Astha fashion

Astha fashion We Deliver Fashion

24/04/2026

নারীদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার জন্য শয়তানের সবচাইতে সহজ অস্ত্র হচ্ছে স্বামীর প্রতি নাশুকরিয়ানা বানানো। ইমেজ থেকে সহীহ হাদিসটি পড়ে নিন।
এমনকি পর্দানশীল, নামাজী নারী, ধার্মিক নারী দেখে শয়তান হাল ছেড়ে দেয়না। তাদেরকে জাহান্নামী করার জন্য শয়তান অন্য রাস্তা অবলম্বন করে। তখন সেই সব নারীদের জাহান্নামী করার জন্য স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ বানিয়ে দেয়। কি কি করেনি, সেটা নিয়ে দুঃখ জাগিয়ে দেয়, কিন্তু কি কি পেয়েছে, সেটা নিয়ে কৃতজ্ঞতার কথা ভুলিয়ে দেয়। একবার ভাবুনতো, পর্দার ব্যপারে খুবই কড়াকাড়ি মেনে চললেন। প্রচুর নামাজ, রোজা, সাদকা করছেন। কিন্তু একটা ফাককে কাজে লাগিয়ে শয়তান আপনাকে স্বামীর প্রতি নাশুকরিয়ানা বানিয়ে রাখলো, যার জন্য সব সময় হায় হুতাশ করছেন, অন্য মহিলাদের সাথে স্বামীকে নিয়ে হায় হুতাশ করলেন, শুধু এটুকুর জন্যই কিয়ামতের দিন দেখলেন, এত পরহেজগার হওয়ার পরও আপনার ব্যাপারে জাহান্নামের ঠিকানা ফাইনাল করে রায় জানিয়ে দিলেন, শেষ বিচার দিনের মালিক, তখন কি করবেন?
নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এ দুটো স্বভাব পরিহার করার ব্যপারে রাসূল (সাঃ) এর বলার উদ্দেশ্য এটাই। তিনি নারীদের স্বভাব সংশোধন করার জন্যই এ কথা বলেছেন। নারীদের খাটো করা বা তাদের ভূমিকা অবমুল্যায়নের জন্য বলেন নি।

হিজাবি ও নিকাবি বোনদের উদ্দেশ্যে কিছু জরুরি কথা এবং আন্তরিক পরামর্শ:প্রথমে হিজাবি বোনদের জন্য কিছু নাসিহাহ:একথা সঠিক যে,...
05/03/2026

হিজাবি ও নিকাবি বোনদের উদ্দেশ্যে কিছু জরুরি কথা এবং আন্তরিক পরামর্শ:
প্রথমে হিজাবি বোনদের জন্য কিছু নাসিহাহ:
একথা সঠিক যে, নন-মাহরামের সামনে নারীদের মুখমণ্ডল ঢেকে রাখা জরুরি কি না, সে বিষয়ে আলিমদের মাঝে মতানৈক্য আছে। অধিকাংশ আলিমের মতে, নারীদের সর্বাঙ্গই পর্দায় আবৃত থাকবে (চোখ বাদে)। তবে, আলিমদের একটি অংশের মতে, মুখমণ্ডল ও করতল উন্মুক্ত রাখতে পারবে। আমরা অধিকাংশ আলিমের মত (সর্বাঙ্গ আবৃত রাখা)-কেই অগ্রাধিকার দিই। কোনো বোন যদি এটি না করেন, তবে তিনি যেন অন্তত সঠিকভাবে হিজাবটা পালন করেন।
(১) মুখে কোনো ধরণের প্রসাধনী ব্যবহার করে বাইরে বের হবেন না। তাহলে এটা সৌন্দর্যপ্রদর্শন বলে গণ্য হবে, যা হারাম। যে আলিমগণ মুখ খোলা রাখা বৈধ বলেন, তাঁরাও এ বিষয়ে একমত। হিজাবি বোনদের বড় একটি অংশই এটি মেনে চলেন না। আল্লাহ মুমিন নারীদের ব্যাপারে বলেন, ‘‘তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে।’’ [সুরা আন-নুর, আয়াত: ৩১]
(২) নারীদের চুল পর্দার অন্তর্ভূক্ত। এ ব্যাপারেও অনেকের মাঝে অবহেলা লক্ষ করা যায়।
(৩) আলিমদের একাংশের মতে, হাতের আঙুল এবং করতল (হাতের তালু) উন্মুক্ত রাখা বৈধ, কিন্তু এর উপরের অংশ দেখানো সকলের মতেই নাজায়েয ও হারাম। যে বোনেরা হাতমোজা পরেন না, তাদের অধিকাংশেরই কব্জি এবং উপরের কিছু অংশ (প্রায় কনুই পর্যন্ত) উন্মুক্ত হয়ে যায় মাঝেমধ্যেই। এ বিষয়ে তাঁদের অনেকের মাঝে কোনো ভ্রুক্ষেপই লক্ষ করা যায় না।
(৪) পায়ের পাতা উন্মুক্ত রাখা প্রায় সকল আলেমের মতেই নাজায়েয। এ ব্যাপারে অবহেলা করার সুযোগ নেই। নববি যুগে পা ঢেকে চলার কারণে নারীদের কাপড়ে ময়লা লেগে যেতো। এ ব্যাপারে উম্মে সালামাহ (রা.) নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ‘‘পরে (পাক মাটি) যা আছে, তা এই ময়লাকে পবিত্র করে দেবে।’’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ৩৮৩; হাদিসটি সহিহ]
(৫) বর্তমানে রঙ-বেরঙয়ের গাউন পরে মাথায় হিজাব পরার একটা ট্রেন্ড চলছে। নিঃসন্দেহে এটি ‘‘শালীন’’ পোশাক, তবে পর্দা বলতে যেটা বুঝায় (সৌন্দর্য গোপন রাখা), সেটা এই পোশাকে পুরোপুরি হয় না।
যারা হিজাবের পাশাপাশি নিকাব করেন (মুখ ঢেকে রাখেন), তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা:
(১) পর্দার বিধানের মূল উদ্দেশ্যই হলো, নারীদের সৌন্দর্য আড়াল করে রাখা। তাই, পোশাক খুব বেশি জাঁকজমকপূর্ণ ও কারুকার্যখচিত হওয়া যাবে না। তবে, কালো রঙয়ের হওয়া জরুরি নয়। আল্লাহ মুমিন নারীদের ব্যাপারে বলেন, ‘‘তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে।’’ [সুরা আন-নুর, আয়াত: ৩১]
(২) ইদানিং অনেক নিকাবি বোন হেলে-দুলে কিংবা স্টাইল করে এমনভাবে হাঁটেন, যেটা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এটি পর্দার চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। আল্লাহ বলেন, ‘‘তারা যেন তাদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে সজোরে পদচারণা না করে।’’ [সুরা আন-নুর, আয়াত: ৩১]
(৩) অনেক বোন নিকাব করেন, কিন্তু চোখ এবং এর আশ-পাশে কাজল বা আইলাইনার দিয়ে বাইরে বের হন। অনেকে আরও বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে চোখ দুটোকে সুন্দর করে তুলেন। এটিও জায়েয নয়, যেহেতু চোখ দুটো উন্মুক্ত থাকে। এগুলো কেবল মাহরামদের সামনে ব্যবহার করা যাবে।
(৪) বর্তমানে আঙুলহীন ফ্যাশনেবল হাতমোজা পরিধান করার ট্রেন্ড চলছে। এ ধরনের মোজা দিয়ে হাত ঢেকে রাখার বিধান পালিত হয় না।
আরও দুটো ব্যাপারে বোনদের সতর্ক হতে হবে।
(১) বোরকা ঢিলেঢালা পরতে হবে। শরীরের অবয়ব বুঝা গেলে, সেটি আর সঠিক পর্দা হয় না। বিশেষ করে, অনেকে বোরকার পেছনে কোমরের উপর ফিতা বাঁধেন, ফলে শরীরের গঠন আরও দৃষ্টিকটূভাবে ফুটে ওঠে। উমর (রা.) বলেন, ‘‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের (মিশরীয়) কুবত্বী পোশাক পরাবে না। যদিও সেটার উপর থেকে ভেতর প্রকাশ পায় না, কিন্তু তা দেহের আকৃতি প্রকাশ করে।’’ [ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল-মুসান্নাফ: ২৫২৮৯; বর্ণনাটির সনদ সহিহ]
(২) অনেকে ওড়না বা হিজাব দিয়ে ভালোভাবে বুক ঢেকে চলেন না। এ ব্যাপারে শিথিলতা দেখানো অপরাধ। আল্লাহ বলেন, ‘‘তারা যেন তাদের মাথার কাপড় তাদের বক্ষদেশে ফেলে রাখে।’’ [সুরা আন-নুর, আয়াত: ৩১]
সর্বশেষ বোনদের প্রতি নাসিহাহ থাকবে, আপনারা বিলাসিতায় ডুবে থাকবেন না। বর্তমানে অনলাইনের বিভিন্ন শপে নতুন নতুন বাহারি রঙয়ের বিচিত্র সব নামের চিত্তাকর্ষক বোরকা, খিমার, আবায়া ইত্যাদি বিক্রি হচ্ছে। অনেকেই প্রচুর কেনাকাটা করেন এগুলো থেকে। নতুন ডিজাইন, নতুন স্টক দেখলেই ফিদা হয়ে যান। এ ব্যাপারে নিজের মধ্যে সংযম আনা দরকার। সম্পদশালী হলে প্রয়োজনে আগেরগুলোর বেশিরভাগ অন্যকে দান বা গিফট করে নতুন পোশাক কিনুন। নিজের সংগ্রহে এত এত পোশাক রাখা বিলাসিতা; অনেক ক্ষেত্রে অপচয়ও বটে।

26/02/2026

রমজানে গৃহিণী?
আপনিও রিজিক বাড়াতে পারেন!

রমজান চলছে।
স্বামী বাইরে যান। চাকরি করেন। আয় করেন।
আর আপনি?

ঘরে—সেহরি বানাচ্ছেন, ইফতার বানাচ্ছেন, বাচ্চা সামলাচ্ছেন, সংসার গুছিয়ে রাখছেন।

কখনও কি মনে হয়—
“আমি তো আয় করি না। আমি কীভাবে রিজিক বাড়াব? রিজিকের আমল তো চাকরিজীবীদের জন্য!”

এটা ভুল ধারণা।

আপনি গৃহিণী—কিন্তু আল্লাহর কাছে আপনার ভূমিকা ছোট নয়। বরং পরিবারের রিজিকে বরকত আনার কাজে আপনার প্রভাব অনেক বড়।

-আপনি গৃহিণী, কিন্তু আপনার ভূমিকা বিরাট।

নবী করিম (ﷺ) বলেছেন—
“মহিলা তার স্বামীর সম্পদের হেফাজতকারী।” (বুখারি ৮৯৩)

অর্থ হলো—স্বামী বাইরে গিয়ে যা উপার্জন করেন, সেই উপার্জনে বরকত থাকবে কি না—অনেকটাই নির্ভর করে ঘরের ভেতরে আপনার আমল, আপনার সিদ্ধান্ত, আপনার সতর্কতার উপর।

আপনি যদি—
হালাল খরচ করেন,
অপচয় বন্ধ করেন,
সদকা করেন,
দোয়া করেন।

তাহলে আল্লাহ তাআলা স্বামীর উপার্জনে বরকত দেন, ঘরে শান্তি দেন, অভাবের পথ সহজ করে দেন—ইংশাআল্লাহ।

❑ রমজানে গৃহিণীদের রিজিক বাড়ানোর ৫টা আমল:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১) তাহাজ্জুদে স্বামীর রিজিকের জন্য দোয়া করুন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
রমজানে রাতের নিরিবিলি সময়ে—যখন সবাই ঘুমিয়ে, আপনি একা—আল্লাহর কাছে হাত তুলুন।

দুই রাকাত নামাজ পড়ুন। তারপর সিজদায় গিয়ে বলুন—

“হে আল্লাহ, আমার স্বামীর রিজিকে বরকত দিন। তার কাজে বরকত দিন। পরিবারের খরচ চালাতে তাকে সাহায্য করুন। আমাদের জন্য হালাল রিজিক সহজ করে দিন।”

আর স্বামীর জন্য দোয়া—এটা ছোট বিষয় নয়। একজন স্ত্রী যখন সত্যি মন থেকে স্বামীর জন্য দোয়া করে, সে দোয়ার বরকত পুরো ঘরে নেমে আসে।

২) ঘরে অপচয় বন্ধ করুন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
রমজানে ইফতারে অনেক সময় এমন হয়—বেশি রান্না হয়, খাওয়া হয় না, শেষে ফেলতে হয়। অপচয়!

নবী করিম ﷺ বলেছেন—“অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই।” (তিরমিজি ১৮৬৭)

অপচয় বরকত কমিয়ে দেয়।
তাই রমজানে আপনি এই কয়েকটা কাজ করুন—

প্রয়োজন অনুযায়ী রান্না করুন,
বেশি হলে প্রতিবেশীকে দিন,
খাবার নষ্ট হতে দেবেন না,
বাজার করার আগে তালিকা করে নিন।

৩) প্রতিদিন অল্প হলেও সদকা দিন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
অনেকে বলেন—“আমি তো আয় করি না, সদকা কীভাবে দেব?”

আপনার হাতে যে টাকা আসে—সংসারের খরচ, বাজারের টাকা—সেখান থেকে অল্প হলেও আল্লাহর পথে দিন।

নবী করিম ﷺ বলেছেন—“সদকা বিপদ দূর করে এবং রিজিক বাড়ায়।” (মুসনাদে আহমাদ)

আপনি দিতে পারেন—
কাজের মানুষকে একটু বেশি,
দরিদ্রকে,
মসজিদে,
কারও ইফতারের ব্যবস্থা করে।

আল্লাহ অল্পটাকে অনেক বানিয়ে দেন—এইটাই বরকত।

৪) সেহরি-ইফতারের সময় দোয়া করুন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
সেহরির শেষ সময়ে—খাওয়া শেষে কয়েক মিনিট আল্লাহর কাছে হাত তুলুন—

“হে আল্লাহ, এই পরিবারে রিজিকে বরকত দিন। স্বামীর উপার্জন বাড়ান। সন্তানদের ভবিষ্যৎ সহজ করে দিন। আমাদের হালাল রিজিক দান করুন।”

ইফতারের ঠিক আগে—দোয়া কবুলের সময়। চুপচাপ অন্তর থেকে বলুন—
“ইয়া রাজ্জাক—হে রিজিকদাতা, আমাদের রিজিক বাড়িয়ে দিন, বরকত দান করুন।”

৫) স্বামী-সন্তানদের জন্য নাম ধরে দোয়া করুন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
রমজানে প্রতিদিন নাম ধরে দোয়া করুন—
“হে আল্লাহ, [স্বামীর নাম] এর কাজে বরকত দিন। [সন্তানের নাম] এর পড়াশোনায় বরকত দিন। আমাদের সবাইকে হালাল রিজিক দান করুন।”

এ দোয়া শুধু কথার দোয়া নয়—এ দোয়া একেকটা পরিবারের ভাগ্য বদলে দেওয়ার দোয়া।

মনে রাখবেন—
আপনি ঘরে আছেন মানে আপনি কিছু করছেন না—এটা ভুল। আপনি ঘর সামলাচ্ছেন, সন্তান মানুষ করছেন, স্বামীর পাশে দাঁড়াচ্ছেন, খরচে শুদ্ধতা আনছেন—আর এগুলোই পরিবারের রিজিকে বরকত আনার বড় মাধ্যম।

রমজানে এই আমলগুলো ধরতে পারলে—পুরো ঘরে বরকত নেমে আসবে, ইংশাআল্লাহ।

❖ রিজিকে বরকত চান সারা বছর?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
রমজান শেষ হবে, কিন্তু রিজিকের আমল সারা বছর চলবে।

“রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা” বইতে পাবেন—
গৃহিণীদের জন্য বিশেষ আমল, স্বামীর রিজিকের দোয়া, ঘরে বরকত আনার উপায়, অপচয় বন্ধ করার বাস্তব কৌশল, সন্তানের রিজিকের দোয়া—সবকিছু রেফারেন্সসহ গুছানোভাবে।

শেষ কথা—
আপনি গৃহিণী—কিন্তু আপনার দোয়া, আপনার সতর্কতা, আপনার সাদকা, আপনার অপচয় বন্ধ করা—এগুলোই পরিবারকে টেনে তোলে।

রমজানে এই ৫টা আমল করুন—
১) তাহাজ্জুদে স্বামীর জন্য দোয়া,
২) অপচয় বন্ধ,
৩) সদকা,
৪) সেহরি-ইফতারে দোয়া,
৫) পরিবারের জন্য নাম ধরে দোয়া।

ইনশাআল্লাহ, বরকত আসবে। রিজিক বাড়বে। ঘরে শান্তি ফিরবে।

আপনি কি আজ রাতের তাহাজ্জুদে স্বামীর জন্য দোয়া করবেন?

"আহ্ কী সুন্দর! 😍ভাইয়ারা… বউকে খুশি করার এমন সুযোগ কিন্তু বারবার আসে না।ফাল্গুন মানেই ভালোবাসার রঙ, আর ভালোবাসার মানুষটা...
10/02/2026

"আহ্ কী সুন্দর! 😍
ভাইয়ারা… বউকে খুশি করার এমন সুযোগ কিন্তু বারবার আসে না।
ফাল্গুন মানেই ভালোবাসার রঙ, আর ভালোবাসার মানুষটার মুখে একটুখানি হাসি… সেটাই তো আসল সুখ। ❤️
এই ফাল্গুনে প্রিয়তমাকে দিন এমন একটা গিফট—
যেটা শুধু উপহার না, হয়ে উঠবে আপনার ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর প্রমাণ। 🌸✨"

⚔ একগুঁয়ে ও জেদী নারীঃ-_________________❒ একগুঁয়ে ও জেদী নারীরা দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ এবং এমনকি আত্মীয়দের সাথেও সুসস্পর্...
21/01/2026

⚔ একগুঁয়ে ও জেদী নারীঃ-
_________________
❒ একগুঁয়ে ও জেদী নারীরা দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ এবং এমনকি আত্মীয়দের সাথেও সুসস্পর্ক গড়তে ব্যর্থ।
যে নারী সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে আবেগ-ভালোবাসা আর নমনীয়তার বিচক্ষণতা হারিয়েছে আর নিজের মতামত ও জিদকে প্রাধান্য দিয়েছে, সেই দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ হয়েছে। কেন?
🎖(১)⦁ কেননা তখন সে স্বামীর সাথে টানাটানি ও ঠেলাঠেলিতে প্রবেশ করবে। বিজয়ের জন্য নিজের আমিত্বকে জাহির করতে চাইবে। আর তখনই সে স্বামীর জিদের সামনে পরাজিত হবে। এমনকি তার বিরুদ্ধে নিকটস্থ ব্যক্তিরাও জেদী হয়ে উঠবে। কেননা পুরুষরা জেদী স্ত্রী বা একগুঁয়ে বোনের সামনে আরো বেশী কঠোর ও জেদপ্রবণ হয়ে উঠে। কিন্তু নমনীয় নারীর সামনে তারা হয় কোমল।
🎖(২)⦁ জেদী নারী ধারণা করে, সে যদি নিজের মতামতের উপর দৃঢ় থাকে এবং দ্বন্দ্বের ঝড়ে অটল থাকতে পারে, তবে সে বিজয়ী হবে। কিন্তু একথা ভুলে যায় যে, নিজের মতের ক্ষেত্রে জিদ করে যদি একটা বিজয় পেয়েও যায় কিন্তু বিপরীত দিকে সে এমন একটি হৃদয় হারাবে যে তাকে ভালোবাসতো।
🎖(৩)⦁ অধিকাংশ ঘটনায় পণ্ডিতগণ সহজ-সরল নম্র ও আবেগপ্রবণ স্বামীভক্ত নারীদের প্রশংসা করেছেন। যে নারী নম্রতার সাথে স্বামীকে সঙ্গ দেয় ও তার ভালোবাসা আদায় করার কৌশল বুঝে, তাকেই স্বামী অধিকভালোবাসে ও তাকে আঁকড়ে রাখে।
🎖(৪)⦁ ঝড় উঠলে তা চলে যাওয়ার জন্য যে নারী মাথা নামিয়ে নুয়ে পড়ে, সেই বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী, তার পক্ষেই সংসারকে চিরকাল আঁকড়ে রাখা সম্ভব। কিন্তু যে নারী শুকনো গাছের মত মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, সে মচকে যায় বা এমনভাবে ভেঙ্গে যায়- যা আর জোড়া লাগে না।
🎖(৫)⦁ নিজের মতের উপর অটল জেদী নারীর বিশ্বাস হচ্ছে.. আমিই বিজয়ী হব, তুমি পরাজিত হবে। এ নারী মূলত: অন্যকে ধ্বংস করার পূর্বে নিজেকেই ধ্বংস করে। সর্বদা আফসোসের জীবন অতিবাহিত করে। যার তিক্ততা সে ভোগ করে দুনিয়া ও আখেরাতে।
🎖(৬)⦁ পারিবারিক কনসালটেন্সি বিভাগে কাজ করে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে: একগুঁয়ে ও জেদী নারীদের পরিণাম শেষ হয় তালাকের মাধ্যমে। ফলে তারা পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে হয় ব্যর্থ।
🎖(৭)⦁ বেদুঈন মহিলা তার কন্যার বিদায়ের দিন যে উপদেশ দিয়েছিল। তা অত্যন্ত চমৎকার প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা এবং পরিক্ষীত সত্য। সফল স্ত্রীরা এর বাস্তবাতাকে প্রমাণ করেছেন। উপদেশটি হচ্ছে: “তুমি স্বামীর সামনে নিজেকে একজন দাসীতে পরিণত কর। দেখতে পাবে অচিরেই সে তোমার দাসে পরিণত হয়ে যাবে।”
ভালো পুরুষরা ধৈর্যশীল ও উদার হয়ে থাকে, কিন্তু নির্বোধ ও একগুঁয়ে-জেদী নারীরা তাদেরকে শত্রুতে পরিণত করে।
🗣⦁ আপনার পরিচিত / পরিবারে কোনো জেদী নারী থাকলে তাকে জানার সুযোগ করে দেন।
⦁জাযাকাল্লাহু খাইরন 🤍 🤲🕋🤲

📌ইসলামে স্ত্রীর ওপর স্বামীর আনুগত্য: আবেগ নয়, শরী‘আতের ফরয!!ইসলামে স্ত্রীর জন্য স্বামীর আনুগত্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্...
12/01/2026

📌ইসলামে স্ত্রীর ওপর স্বামীর আনুগত্য: আবেগ নয়, শরী‘আতের ফরয!!
ইসলামে স্ত্রীর জন্য স্বামীর আনুগত্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফরয দায়িত্ব। কুরআন, সহীহ হাদীস এবং সালাফে সালেহীনের ব্যাখ্যা—সবই এই বিষয়ে সুস্পষ্ট।

---

📌 জান্নাতে প্রবেশের সাথে স্বামীর আনুগত্যের সম্পর্ক

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

> »إذا صلت المرأة خمسها، وصامت شهرها، وحصنت فرجها، وأطاعت بعلها دخلت من أي أبواب الجنة شاءت«

অর্থাৎ—
“নারী যদি তার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে, রমযান মাসের সিয়াম রাখে, নিজ লজ্জাস্থান হিফাযত করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে—তাহলে জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে।”
📚 সহীহ ইবন হিব্বান

---

📌 স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল সিয়াম ও ঘরে কাউকে প্রবেশ করানো নিষিদ্ধ।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

> »لا يحل لامرأة أن تصوم وزوجها شاهد إلا بإذنه، ولا تأذن في بيته إلا بإذنه«

অর্থাৎ—
“স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোনো নারীর জন্য সিয়াম রাখা বৈধ নয় এবং স্বামীর অনুমতি ছাড়া কাউকে তার ঘরে প্রবেশ করানোও বৈধ নয়।”
📚 সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম

---

📌 স্বামীর ডাকে সাড়া না দেওয়ার ভয়াবহ পরিণতি

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

> »إذا دعا الرجل امرأته إلى فراشه، فلم تأته، فبات غضبان عليها لعنتها الملائكة حتى تصبح«

অর্থাৎ—
“স্বামী যখন তার স্ত্রীকে শয্যায় আহ্বান করে, কিন্তু সে সাড়া না দেয় এবং স্বামী তার ওপর অসন্তুষ্ট অবস্থায় রাত কাটায়—তাহলে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতারা ওই নারীর ওপর লা‘নত করতে থাকে।”
📚 সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম

আরেক বর্ণনায় এসেছে:

> »…إلا كان الذي في السماء ساخطا عليها حتى يرضى عنها«

“আসমানে যিনি আছেন (আল্লাহ), তিনি তার ওপর অসন্তুষ্ট থাকেন যতক্ষণ না স্বামী সন্তুষ্ট হয়।”
📚 সহীহ মুসলিম

---

📌 স্ত্রীর দায়িত্ব: ঘর দেখাশোনা ও স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাইরে না যাওয়া

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

> »والمرأة راعية في بيت زوجها ومسؤولة عن رعيتها«

অর্থাৎ—
“নারী তার স্বামীর ঘরের দায়িত্বশীলা এবং সে বিষয়ে তাকে জবাবদিহি করা হবে।”
📚 সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম

---

📌 কুরআনের আলোকে স্বামীর আনুগত্য ফরয

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

> ﴿فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِّلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللَّهُ﴾
(সূরা আন-নিসা: ৩৪)

শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ রহ. বলেন:

> “এই আয়াতের দাবি অনুযায়ী স্ত্রীর ওপর স্বামীর আনুগত্য করা ওয়াজিব—সফর, দাম্পত্য অধিকার কিংবা অন্যান্য চাহিদার ক্ষেত্রেও। রাসূল ﷺ–এর সুন্নাতও এর প্রমাণ।”
📖 মাজমূ‘উল ফাতাওয়া (৩২/২৬০–২৬১)

---

📌 স্ত্রীর ঘরের কাজ ও স্বামীর খিদমত: ইমামদের বক্তব্য

ইবনুল কাইয়্যিম রহ. বলেন:

> “যেসব ইমাম স্ত্রীর ওপর স্বামীর খিদমত ওয়াজিব বলেছেন, তারা বলেছেন—আরব সমাজে এটি একটি মা‘রূফ (প্রচলিত ও স্বীকৃত) অধিকার। ঘরের কাজ, রান্না, পরিষ্কার, সন্তান লালন—সবই স্ত্রীর দায়িত্ব।”

তিনি আরও বলেন—

> “এই বিধানে ধনী-গরিব বা সম্ভ্রান্ত-সাধারণের কোনো ভেদ নেই। ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা নিজ হাতে স্বামীর খিদমত করতেন। তিনি কষ্টের কথা বললেও নবী ﷺ তাকে গৃহকর্ম থেকে অব্যাহতি দেননি।”
📖 হাদইউন নববী (৫/১৮৮–১৮৯)

---

🛑 সংক্ষিপ্ত কিন্তু পরিষ্কার কথা

ইসলামে—

▪️স্বামীর আনুগত্য ফরয

▪️ঘরের দায়িত্ব স্ত্রীর ওপর

▪️দাম্পত্য অধিকার অস্বীকার করা মারাত্মক গুনাহ

▪️এসব বিষয় সংস্কৃতি নয়, শরী‘আতের স্পষ্ট নির্দেশ

যার ভালো লাগবে সে গ্রহণ করবে, আর যার না লাগবে—শরী‘আত বদলাবে না।

আগে পর্দা দুইভাগে বিভক্ত ছিলো!১. শালীন পোশাক২. সহীহ পর্দাচাচি-আন্টিদের দেখলে বোঝা যেত ওই এক নিকাবেই সমস্তটা ঢাকা। এমনকি ...
26/11/2025

আগে পর্দা দুইভাগে বিভক্ত ছিলো!

১. শালীন পোশাক
২. সহীহ পর্দা

চাচি-আন্টিদের দেখলে বোঝা যেত ওই এক নিকাবেই সমস্তটা ঢাকা। এমনকি ভিতরে বুড়ি নাকি ছুড়ি তা বোঝার উপায় নেই।

কালের পরিক্রমায় এখন পর্দা বিভক্ত হয়েছে তিনভাগে।

১. স্টাইলিশ পর্দা
২. শালীন পোশাক
৩. গ্যাঞ্জি-প্যান্টের উপর মাথা ভর্তি প্যাচানো হিজাব

প্রশ্ন হচ্ছে তাইলে সহীহ পর্দা গেলো কোথায়? উত্তর হচ্ছে বিলুপ্ত হওয়ার পথে। বর্তমানে ১০০ জনের ভিতর এমন একজনকে দেখা যায় যারা প্রকৃতরূপেই চান তার পর্দায় যাতে কোনো ফাঁক-ফোকড় না থাকুক।

বর্তমান যুগে পর্দার পোশাকের পেইজগুলোতে ঘুরলে দেখা যায় বাহারি রঙের পর্দা, নিকাব। কি এক সাধারণ হাত-পা মোজা ছিলো এখন তাতেও বাহারি নেট লাগানো, ফুল লাগানো। ঢাকনার জিনিস দিয়ে যেন প্রদর্শন'ই বেশি। সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হলো, চোখে লাগার মতন এইসব কেনার জন্যই দ্বীনি বোনেরা হুমড়ি খেয়ে পরেন। আমরা জামা-কাপড় কেনার ক্ষেত্রে আগে সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দি সবসময়। বেছে বেছে আকর্ষণীয় ড্রেসটাই কিনি যা পরলে সুন্দর দেখা যাবে।ঠিক সেইম থট পর্দার ক্ষেত্রেও খাটাই "যা পরলে সুন্দর লাগবে, সবার চেয়ে আলাদা করে তুলবে।" তাহলে আর পর্দা রইলো টা কোথায়? পর্দার সংজ্ঞা কি আসলেই তাই!

এক্ষেত্রে খুব সাধারণ একটা প্রশ্ন ফেইস করি যারা এই ধরণের পর্দা বিক্রি করছে এবং যারা পরছে তাদের কাছ থেকে, তা হলো – "পর্দায় যদি একটু সৌন্দর্যতা না নিয়ে আসি তবে বে-দ্বীন বোনেরা তো ইন্সপায়ার হবে না, আগ্রহী হবে না পর্দা করতে।" ব্যাপার টা এখন এমন হয়ে গেলো যে, পর্দাকেই মানুষের রুচির সাথে কম্প্রোমাইজ করতে হচ্ছে, যেখানে মানুষের উচিত ছিল পর্দার জন্য সব কম্প্রোমাইজ ও সেক্রিফাইস করা। লজিক দিতে দিতে এতই করুণ অবস্থা যে পর্দার সাথে খেলতামাশা শুরু হয়ে গেছে অথচ যা ছিল সম্মানীয়। অবশ্য ব্যবসায়ীদের দোষ দিয়ে লাভ নাই কারণ বোনেদের আগ্রহ এই সেক্টরে না থাকলে এত রমরমাভাবে বিজনেস কখনোই চলত না।

পর্দার কথা যেহেতু এনেছিই এক্ষেত্রে দ্বীনি পর্দানশীন সেলিব্রেটিদের কথা না আনলেই যেন না। আজকাল ইস-লা-মের দাও-য়াত দেওয়া ও বোনেদের পর্দায় আগ্রহী করার নামে কিছু বোন হাজার কয়েক ফলোয়ার নিয়ে বেড়ে উঠে প্রোফাইলে পর্দা করা পিক আপলোড করে। অথচ পর্দা মানেই তো ছিল লুকায়িত, অপ্রকাশিত। উনাদের রোল মডেল ভেবে অন্য দ্বীনি বোনেরা যেন নতুন করেই পর্দা করা শিখছে, তাদের ভাষায় ইন্সপায়ার হচ্ছে। অন্য বোনেদের পর্দা করা শিখাতে গিয়ে এই বাজারময় মিডিয়ায় এখন নিজেকেই তুলে ধরতে হচ্ছে। তাতে নফসের খাশেয়াত মিটে গিয়ে ক্ষতিটা হচ্ছে কার? দ্বীনি লেবাসের এই বোনেদের জন্য এখন করনীয় হচ্ছে কুর'আনের আয়াত বারংবার রিচেক দেওয়া এবং দেখা আল্লাহ সুব'হান ওয়াতাআ'লা পর্দা নিয়ে কি হুকুম দিয়েছেন আমাদের। বিশেষত একটা আয়াত তুলে ধরা যায়, "পূর্বের জাহেলী যুগের মতন সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না!" [সূরা আল-আহজাব, আয়াত-৩৩]

একচুয়েলি এখন হরেক রকম বোরকা নিকাব বেড়েছে ঠিক তেমন পরিহিতাও বেড়েছে কিন্তু পর্দা বাড়েনি, মোটেও বাড়েনি। উল্টো পর্দার উপর চলছে সাজগোছ। যতটুক চোখ খোলা থাকে তাতেও বোনেরা সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কাজল-আইলাইনার দেয়, হাত মোজার উপর আংটি, চুড়ি। বিবেককে প্রশ্ন করা উচিত, "আসলেই কি আল্লাহ'র সন্তুষ্টির জন্য পর্দা করছি নাকি, মানুষের চোখে ভালো লাগার উদ্দেশ্যে?"

একজন মুমিনার একমাত্র উদ্দেশ্য থাকবে শুধুমাত্র আল্লাহ'র হুকুম এবং সন্তুষ্টি। কারণ নারী যখন পর্দা করে তখন সে শুধু কাপড় না বরং সেই সম্মানিত আয়াতসমূহ দ্বারা নিজেকে মুড়িয়ে নেয় আর এই আয়াতের যথাযথ মর্যাদা রাখাই আমাদের বিধান, ফরজ বিধান। আল্লাহ তা'আলা আমাদের হেফাজত করুক

- যাহরাহ্ আয়াত!
কার্টেসী : মুহস্বানাত

এটা কি আমাদের সম্মানিতা বোনেরা বুঝেন? কেন যেন এক মিথ্যা র‍্যাট রেসের পেছনে ছুটে চলেন তারা, কালচারালি আমাদের ধ্বংস করা চে...
25/11/2025

এটা কি আমাদের সম্মানিতা বোনেরা বুঝেন? কেন যেন এক মিথ্যা র‍্যাট রেসের পেছনে ছুটে চলেন তারা, কালচারালি আমাদের ধ্বংস করা চেষ্টা তো বহু পুরোনো, শুধু মায়েদের শ্রেষ্ঠত্ব ধ্বংস করে দাও আর একটা জাতি এমনিতেই ধ্বংস 🙂
ওভারিয়ান রিজার্ভ টেস্টিং এর জন্য আমরা FSH, E2 টেস্ট করতাম। সম্ভবত: ২০০৮ বা ১০ এর দিকে আমিই প্রথম AMH টেস্টিং টা শুরু করলাম। সেই থেকে আজ পর্যন্ত যদি তুলনা করি তাহলে দেখা যাচ্ছে AMH এর লেভেল সাংঘাতিক ভাবে কমে গেছে অতি অল্প বয়সী মেয়েদেরও। এটি ডিম্বানু পরিমাপের একটি প্যারামিটার। বয়স একটি কারন যেখানে ডিম্বানু কমে যায়। ওভারিয়ান সার্জারী এবং জেনেটিক ফ্যাক্টর আছে। এনভায়রনমেন্টাল পলিউশন আর একটি উল্লেখযোগ্য কারন। সম্প্রতি আমি একটি গবেষণা শেষ করলাম এই Low AMH নিয়ে। কিছু হেভি মেটালের আধিক্য পাওয়া গেছে। তবে BPA এর সাথে স্ট্রং রিলেশন রয়েছে, যা প্লাস্টিক কনটেইনারে থাকে। BPA টেস্ট করেছি বলে অনেক ব্যয়বহুল রিসার্চ, তাই অল্প স্যাম্পল সাইজ নিয়ে করা হয়েছে।

যাই হোক, কি করা যায় এদের নিয়ে? পলিউশন প্রিভেনশন আমাদের এখতিয়ারে নেই। জেনেটিক সমস্যার সমাধান আমাদের হাতে নেই। কিন্তু প্লাস্টিক বর্জন আমাদের হাতের মুঠোয়। এদের চিকিৎসা কিভাবে করা যায়?

বাচ্চা নিতে দেরী না করা একটি সমাধান। আর একটি সমাধান হোল কুইক ট্রিটমেন্ট এবং ফার্টিলিটি প্রিজারভেশন। অবশ্যই সকলের জন্য সম্ভব নয়।

একটি অল্প বয়সী (২৮) ডাক্তার মেয়ের মাতৃত্ত্বের গল্প শোনাই। সে কেবল ইন্টার্ন শেষ করল। ক্যারিয়ারের কথা ভাবছিল। মনে হোল ওভারিয়ান রিজার্ভটা একটু টেস্ট করাবে। করাল। AMH টেস্ট করে পেল 0.04 ng/ml.
সাথে সাথে চলে এল। আমরা রিপিট করলাম, পেলাম 0.2 ng/ml. AMH লেভেল ল্যাব টু ল্যাব ভেরী করে। ডিফারেন্ট রেজাল্ট হলেও দু'টোই মাত্রাতিরিক্ত কম।তার সরাসরি আইভিএফ করা হোল। মাত্র চারটা ওভাম পাওয়া গেল। চারটাই ভাল এম্ব্রায়ও হোল। দু'টো ট্রান্সফার করা হোল, দু'টো ফ্রীজ করা হোল। সে ক্যারিয়ারের জার্নিটাকে স্থগিত রেখে মাতৃত্তের পথে হেঁটে আজ তার কন্যার জননী হোল। ভবিষ্যতের জন্য জমাও আছে।

যদি তার শুধু দু'টো এগ আসত তাহলে তাকে ট্রান্সফার না করে ফ্রীজ করে রাখা হোত। আবার স্টিমুলেশন দিয়ে এগ কালেক্ট করে ফ্রেস ট্রান্সফার করা হোত। প্রথমটা ভবিষ্যতের জন্য রেখে দেয়া হোত।

৩০ বছর বয়সের মধ্যে অনেক ডিম্বানু ঝরে যায়। মাত্র ১২% থাকে। ৪০ বছরে থাকে মাত্র ৩%. একমাত্র পিসিওএস ছাড়া সব পেশেন্টরাই তাই বিপদে পরে যায়।

মেয়েদের পড়াশুনার বয়স তাদের জীবনের সমান দীর্ঘ, কিন্তু প্রজনন বয়স একেবারেই সীমিত।

ডা. এম রাশিদা বেগম

31/10/2025
23/10/2025

‘পুরুষের চরিত্র হতে দ্বীন বিদায় নিলে তখন সেই পুরুষ শি-কারীতে পরিণত হয়। আর নারীর চরিত্রে দ্বীন না থাকলে সেই নারী শিকা-রে পরিণত হয়।’

- আতাউর রহমান নদভী (হাফি.)

Address

Dhaka

Telephone

+8801190719556

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Astha fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share