25/09/2023
একজন রুগীর আপনি যত কাছের আত্মীয়ই হোন না কেন,মামা হোন,খালা হোন,বোন হোন,ভাই হোন,ফুপু,দুলাভাই,ননদ,ননাস, বন্ধু বান্ধব যাই হোন না কেন,,।যদি তাকে তার বাড়িতে দেখতে যান,দয়া করে সেই রুগীর পরিবার যদি আপনাকে দেখে আপনাকে রান্না বান্না করে খাইয়ে আতিথেয়তা করতে চায় আপনি কঠোর ভাবে বাধা দেবেন।কোনমতেই আপনি এটা হতে দেবেন না।খাওয়ার আশাও মনে মনে ভুলেও করবেন না।
এখন কারন টা বলি,একটা পরিবারের কোন সদস্য যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে,তখন সেই অসুস্থতার প্রভাব ঐ বাড়ির বাকি প্রতিটা সদ্যসের ওপর পরে।মানষিক ভাবে সবাই এলোমেলো থাকে,আর আর্থিক ব্যপার টা মধ্যবিত্ত পরিবারের একটা বিশাল আঘাত যেটা মধ্যবিত্তরা ব্যপক ভাবে আড়াল করতে জানে।একটা বাড়িতে কেউ সিরিয়াস অসুস্থ হয়ে গেলে সেই বাড়ির অনেক কিছুই বদলে যায়।
আতিথেয়তার প্রিপারেশন এই সময় মনের ওপর জোর করে নিলে নিতে হয়,মানসম্মান বা কি ভাববে যদি খাইতে না দিই এটা ভেবে করতে হয়।
অনেক আত্মীয় আছেন,রুগী দেখতে গিয়ে যদি তাকে ভালমন্দ খাবার দাবার না দিয়ে আতিথেয়তা না করা হয় তাহলে সেটার সমালোচনার ঝড় বইয়ে দেয় বাকি আত্মীয় দের মাঝে,বিশেষ করে মহিলা আত্মীয়গন এই কাজ বেশি করে।আমার মতে এটা নিতান্তই ছোটলোকিপনা মনমানষিকতা।
রুগীর বাড়ির লোকজন খাওয়াতে জোড়াজুড়ি করতেই পারে,আপনার উচিত হবে সেটা হাসিমুখে কঠোর ভাবে হ্যান্ডেল করা।এক গ্লাস পানি মুখে দিয়েই আপনি শতগুন পরিমান শুকরিয়া যদি তাদের সামনে আদায় করেন,তারা যেমন খুশি হবে,আপনারও তাদেরকে সহজ করে দেওয়ার জন্য খুশি লাগবে।
আশা করি সবাই বুঝবেন।
তামান্না ইবনাত