Maowa My Day

Maowa My Day ☕ Daily life • Motivation • Positivity ✨

15/05/2026

20/01/2026

যারা পেছনে বা আড়ালে নিন্দা করে, তারা কখনোই সামনে সত্য বলার সাহস রাখে না।

 #মেয়েটাকে আমার স্বামী ফিজি*ক্যালি এবি*উজ করে৷ বেশি কিছু না! জাস্ট জড়ায় ধরসিলো। কারণ নিশ্চয়ই উদ্দেশ্য খারাপ ছিলো! মেয়েটা...
22/12/2025

#মেয়েটাকে আমার স্বামী ফিজি*ক্যালি এবি*উজ করে৷ বেশি কিছু না! জাস্ট জড়ায় ধরসিলো। কারণ নিশ্চয়ই উদ্দেশ্য খারাপ ছিলো! মেয়েটা আমাকে তেমনই বর্ননা দেয় ২০১৮ সালে। মেয়েটা আমাকে আম্মা ডাকতো৷ আমার স্বামীকে ডাকতো আব্বা। আমরা ওকে রাস্তায় কু*ড়িয়ে পাই। কিভাবে পেয়েছি সেই গল্প লিখলে লেখা দীর্ঘ হবে।

জানি সবাই এই পর্যন্ত পড়েই একটা বিশাল ধাক্কা খেয়েছেন! এভাবে না লিখলে আমার এই স্বল্প দৈর্ঘ পোস্ট ত কেউ পড়বেনা! আমি চাই পৃথিবীর সবাই এই পোস্ট টা পড়ুক.....

গল্পে যাওয়ার আগে উল্লেখ করি। ভালো করে দেখবেন এই পোস্ট টা কিন্তু পাবলিক করা। আমার নামের নীচে পৃথিবীর চিহ্ন দেয়া৷ এর মানে এই পোস্ট আমি কাউকে হাইড করে দেইনাই! কমেন্ট সেকশনও অন। যেকেউ কমেন্ট করতে পারবে।

এবার গল্পে আসি....

আমার ছেলের যেদিন ৪০ দিন বয়স সেদিন মেয়েটা আমার বাসায় আসে আনুমানিক ১০ বছর বয়স নিয়ে৷ এলোমেলো চুলের পাগলা কিসিমের একটা বাচ্চা মেয়ে। কাপড় নোংরা। ঘরের যেখানে সেখানে থুতু ফেলতেসিলো। আমার বাসায় থাকা দুইজন গৃহকর্মী ওকে কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিলোনা। আমিও না। প্ল্যান হলো যে ওকে দিসে তাকেই ফিরায় দেয়া হবে। যেহেতু অনেক দূর থেকে আসছে তাই এক সপ্তাহ থাকুক। আমি আমার স্বভাব মত মেয়েটার চুল কাটায় আনলাম। জামাকাপড় সব ফেলে দিয়ে নতুন জামা, গামছা, টুথব্রাশ, চিরুনি সহ যাবতীয় জিনিস কিনে এনে দিলাম। ভাতের গামলা দিতাম সামনে। কারণ ওর তখন দুনিয়া গিলে ফেলার খিদা! বোঝাই যায় খাওয়ার কষ্ট পাইসে খুব!

এক সপ্তাহ পর মেয়েটার জন্য আমার মায়া শুরু হলো! ততদিনে মেয়েটা শেইপে চলে আসছে। যেভাবে শিখাই, দ্রুত শিখে ফেলে! এই পাগলি মেয়েটা আমার ছোট্ট ছেলেটাকে খুব যত্ন নিয়ে ঘুম পাড়াতো৷ আমার বড় বাচ্চাও তখন ছোট। মাত্র দুই বছর বয়স বড় টার। ছেলের দেড় মাস। কেউ একটু হেল্প করলে আমার অনেক আরাম হয়৷ আমার আগের মেইড দুইটা এই ব্যাপারে পারদর্শী ছিলনা। এই পাগলি টা দেখতাম সুন্দর করে বাচ্চা কোলে নিতে পারে! যেহেতু আমি নিজে রান্না করি! তাই এত মানুষের রান্নার সময় কেউ একজন আমার ছেলেকে কোলে নিলেও আমার অনেক লাভ হয়!

মেয়েটা টিকে গেলো আমাদের কাছে। ওর নাম ছোট করে ওকে জুনি ডাকা শুরু করলাম। জুনি কিছু শব্দের বাংলা বলতে পারতোনা। কারণ ওকে আমি আমার বাচ্চাদের সাথেই বড় করেছি৷ গড়েছি৷ মায়ের আদর দিয়েছি৷ আমরাই যেহেতু ওর পরিবার, তাই আমাদের কে আব্বা আম্মা ডাকা শুরু করে। আমার পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব সবাই ওকে আমার সন্তানের মতোই আদর করতো। কত মানুষ যে আমাকে বলে রাখসে, ওর বিয়ের সময় আলাদা করে খরচ করবে। যেন আমি জানাই৷ ধুমধাম করে ওর বিয়ে দিব এগুলা নিয়ে আমার বন্ধুদের সাথেও প্ল্যান করতাম৷ জুনি কে চিনেনা এমন কেউ নাই! দেখতেও সুন্দর। আমি রাখতামও ওকে যেভাবেই! শুদ্ধ ভাষায় কথা বলতো আমার দুই বাচ্চার মতো করেই!

ওর গল্প তো লিখে শেষ করা যাবেনা! কত গল্প এত গুলা বছরের! জুনি বড় হইলো! ১৬/১৭ বছর হবে আনুমানিক। ওর আচরণ চেঞ্জ হতে থাকলো৷ নীচতলা বাসায় বারান্দা দিয়ে খুব একটা সুবিধা তো করতে পারতোনা! তার উপর আমার কড়া শাসন তো ছিলই৷ একা বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই৷ আমি সব সময় সাথে সাথে। এরমধ্যেই পাশের বিল্ডিংয়ের কন্সট্রাকশন লেবারের সাথে লটরপটর করতো। ধরা খেলো৷ বন্ধ হইলো৷ আবার। এরপর আবার৷ আমি রীতিমতো পাগল অবস্থা ওরে নিয়ে৷ একটা পর্যায়ে মেয়েটা খুব এগ্রেসিভ হয়ে গেলো! ডিমান্ড করলো তাকে মোবাইল কিনে দেয়া লাগবে৷ বাসা থেকে বাইরে যেতে দিতে হবে। এটা ত জীবনেও করবনা আমি৷ শাসন করলাম সন্তানের মত। কিন্তু সামলাতে পারিনা। ডিসিশন নিলাম বিয়ে দিবো৷ পাত্র গৃহস্থ পরিবারের ব্যবসায়ী৷ ভালো অবস্থা। টাকা পয়সা খরচ করে জুনির আব্বা মানে আমার স্বামী জুনির জন্য এন আইডি কার্ড বানানোর ব্যবস্থা করলো। সেখানে আমরাই ওর বাবা-মা হবো৷ সব প্রিপারেশন নিচ্ছি৷ এরমধ্যে মেয়েটা পালায় গেলো। আমার পুরানো জিন্স আর টপ্স পরে ট্রলি লাগেজ নিয়ে বের হয়ে গেলো সকাল বেলা আমি ঘুমে থাকতে। লাগেজে আমার বাচ্চাদের ট্যাবও নিলো। ওর বইখাতাও নিলো যেগুলো পড়াতাম। রিকশা করে চলে গেলো শাহজাহানপুর বস্তিতে৷ কেন সেখানে গেসে জানিনা। সেখানে তার পোশাকআশাক আর সন্দেহজনক চলাফেরা দেখে বস্তির লোকজন আটকাইলো। ব্যাগ সার্চ করে খাতায় ফোন নম্বর পাইলো। আমার পাশের বাসার প্রতিবেশী আন্টির নাম্বারও সেখানে ছিল৷ আন্টি এই পোস্ট দেখবে এবং মনে করবে পুরো ঘটনা। বস্তি থেকে আন্টিকে ফোন দিলো ওরা। কারণ আন্টির নাম্বার খাতার উপরে লেখা ছিল৷ ফোন পেয়ে আন্টিকে নিয়েই গেলাম সেখানে। থানায় দিয়ে দিতে চাইলাম। বস্তির একটা বুড়া মহিলা আমার হাত ধরে বলল, মা রে ওরে ছিড়া খাবে কু*ত্তা রা। তুমি ওরে মাফ কইরা বাসায় নিয়া যাও...! আনলাম বাধ্য হয়ে৷

এরপর ৬ মাস সময় চাইলো বিয়ে করতে। সময় দিলাম। বলল, "আম্মা আমার ভুল হইসে। আর এমন করব না।" বিশ্বাস করলাম। বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছি৷ এরমধ্যে মেয়েটা শুরু করলো কি জানেন? আমাদের স্বামী স্ত্রীর দাম্পত্য জীবন নিয়ে একটা খেলা শুরু করলো! সে বলা শুরু করলো যে ওকে এবিউজ করার চেষ্টা করা হইসে। অথচ এসবের কোন সুযোগ আমার বাসায় নাই। দুই নাম্বারি কাজ করতে সুযোগ যদিও লাগেনা! তবুও আমি এই মেয়ের কথা বিশ্বাস করলাম। কারণ কাজের মেয়ের সঙ্গে বাসার গৃহকর্তার রসালো গল্প বিশ্বাস করা থেকে আমি বের হয়ে আমার চামার স্বভাবের স্বামীকেও ছাড় দিতে পারি নাই। গল্প শুনে আগপিছ হিসাব না করে আমি ধরেই নিসি যে, ডাল মে কুছ কালা হ্যায়! স্বামীর কাছে জবাবদিহিতা চাইলাম! আমার স্বামী স্মিত হেসে আমাকে বলল, "তুমি একটা বোকা! এটা আমাকে বইলা না দিয়া ওর কথা শুনে আমাকে হাতেনাতে ধরার ফাঁদ পাত্তে পারতা! এই বাচ্চা মেয়ে আমাকে আব্বা ডাকে! দুনিয়ায় মেয়ের অভাব ? ১০ বছর প্রেম করে এত বছর সংসার করেও আমাকে চিনোনাই?" সে ব্যাপার টা পাত্তাই দিলো না। ধুর বইলা শ্রাগ করলো...অথচ তার তো ভয়ে চুপসে যাওয়ার কথা! লজ্জায় মিইয়ে যাওয়ার কথা! তা না করে সে আমারে উলটা ঝারি দিলো!

তার এসব কথায় আমার মনের চিড়া ভিজে নাই! দুইয়ে দুইয়ে চার মিলাইতে না পারলেও, আমি ঠিকই সন্দেহ করতে শুরু করলাম। কিন্তু কোন ভাবেই ফলাফল খুঁজে পেতাম না! কারণ আমার স্বামী আপাদমস্তক একটা আজব কিসিমের কাঠখোট্টা লোক। আমার বাসায় এত মেইড আসছে গেসে! কারও সাথেই ত এমন কোন ইস্যু হয় নাই! এই মেয়ে কিভাবে কি! সৌন্দর্য প্রসঙ্গে যদি আসি, কাজের মেয়ের সঙ্গে নোংরামি করতে আদৌ সৌন্দর্য কতটা ম্যাটার করে! তবুও তখন আমার মাথায় এসবই ঘুরছিল! এর আগে একটা মেইড ছিল! ডিমের কুসুমের মত সুন্দর গায়ের রঙ! যেকোনো নায়িকা তার কাছে ফেল। আগুন সুন্দরী যাকে বলেনা? তাইই! চরিত্রহীন পুরুষের তো ওইটারে এটাক করার কথা! এইটারে কেন! হোয়াই? মানে আমি কোনভাবেই দিশা পাইনাই এই ব্যাপার টা মিলাইতে! ২২ বছরের দাম্পত্য জীবনে কোন দিন দেখি নাই আমি ছাড়া কোন নারীর প্রতি তার আগ্রহ! বরং ব্যক্তিত্ব বান পুরুষ হিসাবে তার আলাদা সুনাম আছে!

আমি আমার স্বামীর সাথে গ্লুমি আচরণ করতে থাকলাম। স্বামী ত আমারে পাত্তাই দেয়না! আমিও ব্যাপারটা জোড়ালো ভাবে উপস্থাপন করতে পারিনা! অথচ আমার ত এটা নিয়ে কেস ফাইল করার কথা তাইনা? আমার পারসোনালিটি তো তাই বলে...!! কিন্তু ওইযে? আমি ত মিলাইতেই পারিনা! একশন কিভাবে নিবো! এখন এসব মনে পরলে খুব হাসি আসে! আমার আম্মাও আমাকে গালাগালি করে তখন আমি এসব করসিলাম দেখে!মেয়েটার বিয়ের সময় আসলো। কারণ ৬ মাস শেষ প্রায়। ছেলেপক্ষ তাড়া দিচ্ছে। কথা ঠিক হইলে সেদিনি বিয়ে৷ দিনক্ষণ আলোচনা হচ্ছে৷ এরমধ্যেই মেয়ে আবার পালাইলো!এবার সব গুছিয়েই পালাইলো। কোন ভুল করে নাই। যথারীতি সামনের বিল্ডিংয়ের একটা কনস্ট্রাকশন লেবারের সাথেই। সেদিনি বিয়ে করে ফেললো পরে শুনেছি৷ আমি জিডি করলাম শুধু৷ খুঁজতে যাইনাই৷ শুধু নিশ্চিত হইতে চাইসি যে নিরাপদে আছে। তারপর জানলাম ওই ছেলের সঙ্গে গেসে।

কয়েক মাস পরে মেয়েটা যোগাযোগ করতে চাইলো আমাদের সাথে৷ আব্বা ভুল হইসে, আম্মা ভুল হইসে বলে ফোনে মাফ চাইতো। আমি ব্লক করে দিতাম। মেয়েটা এবং ওর স্বামী দুইজনই খুব চেষ্টা করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে। আমরা এড়ায় গেসি৷ এরপর একদিন মেয়েটা অপরিচিত নাম্বার থেকে আমাকে ফোন দেয়। আমি আর ফোন দিতে মানা করি৷ সে অনুরোধ করে একবার একটা কথা বলবে শুধু! আমি তাকে সুযোগ দেই...

মেয়েটা জানায়, "আব্বারে নিয়া কথা বললে চেইতা তুমি আমারে বাসা থেকে বাইর কইরা দিবা আম্মা। আমি এটাই ভাবসিলাম৷ এজন্য আমি এসব করসিলাম। আব্বার কোন দোষ নাই আম্মা। আমারে মাফ কইরা দিও আম্মা"। আমি কথা গুলা শুনে কোন মন্তব্য না করেই কেটে দেই।
#ছবির মেয়ে'টা একজন প্রতারক গল্পের মেয়ে না!

মেয়েটার বিয়ের এক বছরের মধ্যেই ওর একটা মেয়ে হয়। একদম নিউ বর্ন বাচ্চা কাঁথায় পেঁচিয়ে, বিয়ের শাড়ি পরে মেয়েটা আসে আমাদের বাসায় একদিন। আমি ওকে গেট থেকেই বিদায় দেই। ইভেন আমি সামনেও যাইনাই৷ আমার বাচ্চাদের কে দিয়ে বলাই এখান থেকে চলে যাইতে।এরপর মেয়েটা এবং ওর স্বামী দুইজনই অনেক চেষ্টা করে আমার আম্মার মাধ্যমে ব্যাপারটা মিটমাট করতে। আম্মাও এড়ায় যায়।

মেয়েটা আমার ফেসবুকের পাবলিক পোস্টে তার সন্তান দের ছবি কমেন্টে এটাচ করতো৷ যেন আমি দেখে ইমোশনাল হই। আমি কমেন্ট ডিলিট করে ব্লক করে দিতাম। এরপর আরেকটা আইডি খুলে সেটা দিয়েও একই কাজ করতো। এখনো করে৷ এই পোস্টও হয়তো সে দেখবে৷ এমন কি আমার ছবি সে তার ফেসবুক প্রোফাইলে দিয়ে রাখতো৷ লিখতো, "amma"। আমার বাচ্চাদের ছবিও শেয়ার করতো।

আমার আব্বা আম্মার মাঝখানে কেক কাটছে যে মেয়েটা? এটাই সেই মেয়ে। সে একবার RJ Kibria শো তে গেসিলো ওর বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে৷ সে এখন দুই বাচ্চার মা। হারানো পরিবার কে ফিরেও পাইসিল। শো তে অনেক কথার মাঝে আমাদের পরিবারের প্রশংসাও সে করে...এটাও বলে, "ওরা আমাকে অনেক আদর করতো! অনেক ভালো মানুষ ছিলো ওরা। আমিই বুঝি নাই৷ পালায় গেসিলাম...."

মেয়েটা পালায় গেসিলো। এই পর্যন্ত সবাইই জানে। মাঝের ঘটনা গুলাও টুকটাক জানে কিছু মানুষ। কিন্তু সিনামার মতো এই গল্প কেউ জানেনা! আজ কেন যেন মনে হলো,আগামীকাল তো মরেও যাইতে পারি! পুরো গল্পটা কেন না দুনিয়া কে রিভিল করে যাই! গল্পের বইয়ের প্রচ্ছদের ভেতর দিকের অংশে বইয়ের গল্পটার সারাংশ দেয়া থাকে! চুম্বক অংশ যাকে বলে! সেটা পড়েই আমরা বইটা কিনি। তারপর গোগ্রাসে গিলি! কিছু সস্তা পাঠক আছে, তারা কখনো গল্পের বই কিনেনা। তারা দোকানে দোকানে ঘুরে বইয়ের সেই চুম্বক অংশ টা পড়েই পাঠক পরিচয় ক্যারি করে....!

©

06/12/2025
13/10/2025

#ভালোবাসা #সুখীপরিবার

কিডনির যত্ন নেন। ডায়ালাইসিসের খরচ জানেন? এক বার করলে এপোলো ইউনাইটেডে মাত্র ৮ হাজার টাকা, অনেক জায়গায় আড়াই থেকে চার। শুধু...
11/10/2025

কিডনির যত্ন নেন। ডায়ালাইসিসের খরচ জানেন? এক বার করলে এপোলো ইউনাইটেডে মাত্র ৮ হাজার টাকা, অনেক জায়গায় আড়াই থেকে চার। শুধু গণস্বাস্থ্যে আটশ টাকা। কম না অনেক? সপ্তাহে ৩ বার করে লাগে। কিন্তু বিন্দুবিন্দু করে ৫ বছরে সাগর হয়।

কিডনি নিজে ব্লাড ফিল্টার করতে না পারলে তখন ডায়ালাইসিস করতে হয়। কন্টিনিউয়াসলি মোট রক্তের ১~২% বের করে তা থেকে মেমব্রেন দিয়ে আয়ন ও পানি সরায়। আর রক্তটা আবার শরীরে ফেরত দেয়। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বললে purge টাকে সেপারেটরের পর আবার রিসাইকেল করা।

মেডিকেল ক্যাম্পাস

৫ বছর ধরে সপ্তাহে ৩টা করে করালে সাড়ে তিন হাজার করে প্রায় ২৮ লাখ। প্রচুর ওষুধ লাগে, সপ্তাহে ৩~৯ হাজার হলে প্রায় ৮~২৬ লাখ, প্রতিবার যাওয়া আসায় ৮০০ টাকা লাগলে মোট ৬.৫ লাখ। রেগুলার টুকটাক টেস্টে ৩ লাখ। ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স হবেই, তাই বছরে দুই একবার হসপিটালাইজ করতেই হবে। দশবার লাগলে খরচ ৫~২০ লাখ। লোক কম হলে বা স্বচ্ছল হলে বাসায় নার্সও রাখা যায়।

মানে ৫ বছরে ৬০ লাখ থেকে দেড় কোটি টাকার মতো লাগে। এর ফলে আপনি ভালো হবেন না, জাস্ট বেচে থাকবেন। আসল খরচ তো রোগীর সামর্থ্য অনুযায়ী।

রাত জাগতে ভালো লাগে? পানি কম খান? হিসু চেপে রাখেন? ডায়াবেটিস নিয়ে চিন্তা নাই? হাই ব্লাডপ্রেশার পাত্তা দেন না? হাবিজাবি খাইতে ভাল্লাগে? ফাস্ট ফুড? দোকানের ফ্রিজে রাখা বার্গারের পেটির ডীপ ফ্রাই বা মেয়নেস ভর্তি পিজ্জা? আইসক্রিম? ভাজা পোড়া? হাবিজাবি? সফট আর হার্ড ড্রিংক্স?

কংগ্রাচুলেশনস! আপনার তো আকাশ ভরা তারা ! 📌📌


©Dr. Masudur Rahman

Address

Dhaka

Telephone

+8801739966035

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maowa My Day posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Maowa My Day:

Share