29/08/2019
২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চায় এবং তৃণমূল ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় সে কারণেই দু'দলের মধ্যে উত্তেজনা কাজ করছে। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল পেয়েছে 22 সিট এবং বিজেপি পেয়েছে 18 টা ব্যবধান খুবই সামান্য। সুতরাং বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসার কৌশল হিসেবে নরেন্দ্র মোদী লোকসভা থেকে ৭জন এবং রাজ্যসভা থেকে একজন কে নিয়ে মোট ৮ জন সদস্য নিয়ে টিম তৈরি করে করে দিয়েছেন যারা পশ্চিমবঙ্গে জনসংযোগ করবে। অপরদিকে মমতা ব্যানার্জি ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরকে নিয়োগ দিয়েছেন , তার সাথে সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূল একসাথে কাজ করবেন।
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান নানাবিধ সমস্যা রয়েছে শিক্ষা ও শিক্ষকদের সমস্যা,স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সমস্যা,নারী নির্যাতন, কৃষক-দিনমজুরদের সমস্যা, বেকারত্ব এসব নিয়ে মমতা ব্যানার্জি কোন কথা বলছেন না। কাটমানি নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে যেটা মুকুল রায় এবং মমতা ব্যানার্জি একসঙ্গেই করতেন।
একসময় উত্তর ভারতে বিহার থেকে রাজস্থান পর্যন্ত একজন আরেকজনের সাথে দেখা হলে রামরাম বলতেন, যেটা ভক্তির সাথে যুক্ত। কবির শিষ্যত্ব নিতে চেয়েছিলেন বেনারসের রামানন্দ স্বামীর নিকট, যেহেতু কবির যবন বা জোলা ছিলেন, তাই স্বামীজি তাকে শিষ্যত্ব দিতে চাননি তখন কবির বেনারসে সিঁড়িতেগিয়ে শুয়ে পড়লেন কারণ ভোরবেলায় রামানন্দ স্বামী গঙ্গা স্নান করতে যেতেন , রামানন্দ স্বামীর পা কবিরের মাথায় লেগে যাওয়ায়, তিনি বলে উঠেছিলেন' রাম রাম'অর্থাৎ রাম রাম স্লোগানটা ভক্তির সাথে যুক্ত ছিল ।মমতা ব্যানার্জির বিজেপি কে প্রতিহত করতে একটা অহিংস শ্লোগানকে হিংস্র করে তুলেছেন।
মমতা ব্যানার্জীর ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে তার আচরণের মৌলিক কিছু পরিবর্তন আনতে হবে সেই সাথে চলমান কিছু সমস্যা রয়েছে যেগুলো সমাধানও প্রয়োজন।