12/08/2024
দুর্নীতি বন্ধ করো এই কথা বলা যতো সহজ করা তারচেয়ে কঠিন। কারণ পদ্ধতিগুলোই এমনভাবে করা হয়েছে যাতে মানুষকে বাধ্য হয়ে দূর্নীতিবাজের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। যেমন এমন হারে ট্যাক্স আর ভ্যাট নির্ধারন করা হয়েছে যে মানুষ ঘুষ দিয়ে হলেও এথেকে নিস্তার চায়। প্রায় প্রতিটা পণ্যে ১৫%-২০% ট্যাক্স আর ভ্যাট থাকে যতোটা লাভ খুব কম শিল্পপ্রতিষ্ঠানই করে। ফলাফল হচ্ছে ঘুষ দিয়ে কমানোর চেষ্টা। এগুলো ইচ্ছে করেই করা হয়েছে যাতে দূর্নীতিবাজরা পকেটে টাকা ঢুকাতে পারে। তারপর হোল্ডিং ট্যাক্স, লাইসেন্স রিনিউয়ালের আকাশচুম্বী ফি, প্রসেস করার জটিলতা, হাজারো আইটেমের লাইসেন্সের প্রয়োজনীয়তা, সবই কিন্তু দুর্নীতিবান্ধব নীতি। সরকারি অফিসে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতার অভাব রাখা, ট্রেড ইউনিয়ন আর সিবিএ র দৌরাত্ম রাখা সবাই কিন্তু দূর্নীতি চলমান রাখার জন্য। দূর্নীতি চালু রাখার জন্য এদেশের আমলা আর রাজনীতিকরা যে পরিমাণ পরিশ্রম করেছে তা অবিস্মরণীয়! হ্যাঁ, এই হচ্ছে আমাদের দেশপ্রেমের অবস্থা।
তাই দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে যে যে কারণে দুর্নীতি হয় তার উৎসগুলো বন্ধ করতে হবে। সবাইকে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। যে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে চাইবেনা নি:সন্দেহে তার মধ্যে গলদ আছে।