Bismillah Accessories

Bismillah Accessories Printed Care label, Hang tag printed stickers is our own product Garments Accessories Supplier

02/06/2026

আসসালামু আলাইকুম।

আশা করি সবাই ভালো আছেন। এই তীব্র গরমের মাঝেও পরিবারের সাথে আপনাদের সবার ঈদের ছুটি চমৎকার এবং আনন্দময় কেটেছে।

ঈদের ছুটি শেষে আগামী ৬ই জুন, ২০২৬ থেকে ইনশাআল্লাহ আমাদের অফিস পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। নতুন উদ্যমে আবারও কাজে ফেরার জন্য আমরা প্রস্তুত!

সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। ☀️✨

🚨 দুর্ঘটনার খবর 🚨  ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ১১:৩০ মিনিটে, ৩য় টার্মিনালের সামনে আমার বাইকে একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।  গতি ছি...
04/02/2026

🚨 দুর্ঘটনার খবর 🚨

১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ১১:৩০ মিনিটে, ৩য় টার্মিনালের সামনে আমার বাইকে একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
গতি ছিল ৮০ কিমি’র বেশি, হঠাৎ এক সাইকেল আরোহী পাশ পরিবর্তন করলে তাকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।
বাম পাশের রাস্তা তখন নির্মাণাধীন ছিল।

আলহামদুলিল্লাহ, সবাই ভেবেছিল আমি আর নেই, কিন্তু মহান আল্লাহ আমাকে নতুন জীবন দিয়েছেন।
শুধু হাঁটুতে সামান্য আঘাত পেয়েছি।

এই ঘটনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি—
👉 আর কখনো হাইওয়েতে বাইক চালাবো না।
👉 আমার ব্যস্ত জীবন ও দায়িত্বের জন্য বাইক আর আমার উপযুক্ত নয়।

দোয়া করবেন, যেন নিরাপদে ও সুস্থভাবে থাকতে পারি।

04/02/2026

📢 সুসংবাদ!
এখন থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ আরও সহজ 💬

👉 আমাদের ফেসবুক পেজে নতুন WhatsApp বোতাম যুক্ত হয়েছে।
আপনার যেকোনো অর্ডার, প্রশ্ন বা তথ্যের জন্য সরাসরি WhatsApp-এ মেসেজ করুন।

📲 নম্বর: +8801715253501

আপনার সেবায় সর্বদা প্রস্তুত!

23/10/2024

Copy from : Department Of Fatwa & Islamic Law Research [ফাত্ওয়া ও ইসলামী আইন গবেষণা বিভাগ]

সফর অবস্থায় কসরের বিধান
মুফতী মুহাম্মাদ আল-মাদানী

মানুষের জীবনেরই একটি অন্যতম অংশ হলো সফর। প্রতিটি মানুষই জীবনে কমবেশী সফর করে থাকে। এটি আসলে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মানুষ যখন নিজের আবাসস্থলে থাকে, তখন পূর্ণাঙ্গ নামাজ আদায় করতে হয়। কিন্তু ভ্রমণে বা সফরে গেলে কসর আদায় করতে হয়। কসর মানে নামায সংক্ষেপ করা অর্থাৎ চার রাকাতের জায়গায় দু'রাকাত আদায় করা।

শরিয়ত নির্ধারিত পরিমাণ দূরত্বে কেউ যদি সফর করে,তখন তার নামায কসর করতে হয়,এটাই ইসলামের বিধান। আর এইভাবে সংক্ষেপে নামাজ পড়ার ভেতর আল্লাহ তাআলা কল্যাণ রেখেছেন।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে,

তোমরা যখন জমিনে সফর করবে, তখন তোমাদের জন্য নামাজের কসর করায়— কোনো আপত্তি নেই। (সুরা নিসা, আয়াত: ১০১)

কোনো ব্যক্তি তার অবস্থানস্থল থেকে ৪৮ মাইল তথা ৭৮ কিলোমিটার দূরে সফরের নিয়তে বের হয়ে তার এলাকা পেরিয়ে গেলেই শরিয়তের দৃষ্টিতে সে মুসাফির হয়ে যায়- (জাওয়াহিরুল ফিক্বহ ১/৪৩৬, আহসানুল ফাতাওয়া ৪/১০৫)

সফরসম দূরত্বের উদ্দেশে নিজ এলাকার বসতি ত্যাগ করলে অর্থাৎ গ্রামের অধিবাসী নিজ গ্রাম ছাড়লে, শহরের অধিবাসী শহর ত্যাগ করলে এবং সিটি শহরে বসবাসকারী সিটি শহর থেকে বের হওয়ার পর থেকে মুসাফির গণ্য হবে। অনুরূপ সফর থেকে ফিরে আসার ক্ষেত্রেও নিজ এলাকার সীমানায় প্রবেশের সঙ্গেই তার সফরের বিধান শেষ হয়ে যাবে।(ফতোয়া শামি ২/১২৮)

মুসাফিরের নামাযের বিধান

মুসাফিরের জন্য সফর অবস্থায় কোনো মুকীমের ইক্তিদা না করলে কসর করা অর্থাৎ চার রাকাত বিশিষ্ট ফরয নামায দুই রাকাত পড়া জরুরি।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন,

فَرَضَ اللهُ الصَّلَاةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا، وَفِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ.

আল্লাহ তাআলা তোমাদের নবীর যবানে নামাযকে মুকীম অবস্থায় চার রাকাত ও সফর অবস্থায় দুই রাকাত ফরয করেছেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ৬৮৭

আর মুকিমের পিছনে ইকতিদা করলে পূর্ণ নামাযই পড়তে হবে। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন,

إِذَا دَخَلَ الْمُسَافِرُ فِي صَلَاةِ الْمُقِيمِينَ صَلَّى بِصَلَاتِهِمْ.

মুসাফির যদি মুকিমদের সাথে নামাযে শরীক হয় তবে সে তাদের মত (চার রাকাত) নামায পড়বে। -মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ৩৮৪৯

আর মাগরিব, বিতর ও ফজরের নামায পূর্ণই আদায় করতে হবে। এগুলোর কসর নেই। তেমনিভাবে সুন্নত নামাযেরও কসর হয় না। তাই সুন্নত পড়লে পুরোই পড়বে।

প্রকাশ থাকে যে, সফর অবস্থায় পথিমধ্যে তাড়াহুড়া ও ব্যস্ততার সময় সুন্নত পড়বে না। আর গন্তব্যে পৌঁছার পর সুন্নত নামায পড়াই উত্তম।

উল্লেখ্য যে, বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী সফর অবস্থায় সুন্নতে মুআক্কাদা নামাযগুলো মুকীম অবস্থার ন্যায় আবশ্যক থাকে না; বরং সাধারণ সুন্নতের হুকুমে হয়ে যায়।

মাসিক আল-কাউসার; শরহু মুখতাসারিত তহাবী ২/৯১; আলমুহীতুল বুরহানী ২/৩৮৩; আদ্দুররুল মুখতার ২/১৩১

মাসআলা-মুসাফির ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সফর অবস্থায় চার রাকাত নামাজ পূর্ণ করলে গুনাহ হবে।এ ক্ষেত্রে নামাজ পুনরায় পড়া ওয়াজিব। আর যদি ভুলক্রমে চার রাকাত পূর্ণ করে নেয়, তাহলে যদি সে প্রথম বৈঠক করে থাকে, তাহলে সেজদা সাহু করে নিলে ফরজ নামাজ আদায় হয়ে যাবে, আর যদি প্রথম বৈঠক না করে থাকে তাহলে ফরজ আদায় হবে না, আবারও পড়তে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে ১/৯১)

মাসআলা-ড্রাইভার সফর পরিমাণ দুরত্বে সফরকালে পথিমধ্যে মুসাফির গণ্য হবেন। আর গন্তব্যস্থলে পৌঁছে এক এলাকায় ১৫ দিন বা তার বেশি অবস্থানের নিয়ত না থাকলে সেখানেও মুসাফির হিসাবে নামায কসর করবে। -ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৩৯

মাসআলা-কোনো ব্যক্তি সফরের নিয়ত ব্যতীত শরীয়ত নির্ধারিত পরিমাণ দুরত্ব অতিক্রম করলেও শরীয়তে সে মুসাফির বলে গণ্য হবে না। ফাতাওয়ায়ে শামি ২/১২২

মুসাফিরের জুমার নামাজ এবং ইমামতি

মুসাফিরের জন্য জুমআ পড়া ফরয নয়। সে যোহর বা জুমআ যে কোনোটি পড়তে পারে। আর মুসাফির জুমআর ইমামতিও করতে পারবে। এবং তার পিছনে মুকীমের ইক্তিদা সহীহ হবে। দুররুল মুখতার ২/১৫৩

কারো বসবাসের স্থান দুধরনের হতে পারে-

১.ওয়াতনে আসলী(স্থায়ী আবাস)
২. ওয়াতনে ইক্বামত (অস্থায়ী আবাস)


ওয়াতনে আসলী(স্থায়ী আবাস)

মাসআলা- ওয়াতনে আসলী মানুষের এমন নিজস্ব বাসস্থানকে বলে যেখানে সে জন্মগ্রহন করেছে অথবা তার পরিবার বসবাস করে অথবা যেখানে সে চিরস্থায়ীভাবে বসবাসের নিয়ত করেছে।- আদ্দুররুল মুখতার ২/১৩১

মাসআলা-ওয়াতনে আসলীর জন্য বাড়ী,জায়গা ও স্থায়ীভাবে বসবাসের নিয়ত জরুরী।–প্রাগুক্ত

মাসআলা-ওয়াতনে আসলী একাধিক হতে পরে। যেমন কেউ নতুন করে শহরে বাড়ী করল। আর পূর্ব থেকে তার গ্রামে বাড়ী রয়েছে। এখন সে যদি উভয় বাড়ীতে আসা-যাওয়া করে এবং উভয়টিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের নিয়ত করে তবে উভয়টি তার জন্য ওয়াতনে আসলী হবে। -আল বাহরুর রায়েক ২/১৩৬

মোটকথা ওয়াতনে আসলী নির্ধারনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির নিয়তই মূল। সে যদি দুটি স্থানকে ওয়াতনে আসলী বানায় এবং উভয়টিতে স্থায়ীভাবে থাকার নিয়ত করে ( এখানে কিছু দিন ওখানে কিছু দিন) তবে উভয়টি তার জন্য ওয়াতনে আসলী গন্য হবে। -ফাতাওয়া উসমানী ১/৫৪৬।

মাসআলা- কারো যদি স্থায়ী আবাস দু'টি থাকে অর্থাৎ যদি কোনো ব্যক্তির দু'টি এলাকায় বাড়ি থাকে এবং সে উভয় এলাকায় বসবাসের ইচ্ছা পোষণ করে, তবে সে উভয় স্থানেই পূর্ণ নামায পড়বে, যদিও তার অবস্থানের মেয়াদ ১৫ দিনেরও কম হয়।

কিন্তু যদি তার উদ্দেশ্য হয় শুধুমাত্র একটি এলাকাকে স্থায়ী আবাস বানানো তাহলে যে এলাকাকে স্থায়ী আবাস বানানোর নিয়ত নেই সে ঐ এলাকায় পনের দিনের কম অবস্থানের নিয়ত করলে কসর পড়বে।

আর যদি পনের দিন বা তার বেশি সময় অবস্থান করে, তাহলে পুরা নামায আদায় করবে।

উভয় ক্ষেত্রে, যদি দুই স্থায়ী আবাসের মধ্যে সফরের দূরত্বের চেয়ে বেশি দূরত্ব হয় (উদাহরণস্বরূপ: করাচি এবং ইসলামাবাদ), এবং এর মধ্যে চার রাকাত নামাজের সময় আসে, তবে সফরের সময় সেই নামাজ কসর পড়বে। আল-বাহরুর রায়েক ২/১৩৬

মাসআলা-কেউ শহরে চাকুরী করে। সেখানে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। তবে গ্রামে তার বাড়ী রয়েছে। ভবিষ্যতে সেখানে গিয়ে বসবাস করার নিয়ত করেছে । এবং মাঝে-মধ্যে গ্রামে বেড়াতে যায়। তবে তার গ্রামের বাড়ীটি তার জন্য ওয়াতনে আসলী হবে। পক্ষান্তরে যদি উক্ত লোকটি গ্রামের বাড়ীটি তার নিজ বাড়ী হিসাবে বহাল না রাখে এবং পরবর্তিতে সেখানে বসবাসের নিয়ত না থাকে এবং আসা-যাওয়া বন্ধ করে দেয় তবে গ্রামের বাড়ীটি তার জন্য আর ওয়াতনে আসলী থাকবে না। -রদ্দুল মুহতার ২/১৩১।

মাসআলা-কারো কোন স্থানে শুধু জমিন থাকলে এর দ্বারা তা ওয়াতনে আসলী গন্য হবে না। -আদ্দুররুল মুখতার ২/১৩১।

ওয়াতনে আসলীর হুকুম-

মাসআলা- ওয়াতনে আসলীতে কেউ মুসাফির হয় না।কেউ ওয়াতনে আসলীতে ১ ঘন্টার জন্য গেলেও মুকীম গন্য হবে। আর সে চার রাকাআত বিশিষ্ট ফরজ নামায চার রাকাআতই পড়বে। কসর জায়েয নেই।-আদ্দুররুল মুখতার ২/৬১৪ (যাকারিয়া)।

ওয়াতনে ইক্বামত(অস্থায়ী আবাস)

মাসআলা-কেউ কমপক্ষে ৪৮ মাইল সফর করে কোন স্থানে গিয়ে কমপক্ষে ১৫দিন থাকার নিয়ত করলে তা তার জন্য ওয়াতনে ইক্বামত হিসাবে গন্য হবে। ১৫দিনের কম থাকার নিয়ত করলে ওয়াতনে ইকামত হবে না। -আল বাহরুর রায়েক ৪/৩৪১।

মাসআলা-ওয়াতনে ইক্বামত সফরের দ্বারা বাতিল হয়ে যায়। অর্থাৎ কেউ কোন স্থানে কমপক্ষে ১৫দিন থাকার পরে সেখান থেকে সফর করে (কমপক্ষে ৪৮মাইল দুরুত্ব অতিক্রম করে) চলে এলে তার ওয়াতনে ইক্বামত বাতিল হয়ে যায়। পরে কোন দিন উক্ত স্থানে পূনরায় গেলে ১৫ দিন থাকার নিয়ত ব্যতীত তা তার জন্য ওয়াতনে ইক্বামত হবে না। তবে নতুন করে আবার ১৫দিন থাকার নিয়ত করলে তা তার জন্য ওয়াতনে ইক্বামত হবে। -মারাকিল ফালাহ ১/১৮৭

মাসআলা-কেউ কোন স্থানে সফর করে গিয়ে কমপক্ষে ১৫ দিন থাকল। অতঃপর তার সামানপত্র সেখানে রেখে গিয়ে উক্ত স্থান থেকে চলে গেল। এর পর সেখানে ১৫দিনের কম থাকার নিয়তে গেলেও সে মুকীম গন্য হবে। তবে তার সামানপত্র সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে গেলে কমপক্ষে ১৫ থাকার নিয়ত ব্যতীত সে উক্ত স্থনে মুকীম গন্য হবে না।-বাদায়েউস সানায়ে ১/১০৪, আহসানুল ফাতাওয়া ৪/১০৮-১১২।

মাসআলা-বিভিন্ন চাকুরীজীবী ও পেশাজীবীরা শহরে বাসা ভাড়া করে থাকে। তারা গ্রামের বাড়ীতে গেলেও বাসায় সামানপত্র রেখে যায়। কাজেই শহরে তারা মুকীম গন্য হবে। তবে এক্ষেত্রে একবার একটানা ১৫ দিন থাকা শর্ত। -আদ্দুরুরল মুখতার ১/১২৩

মাসআলা -কোনো জায়গায় ১৫ দিন বা ততধিক অবস্থানের নিয়ত করলে সে সেখানে মুকিম হয়ে যাবে। সেখান থেকে সামানা-পত্রসহ প্রস্থানের আগ পর্যন্ত সেখানে পূর্ণ নামাজ পড়বে এবং মুকিমের বিধান জারি থাকবে। (বাদায়েউস সানায়ে ১/১০৪)।

মাসআলা-কেউ দুই স্থান মিলে ১৫ দিন থাকার নিয়ত করল। তবে প্রতিদিন রাতে সে এক জায়গাতে থাকবে এবং দিনে অন্যত্র অবস্থান করবে।এমতাবস্থায় সে রাতের স্থানে মুকীম হবে এবং পুরো নামায পড়বে।কিন্তু যদি দিনের কর্মস্থল রাতের স্থান থেকে ৪৮ মাইল দুরত্বে হয় তবে দিনের স্থনে সে মুসাফির হবে এবং কসর করবে। আর যদি উভয় স্থানের দুরত্ব কমপক্ষে ৪৮মাইল না হয় তবে উভয় স্থানে পুরো নামায পড়বে। মোটকথা রাতে থাকার স্থান ধর্তব্য হবে। -রদ্দুল মুহতার ২/৬০৭(যাকারিয়া)।

ওয়াতনে ইক্বামতের হুকুম

মাসআলা- ওয়াতনে ইক্বামতে মুসাফির গন্য হবে না। বরং মুকীম গন্য হবে। এবং চার রাকাআত বিশিষ্ট ফরজ নামায চার রাকাআতই পড়বে। কসর জায়েয নেই। -আল বাহরুর রায়েক ৪/৩৪০-৩৪২।

শশুর বাড়ীতে নামায

মাসআলা-মহিলারা বিবাহের আগ পর্যন্ত তার বাবার বাড়িতে স্থায়ী আবাস হিসেবে মুকিম থাকবে। তবে বিবাহের পর যদি স্বামীর বাড়িতে মৌলিকভাবে থাকে এবং বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে, তাহলে স্বামীর বাড়ি তার মৌলিক আবাসন হিসেবে ধর্তব্য হবে এবং বাবার বাড়িতে মুসাফির থাকবে, আর যদি বাবার বাড়িতে মৌলিকভাবে থাকে, তাহলে তা তার মূল অবস্থানস্থল হিসেবেই বাকি থাকবে। (আল বাহরুর রায়েক ২/১২৮, রদ্দুল মুহতার ২/১৩১)।

আর পুরুষগণ তার শ্বশুরবাড়িতে ১৫ দিনের কম থাকার নিয়ত করলে মুসাফিরই থাকবে। হ্যাঁ, কেউ যদি সেখানে স্থায়ী আবাস করে নেয়, তাহলে তা ভিন্ন কথা।

08/06/2024

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সম্পদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতেন। তবে, তাঁর চিন্তা আর বর্তমান সময়ের সম্পদশালী ব্যক্তিদের চিন্তার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।

একদিন তাঁকে চিন্তিত দেখে একজন জিজ্ঞেস করলো, “কী হলো? আপনাকে এমন মনমরা দেখা যাচ্ছে কেনো? পারিবারিক সমস্যা?”

তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “না, পারিবারিক সমস্যা না। আমার চিন্তা হচ্ছে সম্পদ নিয়ে।”
তাঁর দাদি বললেন,

“তাহলে সম্পদ দান করে দাও। এই সম্পদই যেহেতু তোমার চিন্তার কারণ, এটা দান করে দিলেই তো তুমি চিন্তামুক্ত হয়ে যাবে।”

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ দাদির কথা আমলে নিলেন। তিনি তাঁর দাসীকে ডেকে বললেন তাঁর সম্পদ জড়ো করতে এবং গরীবদের খবর দিতে। তাঁর কথামতো সম্পদ জড়ো করা হলো।

তাঁর সম্পদ হিসেব করে দেখা গেলো ৪ লক্ষ দিরহাম। যা বর্তমানে প্রায় ৩৩ কোটি টাকার সমপরিমাণ!

তখন পর্যন্ত সেই সম্পদ ছিলো তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর জীবনের সমস্ত উপার্জন। সেগুলো জমা করে তিনি দান করে দেন!

আল্লাহর রাস্তায় যিনি সম্পদ দান করেন, আল্লাহ তাঁকে আরো সম্পদ দান করেন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, দান করলে সম্পদ কমে না (বরং বাড়ে)।

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার তাঁর সমস্ত সম্পদ দান করার পর পরেরবার আল্লাহ তাঁকে কয়েকগুণ বেশি সম্পদ দান করেন। এই সম্পদ লাভ করেন মূলত ইরাকে কৃষিক্ষেত ও ব্যবসা থেকে। তাঁর অর্থোপার্জনের উৎস ছিলো ইরাক কেন্দ্রিক।

একবার তিনি তাঁর একটি জমি বিক্রি করেন উসমান ইবনে আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে। জমির দাম ছিলো ৭ লক্ষ দিরহাম।

তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে দিনের বেলা ৭ লক্ষ দিরহাম আসে।

তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু এতো টাকা দেখে টাকার লোভে পড়েননি। তিনি ঐদিন মনে মনে বলেন, “একজন মানুষ এতো টাকা ঘরে রেখে সে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে না।”

তাই বলে এমন না যে এগুলো তিনি ঘরে না রেখে ব্যাংকে রাখবেন, নিরাপদ জায়গায় রাখবেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন সমস্ত টাকা মানুষকে দান করে দিবেন।

তাঁর খাদিমকে জানিয়ে দেন- রাতের মধ্যেই যেন সবগুলো দিরহাম মদীনার মানুষকে বন্টন করা হয়।

ভোর হবার আগেই তাঁর খাদিম এসে জানায়, তাঁর কাছে আর একটি দিরহামও অবশিষ্ট নেই। মদীনার রাস্তায় যাকে পাওয়া গেছে, তাকে দান করা হয়েছে।

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু এতো দানশীল ছিলেন যে, তাঁর দান করা দেখে মানুষজন অবাক হতো। কাবিসা ইবনে জাবির রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

“আমি তালহার মতো কাউকে এতো সম্পদ দান করতে দেখিনি!”

Joint the seminar this afternoon
04/06/2024

Joint the seminar this afternoon

01/06/2024

চলতি বছরে‌‍ কুরবানির নিসাব নব্বই হাজার টাকা ৷

জ্বিলহজ্ব মাসছর ১০ তারিখ (৯ তারিখ সুর্যাস্তের পর) থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত; এই তিন দিন সর্বনিম্ন ৯০ হাজার টাকা থাকলে আপনার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে ৷

ওয়াজিব পরিমান সম্পদ না থাকলেও কুরবানির আমল করতে বাঁধা নেই ৷ এতে রিযিকে বরকত হয় ৷

আল্লাহ উত্তম তাওফিকদাতা ৷
Copy from মুফতি মোহাম্মদ আল মাদানী

কত টাকা থাকলে কুরবানি ওয়াজিব হবে?কুরবানি ইসলামি শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। প্রাপ্তবয়ষ্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন ...
01/06/2024

কত টাকা থাকলে কুরবানি ওয়াজিব হবে?

কুরবানি ইসলামি শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। প্রাপ্তবয়ষ্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান নর-নারী মুকিম ব্যক্তি, যে ১০ জিলহজ সুবহে সাদিক থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব হবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) হিজরতের পর প্রতি বছর কুরবানি করেছেন। তিনি কখনও কুরবানি পরিত্যাগ করেননি; বরং কুরবানি পরিত্যাগকারীদের ওপর অভিসম্পাত করেছেন।

কুরবানির নেসাব হলো: স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত ভরি। আর রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন ভরি। আর অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের সম্পদ। স্বর্ণ বা রুপার কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না হয়, তবে স্বর্ণ-রুপা উভয়টি মিলে কিংবা এর সঙ্গে প্রয়োজন-অতিরিক্ত অন্য বস্তুর মূল্য মিলে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের হয়ে যায় সে ক্ষেত্রেও কুরবানি ওয়াজিব হবে। স্বর্ণ-রুপার অলঙ্কার, নগদ অর্থ, যে জমি বার্ষিক খোরাকির জন্য প্রয়োজন হয় না এবং প্রয়োজন অতিরিক্ত আসবাবপত্র-এসবই কুরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা-পয়সা, সোনা-রুপা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজনে আসে না এমন জমি, প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র, পোশাক-পরিচ্ছেদ, আসবাবপত্র, তৈজসপত্রও ধর্তব্য হবে।

সে সম্পদের ওপর এক বছর অতিক্রম হওয়া শর্ত নয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) বর্তমান দর অনুযায়ী ৫২ দশমিক ৫ তোলা ২২ ক্যারেট রুপার দাম হলো ৮৮ হাজার টাকার মতো। (এখানে অলংকার হিসেবে দাম ধরা হয়নি। কারণ, এ ক্ষেত্রে অলংকার তৈরির মজুরি অন্তর্ভুক্ত থাকে। কিন্তু কুরবানি ওয়াজিব হয় শুধু রুপার ওপর। এ জন্য রুপার বিস্কুটের দাম ধরা হয়েছে)। তবে কুরবানি ওয়াজিব হয় ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সাড়ে ৫২ ভরি রুপার যে দাম থাকবে, তার ওপর ভিত্তি করে। তথ্যসূত্র: বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯৬,আলমুহীতুল বুরহানি ৮/৪৫৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৭/৪০৫

Copy post

28/05/2024

Department Of Fatwa & Islamic Law Research [ফাত্ওয়া ও ইসলামী আইন গবেষণা বিভাগ]মোবাইল নং: 01991555513

কী কী শব্দ বললে তালাক হয়
মুফতী মুহাম্মাদ আল-মাদানী

আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দের বৈধ বিষয় তালাক। তালাক মানে ত্যাগ করা। ছেড়ে দেয়া। শরিয়তে ইসলামিয়ায় আনুষ্ঠানিক বিবাহ বিচ্ছেদকে তালাক বলা হয়। ইসলামে তালাক দেয়া বৈধ হলেও অনুৎসাহিত করা হয়েছে। যৌক্তিক কারণে তালাক দেয়া হলে এর কিছু নিয়মকানুন আছে।
তালাক মানে ত্যাগ করা। ছেড়ে দেয়া। শরিয়তে ইসলামিয়ায় আনুষ্ঠানিক বিবাহ বিচ্ছেদকে তালাক বলা হয়।

তালাক মানে ত্যাগ করা। ছেড়ে দেয়া। শরিয়তে ইসলামিয়ায় আনুষ্ঠানিক বিবাহ বিচ্ছেদকে তালাক বলা হয়।

স্বামী যদি স্ত্রীকে রাগের মাথায় বলে তুমি চলে যাও, বাপের বাড়ি যাও, তুমি আমার উপর হারাম, আজ থেকে আমি তোমার স্বামী নই, তুমি আমার স্ত্রী নও, তোমার নিজের বিষয়গুলো নিজে দেখো। তোমাকে মুক্ত করে দিলাম।

তুমি ইদ্দত পালন করো। এজাতীয় যেসব কথায় বিচ্ছিন্নতার প্রতি ইঙ্গিত করে এই শব্দগুলো তালাকের নিয়তে বললে তালাক হয়ে যাবে। আর সরাসরি ‘তালাক’ শব্দ নিয়ত ছাড়াও যদি বলে তালাক হয়ে যায়।

যে শব্দগুলো বললে তালাক হয়

তুমি আজাদ, তুমি মুক্ত, তুমি স্বাধীন ইত্যাদি শব্দ তালাক সংক্রান্ত কিনায়া বা ইংগিতবহ শব্দ। তালাকের নিয়তে বা তালাক সংক্রান্ত আলোচনার সময় বললে এসব শব্দ দ্বারা তালাক পতিত হয়ে যাবে।

তালাকের নিয়ত ছাড়া এমনিতে বললে এর মাধ্যমে কোন তালাক পতিত হবে না। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়ত। তালাকের নিয়ত করলেই এ ইংগিতবহ শব্দগুলোর মাধ্যমে তালাক পতিত হবে।

তবে কোন এলাকায় যদি ‘তালাক’ শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘তুমি আজাদ, তুমি মুক্ত, তুমি স্বাধীন’ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন বাংলাদেশে ‘ডিভোর্স, ছেড়ে দিলাম’ শব্দগুলো তালাকের বিকল্প বা সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করে থাকে, তাহলে সেটি ‘সরিহ’ তালাক তথা পরিস্কার তালাক শব্দের অর্থেই ধরা হবে। ছেড়ে দিলাম বললে তালাকই বুঝাবে। তখন উক্ত এলাকায় উপরোক্ত শব্দাবলী তথা ‘তুমি আজাদ, তুমি স্বাধীন, তুমি মুক্ত’ ইত্যাদি ব্যবহার করলে তালাক হয়ে যাবে।

কিন্তু আমাদের দেশের অনেক স্থানেই ‘তুমি স্বাধীন, তুমি মুক্ত, তুমি আজাদ’ ইত্যাদি শব্দকে তালাকের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। বরং এটি কোন কাজ বা দায়িত্ব বিষয়ে মুক্ত হিসেবেও ব্যবহার করে থাকে। তাই এটি বলার দ্বারাই তালাক হয়ে যাবে বলার সুযোগ নেই।

তালাক একটি স্পর্ষকাতর বিষয়। রাগের মাথায় হোক বা রাগ ছাড়া দুষ্টুমির ছলে হোক। এসব শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তালাক মৃত্যুর মতো ভয়ংকর বিষয়। মৃত্যু হয়ে গেলে যেমন ফিরানোর কোনো সুযোগ নেই। তালাক দিয়ে দিলে এটাকে ধামাচাপা দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই যতই রাগ আসুক এসব শব্দ পরিহার করতে হবে। তালাক দিতে হলে শরয়ি পদ্ধতিতে তালাক দিতে হবে। তালাক আল্লাহর কাছে খুবই অপছন্দের। শয়তান শুধু চায় স্বামী স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটাতে তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

তালাক দেয়ার সঠিক পদ্ধতি

কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসারে তালাক দেওয়ার সর্বোত্তম পদ্ধতি হলো, স্ত্রী যখন হায়েজ (মাসিক) থেকে পবিত্র হবে, তখন স্বামী তার সঙ্গে সহবাস না করে সুস্পষ্ট শব্দে এক তালাক দেবে। যেমন, আমি তোমাকে এক তালাক দিলাম। এরপর স্বামী যদি স্ত্রীকে ইদ্দত চলাকালীন ফিরিয়ে নিতে চায়, তাহলে তা পারবে।

তালাকের কতদিন পর বিয়ে করা যায়

পুনরায় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কায়েম হয়ে যাবে। অন্যথায় ইদ্দত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। স্ত্রী স্বামী থেকে সম্পূর্ণ পৃথক হয়ে যাবে। তখন স্ত্রী ইচ্ছা করলে অন্যত্র বিবাহ করতে পারবে। তালাক দিতে একান্ত বাধ্য হলে এই পদ্ধতিতে তালাক দেওয়া কর্তব্য। এটাই শরয়ি পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে স্ত্রীর উপর দুই তালাক পতিত হয়। পরবর্তিতে চাইলে তার স্বামীর সঙ্গে পূণরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে। কিন্তু এক সঙ্গে তিন তালাক দেয়া সঠিক পদ্ধতি নয়।

  Dr. Jahangir kabir sir এর তত্বা বধায়নে exercise kori খুবই সুন্দর পরিবেশ
25/05/2024

Dr. Jahangir kabir sir এর তত্বা বধায়নে exercise kori খুবই সুন্দর পরিবেশ

Address

102 Fokira Pool 2nd Floor, Shafayet Ullah Lane, Mothijheel
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

+8801534324158

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bismillah Accessories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bismillah Accessories:

Share