21/04/2026
এই লোক টা ক্যামরার সামনে তার স্ত্রীকে নিয়ে বলতেছে,
এই মেয়ের সাথে কোনো পুরুষ স"হ"বাস করতে পারবে না। এই মেয়ের শারীরিক চা*হিদা নাই। এই মেয়ের গো'পনা'ঙ্গে বড় মাংস বেড়েছে, অর্থাৎ সিস্ট যাকে বলে। এই মেয়ের কোনো উ"ত্তে'জনা নাই। তার সাথে আমি একবারও সহ'বা'স করতে পারিনি!
এভাবেই চিৎকার করে নিজের স্ত্রীর ব্যাক্তিগত কথা গুলো তীর্যক ভাবে বলছিলো এই বে'কু'ব পুরুষ।
ফরিদগঞ্জের গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়া এই ছেলের তার প্রথম স্ত্রীর সম্পর্কে কিছু কথা শুনে আমার চ'র'ম পাল্তু মনে হয়েছে।
পৃথিবীর কোনো সুপুরুষ এসব পার্সোনাল বিষয় প্রকাশ্যে বলতে পারেন না। বর্তমান যুগে অনেক মা বোনদেরই এই সমস্যা গুলো হয়। তার উচিত ছিলো চিকিৎসা করানো। সবমিলিয়ে কাজ না হলেও কোনো ভাবেই এসব প্রকাশ্যে বলা ঠিক না।
আমি একবার এক জ্ঞানী লোক তার স্ত্রী কে ডিভোর্স দিবেন। এই মর্মে তার একটা ইন্টারভিউ দেখেছি।
লোকটিকে আদালত জিজ্ঞেস করেছিলো আপনি আপনার স্ত্রীকে কেন ডিভোর্স দিবেন? তিনি উত্তরে বলেছিলেন আমি আমার স্ত্রীর ব্যাক্তিগত ঘটনা সবার সামনে খুলে বলতে পারবো না। এটা আমাদের ল"জ্জা"র বিষয়। আমার স্ত্রীর ব্যাক্তিগত ঘটনা আমার কাছে আমানত স্বরুপ। আমাদের বি*চ্ছেদ হওয়ার অধিকার আছে তাই বি"চ্ছেদ করবো।
বিচ্ছেদ হওয়ার পর লোকে এবার জানতে চাইলো, এবার তো সে তোমার স্ত্রী নয়। তার কি দো/ষ ছিলো এবার বলুন।
ভদ্রলোক এবার উত্তর দিলো, কোনো বেগানা নারীর ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার নেই। আমাদের প্রাইভেট ইস্যুতে দুজনেরই সম্মান জড়িয়ে আছে। আমি আমাদের ব্যাক্তিগত জীবন কে শ্রদ্ধা জানাই।
একজন গায়রতওয়ালা পুরুষ ঠিক এমনই হয়।
আর এই লোকটার কথা শুনে খুবই পা"ল্তু মনে হলো।
অবশ্যই ওনার ডিভোর্স দেওয়ার এবং দ্বিতীয় বিয়ে করার অধিকার রয়েছে, তবে তার কথা বার্তা শুনে অভ'দ্র এবং অমা*নুষ বলেই মনে হলো।
সবকিছুর একটা কৌশল আছে, পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত কৌশলে।