Miftah's Fashion

Miftah's Fashion It's an online business page where you'll get exclusive collections of dresses and many more products for ladies and gents.

Hope u'll satisfied with our products.

16/05/2024
28/10/2022

*** “একদিন সক্রেটিসের কাছে তার এক পরিচিত লোক এসে বলল, আপনি কি জানেন আপনার বন্ধু সম্পর্কে আমি কি শুনেছি?

সক্রেটিস তেমন আগ্রহী না হয়ে বললেন, এক মিনিট থামেন।
আমাকে কিছু বলার আগে আপনাকে ছোট্ট একটা পরীক্ষা পার হতে হবে; এই পরীক্ষার নাম ‘ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট’।

লোকটা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, ট্রিপল ফিল্টার!!!
এইটা আবার কি জিনিস?

সক্রেটিস বললেন, আমার বন্ধু সম্পর্কে আমাকে কিছু বলার আগে আপনি যা বলবেন তা ফিল্টার করে নেওয়া ভালো।
তিন ধাপে ফিল্টার হবে বলে আমি এটাকে 'ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট' বলি।

প্রথম ফিল্টার হলো ‘সত্যবাদিতা/Truthfulness.
আপনি কি নিশ্চিত যে আপনি যা বলবেন তা সত্য?

লোকটা বলল, না, আমি শুধু শুনেছি জাস্ট এতটুকুই।
পুরোপুরি সত্য কিনা, তা নিশ্চিত নই।

সক্রেটিস বললেন, ঠিক আছে।
তাহলে আপনি জানেন না এটা সত্য কিনা?

এবার দ্বিতীয় ফিল্টার। এই ফিল্টারের নাম হল ‘ভালোত্ব/Goodness.
আমার বন্ধু সম্পর্কে আপনি যা বলবেন তা কি ভালো কোনো বিষয়?

লোকটা একটু আমতা আমতা করে বলল,
না, ভালো নয়, খারাপ কিছু।

সক্রেটিস বললেন, তার মানে আপনি আমার বন্ধু সম্পর্কে এমন একটা খারাপ কথা বলতে এসেছেন যা আদৌ সত্য কিনা সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত নন।

আচ্ছা, আপনি হয়ত এখনো পরীক্ষায় পাস করতে পারেন। কারণ তিন নাম্বার ফিল্টার বাকি আছে।

এটা হল ‘উপকারিতা/Usefulness.
আমার বন্ধু সম্পর্কে আপনি যা বলবেন তা কি আমার বা আপনার কোনো উপকারে লাগবে?

লোকটি বলল, না, সেরকম না। এতে আমার বা আপনার কারোই উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

সক্রেটিস তখন শান্তভাবে বললেন বেশ, আপনি যা বলতে চান তা-
সত্য না,
ভালো কিছুও না,
আবার আমার বা আপনার কোনো উপকারেও আসবে না।

তাহলে কেনইবা আমরা এসব অহেতুক কাজে সময় নষ্ট করব? We shall try to use our time truthfulness, goodness and usefulness.
চলুন, সময়টাকে একটা ভালো কাজে ব্যয় করি।

লোকটা তাই আর কিছু না বলে চলে গেল।” ***
(Collected)

03/08/2022

#ইসলামী_প্যারেন্টিং_টিপ্স!
বাচ্চাকে একদম ছোট বেলা থেকেই ❝আল্লাহর❞ সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। ইন-শা~আল্লাহ! খুব দ্রুতই এর ভালো ফল, রহমত ও বরকত বুঝতে পারবেন।
❝কিভাবে পরিচয় করাবেন?❞
১। বাচ্চা যখন বুঝতে শিখে তখন থেকেই (বা তার কিছু আগে থেকেই) তাকে শেখানঃ ইসলামের ১ম স্তম্ভ কালেমা ❝লা~ ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ❞। বাচ্চাকে কালেমা মুখস্থ করিয়ে দিন। সাথে সাথে অর্থও বলে দিন ❝আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ/মাবুদ নেই। হযরত মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর রাসূল❞।
২। বাচ্চাকে এটা মুখস্থ করানোর চেষ্টা করুন অর্থসহ। মাঝে মাঝেই তাকে জিজ্ঞেস করুন ❝কালেমা কি?❞ তার সাথে রিপিট করুন।
৩। আস্তে আস্তে তাকে মাঝে মাঝে বলুন/শেখানঃ আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা'আলা) আমাদের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, লালনকর্তা। একটু একটু করে এগুলোর ব্যাপারে তার উপযোগী করে বোঝান।
৪। আল্লাহর পরিচয় নিজে জানার চেষ্টা করুন এবং বাচ্চাকে পরিচয় করিয়ে দিতে থাকুন।
৫। সেই সাথে একটু একটু করে ❝ইবলিশ/শায়তানের❞ পরিচয় দিন। কেন এবং কোন ঘটনার কারণে সে অভিশপ্ত হলো। তার কাজ কি? এগুলো তাকে জানান।
৬। বাচ্চাকে শেখান আমরা যা কিছু করবো, সব কিছুই আল্লাহকে খুশি করার জন্য করবো। কখনো দুষ্ট শয়তানকে খুশি করার মতো কোন কাজ আমরা করবো না।
৭। বাচ্চাকে শেখানোর চেষ্টা করুনঃ আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, শুধুমাত্র তার-ই ইবাদত করার জন্য। বাচ্চাকে ধারণা দিন ❝ইবাদত কি?❞
৮। বাচ্চাকে শেখান ❝ইবাদত❞ মানে হচ্ছেঃ আল্লাহর হুকুম জানা ও মানা, নবীজির (ﷺ) সুন্নাহগুলো জানা ও মানা। বাবা-মায়ের সাথে বেয়াদবি না করা। বাবা-মায়ের সাথে সুন্দর ব্যাবহার করা। সত্য কথা বলা। আল্লাহকে খুশি করা এবং দুষ্ট শয়তানকে খুশি না করা। ইত্যাদি।
৯। বাচ্চা যখন আরো একটু বড় হবে, তাকে ❝সূরা ইখলাস❞ এর অর্থ ও ব্যাখ্যা, তার উপযোগী করে বলা। এখান থেকে সে আল্লাহর ব্যাপারে আরো ভালো ধারণা পাবে। তার মনে অনেক প্রশ্ন আসবে। যেগুলোর উত্তর আমরা নিশ্চিত ভাবে জানি, সেগুলো তাকে বলবো।
১০। আমাদের ফাতিমা জিজ্ঞেস করতো। বাবা! আমি আল্লাহকে দেখতে চাই। আমি তাকে উত্তর দেইঃ আম্মু! দুনিয়াতে তো আমরা এই চোখ দিয়ে আল্লাহকে দেখতে পারবো না। আল্লাহ আমাদের সেই ক্ষমতা দেননি। তবে ইন-শা~আল্লাহ! জান্নাতে গেলে আমরা আল্লাহকে দেখতে পাবো।
১১। প্রতিটা মূহুর্তে প্রতিটা বিষয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার অভ্যাস বাচ্চাদের ছোট থেকেই করতে হবে। যেমনঃ সে নতুন জামা বা খেলনা পেলে, তাকে বলুনঃ আলহামদুলিল্লাহ! বলতে। আল্লাহকে থ্যাংক ইউ বলতে। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুনঃ আমরা যা কিছু পাই, সব কিছুই আল্লাহ তা'আলা দেন। তিনি না চাইলে আমরা কোন কিছুই পেতাম না।
১২। খাবার খাওয়ার সময় শুকরিয়া আদায় করুন। নতুন জামা পেলে শুকরিয়া আদায় করুন। বাসায় ভালো কিছু হলে শুকরিয়া আদায় করুন। বাচ্চাকে শেখান আল্লাহ তা'আলা সবকিছু আমাদের দেন।ক
১৩। বাচ্চা কোন কিছু চাইলে, তাকে বলুন সে যেনঃ হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করে। আল্লাহর কাছে চায়। তারপর আপনি তার যা প্রয়োজন সেটা দিন। এবং তাকে বলুন, আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে।
১৪। আল্লাহ তা'আলা যে, আমাদেরকে ভালোবাসেন। আমাদের দয়া করেন, রহমত দান করেন। এসব ব্যাপারে বাচ্চাকে ধারণা দিন।
১৫। এটাও ধারণা দিন, আমরা যদি দুষ্ট শয়তানকে খুশি করি, তাহলে আল্লাহ আমাদের উপর রাগ করবেন। কখনো আমরা ভুল করে ফেললে, আল্লাহর কাছে তাওবাহ করা শিখিয়ে দিন। তাকে বলুনঃ তাওবাহ করলে, আল্লাহ তা'আলা আমাদের মাফ করে দিবেন।

ইত্যাদি!!!
এভাবেই একটু একটু করে বাচ্চাকে একদম ছোট বেলা থেকেই আল্লাহর ব্যাপারে ধারণা দিন। আল্লাহর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। ইন-শা~আল্লাহ! একসময় নিজেই বুঝতে পারবেন, এরপর কিভাবে আগাতে হবে।
আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা'আলা) আমাদেরকে ও আমাদের সন্তানদেরকে হেদায়তে দান করুন। দ্বীনদার, মুত্তাকী ও পরহেজগার হিসেবে কবুল করুন। দ্বীনের দ্বায়ী হিসেবে কবুল করুন। আমীন!
(Collected)

21/06/2022

সৌদিতে প্রায় প্রতিদিন দুআর মধ্যে একটা কথা বলে, "আল্লাহ আমি ছাড়া তোমার আরও বান্দা আছে। কিন্তু আমার তুমি ছাড়া আর কোন রব নাই। আর কোন চাওয়ার জায়গা নাই।"

আরেক জায়গায় দুআ শুনেছিলাম, "আল্লাহ! তুমিই তো অভাবীদেরকে তাড়িয়ে দিতে নিষেধ করেছো। তাহলে এই অভাবীকে খালি হাতে কেন ফিরিয়ে দিবা?

অদ্ভুত লাগে! আল্লাহর কিছু বান্দা তার রবের সাথে কীভাবে বন্ধুর মত মন খুলে কথা বলে। কত সুন্দর করে চাইতে থাকে।

আর সেই মহান রবের ঘোষনা তো আছেই-
'কতই না উত্তম বন্ধু তিনি, কতই না উত্তম সাহায্যকারী।'
- সুরা হাজ্জ:৭৮

সুবাহান আল্লাহ ❤❤️

01/03/2022
কারো পাজেরো গাড়ি থামছে রাতের গভীরে নিষিদ্ধ পল্লীতে,  ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে...!@ কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্র...
13/10/2021

কারো পাজেরো গাড়ি থামছে রাতের গভীরে নিষিদ্ধ পল্লীতে,
ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে...!
@ কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্রীকে নিয়ে অবিরত স্বপ্নের জোয়ারে ভাসছে।
কেউ ভাবছে আর কয়েকটা দিন!
ডিভোর্স পেপারে সাইন করলেই মুক্তি।
@ কেউ একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ করে চলছে।
কেউ সন্তান ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাইছে।
@ কেউ একটা সন্তানের জন্য সারাটা জীবন হাহাকার করছে!
কেউ বছরে কতোজন ভালবাসার মানুষ বদলে ফেলছে!
@ কেউ শুধু একটা সত্যিকারের ভালবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করে চলছে।
কেউ দামি শাড়ি হাতে পেয়ে তবু খুশি নয়!
@ কেউ তাঁতের নতুন শাড়ির বারবার গন্ধ শুঁকছে।
কেউ লাখ টাকার ডাইনিং টেবিলে বসেও তৃপ্তি সহকারে ভাত খেতে পারছেনা!
@ কেউ পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কচলিয়ে গোগ্ৰাসে ভাত গিলছে।কারো দামি খাটে শুয়েও আবার ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে!
@ হিমেল হাওয়ায় কেউ অঘোরে ঘুমোচ্ছে।
কারো পড়ার টেবিলে নতুন বইয়ের সমারোহ কিন্তু পড়তে ইচ্ছে করছেনা।
@ কেউ পুরাতন বইয়ের দোকান চষে বেড়াচ্ছে, পকেট খালি বলে!
কেউ বিলাস বহুল গাড়িতে বসে চিন্তিত,
সন্তানগুলো মানুষ হলোনা!
এতো সম্পত্তি রাখতে পারবেতো?
@ কেউ পায়ে হেঁটে পথ চলছে, মনে মনে ভাবছে... সন্তানতো মানুষ করতে পেরেছি!
আল্লাহ চাইলে, ওরাই জীবনটা এখন গড়ে নিবে।
সত্যিই নানান রঙের মানুষ, নানান রঙের স্বপ্নের ঘুড়ি...! জীবনের নিজস্ব আলাপনে, বাস্তবতার হাত ধরে!!
সংগ্রহীত...

It's an online business page where you'll get exclusive collections of dresses and many more products for ladies and gents. Hope u'll satisfied with our products.

জরুরি কোভিড তথ্য :From Bikarna Kumar Ghosh sir ----পরিস্থিতি খুব কঠিন। এই পরিস্থিতিতে অকারণে panic না করে কয়েকটি কথা মন...
15/07/2021

জরুরি কোভিড তথ্য :
From Bikarna Kumar Ghosh sir
----
পরিস্থিতি খুব কঠিন। এই পরিস্থিতিতে অকারণে panic না করে কয়েকটি কথা মনে রাখুন।

1. Covid রোগীর গায়ে হাত দিলেই Covid ছড়ায় না...
এটি এক প্রকার Droplet infection. একমাত্র তার হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময়েই লালার সূক্ষ্ম কণিকার মাধ্যমে ভাইরাস তার শরীর থেকে বেরোতে পারে। এবং তাও আপনার গায়ে লাগলে, পিঠে লাগলে, এমনকি তা খাবারের সঙ্গে আপনার পেটে গেলেও আপনি আক্রান্ত হবেন না। ভাইরাস একমাত্র আপনার শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসে গেলেই সংক্রমণ সম্ভব।
তাই কোনো Covid রোগী মাথা ঘুরে পরে গেলে তাকে তুলতে গেলে আপনারও Covid হয়ে যাবে না। বিপদে পাশে থাকুন। তবেই আপনারও বিপদে মানুষকে পাশে পাবেন। শুধু মনে রাখবেন নাকে বা মুখে হাত দেবেন না। ভয় করলে Covid রোগীর সংস্পর্শে আসার পর হাত Alcohol Sanitizer দিয়ে Sanitise করে ফেলুন বা সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। খুব ভয় করলে পরনের পোশাক কেচে ফেলুন এবং স্নান করে নিন।

2. Covid হলেই মানুষ মরে না, এটি কোনো মারন ব্যাধি নয়। এর Death Rate দুই শতাংশেরও কম। কিন্তু Covid রোগী isolation-এ থেকে প্রচণ্ড ভাবে মানসিক ভাবেও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তার immunity বা অনাক্রমনতা কমে যায়। তাই রোগীকে সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার দিন এবং পরিচিতদের Covid হলে call করে, Video call করে, একসঙ্গে online games খেলে, movie suggest করে তাকে মাতিয়ে রাখুন।

3. বাড়িতে Covid Patient না থাকলে বাড়ির মধ্যে Mask পরে থাকবেন না। ঘর থেকে না বেরোলে মনের বিকার ঘটা এবং immunity কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তাই বিকেলবেলা রাস্তায় না, বাগান থাকলে সেখানে বা না থাকলে ছাদে একটু হেঁটে ও শরীর চর্চা করে আসুন। এতে ঘরে বসে বসে ওবেসিটির সম্ভাবনাও কমবে। (মনে রাখবেন শুধুমাত্র immunity boosting খাবার খেয়ে আদৌ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে না, প্রকৃতির সংস্পর্শে না এলে কখনোই বাড়বে না।) শরীরচর্চা করা বা নির্জন ছাদে হাঁটার সময় মাস্ক পড়বেন না। সাবধানতা অবলম্বনের এক দারুণ অস্ত্র Mask. কিন্তু এর Overuse করবেন না তথা বিনা কারণে (যেমন গাড়ি চালানোর সময় Helmet এর ভিতরে) পড়বেন না। এতে এমনিতেই আপনার শরীরে Oxygen এর ঘাটতি দেখা দেবে।

4. Oximeter থাকলে বিনা কারণে ঘন ঘন Saturation check করবেন না। এতে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বেন। একমাত্র জ্বর কিংবা অসুস্থ হলে check করবেন। 95 অবধি saturation খুব স্বাভাবিক। তাছাড়াও এই পরিস্থিতিতে Mask ব্যবহারের ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম দেখানোও একদমই অস্বাভাবিক না। Panic করবেন না।

5. রোগ না হয়ে থাকলে আগে থেকে ভয় পেয়ে ওষুধ কিনে বা অক্সিজেন সিলিন্ডার কিনে মজুত করে রাখবেন না। এও এক প্রকার কালোবাজারি। এতে যাদের প্রয়োজন তারা পাচ্ছেন না। দাম বেড়ে যাচ্ছে। after all সমগ্র মানবজাতির ক্ষতি করবেন না একা হাতে।

6. কোভিড সংক্রান্ত কোনো রকম সমস্যা হলেই নিকটবর্তী হাসপাতালে যান। সেখানে তৎক্ষণাৎ বেড না পেলেও আপনাকে Oxygen দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং Rapid Test করানো হবে।

7. কাপড়ের মাস্ক পরা, না পরা সমান। N95 এবং Sanitizer এখন essential commodities. তাই এদের দাম এখন বেঁধে দেওয়া। N95 এবং Sanitizer ব্যবহার করুন। Office-এ বা বাইরে থাকলে কিছুক্ষণ অন্তর হাত Sanitise করুন। একটু হাত ঘষে ফেলার মতো একটি ক্ষুদ্র অভ্যেস যদি আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে তাহলে তা করবেন না কেনো?
এ বিষয়ে Face Shield - ও একটি দারুণ সুরক্ষা প্রদানকরী বস্তু। ব্যবহার করতে পারেন।

8. Covid Virus এর কিন্তু ডানা নেই, উড়ে উড়ে ছড়ায় না এই রোগ। তাই প্রতিবেশীর বাড়িতে Covid হলে একদমই panic করবেন না। বরং তাকে সাহায্য করুন। ওষুধ, খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস ঘরের দরজায় পৌঁছে দিন। এতে আপনার Covid হবে না। ভয় করলে Mask, Face Shield, হাতে rubber gloves use করতে পারেন।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সাবধানতা অবলম্বন করুন। কিন্তু তাই বলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর থেকে সরে আসবেন না। মনে রাখবেন তাদের বিপদের আপনি দাঁড়ালে একদিন আপনার বিপদেও তারা দাঁড়াবে।
আর এটুকুতেই ভয় পাওয়ার আগে মনে রাখবেন ডাক্তার এবং নার্সরা হাজার হাজার কোভিড রোগীকে নিয়ে কাজ করছেন। তারা কিন্তু সবাই সংক্রমিত হয়ে যাচ্ছেন না। তাই আপনার প্রতিবেশী, বন্ধু, আত্মীয় বা পরিচিত কেউ আক্রান্ত হলে যতোটুকু সম্ভব সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

আবারও বলছি, সময়টা খুব কঠিন। মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। এখন আপনি হেলাফেলা করলে আপনার জীবন বা আপনার পরিবারের মানুষদের জীবনও কিন্তু হেলাফেলা হয়ে যেতে পারে।
তাই নিজের যত্ন নিন।
মানুষের পাশে থাকুন।
সাবধানে থাকুন।

[সংগৃহীত]

It's an online business page where you'll get exclusive collections of dresses and many more products for ladies and gents. Hope u'll satisfied with our products.

15/07/2021

Copied
পুরুষেরা যেদিন 'পৌরুষ' হারিয়েছে, নারীরা সেদিন 'হায়া' হারিয়েছে!
এক আলিমের ঘটনা, একদিন তিনি শুক্রবারে জুমআর আগে খুতবা তৈরি করছিলেন। সামনে কিতাবপত্র নিয়ে পড়াশোনা করছেন, নোট করছেন। শাইখের ছেলে সেসময় বাবার পাশেই খেলাধুলা করছিল। বারবার বাবাকে ডিস্টার্ব করছিল, শাইখ ও ছেলের দুষ্টামিতে কাজে মন দিতে পারছিলেন না। এদিকে জুমআর সময় ও আর বেশী নেই।তাই তিনি একটা ম্যাগাজিন খুলে সেখানে একটা পৃথিবীর মানচিত্রের ছবি দেখলেন। তিনি ম্যাগাজিন থেকে মানচিত্রটি কেটে নিলেন। সেটাকে এলোমেলো ভাবে কয়েক টুকরা করে ছেলের হাতে দিয়ে বললেন, যাও এই মানচিত্রের টুকরাগুলো জোড়া লাগিয়ে আনো, দেখি পারো কি না!
শাইখকে অবাক করে দিয়ে তার ছেলে কয়েক মিনিট পরই মানচিত্রের টুকরা গুলো জায়গামতো বসিয়ে নিয়ে এলো। শাইখ তো অবাক! ছেলের প্রতিভায় রীতিমত মুগ্ধ। তিনি মনে করেছিলেন এই করতে তার অনেক সময় লাগবে, এই ফাঁকে তিনি নিজের কাজ শেষ করে ফেলবেন! কিন্ত ছেলে তো পুরো ফাটিয়ে দিলো। তিনি খুবই কৌতূহল নিয়ে ছেলেকে জিগ্যেস করলেন, তুমি এটা কিভাবে করলে? ছেলে জবাব দিলো, আসলে মানচিত্রের পেছনে একটা মানুষের ছবি ছিলো। আমি মানচিত্র জোড়া লাগাইনি, মানুষ টা কে জোড়া লাগিয়েছি। হাত, পা, মাথা জায়গামতো বসিয়ে দিয়েছি, এতে করে অপর পাশের পৃথিবীর মানচিত্রের ছবি টাও অটোম্যাটিক জায়গামতো জোড়া লেগে গেছে। শাইখ মনে মনে ভাবলেন, তিনি আজকের খুতবার টপিক পেয়ে গেছেন।
'When the man come together, the World also comes together.'
সুতরাং এই ভাঙা পৃথিবী টাকে জোড়া লাগানোর জন্য উম্মাহর পৌরুষ ফিরিয়ে আনা ছাড়া কোনো উপায় নেই।
আজকাল অনেকে নারীদের বিপথে যাওয়া নিয়ে কথা তোলেন। দেখুন ভাই মেয়েরা কিভাবে বিপথে যাচ্ছে, পর্দা ছেড়ে দিচ্ছে, ফাহেশা কাজে লিপ্ত হচ্ছে। কিন্তু এটা একদিনে হয় নি। যেসব নারীরা বিপথে যাচ্ছে, তাদের আগে তাদের পুরুষরা বিপথে গিয়েছে। বিপথে যাওয়া নারীরা হায়া হারানোর আগে, এসব নারীদের দেখভালের দায়িত্ব নেওয়া তাদের পুরুষেরা হায়া, গীরাহ, পৌরুষ হারিয়েছে।
যে ভাইগুলো বলছে নারীরা বিপথে যাচ্ছে, সেই একই ভাইয়েরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সোস্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড দিচ্ছে। সেই ছবি তার হোয়াটসঅ্যাপ এর প্রোফাইল পিকচার হচ্ছে। তাই যাদের কাছেই তার ফোন নাম্বার আছে, তাদের কাছে এখন তার স্ত্রীর ছবি ও আছে। প্রতিদিন তার স্ত্রীর ছবি অন্যরা দেখছে।
এক ভাই একদিন আমার কাছে এলেন, তার স্ত্রীকে নিয়ে। হাসতে হাসতে নিজের স্ত্রীকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে। আমি বিব্রত হয়ে কোনোমত সালাম দিলাম। কিন্তু সেই মহিলা হাসতে হাসতে আমার দিকে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়িয়ে দিল। আর পাশে স্বামী নির্লজ্জ এর মতো তখনো হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমি কাকে দোষ দিব? পৌরুষহীন এই ভাই কে? নাকি তার স্ত্রীকে?
রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, এমন তিন ব্যাক্তি আছে, যাদের দিকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কিয়ামতের দিন তাকাবেন না। তারা হচ্ছে, ১/যে পিতামাতার অবাধ্য, ২/যে নারী বেশভূষায় পুরুষের অনুকরণ করে, ৩/ দাইয়ুস ব্যাক্তি। (নাসাঈ - ২৫৬২)
এখানে দাইয়ুস হলো সেই পুরুষ, যে তার অধীনস্থ নারীদের (মা, বোন, স্ত্রী, মেয়ে) ব্যভিচার, ফাহেশা কাজে বাধা দেয় না তারা পর্দা করছে না, এটা তার গায়ে লাগে না। তার স্ত্রী পরপুরুষের সাথে হেসে হেসে কথা বলছে, এতে তার গা জ্বলে না। সে এমন ব্যাক্তি, যে তার পৌরুষ হারিয়েছে। এই উম্মাহর একজন রিজাল (সত্যিকারের পুরুষ) উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তখন ও পর্দার আয়াত নাযিল হয় নি। তিনি আল্লাহর রাসুল সাঃ এর কাছে গিয়ে বলছেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ সাঃ! আপনার কাছে ভালোমন্দ সব ধরনের লোকেরা আসে। আপনি যদি আপনার স্ত্রীদের পর্দা করার আদেশ দিতেন। বাইরের কেউ উম্মুল মুমিনীদের দেখবে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কাছে এটা পছন্দ হচ্ছিল না। ওয়াল্লাহি! স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা, এরপর পর্দার বিধান নাযিল করে আসমান থেকে কুরআন পাঠালেন (সূরা আহযাবের ৫৩ নং আয়াত) নবি নয়, কিন্তু উম্মাহর একজন সত্যিকারের রিজাল, একটা মতামত দিয়েছেন, যার সমর্থনে স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কুরআন নাযিল করেছেন। এমনই ছিলো উম্মাহর পুরুষেরা, তারাই ছিলো Real man.
আরেকবার তো একজন আলিম আমাকে (মোহাম্মদ হোবলস) বলেছেন, ভাই! আপনার দাওয়া ভিডিও তে নারীদের আনেন না কেন? আপনার উচিত নারীদের কে ও নিয়ে আসা। আমি বিস্মিত হই, হতবাক হয়ে চেয়ে আছি, এ কি বলছেন আপনি? আচ্ছা আপনি মেনে নিবেন? আপনার স্ত্রী আমার সাথে বসে খোশগল্প করছে? হাসাহাসি করছে? আর সেটা ভিডিও হচ্ছে, সারা দুনিয়ার মানুষ তা দেখছে!!
আমাদের নারীরা হায়া হারানোর আগে উম্মাহর পুরুষরা হায়া হারিয়েছে। হায়া এটা কোনো সহজ বিষয় নয়। সমস্ত ইংরেজি ভাষায় এমন কোনো শব্দ নেই, যেটা এই হায়া শব্দটার যথার্থ অর্থ প্রকাশ করতে পারে! ওলামারা বলেন, যার অন্তরে হায়া নেই, তার মরে যাওয়াই শ্রেয়।
আর আজ এই উম্মাহর পুরুষরা হায়া হারিয়েছে, সাথে তাদের অধীনস্থ নারীরাও বিপথে গিয়েছে। এই উম্মাহকে আবার তার আগের অবস্থায় জুড়ে দিতে হলে, আগে এই উম্মাহর পুরুষ দের সত্যিকারের পুরুষ হয়ে উঠতে হবে।
(মোহাম্মদ হোবলস এর লেকচার থেকে নেওয়া।)
- আমিনুল ইসলাম

Address

Dhaka
1207

Telephone

+8801533346859

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miftah's Fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Miftah's Fashion:

Share

Category