17/06/2026
ম্যাচের ৭০ মিনিটের দিকে লিওনেল মেসিকে যখন ডি-বক্সের ভেতর ফেলে দেওয়া হলো, ব্রডকাস্টিং ক্যামেরা তখন রদ্রিগো দি পলের দিকে তাক করেছিল। দি পল কাউকে হয়তো ইঙ্গিত করেছিলেন, "এই, আমি কিন্তু দেখেছি"। মেসির কিছু হয়েছে আর দি পলের সেটা নজর এড়িয়েছে, এটা কখনো হয়নি। বন্ধু হলে এমনই হতে হয়...
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা কেবল শুরু হয়েছে। কমেন্ট্রি বক্সে তখন দি পলের সেই ডিফেন্স চেড়া পাসের বন্দনা। আর্জেন্টিনা প্রথম গোলটা পেয়েছে দি পলের চার খেলোয়াড়কে বোকা বানিয়ে মেসির পায়ে তুলে দেওয়া বলের মাধ্যমেই। যেকোনো দিনে এই পাস বিশ্বমানের, এই বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট...
কমেন্ট্রিবক্সে কমেন্টেটররা যখন দি পলের বন্দনায় ব্যস্ত, একজন তার সোশ্যাল মিডিয়ার নামটাও তুলে ধরলেন- "লিওনেল মেসির বডিগার্ড"! এই নামে দি পলকে পুরো বিশ্ব চেনে। আচ্ছা দি পলকে কি কখনো দেখেছেন, এই নামে অখুশি হতে?? বরং তিনি এতে আরো গর্বিত হন...
আমাদের বন্ধুরা অনেক সময় আমাদের পরিচয়ও দেয় না। ক্লাসমেট, ব্যাচমেট, ইনস্টিটিউশনমেট- এমন নানা পরিচয়ে আটকে ফেলে। কেউ কেউ আরেক কাঠি সরেস- বলে বসে, "আমাদের পরিচয় আছে"!
দি পল সেখানে অবলীলায় 'বডিগার্ড' পরিচয় মেনে নিতে রাজি। শুধু তাই না, মেসির ক্লাবে খেলবেন বলে- মেসির সাথে সাথে থাকবেন বলে ক্যারিয়ারও স্যাক্রিফাইস করেছেন, এমএলএসে খেলছেন! বলি কী, যদি কারো বন্ধু হন বা হতে চান- রদ্রিগো দি পলের মতো হন!
Afnan peal