TuTu umaiza

TuTu umaiza Used / Unused & 1/2 used fresh dress Paben amder TuTu Umaiza te ✅
Sell your fresh used dress with us 📩
Delivery charge advance | Courier all BD 🚚
(3)

23/05/2026

“কারো ক্ষতি করে কেউ কখনো শান্তিতে থাকতে পারে? 🙂
নাকি সময় একদিন সব হিসাব ফিরিয়ে দেয়…! 💔”

🌙✨ আপনার কী মনে হয়?

Send a message to learn more

মনে হচ্ছে না আমাদের দিকে তাকায় আছে??বিচার টা কইরেন প্লিজ.....
22/05/2026

মনে হচ্ছে না আমাদের দিকে তাকায় আছে??
বিচার টা কইরেন প্লিজ.....

21/05/2026

আপনেরা কি বলেন??

রামিসার ঘটনার খুব ছোট্ট একটা জিনিস শেয়ার করি যেটা মেয়ে সন্তানের অভিভাবকদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় আমার । রামিসার ঘ...
20/05/2026

রামিসার ঘটনার খুব ছোট্ট একটা জিনিস শেয়ার করি যেটা মেয়ে সন্তানের অভিভাবকদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় আমার ।

রামিসার ঘটনাটা পড়ার সময় আমি চিন্তা করছিলাম রামিসাকে ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়েছিলো কে ?

ধর্ষক সোহেল রানা ? কিভাবে ? চকলেটের লোভ দেখিয়ে ? অথবা ভিন্ন কিছু হলে সেটা কি!

কিন্তু আজ জবানবন্দিতে প্রকাশ হলো ,

"সোহেল রানা না বরং তার স্ত্রী স্বপ্নাই রামিসাকে ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে যায় । আদর করে বাসায় ঢুকায়ে তারপর দরজা লক করে দেয় । "

বাচ্চারা সাধারণত অল্পতেই মিশুক হয় । তাদের একটা চিপস, একটা পছন্দের খেলনা , একটা চকলেট দিয়ে বশ করে নেওয়া যায় ।

তারপর এসব যদি দেয় মেয়ে কেউ, তাহলে তো বশ করার তাবিজ আরও বেশি কাজ করে ।

গতকাল যখন ঘটনার বর্ণনা দিয়েছিলাম ,

'ধর্ষকের স্ত্রী ধর্ষণ করতে সহায়তা করেছে ,
রামিসাকে হ*ত্যা করতে সহায়তা করেছে ,
এমনকি রামিসার দেহ থেকে মাথা আলাদা করতেও সে সহযোগিতা করেছে -

তখন অনেকেই আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করেছে ,
একজন মেয়ে হয়ে কি আসলেই এরকম করা সম্ভব ?

আসলেই তা সম্ভব , তা-ই করা হয়েছে।

কলকাতার মেডিকেল কলেজের মৌমিতার ঘটনার কথা মনে আছে?

ধারণা করা হয়েছিলো , মৌমিতাকে যখন ধর্ষণ করা হচ্ছিলো তখন তার দুই সহকর্মী হাত চেপে ধরেছিল।

সেখানে একজন মেয়ে ছিলো । মৃত মৌমিতার পাশে এমন একটা ক্লিপ পাওয়া গিয়েছিলো যেটা মৌমিতার ছিলো না ।

মৌমিতাকে এত নিষ্ঠুরতম উপায়ে ধর্ষণ করা হয়েছিলো যে তার চোখের মণি থেকে পানির বদলে রক্ত বের হয়েছিলো ।

কার সামনে? একজন মেয়ের সামনে ।

রামিসাকেও যখন ধর্ষণ করেছিলো তার যোনী থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো ।

একজন মেয়ে হয়ে ধর্ষকের স্ত্রী স্বপ্নার এই ব্যথা বোঝার কথা । বাঁধা দেওয়ার কথা । স্বপ্না তা করে নি।

উল্টো এই নিষ্ঠুর নরপিশাচকে গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে ।

ইভেন কুমিল্লায় তনু হত্যার তদন্তের পর সিআইডি এখন সন্দেহ করছে , তনু হত্যায়ও একজন নারী জড়িত ছিলো ।

তিনজন পুরুষের সিমেন বাদেও তনুর জামায় আরেকজনের রক্ত পাওয়া গেছে সম্প্রতি ।

এসব ঘটনার পর একটা লাইন জেনারাইলাইজ করা হয় , ' মেয়েরাই মেয়েদের বড় শত্রু...

এটুকু কতটুকু সত্য অথবা কতটুকু মিথ্যা তা জেনারাইলজ করার ভার যার যার জীবন কেন্দ্রিক থাকুক ।

আমি আপাতত এটুকু বলতে চাই - শুধু মহিলা / নারী/ মেয়ে বলে আপনার সন্তানকে যার তার সাথে মিশতে দিবেন না ।

এখন আর শুধু পুরুষ নয় - নারীও এখন নিরাপত্তাহীনতার সিম্বল আপনার মেয়ের জন্য ।

আপনার বাচ্চাকে হরহামেশাই পাশের ফ্ল্যাটে চলে যেতে দিবেন না । ইভেন সমবয়সী ছেলে/ মেয়ে বাচ্চা থাকলেও ।

৬-১৪ বছর বয়সী মেয়েদের যারা যৌন নিপীড়ন হয় এদের বেশিরভাগকেই এই ব্যাড টাচ করা হয় খেলাধুলার ছলে , টিভিতে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখায়ে অথবা চকলেট/খেলনা দিয়ে বশ করে ।

এসব করে হরহামেশাই গ্রামে ধর্ষণ হচ্ছে । যারা দুয়েক বেলা পত্রিকার পাতা উল্টান তারা জানবেন ।

আপনার সন্তানকে কেউ আদর স্নেহ করবে ?
সমস্যা নেই । সেটা আপনার সামনেই করতে দেন ।

আপনার আড়ালে গিয়ে কারো বাসায় খেলা করা, কার্টুন দেখা এগুলা এখন রিস্ক জোন যদি সে বাসায় পুরুষ থাকে ।

এখনকার বাচ্চারাও অনেক আধুনিক । গতকাল একটা পোস্ট দেখলাম ,

' সমবয়সী এক বাচ্চা ছেলে তার মেয়ে ক্লাসমেটকে ব্যাড টাচ করে । অভিভাবককে বিচার দেওয়া হইলো।

অভিভাবক বাচ্চার সামনেই মেয়ের মা'কে উল্টো কাউন্টার দিতেছে , "বাচ্চারা অত বুঝে নাকি । এ বয়সে এসব হয় । আপনি এতো সিরিয়াস কেনো হচ্ছেন?"

ভাবতে পারেন? এই হইলো পুরুষ সন্তানদের অভিভাবকদের অবস্থা।

তাই বলি , আপনার সন্তানকে সময় দেন । রিলসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে তা'র সাথে খেলেন ।

সন্তানকে সতর্ক করেন - আপনি না থাকলে কারো কাছেই যাওয়ার দরকার নেই ।

না দোকানী মামার কাছে , না আসক্রিম মামার কাছে , না পাশের বাচ্চা ছেলে বন্ধুর কাছে ।

আপনার মনে হইতে পারে , এসব আচরণ অস্বাভাবিক ঠেকবে পরিচিত মানুষদের কাছে ।

আমি বলি ভদ্রতা তুলে রাখুন ফ্রিজে, তাজা থাকুক ।

জাস্ট এটুকু মাথায় রাখুন , আজকাল যা ঘটছে তাও কি আদৌ স্বাভাবিক কিছু ?

নাহয় এ কোন কলিযুগে আমরা বসবাস করি যেখানে মেয়েদের সহযোগিতায় মেয়ে ধর্ষণ করা হচ্ছে , হত্যা করা হচ্ছে!

শেষে এটুকুই বলি , Create your own safe-zone circle and live a safe life with your family.

' আলোকশূন্য নক্ষত্র'

20/05/2026

আছিয়া কে ভুলে গেলেন তার মামলা এখনো ঝুলছে আপিলে! কিছুদিন পর রামিসাকেও ভুলে যাবেন!

এই দেশের আইনকে আইনের আওতায় আনা দরকার

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।...
20/05/2026

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।

দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।

পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।

রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।

রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।

স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।

রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।

জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।

র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।

জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।

দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।

রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।

খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।

এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।

এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।

তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল

- Ibrahim Khalil Shawon

20/05/2026

Bon” মানে শুধু relation না…
একটা safe place, একটা best friend, আর হাজার রাগের মাঝেও লুকানো ভালোবাসা… 💖
এমন একটা bon যার আছে, সে কি সত্যিই পৃথিবীর সবচেয়ে lucky না? 🥹✨

Selling Price: মাত্র 800 টাকা (Fixed)✅ কোনো defect নাই📹 ভিডিও দেওয়া যাবে📩 নিতে চাইলে এখনই ইনবক্স করুন!🚚 Delivery charge ...
19/05/2026

Selling Price: মাত্র 800 টাকা (Fixed)

✅ কোনো defect নাই
📹 ভিডিও দেওয়া যাবে

📩 নিতে চাইলে এখনই ইনবক্স করুন!
🚚 Delivery charge advance applicable

Body Size: 40
Length: 44
Sleeves: 16
Payjama Length: 39

19/05/2026

“কত মানুষ একটা সন্তান পাওয়ার জন্য কত দোয়া করে, কত অপেক্ষা করে…! 🥺
অথচ কিছু মানুষ সন্তান পেয়েও তার মূল্য দেয় না, অবহেলা করে, অত্যাচার করে…💔
এমন মায়েরা ‘মা’ নামটারই কলঙ্ক।

Sahih Muslim এ এসেছে—
“যে দয়া করে না, তার প্রতি দয়া করা হয় না।” 🌸

সন্তান আল্লাহর সবচেয়ে সুন্দর আমানত…
তাদের ভালোবাসা, নিরাপত্তা আর মমতা দেওয়াটাই একজন সত্যিকারের মায়ের পরিচয়। 🤍

18/05/2026

বাবা মানেই নীরব যোদ্ধা…! ❤️
রোদ, বৃষ্টি, কষ্ট সব সহ্য করে শুধু পরিবারটাকে ভালো রাখতে চায়। 🥺

আপনাদের কাছে “বাবা” মানে কী? 💭
এক লাইনে বলুন তো…👇

🏆 আলহামদুলিল্লাহ 🏆আমাদের ছোট্ট রাজকন্যা “Baby Video Contest”-এ ১ম স্থান অর্জন করেছে 🥹👑যারা শুরু থেকে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার...
17/05/2026

🏆 আলহামদুলিল্লাহ 🏆
আমাদের ছোট্ট রাজকন্যা “Baby Video Contest”-এ ১ম স্থান অর্জন করেছে 🥹👑
যারা শুরু থেকে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে পাশে ছিলেন—আপনাদের ভালোবাসা আর সাপোর্ট ছাড়া এটা সম্ভব হতো না ❤️

বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের সকল পরিবার, বন্ধু ও Facebook-এর প্রতিটি মানুষকে যারা একটুও ক্লান্ত না হয়ে সাপোর্ট করেছেন 🤝💖
আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া 🌸

আমাদের মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন ভবিষ্যতেও এভাবেই হাসিখুশি আর সফল থাকতে পারে 🥰✨

Waziha Mart (এমন contest অংশ গ্রহণ করতে চাইলে তাদের Page Follow দিয়ে পাশে থাকবেন)

💕

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TuTu umaiza posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share