15/08/2026
কি ভাবছেন ?
এগুলো এআই দিয়ে তৈরি ছবি ?
না । এগুলো ১৯৪৬ সালে কলকাতা রায়টে নিহত মুসলিমদের ছবি।
এগুলো দুর্লভ ছবি ?
না । এগুলো পাবলিক ইমেজ। উইকি থেকে নিয়েছি। জাস্ট আপনাদের জানানো হয় না। তাই আপনারা জানেন না যে কলকাতা রায়টে কত মুসলিম জীবন হারিয়েছিল। তাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা আমাদের স্বপ্নের আজাদি পেয়েছিলাম।
আপনাদের পাঠ্যপুস্তকে কখনো জানানো হবে না যে সূর্য সেন যে অনুশীলন নামক সংগঠনের সদস্য ছিল, সেই অনুশীলন কতটা মুসলিম বিদ্বেষী ছিল।
আপনারা এটাও জানবেন না যে সূর্য সেন শুধু ইংরেজ নারী ও শিশুদের হত্যা করে নাই। সূর্য সেনের চোখের বহিরাগত বলতে শুধু ইংরেজ ছিল না। তার চোখে মুসলমানরাও বহিরাগত ছিল। তার দল চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে গুলি করে ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহকে হত্যা করে।
ঢাবির জিন্নাহ হলের নাম পাল্টিয়ে রাখা হল সূর্য সেন হল। ২৪ এর বিপ্লবের পরেও সেই হলের নাম বদলায় নাই। যেখানে আপনারা সূর্য সেন এর নামে থাকা হলের নাম বদলাতে পারেন না, সেখানে ভারতের দাসত্ব থেকে মুক্তি পাবেন কি করে ?
লীগ ফিরে আসলে ওই সূর্য সেন, ক্ষুদিরামের লিগ্যাসি ধরেই ফিরে আসবে।
কলকাতা রায়টে এভাবে মুসলিমদের লাশ রাস্তায় পড়ে ছিল। শকুনে খেয়েছে কিন্ত তবুও কবর দিতে দেয় নাই। এক দিনেই কলকাতাতে ২০ হাজার মুসলমান শহীদ হয়।
আর তাদের ত্যাগের বিনিময়ে পাকিস্তান তৈরি হয়। পাকিস্তান তৈরি হবার পরে মুসলিম লীগ ৫১ সালে জমিদারি প্রথা বাতিল করে। এরপর আপনি আমি জমির মালিক হই।
বিশ্বাস না হলে, আপনার জমির পর্চা আজ খুজে বের করেন। দেখবেন, আপনার জমির দাগ নাম্বার সি এস খতিয়ানে কোন হিন্দুর নামে ছিল। পাকিস্তান আপনাকে জমি দিয়েছে, নাগরিক বানিয়েছে। আর এই সব কিছু এই বনি আদমদের রক্তের বিনিয়মে পেয়েছেন।
আল্লাহ অকৃতজ্ঞদের পছন্দ করেন না। এতটা অকৃতজ্ঞ হয়েন না যে পাকিস্তানকে অস্বীকার করবেন।
আজকে যারা মসজিদে নামাজ পড়তে যাবেন, তারা অন্তত কলকাতা রায়টে শহিদ মুসলিমদের জন্য দোয়া করিয়েন।