11/10/2024
একজন নারী যতোই স্বাবলম্বী হোন না কেনো, তার পাশে পুরুষ নামক বটগাছটা আসলেই খুব জরুরী, বিশেষ করে দক্ষিন এশিয়ার মতো দেশগুলোতে। সেটা বাবা ভাই পু্ত্র বা স্বামী যেকেউই হতে পারে। তবে স্বামী নামক বটগাছটা খুব বেশী জরুরী। স্বামী দেখতে যেমনই হেকনা কেনো, সে যদি স্ত্রীর প্রতি যত্নশীল হয়, কেয়ারিং হয় আর হয় সংসারী, তবে একজন নারী তাকে সহজে ছাড়তে পারেনা, যদি সে বুদ্ধিমতি হয়। আমরা তনীকে তার ভাষা বা তার ব্যবহারের জন্য যতোই ভিন্ন চোখে দেখিনা কেনো, স্ত্রী হিসেবে সে যে যথেস্ট কেয়ারিং, তার স্বামীর অসুখের সময় তিনি তা বরাবরই প্রমান করেছেন।
একজন বিবাহিতা এবং সন্তানের মায়ের একা বাস করা সত্যিই দুরূহ বাংলাদেশের মতো সমাজে, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিয়ে তো করতেই পারে, কিন্তু সেটা কতোটা সুখের হবে বা সেই স্বামী তার কাছে তার জন্য, নাকি তার টাকার জন্য আসবে সে টেনশনও কাজ করে একজন বিবাহিতা এবং সন্তানের মায়ের মাথায়। তাই নারী বুদ্ধিমতি হলে সহজেই সে চাইবে না তার বর্তমান স্বামীর খারাপ কিছু হোক। চাইব না আমরাও। উপরওয়ালার মর্জি আমরা কেউই জানিনা, তবে মানুষ হিসেবে আরেকজন মানুষের ভালো চাইব এটাই স্বাভাবিক। তনী উনার স্বামীকে, উনার সন্তানের বাবাকে সুস্থ করে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হোন এই দোয়াই করছি। ভালো থাকুন উনারা একসাথে বহুবছর।