান। এগুলো গরমে বেশি আরামদায়ক।

শরীর ঠান্ডা রাখা: বাচ্চাদের নিয়মিত গোসল করানো, তাদের মাথা ও ঘাড়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুছে দেওয়া ইত্যাদি উপায়ে শরীর ঠান্ডা রাখা যেতে পারে।

সূর্যের তাপ এড়ানো: দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে যেমন দুপুর ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বাচ্চাদের বাইরে না যাওয়ার।

স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ: বাচ্চাদের সবসময় ঠান্ডা ফল, যেমন তরমুজ, আঙ্গুর এবং স্ট্রবেরি খেতে দিন। এগুলি শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।

ইনডোর এক্টিভিটি: গরমের দিনগুলিতে বাচ্চাদের সঙ্গে ইনডোর গেমস ও এক্টিভিটি করুন। যেমন পাজল সমাধান, বুক রিডিং, আর্ট এন্ড ক্রাফ্ট প্রজেক্টস ইত্যাদি।

রাতের বেলা বাতাস ব্যবহার করুন: যদি রাতে তাপমাত্রা কমে যায়, তবে রাতের বেলা জানালা খুলে দিয়ে বাড়িতে প্রাকৃতিক বাতাস প্রবাহিত করুন।

সানস্ক্রিন ও সানহ্যাট: যদি বাচ্চাদেরকে বাইরে নিয়ে যেতে হয়, তবে তাদের সানস্ক্রিন লাগিয়ে দিন এবং সানহ্যাট পরান। এটি তাদের সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করবে।

সবাই সাবধানে থাকবেন
18/04/2024

সবাই সাবধানে থাকবেন

07/08/2022
02/08/2022

৬ মাস শেষ হলে অর্থাৎ ১৮১ দিন পর সলিড খাবার দিতে হয়।অনেকেই বুঝতে পারে না কি দিয়ে শুরু করবে? দিনে কয় বার? কি কি দিবে?
নিচের রুটিন টা একটু ফলো করতে পারেন-

১৮২ তম দিন থেকে বেবিকে

পাকা কলা ও মিস্টি আলুর পিউরি দিবেন ১ টেবিল চামচ করে দিনে ২ বার প্রথম ৩ দিন।

পরের ৩ দিন ও একই থাকবে + হোম মেড সুজি ফর্মুলা মিল্কের সাথে, দিনে ১ বার অল্প করে।

এরপর ৩ দিন সবজি( আলু, পেপে, গাজর, মিস্টি কুমড়া, শাক যে কোন
সবজির পিউরি) দিনে ২ বার+ সুজি_★ প্রথম ৯ দিন এভাবেই চলবে।

১০ দিন থেকে সকালে ডিমের কুসুম দিয়ে সুজি+ দুপুরবেলা সিদ্ধ চাল, ডাল এর পাতলা খিচুরি+ বিকালে সবজি/ ফলের পিউরি। ৭ দিন এভাবে চলবে।

১৮ তম দিন থেকে খিচুরির সাথে একটা করে শাক, সবজি এ্যাড করবেন, বাকি সব ঠিক থাকবে।এভাবে ৭ মাস পর্য়ন্ত চলবে।

নোট:
★চিনি, লবন, গরুর দুধ এক বছরের আগে না দেওয়া ভাল।
★খাবারের পাশাপাশি পানি খাওয়াবেন অল্প করে।
★দুধের তৈরি খাবার যেমন, পায়েস, পুডিং, দই খাওয়াবেন।
★সলিড শুরুর প্রথমে পটি নরম হতে পারে, ঘন গন হতে পারে এটা নিয়ে চিন্তা করবেন না।এটা এমনি ঠিক হয়ে যায়।
★ অনেক সময় পটির সাথে গোটা গোটা খাবার ও দেখা যেতে পারে।এটাও সমস্যা না।
★যে কোন খাবার এর রিএ্যাকশন ৩ দিনে বোঝা যায়।কোন খাবারে বাবুর এ্যালার্জি হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখবেন

🍷পাশাপাশি বুকের দুধ চলবে।সলিড শুরুর আগে ও পরে বুকের দুধ দিবেন তাহলে হজমে সুবিধা হবে।

Farzana-Aliza

Eid Mubarak
09/07/2022

Eid Mubarak

So true
19/06/2022

So true

Address

Dhaka

Telephone

+8801973080214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mom and Baby's Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mom and Baby's Care:

Share