08/06/2026
আমরা সাধারণত ফ্রড এলার্ট বা এই সব গ্রুপে পোস্ট দিলে এই গুলা নিয়ে মাথা ঘামাই না। কারণ ফ্রড এলার্ট এই সব নিয়ে চিন্তা করার সময় বা এনার্জি কোন টাই নাই। যেখানে জার্সি ফ্রিক নিয়ে পোস্ট দেয় ভুয়া জার্সি সেল করে , সেখানে আমরা কোন ক্ষেত এর মুলা। দুইটা পোস্ট নিয়ে শুধু বলবো -
মেহেরাব নামের এক জনের নাম নাম্বার সহ অর্ডার করছিলো। তো আমাদের মডারেটর তার অর্ডার কনফার্ম এর ম্যাসেজে নাম নাম্বার ছাড়াই কনফার্ম করে ফেলে। সেইটা আমার যেমন ভুল কাস্টমার কে ফাইনাল ম্যাসেজেও দেখার পর জানায় নাই। তো উনি যখন প্রোডাক্ট পায় , সেখানে নাম নাম্বার ছাড়াই যায়। উনাকে পরবর্তীতে প্রোডাক্ট দিয়ে দিতে বলি বা নাম নাম্বার লেখে আরেকটা দিয়ে দিব। কিন্তু ইদের চাপ আর আমাদের রেগুলার অর্ডারের প্রেশারে উনার টা সমাধান করা হয় নাই। ইতিমধ্যে উনি আবার আমাদের গ্রুপের সালামি তে অংশগ্রহণ করে। আমরা আবার তাকে ১০০ টাকা সালামিতে দিয়ে দেই। সেই পর্যন্ত ঠিক ঠাক। এরপর উনি বলে জার্সি আর লাগবে না , ,বারতি টাকা টুকা যা আছে দিয়ে দেন। তো উনার থেকে নাম্বার নেওয়ার পর আমার মনে হইছে আমি টাকা দিয়ে দিছি , বিকাশ বা ব্যাংক থেকে। আমার কেন জানি মনে হইছে এইটা।এরপরেও উনাকে বলি আমি চেক করে জানাই। তো এর মধ্যে আর স্ট্যাটমেন্ট চেক করার সময় করে উঠতে পারি নাই। তো উনি এরপর শুরু করলো উনার খোঁচা মার্কা কথা বার্তা। আর শুরু হইলো গালি গালাজ।তো ভাই আমার জেল ফাঁস দেন সমস্যা নাই। আমাদের কে বয়কট করেন। সমস্যা নাই। কিন্তু আমাকে গালি গালাজ করে যাবেন। গায়ের বর্ণ নিয়ে কথা বলে , আমি এরে আর যাই হোক টাকা দিব না। এতে আমার ব্যবসায় বন্ধ হোক আর না হোক।
আল্লাহ আমারে কালা বানাইছে এইখানে আমার কি করার। ২০২৬ এ আইসা যদি গায়ের বর্ণ নিয়ে কথা শোনায় তাহলে কেমনে কি?
সাইফুল গাজি নিয়ে বলি।
ইদের আগে যারা অর্ডার করছে কিন্তু ইদের টাইমে ডেলিভারি দিতে পারি নাই।তাদের সবাইকে আমরা ফ্রি হোম ডেলিভারি দিয়েছি। বাসায় থেকে যারা নিয়ে গিয়েছে তারা ১০০ টাকা করে ডিসকাউন্ট পাইছে।তো আমাদের লিস্ট তো সব আগেই করা ছিলো। ১৯২ টা পার্সেল নতুন করে কারেকশন করা আমাদের পক্ষে পসিবল ছিলো না। তাই সবাইকে বলেছি যে ডেলিভারি ম্যান গেলে আমাদের কে ফোন দিতে বলবেন , আমরা কারেক্ট করে দিব প্রাইস। ১৯২ জনের মধ্যে ১৯০ জনের প্রাইস ই চ্যাঞ্জ করে দিয়েছি বা রিফান্ড করে দিয়েছি। আমি প্রমাণ দিতে পারবো। তো সাইফুল গাজি এর কাছে যখন পার্সেল যায় তখন প্রাইস চ্যঞ্জ করার জন্য রাইডার কে একটা ওটিপি যায় , সেইটা দেওয়ার মত অবস্থায় আমি ছিলাম না। তাই রাইডার কে বলি আপনি উনাকে বলেন , যে পেইজে বিকাশ নাম্বার দিলে এক্সট্রা টাকা রিফান্ড করে দিতে।কিন্তু উনি বলে এখন করে দিতে অথবা উনি মাল দিবে না। আটকাইয়া রাখবেন। ডেলিভারি ম্যান কেও গরমে বসায় রাখছে। আমি পরে ডেলিভারি ম্যানে কে বললাম আপনি প্রোডাক্ট রেখে চলে যান আমি দেখে নিব নি। বুক সমান দাঁড়ি ওয়ালা ভাই উনি।উনি মানুষের প্রোডাক্ট ফাও খাওয়ার জন্য আটকাইয়া রাখেন। পরে যখন বলছি উনার নামে পোস্ট দিব। এরপর টাকা দিয়ে দেয় বিকাশে।
এই হলো কাহিনী।কিন্তু এরা সবাই এখন ভালো সাজিবে।
ড