Junayna's Collection

Junayna's Collection Wanna be young the rest of my life
Never say no, try anything twice
'Til the angels come and ask me to fly
Gonna be 18 'til I die
18 'til I die

09/02/2024

পিতৃহারা ৭-৮ বছর বয়সের ছেলেটি স্কুল থেকে বাড়িতে এসে মাকে বলল,
"মা, প্রিন্সিপাল আমাকে আদর করে কিছু ক্যান্ডি দিয়েছে। আর, তোমার জন্য এই চিঠিটা।"

মা চিঠিটি পড়ে কেঁদে ফেললেন।

মায়ের চোখে জল দেখে ছেলেটি বলল, "মা,
কাঁদছ কেনো?"

চোখ মুছতে মুছতে মা বললেন, "বাবা,
এটা আনন্দের কান্না!"

বলেই ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "আমার
জিনিয়াস বাবা, তোকে চিঠিটা পড়ে শোনাই।"

মা আনন্দের সাথে চিৎকার কর‌ে পড়তে লাগলেন, "ম্যাম,
আপনার ছেলেটি সাংঘাতিক জিনিয়াস।
আমাদের ছোট্ট শহরে ওকে শিক্ষা দেওয়ার মত
শিক্ষক আমাদের নেই।
তাই, যদি পারেন আপনার ছেলেকে বড় শহরে
কোনো স্কুলে ভর্তি করে দিলে ভালো হয়। এই ছেলেটি একদিন বিশ্বে প্রচুর সুনাম অর্জন করবে।"

চিঠিটি পড়েই মা, ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "এই জিনিয়াস ছেলেটিকে আমি নিজেই পড়াব।"

মা নিজেই শিক্ষা দিয়ে ছেলেটিকে যুক্তরাষ্ট্রের তথা সমগ্ৰ পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক বানালেন

"টমাস আলভা এডিসন"

বৈদ্যুতিক বাল্ব, শব্দ রেকর্ডিং, মুভি ক্যামেরা বা চলমান ছবি ইত্যাদি সহ হাজারো আবিষ্কার তাঁর।

মায়ের মৃত্যর পর টমাস এডিসন একদিন সেই ছোট্ট গ্রামে মায়ের সেই ছোট্ট বাড়িতে গিয়ে ঘর পরিষ্কারের সময় স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের দ‌েয়া চিঠিটা পেল। চিঠিটি পড়ে টমাস কেঁদে দিল।

তাতে লেখা ছিল,
"ম্যাডাম,
আপনার ছেলে টমাস এডিসন একজন মেন্টালি রিটার্ডেড।
সে এতটাই নির্বোধ যে, তাকে শিক্ষা দেওয়ার মত ক্ষমতা আমাদের নেই।
কার'ও আছে বলেও আমাদের জানা নেই। আপনার ছেলের কারণে আমাদের স্কুলটির সুনাম ক্ষুন্ন হবে।
তাই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপনার ছেলেকে স্কুল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হল।"

শিক্ষনীয়ঃ-
সন্তানের সঙ্গে সবসময় পজিটিভ আচরন করবেন। পরিবার হলো সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মা হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক।

12/10/2021

তুমি বলেছিলে রাতে তোমার ঘুম হয় না,
আমি বুঝেছিলাম সময় চাইছো;
তুমি বলেছিলে "আকাশে কী মেঘ করেছে দেখো?",
আমি বুঝেছিলাম তোমার মন খারাপ।
তুমি বলেছিলে "চুলে জট বেধেছে";
আমি বুঝেছিলাম তুমি স্পর্শ চাইছো।
তুমি বলেছিলে আজ বিকেলে তুমি বারান্দায় থাকবে;
আমি বুঝেছিলাম সাক্ষাত চাও।
তুমি বলেছিলে,অন্ধকারে আমার বড্ড ভয়;
আমি বুঝেছিলাম তোমার আমাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে;
তুমি বলেছিলে সমুদ্রে যাবে;
আমি বুঝেছিলাম পাশাপাশি হাত ধরে হাঁটতে চাইছো।
তুমি বলেছিলে নীল প্রিয় রঙ,
আমি বুঝেছিলাম তোমার কষ্ট হচ্ছে;
তুমি বলেছিলে ঠোঁট ফেটেছে,
আমি বুঝেছিলাম চুমু খেতে চাইছো;
তুমি বলেছিলে অংক ভালো লাগে না,
আমি বুঝেছিলাম তুমি কবিতা ভালোবাসো;
তুমি বলেছিলে " আজ তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরতে হবে",
তুমি বলেছিলে,এই হুটহাট দেখা করা,অসময়ে ফোন করা আর তোমার ভালো লাগছে না;
আমি বুঝে গিয়েছিলাম,বিচ্ছেদ চাইছো।
তারপর অলিখিত স্বাক্ষরে তুমি যখন ইনভিজিবল কোর্টে আমার বিরুদ্ধে বিচ্ছেদের মামলা ঠুকে দিলে;
আমি বুঝেছিলাম তুমি মুক্তি চাও।
এরপর সব বুঝে যখন আমি দার্শনিক,
সব মিটিয়ে তুমি যখন অন্যের ঘরের ঘরনী
একদিন আমাদের দেখা হলো তখন;
তুমি জিজ্ঞেস করেছিলে,"কেমন আছো?"
আমি বুঝে গিয়েছিলাম তুমি ভালো নেই।
-একটা তুমির গল্প (পুর্নাঙ্গ)💔💔

#হুমায়ূন_ফরিদী

08/08/2021

=হেদায়াত_লাভের_গল্প:

একটু সময় নিয়ে পড়ুন। বদলে যেতে পারে আপনার জীবন, ইনশাআল্লাহ। এক দেশের ইমাম সাহেবের কথা।

ইমাম সাহেবের দশ বছরের ছোট একটা ছেলে আছে।প্রতি শুক্রবার ইমাম সাহেব জুম্মার নামাজ শেষ করে ছেলেকে নিয়ে দাওয়াতের কাজে বের হতো।রাস্তায় যাকে পেত তাকেই ইসলামিক বই,ম্যাগাজিন ইত্যাদি ধরিয়ে দিতো।

শীতের সময়।প্রচুর শীতে তুষার পরছে।তাই ইমাম সাহেব ঠিক করে রেখেছেন আজ আর তারা বের হবেনা।এই দিকে ছোট ছেলেটা গরম কাপড় পরে রেডি হয়ে এসে বলছে, "বাবা আমি রেডি।"

ইমাম সাহেব বললো, "কেন?"

ছেলেটা বললো, "কেন, তোমার মনে নেই! আজ আমরা দাওয়াতের কাজে বের হবো?"

ইমাম সাহেব বললো, "আজ যাবোনা,দেখছোনা বাহিরে তুষার পড়ছে?"

বাবার কথা শুনে ছেলেটা অবাক হয়ে বললো, "তুষার পরছে বলে কি মানুষের জন্য জাহান্নামে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে?"

ছেলের এমন গভীর প্রশ্ন শুনে বাবা বললো, "আমি আজ যাবো না।"

ছেলে বললো, "ঠিক আছে, তাহলে আমি যাই।" বাবা বললো যাও।

ছেলেটি বই নিয়ে বের হয়ে গেল।দুই ঘন্টা যাবত বিলি করছে, এর মধ্যে শীতে ছেলেটির হাত পা যেন জমে গেছে।শেষে আর একটা বই বাকি আছে কিন্তু কাউকে পাচ্ছেনা। এদিক সেদিক খুঁজে ছেলেটি বাড়ি ফেরার পথ ধরলো।ঠিক তখনি দেখলো একটা বাড়ি।ছেলেটি ভাবলো হয়তো বাড়িতে কেউ আছে তাই সে দরজায় গিয়ে কলিং বেল বাজাতে শুরু করলো।এক,দুই, তিন বার কলিং বেল বাজালো কিন্তুু ভেতর থেকে কোন সাড়া নেই।তারপর ছেলেটি চলে যেতে সামনে পা বাড়ালো।হঠাৎ কোন এক অজানা শক্তি যেন তাকে আবার দরজার সামনে টেনে নিয়ে গেল।ছেলেটি এবার দরজায় ঠকঠক করতে লাগলো।কিন্তুু না এবারও কোন সারা নেই।কিছুক্ষন অপেক্ষা করে আবার দরজায় ঠকঠক করলো।তারপর হঠাৎ ভেতর থেকে আস্তে করে একজন মধ্য বয়সের মহিলা দরজাটা খুললো।মহিলাকে দেখে ছেলেটি একটা হাসি দিল যেন তার সব কষ্ট শেষ হয়ে গেছে।

এবার মহিলার হাতে বইটি দিয়ে বললো,"আন্টি আপনাকে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত। আসলে আমি বলতে এসে ছিলাম যে- {পৃথিবীতে আর কেউ আপনাকে ভালোবাসুক বা না বাসুক, একজন আপনাকে অনেক ভালোবাসে,কেউ আপনার কেয়ার করুক বা না করুক, একজন আপনার খুব কেয়ার করে,আপনার খোঁজ রাখে।তিনি হলেন আামাদের রব। আল্লাহ।}
এই বইটি পড়ে আপনি আপনার রব সম্পর্কে জানতে পারবেন।"

এই বলে ছেলেটি চলে গেল।মহিলাটি কিছুই বললো না।

তারপরের শুক্রবারে যথাক্রমে ইমাম সাহেব খুতবা শেষ করে বললেন, কারো কিছু বলার আছে?মহিলাদের সাইড থেকে একজন মহিলা দাড়িয়ে বললো,

"আমার কিছু বলার আছে।"

তারপর মহিলাটি বললো, "এখানকার কেউ আমাকে চেনেনা। কারণ, আমি আজই এখানে নামাজ পড়তে এসেছি। এর আগের শুক্রবার পর্যন্তও আমি ছিলাম অমুসলিম।আমার স্বামী মারা গেছে। তারপর থেকে কেউ আমার কোন খোঁজ নেয়না। আমার বাবা-মা কেউ আমাকে দেখতে আসেনা।আমার খবর নেয়না। নিজেকে খুব একা আর অসহায় মনে হচ্ছিলো। ভাবলাম আমার তো কেউ নেই আমি আর বেঁচে থেকে কি করবো।তাই সিদ্ধান্ত নিলাম আমি আত্মহত্যা করবো। সব কিছু রেডি করে ফেলেছি। ফ্যানের মধ্যে দড়ি ঝুলছে আর আমি চেয়ারে দাঁড়িয়েছি বিদায় নেওয়ার জন্য। একদম শেষ মূহুর্তে আমি গলায় দড়ি দিব, ঠিক তখনই কে যেন বারবার আমার দরজায় ঠকঠক করছে,কলিং বেল বাজাচ্ছে। একবার ভাবলাম খুলবোনা। কিন্তুু বারবারই দরজায় ঠকঠক করছে। কিছুক্ষন ভেবে গেলাম দরজা খুলতে। খুলে দেখি ফুটফুটে একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে হাতে একটা বই নিয়ে। আমাকে দেখে হাসি দিয়ে বললো,

"আন্টি পৃথিবীতে আপনাকে কেউ ভালোবাসুক আর না বাসুক একজন আপনাকে অনেক ভালোবাসে। আর তিনি আমাদের রব, আল্লাহ।"

তারপর দরজা বন্ধ করে ঘরে ঢুকলাম। তখনও আমার দড়ি ঝুলছে। ভাবলাম আগে বইটা পড়ি।বইটা খুলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। পড়া শেষে আমি আমার আসল ঠিকানা খুঁজে পেলাম। এক লাথি দিয়ে চেয়ার আর দড়ি ফেলে দিলাম। পেয়ে গেলাম আমার আপনজন।আমার বাঁচার পথ। পেয়ে গেলাম আমার রব আল্লাহকে! সাথে সাথে কালেমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেলাম।
আলহামদুলিল্লাহ।

ছেলেটি আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচার পথ দেখিয়ে দিলো। যা ছিল আল্লাহর ইচ্ছা। আমি বইটার মধ্যে এই মসজিদের ঠিকানা পেয়েছি। আর এজন্য এসেছি যে, আমি ছেলেটার কপালে একটা চুমু দিব।"

মহিলার কথা শুনে সবাই কাঁদা শুরু করলো। ইমাম সাহেবের চোখ বেয়ে অঝোরে পানি পরছে। কোলে বসে আছে ছোট সেই ছেলেটি। ইমাম সাহেবের বুক যেন গর্বে ভরে গেল। এমন ছেলে আল্লাহ তাকে দান করেছেন।

একটু ভাবুন এই ছেলেটা কি ভেবেছে যে এখন আমি ছোট, বড় হয়ে এসব কাজ করবো?

আর আমরা!

যখন ১০বছর,

খুঁজি খেলার মাঠ।

যখন ২০বছর,

lIfe is enjoy

জীবন তো একটাই, তাই Enjoy করি।

যখন ৩০ বছর,

টাকা পয়সা ইনকাম করবো কিভাবে??

যখন ৪০বছর,

খুঁজি একটু অবসর।

যখন ৫০/৬০ বছর,

তখন দৌঁড়াই মসজিদে!

জানেন কি আপনি?

১ দিনের একটা শিশুও মারা যায়!

তাহলে কি করে এটা ভাবেন যে, বৃদ্ধ হয়ে আল্লাহকে ডাকবো!

এখনো সময় আছে, ফিরে আসুন আল্লাহর কাছে। নামাজ পড়ুন। এখনি দৌঁড়ান মসজিদে।

বোনেরা, আপনি নামাজ পড়ুন ঘরে।

আপনার থেকে আপনার সন্তান শিখবে।

প্রতিজ্ঞা করুন আজ থেকে আর নামাজ বাদ দিবোনা। ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন। # #আমিন।

(জান্নাত প্রত্যাশী)

[Collected]

07/08/2021

~💘

রাসুল (সাঃ) এর প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজা (রাঃ) মারা যাওয়ার আগে রাসুল (সাঃ) এর দুটো হাত ধরে বললেন....

আমাকে কথা দিন,,, আপনার গায়ের জোব্বা দিয়ে আমার কাফনের কাপড় বানাবেন আর নিজ হতে আমাকে কবরে নামিয়ে দিয়ে আমার সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনি কবরের পাশেই থাকবেন। আমাকে একা ফেলে যাবেন না। রাসুল (সাঃ) অশ্রুসিক্ত নয়নে বললেন, " হে আমার প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি কথা দিচ্ছি... "। খাদিজা (রাঃ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।

গোসল, জানাজা শেষ করে রাসুল (সাঃ) তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীকে নিজেই কবরে শুইয়ে দিলেন এবং কবরের পাশে অশ্রুজল চোখে কবরের পাশে দাড়িয়ে রইলেন। হাবীবের এমন বিমর্ষ মানসিক অবস্থা দেখে মহান আল্লাহ ফেরেস্তা জিবরাইল (আঃ) কে পাঠালেন।

জিবরাইল (আঃ) এসে সালাম দিয়ে জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসুল আপনি এভাবে আপনার স্ত্রীর কবরের পাশে এভাবে দাড়িয়ে আছেন কেন? রাসুল (সাঃ) বললেন, " হে জিবরাইল, আমি প্রিয়তমা স্ত্রীকে কথা দিয়েছি তাঁর সওয়াল-জবাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়বো না।

জিবরাইল (আঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি জেনে রাখুন আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, খাদিজা (রাঃ) কে করা মুনকার-নাকীর এর সওয়ালের জওয়াব আল্লাহ আরশে আজীম থেকে নিজেই দিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহ :-')

এই সেই খাদিজা (রাঃ), যাকে মহান আল্লাহ সালাম দিয়েছেন। যেখানে তিঁনিই কবরের সওয়াল-জবাবকে ভয় পেয়েছেন। সেখানেই আমরা যেন চিন্তাই করিনা কবরের জীবন নিয়ে। আল্লাহ আকবর। :-'(

খাদিজা (রাঃ) এর মৃত্যুর পর প্রায় প্রতি রাতেই আয়িশা (রাঃ) এর ঘুম ভেঙে গেলে, উঠে এসে দেখতেন রাসুল (সাঃ) কান্নারত অবস্থায় আল্লাহর কাছে মিনতি করছেন,
হে আল্লাহ! যখন শেষ বিচারের দিন ছেলে বাবাকে চিনবে না,বাবা ছেলেকে চিনবে না,স্বামী স্ত্রীকে আর স্ত্রী স্বামীর চেহারা দেখে বিস্তৃত হবে তখন যেনো আমি আমার আমার প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজাকে চিনতে পারি এবং তাঁকে দেখে যেন বিস্তৃত না হই।

খাদিজা (রাঃ) গোশত খেতে পছন্দ করতেন।যদিও খুব কম সুযোগ হতো।কিন্তু কখনো হঠাৎ কোন উট, দুম্বা কিংবা খাসির গোশতের ব্যবস্থা হতো,তিনি তৃপ্তি করে খেতেন। উনার মৃত্যুর পর রাসুল (সাঃ) যখনি কোন গোশত হাদিয়া পেতেন কিংবা কোনোদিন হঠাৎ কোন
পশু জবাই হতো, তখন রাসুল (সাঃ) খুব যত্নে এক ভাগ মাংস সরিয়ে রাখতেন।

সেটা একটা পোটলায় ভরে মদীনার রাস্তায় চোখ মুছতে মুছতে হাটঁতেন, প্রিয়তমা খাদিজা (রাঃ) এর কোন পুরনো বান্ধবীর দেখা পান কিনা,,, সেই আশায়। কোনো বান্ধবীকে দেখলে, পোটলাটা দিতেন।

আল্লাহ সকল হালাল সম্পর্কের বারাকাহ দান করুক।
প্রত্যেক সংসারকে আল্লাহ ভালবাসা এবং স্নেহের আঁচলে আবৃত করুক....❤

17/07/2021

তিনদিন হলো হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে নেই।
কেউ
জানেনা নবীজি কোথায়। ওমর ফারুক (রাযিঃ) মুক্ত
তরবারি
হাতে ঘোষণা দিলেন, “যদি নবীজির কোন কিছু হয়
তবে
আমি ওমর বলছি মক্কার একটা মুনাফিকও আস্ত
শরীরে থাকবে না।“ এদিকে আবু বকর (রাযিঃ)
বললেন,
থাম ভাই চল নবীজির তালাস করি। দুই জনে মদিনা
থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। মরুভূমি
পেরিয়ে পাহাড়ের এলাকাতে আসলেন। একটু দূরে
দেখলেন এক রাখাল দাড়িয়ে আছে। আবু বকর (রাযিঃ)

ওমর ফারুক (রাযিঃ) রাখালকে জিজ্ঞেস করলেন,
তুমি কি মুহাম্মদ (সা.) কে দেখেছ? রাখাল উত্তরে
বলল
আমি মুহাম্মদ (সা.) কে চিনি না এবং আপনাদেরও চিনি না।
তবে ঐ পাহাড়ের উপরে একজন লোক ইয়া উম্মাতি,
ইয়া
উম্মাতি বলে কাঁদছেন।
আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ)
বুঝতে বাকি ছিলনা ঐ লোক আর কেউ না দয়াল
নবীজি
হযরত মুহাম্মদ (সা.)। রাখাল আবার বলল লোকটির
সাথে
সাথে আমার সব উঠ, ভেড়াগুলোও কাঁদতেছে
আর খাওয়া
বন্ধ করে দিছে। আপনারা উনাকে নিয়ে যান তা না
হলে আমার সব উঠ, ভেড়াগুলো কাঁদতে কাঁদতে
মরে
যাবে। আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ) পাহাড়ে
গিয়ে দেখলেন দয়াল নবীজি সেজদা-রত
অবস্থায় ইয়া
উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন। নবীজির কষ্টে
আবু বকর (রাযিঃ) বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ আমি আবু বকর
ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে যত আমল করেছি
সব আপনার উম্মাতকে দিয়ে দিলাম, আপনি দয়া করে
মাথা উঠান।
নবীজি মাথা উঠায় না। এবার ওমর ফারুক (রাযিঃ)
বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ আমি ওমর যে আপনার মাথা
নিতে
গিয়ে নিজের মাথা দিয়ে দিয়েছি সে আপনার
উম্মাতের জন্য সব আমল দিয়ে দিলাম। নবীজি মাথা
উঠায় না। আবু বকর (রাযিঃ) বললেন ওমর কাজ হবে না
রসুলুল্লাহকে একমাত্র ফাতিমা শান্ত করতে পারবে।
তারা দুই জনে মদিনা দিকে ছুটছেন, পথে হযরত
আলী
(রাযিঃ) এর সাথে দেখা। আবু বকর ও ওমর (রাযিঃ)
বললেন সামনে গিয়ে লাভ নেই, রসুলুল্লাহকে
শান্ত
করতে ফাতিমাকে লাগবে। এবার তিন জনে ফাতিমার
বাড়ির সামনে আসলেন আলী (রাযিঃ) ফাতিমাকে ডাক
দিলেন, ফাতিমা বাইরে আসে স্বামীর চেহারা
দেখে
বললেন, আপনাকে এমন দেখাচ্ছে কেন, তবে
কি মক্কার
মুনাফিকরা আমার আব্বাজানকে মেরে ফেলছে?
আলী
(রাযিঃ) বললেন তুমি তাড়াতাড়ি চলো নবীজি ইয়া
উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন, মাথা উঠাচ্ছেন
না। ফাতিমা দৌরে গেলেন। নবীজির কাছে গিয়ে
বলছেন আব্বাজান আপনি সফরে যাবার আগে এবং
সফর
থেকে ফিরে প্রথমে আমাকে দেখতেন,
আমার সাথে
কথা বলতেন। কিন্তু আজ তিন দিন হল আপনার কোন
খোঁজ নেই, আপনি কি আমাকে ভুলে গেছেন?
নবীজি
তাও মাথা উঠায় না। ফাতিমা (রাযিঃ) বললেন
আব্বাজান আমি আপনার ফাতিমার সব নেকী আপনার
উম্মাতকে দিয়ে দিলাম। নবীজি মাথা উঠায় না।
নবীজির দুই পাশে হাসান, হুছাইন দাড়িয়ে
বলতেছেন
নানাজান উঠেন, নানাজান উঠেন। নবীজি মাথা উঠায়
না। হঠাৎ ফাতিমা (রাযিঃ) বলে উঠলেন ►►►
“আব্বাজান আপনি উঠেন আমি আপনার উম্মাতির জন্য
আমি হাসান, হুছাইনকে কুরবানি করে দিলাম।“ ◄◄◄
আল্লাহ্ আকবার, আল্লাহ্ আকবার, আল্লাহ্ আকবার।
এবার নবীজি মাথা উঠালেন আর বললেন ফাতিমা তুমি
কি দোয়া করলা আমার আল্লাহ্ তোমার দোয়া কবুল
করে ফেলছেন।
নবী-রসূল, সাহাবিদের রক্ত ঝরানোর করনেই সেই
দ্বীন
আজ আপনার, আমার কাছে আসতে পেরেছে।
আসুন আল্লাহ্ হুকুমগুলো নবীর তরীকায় পালন
করার
চেষ্টা করি। আমিন,

09/07/2021

অতীতে যা হয়ে গেছে তা তো গেছেই, আমাদের যাদের অতীত গুনাহে কেটেছে তাদের উচিত বেশি বেশি ইস্তিগফার করা। অতীত থেকে যদি কিছু গ্রহণ করতেই হয়, তাহলে শিক্ষা গ্রহণ করুন। ভবিষ্যৎ আপনার জানা নেই, আর বর্তমানকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন। পরবর্তী জীবনে অতীতের গুনাহের জন্য যেন কোন আফসোস করতে না হয়।

যাদের অতীত আল্লাহর আনুগত্যে কেটেছে তাদের উচিত বেশি বেশি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা, (আলহামদুলিল্লাহ) বলা। স্মরণ রাখা দরকার, মৃত্যুর আগে কেউ ফিতনা থেকে নিরাপদ না। অনেক আবেদ বান্দাই শেষে ঈমান নিয়ে কবরে যেতে পারেনি। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।। (আমিন ইয়া রব)।

দ্বীনের পথে হিদায়াতের উপর টিকে থাকার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ দু'আঃ
*(১)

ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻟَﺎ ﺗُﺰِﻍ ﻗُﻠُﻮﺑَﻨَﺎ ﺑَﻌْﺪَ ﺇِﺫْ ﻫَﺪَﻳْﺘَﻨَﺎ ﻭَﻫَﺐ ﻟَﻨَﺎ ﻣِﻦ ﻟَّﺪُﻧﻚَ ﺭَﺣْﻤَﺔً ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟْﻮَﻫَّﺎﺏُ

অর্থঃ হে আমাদের রব্ব! আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর দাতা। [সূরা আলে ইমরান : আয়াত- ৮]

**দু'আঃ(২)

ﻳَﺎ ﻣُﻘَﻠِّﺐَ ﺍﻟْﻘُﻠُﻮﺏِ ﺛَﺒِّﺖْ ﻗَﻠْﺒِﻲ ﻋَﻠﻰ ﺩِﻳْﻨِﻚَ.

উচ্চারণঃ ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলূবি সাব্বিত ক্বলবী আ'লা- দ্বীনিক।

অর্থঃ হে অন্তর সমুহের পরিবর্তনকারী ! আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের উপর অবিচল রাখুন। [তিরমিযী: ৩৫২২]

***দু'আঃ(৩)

ﺍَﻟﻠّﻬُﻢَّ ﻣُﺼَﺮِّﻑَ ﺍﻟْﻘُﻠُﻮﺏِ ﺻَﺮِّﻑْ ﻗُﻠُﻮْﺑَﻨَﺎ ﻋَﻠﻰ ﻃَﺎﻋَﺘِﻚَ

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা মুছররিফাল ক্বুলূবি ছররিফ ক্বুলূবানা- আ'লা- ত্বয়া-আ'তিক।

অর্থঃ হে আল্লাহ! হৃদয় সমূহের
পরিবর্তনকারী! আমাদের হৃদয়গুলোকে আপনার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দিন। [মুসলিম: ৬৬৪৩]

বি:দ্রঃ অবশ্যই আরবী উচ্চারণ দেখে পড়বেন। বাংলায় ভুল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব খুব বেশি।

05/07/2021
04/07/2021

অনেক আবেগী ও সেনসেটিভ জেদী মনের মেয়ে গুলো কে খুন করা সহজ । যদিও তারা শক্ত মনের হয় কিন্তু যদি কোন মতে তাদের কে একবার যদি আপনি আপনার কথার মায়ায় তাকে ফেলতে পারেন তবে আপনি জিতে গেলেন ।ওই মেয়ে গুলো কারো চেহারা ও ইনকাম দেখে প্রেমে পরে না । এরা হয় একা ,তাদের বন্ধু বান্ধব থাকলেও ও অনেক চুজ করে বন্ধুত্ব তৈরী করে , কারন তারা জানে সব মানুষের সাথে সমান ভাইভসে মিশতে সে পারবে না । কিন্তু এই একাকীত্বের দেয়াল ভেঙ্গে তাদেরকে একবার আপনার ভালবাসার মায়া জালে ফেলছেন কি ,তবে বলব আপনি জিতছেন ভাই জিতছেন , কারন তার মত লয়্যাল ও কেয়ারিং একটা মেয়ে আপনার জীবনে চলে আসল । অতএব তাকে পেয়ে গেছেন চিন্তা নাই এবার যা খুশি তার সাথে করা যেতে পারে । তাকে এবার যে ভাবে খুশি খু*ন করেন । ধরেন সে আপনার অপেক্ষায়ই থাকবে তাকে উপেক্ষা করা শুরু করেন । সে আপনার সময় পাওয়ার জন্য সব ছেরে প্রায়োরিটির লিষ্টে আপনাকে প্রথমে রাখবে ,কোন চিন্তা করবেন না , আরামছে তাকে আপনার প্রায়োরিটির শেষ জায়গায় রাখেন তারপর ও সে তো ছেরে যাবেনা । মাঝে মাঝে ফোন অফ করে মাইন্ড গেইম খেলতে পারেন কোন সমস্যা নাই আপনি প্রতিবারই জিতবেন নিশ্চিত থাকেন । আহা এত কষ্ট করে তাকে জয় করছেন আপনার তো এই জয় করাটা উপভোগ করা উচিত তাইনা ? সে কান্না করুক ,মরুক কষ্ট পেয়ে পেয়ে নিজেকে ফাগুনের চাঁদের মত আপনার আকাশে ঝুলিয়ে রাখুক ওটা তার ব্যাপার ।তার মত ইমোশনাল বোকা মেয়ের এটাই শাস্তি হওয়া উচিত । ঈশ*র কেন তার হৃদয় দিয়ে ভাবনার শক্তি দিছে এটা হল এসমস্ত মেয়ে গুলোর শাস্তি । সে অন্য দশটা মেয়ের মত কখন ও বলবে না দামী গিফটের জন্য , বাহিরে ভাল কোন রেস্টুরেন্টে ডেট করার জন্য , কোন শাড়ী ,গহনা কিনে দিতে,বলবে না ।টাকা পয়সা দিয়ে তাকে হ্যাপী করতে পারবেন না । তাহলে চাইবে টা কি ? হূম সে আপনার কাছে অনেক দামী কিছু চাইবে তা হলো আপনার সময় ও কেয়ার এবং লয়্যালিটি কিন্তু আপনি তা ও দিতে পারবেন না ।তা না দিলেও মন খারাপ করবে , কিন্তু ছ্যাচরা মত তারপরও পরে রইবে ।তবে এ সমস্ত মেয়ে গুলোর প্রতিদিনই ম*রা উচিত আমি মনে করি। আপনার মাঝে মাঝে মনে হবে কি প্যারারে বাবা !! কি আজিব এক ধরনের মে*য়ে মানুষ এরা।হূদাই ঝামেলা পোহাতে শখ করেছি ।
হ্যা তারা প্যারা কারন তারা পোষাক বদলের মত ভালবাসা বদল করেনা । তারা আধুনিক লেবাসে নব্বই দশকের প্রেমিকা হয়ে থাকে ।সাত হাজার বিলিয়ন মানুষের মাঝে আপনাকে চুজ করে বসে থাকে । নিজে কষ্টে পুড়ে গেলেও আপনাকে সে আলোকিত করতে ভূলবে না ।
আপনি ছেরে গেলেও সে ঠায় বসে থাকবে আপনার প্রতিক্ষায় । সে নিজে ঠকবে কিন্তু জিতিয়ে দিবে আপনাকে ।

লেখাঃ মাসুমা ইসলাম নদী 🌸
📷 অর্পিতা

মুক্তি নিবি ?চল তোকে আজ মুক্তি দিলাম।একা একা তুই যখনই দেখবি আকাশদেখবি,আমিই তোর আকাশ ছিলাম।---------রুদ্র গোস্বামী ।
18/10/2020

মুক্তি নিবি ?
চল তোকে আজ মুক্তি দিলাম।
একা একা তুই যখনই দেখবি আকাশ
দেখবি,আমিই তোর আকাশ ছিলাম।

---------রুদ্র গোস্বামী ।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01712227217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Junayna's Collection posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Junayna's Collection:

Share